প্রচ্ছদ    HT All Article   মুসলিম বিশ্বের পরাজয়ের ছয় কারণ

মুসলিম বিশ্বের পরাজয়ের ছয় কারণ

১৭ এপ্রিল ২০২৪ ১২:৩৬ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

এ কথা বলার অপেক্ষা  রাখে না- মুসলিম বিশ্ব আজ আক্রান্ত। প্যালেস্টাইন থেকে মিয়ানমার, ইরাক থেকে আফগানিস্তান, সিরিয়া থেকে লিবিয়া, সবখানেই মুসলিমরা আজ নির্যাতনের শিকার। মুসলিম বিশ্ব মানেই যেন লণ্ডভণ্ড ঘরবাড়ি, অসহায় শিশু, ক্ষুধার্ত মুখ, উদ্বাস্তু জীবন, বাঁচার জন্য আকুতি, অপমান আর লাঞ্ছনা।
কিন্তু প্রশ্ন হলো, একদা যেই জাতিটি শিক্ষায় , সভ্যতায়, জ্ঞান-বিজ্ঞানে, আবিষ্কারে, অর্থনৈতিক স¶মতায়, সামরিক শক্তিতে বিশ্বের সেরা জাতি ছিল, সেই জাতির আজ এই শোচনীয় পরিণতির কারণ কী? আসুন ব্যাখ্যা করা যাক।
জাতি নেই
মুসলিম জাতি একদা ছিল লৌহকঠিন ঐক্যবদ্ধ জাতি। রসুল (সা.) ও তাঁর সাহাবীদের অকল্পনীয় কুরবানি ও সংগ্রামের মাধ্যমে আটলান্টিকের তীর থেকে চীন সীমান্ত, উত্তরে উরাল পর্বতমালা থেকে দক্ষিণে ইন্দোনেশিয়া পর্যন্ত বিশাল এই জনগোষ্ঠী ছিল ঐক্যের বলে বলিয়ান। কিন্তু সেই জাতি আর নেই। এখন আমরা মুসলিম বলে যে জনগোষ্ঠী দেখতে পাই, তাদের মধ্যে ঐক্যের লেশমাত্রও নেই। এরা সংখ্যায় ১৮০ কোটি হলেও তাদের জাতীয় পরিচয় আর মুসলিম নেই। তারা এখন ৫৭টার মতো ভৌগোলিক রাষ্ট্রে আলাদা আলাদা জাতীয় পরিচয়ে বিভক্ত। প্রত্যেকটা মুসলিম দেশের আছে আলাদা আলাদা সংবিধান, আলাদা সরকার, আলাদা আইন। যার যার দেশের স্বার্থই তাদের কাছে মুখ্য। প্রতিবেশী দেশের মুসলমানরা ধ্বংস হলেও তাদের কোনো বিকার নেই। তবে শুধু ভৌগোলিক জাতিরাষ্ট্রই নয়, এছাড়াও ধর্মীয়ভাবে তারা শিয়া, সুন্নি, হানাফি, হাম্বলি ইত্যাদি শত শত মাজহাবে, ফেরকায় বিভক্ত এবং আধ্যাত্মিকভাবেও বিভক্ত বিভিন্ন তরিকায়। এছাড়াও মানুষের তৈরি বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করার ফলে রাজনৈতিকভাবেও তারা বিভিন্ন দলে-উপদলে বিভক্ত। এই অনৈক্য আজ মুসলিম বিশ্বকে এতটাই দুর্বল করে রেখেছে যে, সংখ্যায়, আয়তনে, প্রাকৃতিক সম্পদে শক্তিশালী হবার পরও তারা সর্বত্র লাঞ্ছিত, অবহেলিত ও নির্যাতিত হচ্ছে। তাদের দেশগুলো অন্যায়ভাবে ধ্বংস করে ফেললেও তারা কোথাও বিচার পাচ্ছে না।
নেতা নেই
এই উম্মাহর পরাজয়ের দ্বিতীয় কারণ হলো তাদের কোনো অবিসংবাদিত নেতা নেই। মুসলিম উম্মাহ কখনও নেতাহীন থাকতে পারে না। বিশ্বনবী হজরত মোহাম্মদ (সা.) ও তাঁর সাহাবীগণ কখনও নেতাহীন ছিলেন না। যখন মহানবী (সা.) আরব উপদ্বীপে আল্লাহর হুকুম প্রতিষ্ঠা করে ইন্তেকাল করলেন, তখন সঙ্গে সঙ্গে সাহাবীগণ তাদের জাতির নেতা বা ইমাম হিসেবে আবু বকর (রা.) কে গ্রহণ করে নিয়েছিলেন। এরপর পর্যায়ক্রমে অন্যান্য খলিফাগণ জাতির কেন্দ্রীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সাহাবীরা কখনও কল্পনাও করতে পারতেন না যে, তাদের কোনো কেন্দ্রীয় নেতা থাকবে না। কিন্তু আজ মুসলিম জাতির কোনো কেন্দ্রীয় নেতা বা ইমাম বা আমিরুল মু’মিনিন নেই। ফলে অভিভাবকহীন এই জনগোষ্ঠীকে যে যেভাবে পারছে, আঘাত করছে। আর এই জনগোষ্ঠীও উদ্ভ্রান্তের মতো একেকজন একেকদিকে ছুটছে। কখনওবা নিজেরাই নিজেদের সঙ্গে মারামারিতে লিপ্ত হচ্ছে।
আকিদা নেই
মুসলমানদের পরাজয়ের অন্যতম বড় কারণ ইসলামের আকিদা ভুলে যাওয়া। এই জাতি ভুলে গেছে তাদেরকে কেন একটি ঐক্যবদ্ধ, সুশৃঙ্খল, সংগ্রামী জাতি হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল। বিশ্বনবী মোহাম্মদ (সা.) এর আগমন হয়েছিল সারা বিশ্বের মানুষকে ন্যায়ের প¶ে ঐক্যবদ্ধ করে মহাজাতিতে পরিণত করার জন্য। তিনি ও তাঁর সাহাবীদের উদ্দেশ্য ছিল এমন পৃথিবী বিনির্মাণ করা যেখানে থাকবে না যুদ্ধ-সংঘাত, থাকবে না গায়ের রঙের ভিত্তিতে বা ভাষার ভিত্তিতে বা অঞ্চলভেদে মানুষে মানুষে কোনো ভেদাভেদ। কিন্তু সেই আকিদা এখন হারিয়ে গেছে। বর্তমানে মুসলিম উম্মাহর সামনে সামষ্টিক কোনো ল¶্য উদ্দেশ্য (আকিদা) নেই। দুনিয়া ইবলিশের হাতে ছেড়ে দিয়ে মুসলমানরা এখন পরকালের মুক্তির আশায় নামাজ রোজা, হজ্ব ইত্যাদি আনুষ্ঠানিকতা পালন করে চলেছে।
জেহাদ নেই
রসুল (সা.) এর আগমনের উদ্দেশ্য ছিল সমস্ত পৃথিবীতে আল্লাহর দেওয়া সত্যদীন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে পৃথিবী থেকে অন্যায় অবিচার যুদ্ধ রক্তপাত নির্মূল করে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। (ফাতাহ ২৮, সফ ৯, তওবা ৩৩) এই মিশন বাস্তবায়নের জন্য রসুল (সা.) মাত্র দশ বছরের মধ্যে ৭৮টা যুদ্ধ করেছিলেন। তিনি জানতেন এতবড় মিশন একজন মানুষের এক জীবনে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। তাই তিনি একটি সামরিক জাতি গড়ে তুলেছিলেন, যারা তাদের নেতা মোহাম্মদ (সা.) এর সঙ্গে থেকে প্রতিটা যুদ্ধে অংশ নিয়ে বুঝেছিলেন কীভাবে সংগ্রাম করতে হবে। নেতার ইন্তেকালের সঙ্গে সঙ্গে সেই জাতিটি আরবভূমি থেকে বহির্বিশ্বে বেরিয়ে পড়েছিলেন তওহীদের পতাকা নিয়ে। সেই সাহাবা-আজমাইনদের সংগ্রামের ফলে অর্ধপৃথিবীতে আল্লাহর সত্যদীন প্রতিষ্ঠা হয়। মানুষ দরজা খুলে ঘুমানোর মতো নিরাপদ সমাজ পায়। কিন্তু রসুল (সা.) এর ইন্তেকালের ৬০/৭০ বছর পর, সাহাবীদের যুগের পরবর্তী যুগে জাতি তাদের জীবনের উদ্দেশ্য ভুলে যায়। বাকি পৃথিবীতে আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম বাদ দিয়ে, অস্ত্র ছেড়ে তসবিহ নিয়ে একদল খানকায় ঢুকে সুফি-দরবেশ হবার সাধনা শুরু করে, আরেকদল খাতা-কলম নিয়ে আল্লাহর কিতাব ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণের কাজে লেগে পড়ে। ফলে একদিকে সুফি দরবেশ তৈরি হতে থাকে, আরেকদিকে মুফতি, মাওলানা, মুহাদ্দিস, মুফাসসির তৈরি হতে থাকে, কিন্তু মুজাহিদ তৈরি হবার পথ রুদ্ধ হয়ে যায়। জেহাদ ছেড়ে দেওয়ার সেই আত্মঘাতী সিদ্ধান্তের ফল আজ মুসলিম জাতি ভোগ করছে শত্রুর কাছে পরাজিত হয়ে ও গোলামী করে। আল্লাহ বলেছিলেন- যদি তোমরা অভিযানে বের না হও তাহলে তোমাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি দিব এবং তোমাদের স্থলে অন্য জাতিকে স্থলাভিষিক্ত করব। (তওবা: ৩৯) আজ মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকিয়ে দেখুন আল্লাহর এই হুঁশিয়ারির বাস্তবায়ন হয়েছে কিনা?
তওহীদ নাই
মুসলিমরা যদি একটা দেহ হয়ে থাকে, তাহলে সেই দেহের প্রাণ হলো তওহীদ। তওহীদ হলো আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে হুকুমদাতা, বিধানদাতা হিসেবে না মানা। ১৪০০ বছর আগে রসুল (সা.) ও তাঁর সাহাবীদের সংগ্রামের মাধ্যমে যে উম্মাহ গড়ে উঠেছিল সেই উম্মাহ জীবনের সর্বাঙ্গনে আল্লাহর দেওয়া বিধানে পরিচালিত হতো। কিন্তু বর্তমানে মুসলিমরা তাদের জাতীয় জীবন থেকে আল্লাহর দেওয়া বিধান বাদ দিয়ে পশ্চিমা বস্তুবাদী সভ্যতার দেওয়া বিধান শিরোধার্য করে নিয়েছে। অর্থাৎ জাতীয় জীবনে আল্লাহকে তারা হুকুমদাতা হিসেবে মানছে না। আল্লাহর সঙ্গে শিরক করছে। কিন্তু ব্যক্তিগত জীবনে নামাজ রোজা ইত্যাদি চালিয়ে যাচ্ছে। সহজ ভাষায় বললে- এই উম্মাহ এখন ব্যক্তিগত জীবনে ইলাহ মানছে আল্লাহকে, কিন্তু জাতীয় জীবনে ইলাহ মানছে মানুষকে। এভাবেই কার্যত শিরক ও কুফরে ডুবে আছে অধিকাংশ মুসলিমরাই। ফলে আল্লাহর সাহায্য থেকে তারা হচ্ছে বঞ্চিত। কারণ আল্লাহ সব অপরাধের ¶মা করেন, কিন্তু শিরক ¶মা করেন না।
কর্মসূচি নেই
মুসলিম বিশ্বের অধঃপতনের আরেক কারণ আল্লাহর দেওয়া কর্মসূচি হারিয়ে ফেলা। আল্লাহর রসুল এক হাদিসে বলেন- “আল্লাহ আমাকে পাঁচটি কাজের দায়িত্ব দিয়েছিলেন, আমি তোমাদেরকে সেই পাঁচটি কাজের দায়িত্ব দিয়ে যাচ্ছি। সেগুলো হলো- ঐক্যবদ্ধ হও, নেতার আদেশ শোনো, নেতার আদেশ মানো, হেযরত করো, জেহাদ করো।” আল্লাহর রসুল আরও বলেন- যে বা যারা এই ঐক্যবন্ধনী থেকে এক বিঘত দূরে সরে যাবে তাদের গলা থেকে ইসলামের রশি খুলে যাবে। যারা এই কর্মসূচির বাইরে অন্য কোনো কর্মসূচির দিকে ডাকবে- তারা জাহান্নামের জ্বালানিপাথর হবে, যদিও তারা নামাজ পড়ে, রোজা রাখে ও নিজেকে মুসলিম বলে দাবি করে।” [আল হারিস আল আশয়ারী (রা.) থেকে আহমদ, তিরমিযি, বাব উল এমারাত, মেশকাত]
পাঠক, আল্লাহ ও রসুলের দেওয়া সেই পাঁচ দফা কর্মসূচি আজ কোথায়? কোথায় মুসলিমদের ঐক্য? কোথায় নেতার আদেশ শোনা ও মানা? যেখানে নেতাই নাই সেখানে আদেশ শোনা ও মানার প্রশ্ন আসে কি? কোথায় হেযরত? কোথায় জেহাদ? এক কথায় জবাব- আল্লাহর দেওয়া কর্মসূচি এই জাতি বহু আগেই বাদ দিয়েছে। মুসলিমরা এখন পশ্চিমা সভ্যতার তৈরি বিভিন্ন কর্মসূচি অনুযায়ী তাদের জীবন পরিচালনা করছে। এমনকি তথাকথিত ইসলামী দলগুলোও তাদের নিজ নিজ দলীয় কর্মসূচি নিজেরাই বানিয়ে নিয়েছে। অথচ, আল্লাহর রসুল বলেছিলেন- আল্লাহর দেওয়া কর্মসূচি থেকে এক বিঘত দূরে সরে গেলেও গলা থেকে ইসলামের রশি খুলে যাবে।
এত¶ণে আমরা নিশ্চয়ই বুঝে গেছি, মুসলিমদের বিশ্বজোড়া অধঃপতন ও পরাজয়ের অন্তর্নিহিত কারণগুলো কী কী। কখনও কি ভেবে দেখেছেন- আজ যদি সারা বিশ্বের ১৮০ কোটি মুসলমান একজন নেতার অধীনে তওহীদের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ থাকত এবং আল্লাহর দেওয়া কর্মসূচি মোতাবেক পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অবতীর্ণ হতো, তাহলে তাদের সামনে কোনো অত্যাচারী শক্তি এক সেকেন্ডের জন্যও দাঁড়িয়ে থাকতে পারত কি? পারত না। মুসলিমদের উপর কেউ নগ্ন অত্যাচার করতে পারত না এবং বিচারের জন্য মুসলিমদেরকে বেইজিং মস্কো নিউইয়র্কে গিয়ে ধরনা দিতে হতো না, বরং মুসলিমরাই হতো পৃথিবীর শান্তি ও নিরাপত্তার রক্ষক। তাদের মাধ্যমে মানবজাতি পেত সত্যিকারের মানবাধিকার ও স্বাধীনতা। আল্লাহ যেন মুসলিম উম্মাহকে পুনরায় সঠিক পথের দিশা প্রদান করেন।
[লেখক: গবেষক ও প্রাবন্ধিক
যোগাযোগ: ০১৬৭০১৭৪৬৪৩, ০১৭১১০০৫০২৫, ০১৭১১৫৭১৫৮১]

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
 ১ মে ২০২৬    HT All Article

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article
পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমিয়েছে চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন
চীনে প্রতি ১০ কর্মদিবস অন্তর বৈশ্বিক তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নতুন দামে ৫০ লিটার জ্বালানি কিনতে এখন চালকদের প্রায়…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    মতামত

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা
রিয়াদুল হাসান গৌড়ের রাজ দরবারে চাচা কুতুব খানের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ দাসত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে সুলতান তাজ খান কররানির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন যুবক ঈসা খাঁ ও ইসমাইল…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!
শাহাদৎ হোসেন:বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো এই মাটির কৃষক। কৃষকদের আমরা বলি, সব সাধকের বড় সাধক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারা যে ফসল ফলায়,…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!
কথক দা: আমরা যেন আইয়্যামে গুজবে বাস করছি। অপতথ্য আর অপসংবাদের ভীড়ে কোনটা সত্য আর কোনটা অর্ধসত্য এবং কোনটা মিথ্যা তা বোঝা খুবই মুশকিল। একসময়…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান
এম আর হাসান:খুররম খান পন্নী ছিলেন উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইতিহাসের এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর জীবন ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান পর্ব এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ- এই তিনটি…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?
শাহাদৎ হোসেন:ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘ ৪৭ বছরের শীতল সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে। গত ১১ এপ্রিল দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে যে…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ
ওবায়দুল হক বাদল:আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে বড় অঙ্কের ব্যয় নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার। এসব খাতে ২ লাখ…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?
মুস্তাফিজ শিহাব:বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকালে এক চরম বৈপরীত্য চোখে পড়ে। একদিকে রয়েছে বিপুল জনশক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য এবং অন্যদিকে চরম অবমাননা…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article