প্রচ্ছদ    HT All Article   বিদেশি পর্যটকদের দৃষ্টিতে বাংলার সুলতানী...

বিদেশি পর্যটকদের দৃষ্টিতে বাংলার সুলতানী যুগ

৫ মার্চ ২০২৩ ০১:২৭ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

পদ্মা মেঘনা যমুনার অববাহিকায় হাজার বছরের মানব সভ্যতার ইতিহাস নক্ষত্রের মতো উজ্জ্বল হয়ে আছে। মানব সভ্যতার বিকাশ থেকে এই অঞ্চলের মানুষের বসে বসে সূচনা শুরু হয়। বিভিন্ন চড়াই-উতরাইয়ের মধ্যে দিয়ে সমাজের মানুষ আজকের এই আধুনিক সভ্যতা নির্মাণ করেছে। আর এ নির্মাণের পেছনে ছিল শত শত মানুষের কর্ম পরিকল্পনা আর কঠোর পরিশ্রম। এসবই হয়েছে বিভিন্ন সময়ে শাসকগোষ্ঠীর হাত ধরে। অনার্যদের আগমনের পূর্বে আর্য শাসকগোষ্ঠীর থেকে শুরু করে বর্তমান শাসকগোষ্ঠী এই অঞ্চলকে শাসন করে চলেছে। কিন্তু এর মাঝে প্রায় এক হাজার বছর মুসলমানদের অধীনে ছিল এই অঞ্চল। সেই সময়ে এ অঞ্চলের মানুষের অবস্থা অর্থাৎ বসবাসের উপযোগিতা কেমন ছিল সেই উঠে এসেছে ওয়াকিল আহমেদের লেখা “বাংলায় বিদেশি পর্যটক” নামক গবেষণা গ্রন্থে। গ্রন্থটিতে বাংলায় বিভিন্ন সময়ে ভ্রমণ করা বিভিন্ন পরিব্রাজক, পর্যটকদের বর্ণনা তুলে ধরা হয়েছে। তারা বাংলা ভ্রমণ করে বাংলার অবস্থাটা কী রকম দেখেছেন সেই বিষয়গুলো এখানে লেখক তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন।

পর্যটকদের আগমন এর ব্যাপারে সবার মধ্যে একই রকম উদ্দেশ্য ছিল না। কেউ এসেছেন ধর্ম প্রচার করতে, আবার কেউ এসেছেন ব্যবসা করতে, কেউ এসেছেন দেশ ভ্রমণের আনন্দ জন্য, আবার কেউ এসেছেন রাজপ্রতিনিধি হিসেবে। এসকল পর্যটকদের মধ্যে ধর্মপ্রচারকদের সংখ্যা অনেক বেশি। নবম শতকের দিকে আরো মুসলিমগণ চট্টগ্রামের বাণিজ্য পরিচালনা ও ধর্ম প্রচারের সুযোগ সুবিধা লাভ করেছিল। এর মধ্য দিয়ে এই উপমহাদেশে মুসলিম বিজয়ের সূচনা শুরু হয়। বাংলার পণ্যের স্বল্পমূল্যে অধিকাংশ পর্যটক বিস্মিত হয়েছেন। এদের মধ্যে ইবনে বতুতা ছিলেন অন্যতম। ইবনে বতুতা এই অঞ্চলকে দোজখ-ই পুর নিয়ামত (ধন-সম্পদে পূর্ণ নরক) বলেছেন। কারণ তিনি এ অঞ্চলের শস্য ভাণ্ডারের সহজলভ্যতা দেখেছিলেন যা আর পৃথিবীর কোথাও দেখেননি। ইবনে বতুতা এ দেশে বসবাসকারী একজন ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি উদ্ধৃতি দিয়ে লিখেছিলেন, মাত্র ৮ দিরহামে তিনি তার পরিবারের সারা বছরের খাদ্য খরচ করতে পারতেন। কিন্তু এ অঞ্চলের আবহাওয়া জলবায়ু তার মোটেও পছন্দ হয়নি। এজন্যই তিনি এ অঞ্চলকে নেয়ামতপূর্ণ নরক বলেছিলেন।

ইবনে বতুতার প্রায় দেড়শত বছর পর ইতালির পর্যটক ভারথেমা এদেশের সুলভ পণ্যের অভিন্ন রূপের কথা উল্লেখ করে লিখেছেন, ও I never saw a country which provisions were so cheap. এছাড়াও ইতালির আরেক পর্যটক সিজার ফ্রেডারিক মেঘনা নদীর মুখে সন্দ্বীপের খাদ্যপণ্যের সস্তা দামের কথা উল্লেখ করেছেন। পর্যটক ভারথেমা ‘বংঘেল্প’ শহরের মুসলমান ব্যবসায়ীদের সবচেয়ে ধনী বলে উল্লেখ করেছেন।

আরও পড়ুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

তারও প্রায় ১০০ বছর আগে চৈনিক পর্যটক ফেইসিন ১৪১৫ সালে পাণ্ডুয়ার মুসলমান ব্যবসায়ীর ১০ হাজার স্বর্ণমুদ্রার কারবার ছিলে বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন। পর্যটক সেবাস্টিন মানরিক ১৬৪০ সালে স্থানীয় মুসলিম বণিকদের ব্যাপারে লিখেছেন, বণিকেরা টাকা গণনা করা শ্রমসাধ্য বলে ওজন করে নিত। ইবনে বতুতার মতে, ১৩৪৬ সালের দিকে ১ মুদ্রায় ৯ মণ চাল পাওয়া যেত। আর বিভিন্ন ঐতিহাসিকরা উল্লেখ করেছেন, শায়েস্তা খানের আমলে ১ টাকায় ৮ মণ চাল পাওয়া যেত। বিভিন্ন পর্যটক বর্ণনায় গরুর মূল্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায় যে, মুসলিম শাসন আমলের সময় একটি দুগ্ধবতী গাভীর দাম ছিল গড়পরতা দুই টাকা। গরুর এরকম মূল্য বজায় ছিল প্রায় ৪০০ বছর।

মধ্যযুগের বাংলার অর্থনৈতিক কাঠামো মোটামুটি ভাবে একটা অপরিবর্তনীয় পর্যায়ের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হতো, কারণ তখন আজকের মত এরকম সিন্ডিকেট ছিল না। চিনি বস্ত্র মুরগি প্রভৃতি দ্রব্যের মূল্য অনেক কম ছিল। এদেশের পণ্যের চাহিদা মিটিয়ে অতিরিক্ত পণ্য তখন রপ্তানি করা হতো এর মধ্যে চাউল, চিনি, মরিচ, নীল, তেল, বস্ত্র, মাদুর, রেশম ও বিবিধ প্রসাধনদ্রব্য। অবশ্য তখন আমদানি করা হতো অনেক পণ্য। যেমন রূপা, মূল্যবান পাথর, টিন, দস্তা ইত্যাদি।

এসব রপ্তানিকৃত পণ্যগুলোর মধ্যে বস্ত্রশিল্প সারা দুনিয়ার বাংলা ও বাঙালির খ্যাতি ছড়িয়ে রেখেছিল। মসৃণতা ও সূক্ষ্মতার গুণে এদেশীয় মসলিন বস্ত্র বিশ্ববাসীর বিস্ময়ে পরিণত হয়েছিল। আন্তর্জাতিক পণ্য হিসেবে মসলিন বস্ত্র একচেটিয়া পণ্যের মর্যাদা লাভ করে। বাংলার মোগল যুগ ছিল মসলিন বস্ত্ররের স্বর্ণযুগ। পর্যটক প্লিনি তিনি তার ‘পেরিপ্লাস অফ দি এরিথ্রিয়ান সি’ গ্রন্থে কয়েক প্রকার মসলিনের কথা উল্লেখ। দ্বিতীয় শতকে টলেমি থেকে শুরু করে ত্রয়োদশ শতকের মার্কোপোলো প্রমুখ ভ্রমণকারী এদেশীয় সূক্ষ্ম বস্ত্রের কথা উল্লেখ করেছেন। এসব পর্যটকদের মধ্যে আরবদেশীয় পর্যটক সোলেমান মসলিন বস্ত্রের কথা সুন্দরভাবে উল্লেখ করেছেন। আঠারো শতক পর্যন্ত বাংলায় মসলিন বস্ত্র উৎপাদিত হতো। এ সময়ে ওলন্দাজ পর্যটক স্টাভোরিন পূর্ববাংলার মলমল ও তানজেব বস্ত্রের কথা উল্লেখ করেছেন। পর্যটক টেলরের ১৮৪০ সালে প্রকাশিত তাঁর The Sketch of the Topography and Statistics of Dhaka গ্রন্থে মসলিনের বিস্তারিত বর্ণনা পাওয়া যায়। তার মতে, ঢাকার মসলিন মানুষের হাতের তৈরী নয়, তা পরীদের হাতের তৈরি কাজ। বিদেশি এসব পর্যটকদের বর্ণনা থেকে বুঝাই যাচ্ছে এ দেশে মসলিন বস্ত্ররের কদর কতটা ছিল।

বস্ত্র শিল্পের ন্যায় এদেশে নৌশিল্পেরও একটি উল্লেখযোগ্য অবস্থান ছিল। নদী নালা খাল বিল হাওরে ভরা বাংলাদেশের নৌকাকেন্দ্রিক জীবনের পরিচয় এতে নিহিত রয়েছে। যাতায়াত, ব্যবসা-বাণিজ্য, যুদ্ধাভিযান এবং প্রমোদবিহারে নৌকার প্রচলন ছিল। এ দেশে যেসব পর্যটকরা ভ্রমণে এসেছিলেন তাদের অনেকেই নৌকা ব্যবহার করেছিলেন। বিখ্যাত ঐতিহাসিক ইবনে বতুতা পদ্মা যমুনা মেঘনা নদী ভ্রমণ করেছিলেন এবং এদেশের মাঝি-মাল্লাদের জীবনাচার প্রত্যক্ষ করেছেন। চীনা পরিব্রাজক ফা-হিয়েন ও ফেইসিন উভয়ে চীন দেশ থেকে জাহাজযোগে সমুদ্রপথে এ দেশে এসেছিলেন। পর্যটক বারবোসা ১৫১৪ খ্রিস্টাব্দে পাটনা থেকে পদ্মা নদী হয়ে বেঙ্গল শহরে এসেছিলেন। রালফ ফিচ আগ্রা থেকে ১৮০ খানা বাণিজ্য পণ্য নিয়ে বাংলায় প্রবেশ করেছিল তখন তিনি এদেশীয় কিছু লুণ্ঠন বৃত্তিজীবী মাঝি-মাল্লাদের (জলদস্যু) কথা উল্লেখ করেছিলেন। পর্যটক মনুচি মীর জুমলার এবং পর্যটক টাভার্নিয়ার শায়েস্তা খানের নৌবহরের কথা বলেছেন। পর্যটক টাভার্নিয়ারের মতে, ঢাকার অধিবাসীরা নদীতীরের গ্যালী বা ছোট যুদ্ধ জাহাজ নির্মাণে নিযুক্ত ছিল। পর্যটক সেবাস্টিন মানরিক ‘জেলিয়া’ নৌকার ক্ষিপ্রগামিতার কথা প্রশংসা করেছেন। এই জেলিয়ার বাণিজ্য ও যুদ্ধ উভয় উদ্দেশ্যেই ব্যবহার করা হতো। নদ-নদী অববাহিকার এই দেশে নৌকার ব্যবহার ও এর প্রযুক্তিবিদ্যা তৎকালীন সময়ে ছিল অনেক উন্নত মানের। বিভিন্ন পর্যটকদের বর্ণনায় সেই বিষয়টি এখানে উঠে এসেছে।

এ দেশের ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক পরিচয় এবং সাংস্কৃতিক বিভিন্ন দিক তথা পোশাক-পরিচ্ছদ, খাদ্যদ্রব্য, আচার-রীতি, সংস্কার, ধর্ম প্রভৃতি ইত্যাদি বিষয়টি এতটাই সমৃদ্ধ ছিল যা পৃথিবীর অন্য কোথাও ছিল না। সব মিলিয়ে বলা যায় বাংলার মুসলিম শাসনামলে মানুষের জীবনযাত্রা থেকে শুরু করে ধর্ম পালনের যে স্বাধীনতা ছিল এবং খাদ্যদ্রব্যসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক পণ্যের যে ক্রয়-বিক্রয় হত তা সত্যিই অসাধারণ ছিল।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
 ১ মে ২০২৬    HT All Article

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article
পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমিয়েছে চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন
চীনে প্রতি ১০ কর্মদিবস অন্তর বৈশ্বিক তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নতুন দামে ৫০ লিটার জ্বালানি কিনতে এখন চালকদের প্রায়…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    মতামত

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা
রিয়াদুল হাসান গৌড়ের রাজ দরবারে চাচা কুতুব খানের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ দাসত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে সুলতান তাজ খান কররানির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন যুবক ঈসা খাঁ ও ইসমাইল…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!
শাহাদৎ হোসেন:বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো এই মাটির কৃষক। কৃষকদের আমরা বলি, সব সাধকের বড় সাধক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারা যে ফসল ফলায়,…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!
কথক দা: আমরা যেন আইয়্যামে গুজবে বাস করছি। অপতথ্য আর অপসংবাদের ভীড়ে কোনটা সত্য আর কোনটা অর্ধসত্য এবং কোনটা মিথ্যা তা বোঝা খুবই মুশকিল। একসময়…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান
এম আর হাসান:খুররম খান পন্নী ছিলেন উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইতিহাসের এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর জীবন ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান পর্ব এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ- এই তিনটি…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?
শাহাদৎ হোসেন:ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘ ৪৭ বছরের শীতল সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে। গত ১১ এপ্রিল দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে যে…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ
ওবায়দুল হক বাদল:আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে বড় অঙ্কের ব্যয় নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার। এসব খাতে ২ লাখ…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?
মুস্তাফিজ শিহাব:বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকালে এক চরম বৈপরীত্য চোখে পড়ে। একদিকে রয়েছে বিপুল জনশক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য এবং অন্যদিকে চরম অবমাননা…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article