প্রচ্ছদ    HT All Article   রসুলাল্লাহর প্রকৃত সুন্নাহ আজ পরিত্যক্ত

রসুলাল্লাহর প্রকৃত সুন্নাহ আজ পরিত্যক্ত

১৫ জুন ২০২৩ ০৫:১৫ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

সুন্নাহ একটি আরবি শব্দ যার আভিধানিক অর্থ রীতি, নিয়ম, পথ, পন্থা, পদ্ধতি, আদেশ ইত্যাদি। সুরা ফাতাহর ২৩ নং আয়াতে আল্লাহ বলেছেন, “সুন্নাতাল্লাহ উল্লাহতি ক্বাদ খালাত্ মিন্ ক্বাবলু ওয়া লানতাজিদা লেস্ সুন্নাতেল্লাহে তাবদিলা” অর্থ এটাই আলস্নাহর রীতি, যা পূর্ব থেকে চালু আছে। তুমি আলস্নাহর রীতিতে কোন পরিবর্তন পাবে না”। এই আয়াতে আল্লাহ তাঁর নিজের ক্ষেত্রে সুন্নাহ শব্দটি ব্যবহার করেছেন, যার বাংলা অনুবাদ করা হয়েছে, “আলস্নাহর রীতি”। ইংরেজী অনুবাদ করা হয়েছে “Way of Allâh” অর্থ আলস্নাহর রীতি। আব্দুল্লাহ ইউসুফ আলী ও মারমাডিউক পিকথল সুন্নাহ শব্দের অনুবাদ করেছেন “the practice (Approved) of Allah”  অর্থ আল্লাহ রীতি, চর্চা, কর্ম ইত্যাদি।

রসুলের সুন্নাহ কি?

আদম (আ.) থেকে শুরু করে শেষ নবী মোহাম্মদ (দ.) পর্যন্ত আল্লাহর যতো নবী রসুল (আ.) মানবজাতির পথ প্রদর্শনের জন্য পাঠিয়েছেন তাদের প্রত্যেককেই যে মূল-মন্ত্র দিয়ে পাঠিয়েছেন তা হচ্ছে তওহীদ, আলস্নাহর সার্বভৌমত্ব। স্থান, কাল ও পাত্রের বিভিন্নতার কারণে দীনের অর্থাৎ জীবনব্যবস্থার আইন-কানুন, দন্ডবিধি, এবাদতের পদ্ধতি ইত্যাদি বিভিন্ন হয়েছে কিন্তু ভিত্তি, মূলমন্ত্র একচুলও বদলায় নি। এই সার্বভৌমত্বের, তওহীদেরই অপর নাম সেরাতুল মুত্মকীম, দীনুল-কাইয়্যেমা, চিরন্তন, শাশ্বত, সনাতন জীবন পথ। প্রেরিত প্রত্যেক নবী-রসুলকে আল্লাহ এই দায়িত্ব দিয়েছেন তারা যেন তাদের নিজ নিজ জাতিকে এই তওহীদের অর্থাৎ আল্লাহ সার্বভৌমত্বের অধীনে নিয়ে আসেন। নবী-রসুলদের আগমনের এই ধারাবাহিকতায় আল্লাহ যাঁকে শেষ নবী হিসেবে পাঠালেন তিনিই হচ্ছেন আমাদের নেতা মোহাম্মদ (দ.) বিন্ আবদাল্লাহ। পূর্ববর্তী সমস্ত নবী রসুলদের সঙ্গে-তাঁর পার্থক্য হলো এই যে, পূর্ববর্তী নবীদের দায়িত্ব সীমিত ছিল তাঁদের যার যার জাতি, গোষ্ঠি, গোত্রের মধ্যে আর এর উপর আল্লাহ ভার দিলেন সমগ্র পৃথিবীর মানুষকে এই তওহীদের ছত্রছায়ায় নিয়ে আসার। আলস্নাহ বললেন আমি আমার রসুলকে সঠিক পথ প্রর্দশন (হেদায়াহ) এবং সত্য দীন (দীনুল হক) দিয়ে প্রেরণ করলাম এই জন্যে যে তিনি যেন একে (এই হেদায়াহ ও জীবনব্যবস্থাকে) পৃথিবীর অন্যান্য সমস্ত জীবনব্যবস্থার উপর বিজয়ী করেন (কোর’আন-সুরা আল্ ফাতাহ- ২৮, সুরা আত তওবা- ৩৩ ও সুরা আস সফ- ৯) । অর্থাৎ আল্লাহ তাঁর শেষ রসুলকে দায়িত্ব দিলেন এই দীনুল হককে সমস্ত পৃথিবীর ওপর বিজয়ী ও প্রতিষ্ঠা করার। অর্থাৎ পৃথিবীতে, মানব জাতির মধ্যে আল্লাহ রসুলকে প্রেরণের উদ্দেশ্য একটি নয়, দুইটি। একটি রসুলের মাধ্যমে হেদায়াহ, পথ প্রদর্শনসহ দীন পাঠানো, দ্বিতীয়টি সেই হেদায়াহ ও দীনকে সমগ্র মানব জীবনে প্রতিষ্ঠা করা। কারণ সাধারণ জ্ঞানেই বোঝা যায় (যদিও এই সাধারণ জ্ঞানটাই বর্তমান ‘মুসলিম’ দুনিয়ায় নেই) সে দীন, জীবনব্যবস্থা যদি মানুষের জীবনে কার্যকরই না হয় তবে তা রসুলের মাধ্যমে পৃথিবীতে পাঠানো অর্থহীন। একটি সংবিধান সেটি যতো সুন্দর, যতো নিখুঁতই হোক না কেন, সেটা একটি জনসমষ্টি বা জাতির ওপর প্রয়োগ ও কার্যকর না করা হলে যেমন সেটা অর্থহীন, তেমনি তওহীদের ওপর ভিত্তি করা দীনুল ইসলাম, দীনুল হকের সংবিধান কোর’আনকে মানব জীবনের সর্বস্তরে, সর্ব অঙ্গনে প্রয়োগ ও কার্যকর না করতে পারলে তা অর্থহীন।

আরও পড়ুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

এখন প্রশ্ন হলো, এই দীন, জীবন-ব্যবস্থাকে সমস্ত পৃথিবীর উপর প্রতিষ্ঠা করার মত বিরাট, বিশাল কাজে সাফল্য অর্জন করার প্রক্রিয়া কী হবে? আল্লাহ তাঁকে এই কাজ করার সুন্নাহ অর্থাৎ নীতি ও কর্মসূচিও দান করলেন। আল্লাহ জানেন এত বিরাট, বড় কাজে বাধাও অবশ্যই আসবে বিরাট হয়ে। ঐ কঠিন বাধা অতিক্রম করে আল্লাহ দীনকে সমস্ত পৃথিবীময় প্রতিষ্ঠার নীতি ও প্রক্রিয়া কি হবে? মানুষকে বুঝিয়ে? বক্ততৃতা, ওয়াজ করে? বই পুস্তক লিখে? যুক্তি তর্ক করে? এই জীবনব্যবস্থার শ্রেষ্ঠত্ব, মাহাত্য বর্ণনা করে? প্রচার, তবলিগ করে? মিটিং, মিছিল করে? শেস্নাগান দিয়ে, নির্বাচন করে? এই প্রশ্নের জবাব আলস্নাহর রসুল নিজেই দিয়ে গেছেন। তিনি বলেছেন- আমি আদিষ্ট হয়েছি মানব জাতির বিরুদ্ধে সর্বাত্মক সংগ্রাম চালিয়ে যেতে যে পর্যন্ত না সমস্ত মানুষ আল্লাহকে একমাত্র হুকুমদাতা এবং আমাকে তাঁর রসুল বলে মেনে নেয় (হাদিস- আবদালস্নাহ বিন ওমর (রা.) থেকে- বোখারি, মেশকাত)। অর্থাৎ ঐ সব কোন প্রক্রিয়া (তরিকা) নয়, ইসলামকে পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠা করতে হবে সংগ্রামের মাধ্যমে। আল্লাহর কোর’আনে শত শতবার সংগ্রামের উল্লেখ, আদেশ ও তাগিদ, ছোট বড় সমস্ত গোনাহের ক্ষমা, যোদ্ধাদের সরাসরি জান্নাতে প্রবেশ করানোর প্রতিশ্রম্নতি, শহীদদের মৃত না বলার সম্মান ও রসুলের মাত্র ৯ বছরের মধ্যে ১০৭টি যুদ্ধ থেকেই আর সন্দেহের কোন অবকাশই থাকে না যে সর্বজ্ঞানী আল্লাহ তাঁর দীনকে পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠার জন্যে সর্বাত্মক সংগ্রামকেই নীতি হিসেবে বেছে নিয়েছেন।

সমস্ত পৃথিবীতে এই শেষ জীবন বিধান প্রতিষ্ঠা করার মত এত বড় বিশাল কাজ এক জীবনে করা সম্ভব নয়। এজন্য তিনি একটি জাতি গঠন করলেন, যে জাতিটির নাম উম্মতে মোহাম্মদী। বিশ্বনবী (দ.) তার নবীজীবনের তেইশ বছরে তাঁর আসহাবদের নিয়ে সমস্ত আরব উপদ্বীপে এই শেষ জীবন-ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করলেন অর্থাৎ ইসলামের শেষ সংস্করণ সমস্ত মানবজাতির একটি অংশে কার্যকর হলো। কিন্তু রসুলের দায়িত্ব তো সমস্ত পৃথিবী, সমগ্র মানব জাতি। যতদিন সমস্ত পৃথিবীর সমগ্র মানব জাতির ওপর এই শেষ জীবনবিধান সামগ্রিকভাবে প্রতিষ্ঠা না হবে ততদিন মানুষ আজকের মতই যুদ্ধবিগ্রহ, অশান্তি, অবিচারের মধ্যে ডুবে থাকবে- শান্তি, ইসলাম আসবে না। ফলে বিশ্বনবীর আগমনের উদ্দেশ্যই অপূর্ণ থেকে যাবে যা অসম্ভব। সুতরাং সমস্ত দুনিয়াতে এই সত্য দীন প্রতিষ্ঠা হবেই হবে। রসুলাল্লাহর উপর আল্লাহ দেওয়া দায়িত্ব পূর্ণ হবেই হবেই ইনশা’আল্লাহ। এখানে একটা বিষয় খুব সাবধানের সাথে খেয়াল রাখতে হবে- একটা হল দীন, জীবন-ব্যবস্থা আর অপরটা হলো সেই জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা (কার্যকর) করা। নবী করীম (দ.) বিদায় হজ্বের ভাষণে তাঁর আসহাবদের নিকট আল্লাহকে সাক্ষী রেখে জানতে চেয়েছেন তাঁর উপর যে কোর’আন অর্থাৎ জীবন-ব্যবস্থা নাযেল হলো তা তিনি পূর্ণভাবে পৌঁছে দিয়েছেন কিনা। উপস্থিত সকল আসহাব সমস্বরে উত্তর দিলেন, হ্যাঁ আল্লাহ সাক্ষী, আপনি পৌঁছে দিয়েছেন। তাহলে আমরা পরিষ্কার বুঝলাম রসুলের উপর দুইটি দায়িত্ব ছিল একটি আল্লঅহর দেওয়া জীবন-বিধান মানব জাতিকে পৌঁছে দেওয়া (যেটা তিনি সম্পূর্ণ করেছেন), অন্যটি হলো সেই জীবন-বিধান মানুষের সামগ্রিক জীবনে প্রতিষ্ঠা করা। বিদায় হজে রসুল দীন, জীবন-বিধান নাযেল পূর্ণ হওয়ার কথা বলেছেন, কিন্তু দ্বিতীয় যে দায়িত্ব অর্থাৎ সমস্ত পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠা (কায়েম) তখনও হয় নাই। রসুলের জীবদ্দশায় শুধুমাত্র আরব উপদ্বীপে এই পূর্ণ দীন, জীবন-ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, রসুল চলে যাওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই বাকি দুনিয়ায় এই দীন প্রতিষ্ঠার ভার পড়ল তাঁর উম্মাহর উপর। তাঁর সৃষ্ট জাতি কিন্তু ভুলে গেল না যে তাদের নেতার ওপর আল্লাহর দেয়া দায়িত্ব হচ্ছে সমস্ত পৃথিবীতে এই দীন প্রতিষ্ঠা করা। তাই ইতিহাসে দেখি বিশ্বনবী (দ.) ওফাতের সঙ্গে সঙ্গে তার উম্মাহ পৃথিবীর সমস্ত কিছু কোরবান করে তাদের মাতৃভূমি আরব থেকে বের হয়ে পড়েছিলেন। ঐ সদ্য প্রসূত জাতি, যার নারী-পুরম্নষ, বৃদ্ধ-শিশু মিলিয়ে পাঁচ লাখও সংখ্যায় হবে না, টাকা নাই, পয়সা নাই, প্রাকৃতিক সম্পদ নাই, কিছুই নাই, প্রায় নিরস্ত্র, তবুও তাদের উদ্দেশ্য সাধনের জন্য তাদের রসুলের শিক্ষা, রসুলের দেওয়া দায়িত্ব পূর্ণ করার জন্য দেশ থেকে বের হয়ে যেয়ে তদানিšত্মন পৃথিবীর দুই বৃহৎ শক্তি- যাদের আমরা বলি পরাশক্তি (Super Power) তাদের অপরিমীত সম্পদ, অসংখ্য লোকবল, উন্নত প্রযুক্তি এবং বিরাট সুসজ্জিত, সুশিক্ষিত সামরিক বাহিনীগুলির সামনে যেয়ে দাঁড়াল।

সামরিক দৃষ্টিকোণে এটা ছিল এক আত্মহত্যার মত। যে মুজাহিদরা আরব থেকে বেরে হয়ে ঐ বিশ্ব শক্তিগুলির সামনে দাঁড়িয়ে তাদের নবীর সুন্নাহ অনুযায়ী যে তিনটি শর্ত দিয়েছিলেন সেটা যে শুধু তাদের আত্মহত্যা তা-ই নয়, রসুলের ঐ নতুন জাতিটিরও আত্মহত্যা। কারণ যদি তারা ঐ অসম যুদ্ধে হেরে যেতেন তবে তাদের ঐ দুঃসাহসের শান্তি দিতে ঐ বিশ্বশক্তি দু’টো আরবের ভেতরে ঢুকে ঐ নতুন রাষ্ট্রটাকে ধ্বংস করে দিতে পারতো এবং তাহলে আজ ইসলাম বলে কোন দীন থাকতো না এবং মুসলিম বলে কোন জাতিও থাকতো না। কিন্তু ইতিহাস হলো, ঐ বিশ্ব শক্তি দু’টি উম্মতে মোহাম্মদীর তিন শর্তের মধ্যে শেষ শর্তটিই বেছে নিয়েছিল এবং নিজেরা টুকরো টুকরো হয়ে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। উম্মতে মোহাম্মদীর হাতে মাত্র ৬০/৭০ বছরের মধ্যে পশ্চিমে মরক্কোতে, আটলান্টিক মহাসাগরের উপকূল থেকে পুর্বে চীনের সীমান্ত আর উত্তরে কাস্পিয়ান সাগর থেকে দক্ষিণে ভারত মহাসাগর পর্যšত্ম বিরাট এলাকায় এই শেষ জীবন-ব্যবস্থা আলস্নাহর দেওয়া সত্য দীন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আপাতদৃষ্টিতে অসম্ভব এ মহা বিজয় কি করে সম্ভব হলো তা এক বিরাট প্রশ্ন। এর উত্তর হলো, যেহেতু ঐ উম্মাহ, জাতি আল্লাহর শেষ নবীর (দ.) রেখে যাওয়া কাজ পূর্ণ করতে জীবনের সব কিছু ত্যাগ করে বের হয়ে পড়েছিলেন কাজেই আল্লাহর স্বয়ং ঐ উম্মাহর সঙ্গে থেকে তাদের সাহায্য করেছিলেন, আর আল্লাহ যাদের সাহায্যকারী, অভিভাবক হন তাদের পরাজিত করে কোন শক্তি? ঐ উম্মাহও জানতেন আলস্নাহ যে কারণে পৃথিবীতে তার নবীদের বিশেষ করে তার শেষ নবীকে (দ.) পাঠিয়েছিলেন- অর্থাৎ সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে পৃথিবীতে আল্লাহর দেয়া দীন প্রতিষ্ঠা, তাই করতে তারা অগ্রসর হয়েছেন কাজেই তাদের সাহায্য করতে আল্লাহর ওয়াদাবদ্ধ (সুরা বাকারা ২৫৬)।

সংক্ষেপে বললে বলতে হয় রাসুলাল্লাহ (দ.) আসহাবরা (রা.) অর্থাৎ উম্মতে মোহাম্মদী হৃদয় দিয়ে উপলব্ধি করেছিলেন যে, তাদের অস্তিত্বের অর্থই হলো তাদের নেতা বিশ্বনবী মোহাম্মদের (দ.) সুন্নাহ অনুসরণ করা, অর্থাৎ তিনি জীবনভর যে কাজটি করেছেন সেই কাজ চালিয়ে যাওয়া। সে কাজটি হচ্ছে, যেহেতু তিনি (দ.) সমস্ত পৃথিবীর জন্য প্রেরিত হয়েছেন কাজেই পৃথিবীময় এই শেষ ইসলাম প্রতিষ্ঠা করার সংগ্রাম করা। সে সংগ্রাম মানুষকে বুঝিয়ে, কথা বলে, লিখে এবং সশস্ত্রভাবে, সর্বতোভাবে। মহানবীর (দ.) জীবিতকালে তারা তাদের পার্থিব যা কিছু ছিল সব দিয়ে এবং শেষে প্রাণটুকু দিয়ে তাকে তার দায়িত্ব পুরণে সাহায্য করেছেন, তার প্রতি কাজে প্রতি প্রচেষ্টায় তার সাথে থেকে তাকে আপ্রাণ সাহায্য করেছেন। তার প্রতিটি সুখ-দুঃখের তারা অংশীদার হয়েছেন। তারপর যখন তিনি তাদের মাঝ থেকে চলে গেলেন তখন তারা তাদের নেতার কাজে যেন কোন বিরতি না হয় সেজন্য সেই সংগ্রাম পূর্ণভাবে চালু রাখলেন। সেই কাজের বিরাটত্ব, সংকট, বিপদ তাদের এক মুহূর্তের জন্য দ্বিধাগ্রস্থ করতে পারলো না। কারণ তারা তাদের নেতার (দ.) পবিত্র মুখে শুনেছিলেন, যে আমার সুন্নাহ ত্যাগ করবে সে আমাদের কেউ নয় (হাদিস)। তারা বুঝেছিলেন ‘তাঁর (দ.) বা তাদের কেউ নয়’ অর্থ উম্মতে মোহাম্মদীই নয় এবং তাঁর প্রকৃত সুন্নাহ হলো পৃথিবীতে এই জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
 ১ মে ২০২৬    HT All Article

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article
পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমিয়েছে চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন
চীনে প্রতি ১০ কর্মদিবস অন্তর বৈশ্বিক তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নতুন দামে ৫০ লিটার জ্বালানি কিনতে এখন চালকদের প্রায়…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    মতামত

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা
রিয়াদুল হাসান গৌড়ের রাজ দরবারে চাচা কুতুব খানের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ দাসত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে সুলতান তাজ খান কররানির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন যুবক ঈসা খাঁ ও ইসমাইল…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!
শাহাদৎ হোসেন:বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো এই মাটির কৃষক। কৃষকদের আমরা বলি, সব সাধকের বড় সাধক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারা যে ফসল ফলায়,…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!
কথক দা: আমরা যেন আইয়্যামে গুজবে বাস করছি। অপতথ্য আর অপসংবাদের ভীড়ে কোনটা সত্য আর কোনটা অর্ধসত্য এবং কোনটা মিথ্যা তা বোঝা খুবই মুশকিল। একসময়…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান
এম আর হাসান:খুররম খান পন্নী ছিলেন উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইতিহাসের এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর জীবন ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান পর্ব এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ- এই তিনটি…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?
শাহাদৎ হোসেন:ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘ ৪৭ বছরের শীতল সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে। গত ১১ এপ্রিল দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে যে…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ
ওবায়দুল হক বাদল:আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে বড় অঙ্কের ব্যয় নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার। এসব খাতে ২ লাখ…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?
মুস্তাফিজ শিহাব:বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকালে এক চরম বৈপরীত্য চোখে পড়ে। একদিকে রয়েছে বিপুল জনশক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য এবং অন্যদিকে চরম অবমাননা…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article