প্রচ্ছদ    HT All Article   ইব্রাহীমের (আ.) দীনে হানিফ ও...

ইব্রাহীমের (আ.) দীনে হানিফ ও মক্কার ধর্মব্যবসা

৪ জানুয়ারি ২০১৯ ১০:৫১ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

মোহাম্মদ আসাদ আলী

মক্কার কোরায়েশ বংশ ছিল পুরোহিত বংশ। তখন কাবা শরীফের ভিতরে ও বাইরে সব মিলিয়ে তিনশ’ ষাটটি মূর্তি ছিল যেগুলোর পূজা অর্চনা করার সময় কোরায়েশরা পুরোহিতের কাজ করতো। এই পুরোহিতরা পূজা ছাড়াও সমাজপতির দায়িত্ব পালন করত। রসুলাল্লাহর গোত্রীয় চাচা আমর ইবনুল হাশেম (যে আবু জাহেল হিসাবে পরবর্তীতে পরিচিত হয়) ছিল সে সময়ে আরবের মধ্যে একজন খ্যাতিমান বড় আলেম, পুরোহিত ও গোত্রপতি। সবাই তাকে আবুল হাকাম অর্থাৎ জ্ঞানীদের পিতা বলে ডাকত, যেমন আলেমরা নিজেদের নামের আগে লিখে থাকেন আল্লামা (মহাজ্ঞানী, Very high scholar)। কিন্তু যখন আল্লাহর রসুল মানবজাতির উদ্দেশ্যে তওহীদের ডাক দিলেন তখন এই আবুল হাকাম তার জ্ঞানের পরিচয় দিতে চরমভাবে ব্যর্থ হলো। সে হয়ে দাঁড়াল ইসলামের কট্টর শত্রু (arch-enemy) এবং কুফরের পতাকাবাহী। তার বিরোধিতামূলক কর্মকা- ও শত্রুতা এমন পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছিল যে রসুলাল্লাহ তাকে “এই উম্মাহর ফেরাউন” বলে আখ্যা দিয়েছিলেন। তিনি এও বলেছিলেন, ‘যে আবু জাহেলকে আবুল হাকাম বলে ডাকবে সে সাংঘাতিক ভুল করবে। তার উচিত হবে এই ভুলের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা’। কেবল আবু জাহেলই নয়, ইব্রাহিম (আ.) এর আনীত দীনে হানিফের বিকৃতরূপের ধ্বজাধারী মূর্তিপূজক পুরোহিত আলেম শ্রেণির সকলেই ছিল রসুলাল্লাহর ঘোর বিরোধী। রসুলাল্লাহ যাদের মধ্যে আসেন তারা নিজেদেরকে ইব্রাহীম (আ.) এর উম্মাহ বা অনুসারী বলে দাবি করত (সিরাত ইবনে ইসহাক)। তিনি যে দীনটি তাঁর জাতির মধ্যে প্রতিষ্ঠা করলেন তার নাম আল্লাহ দিয়েছেন দীনে হানিফ অর্থাৎ একাগ্রভাবে শুধু আল্লাহর আনুগত্য করার দীন। এর অনুসারী আরববাসী আল্লাহ বিশ্বাস করত, নামাজ পড়ত, রোজা রাখত, হজ্ব করত, কোরবানি দিত, আল্লাহর নামে কসম খেত, যে কোনো কাজ শুরু করত আল্লাহর নামে।
তথাপি তারা কাফের মোশরেক ছিল কারণ তারা তাদের জাতীয় সামষ্টিক জীবনে আল্লাহর হুকুম মানতো না, মানতো নিজেদের গোত্রপতি ও ধর্মনেতাদের হুকুম। তারা মূর্তিপূজা করত মূলত দুটো কারণে- আল্লাহর সান্নিধ্য এনে দেবে এবং তাদের নানাবিধ সমস্যার সমাধান করে দেবে, অর্থাৎ আজকে ঠিক যে দু’টো কারণে মানুষ বিভিন্ন পীরের দরবারে যায়। ইব্রাহীম (আ.) এর আনীত সেই দীনে হানিফ কী করে বিকৃত হলো, কী করে সেখানে ধর্মব্যবসার অনুপ্রবেশ ঘটল সেই ইতিহাস একটু বলে নেওয়া প্রয়োজন, কারণ ধর্মব্যবসায়ী আলেম আর প্রকৃত আলেমের পার্থক্যটি বোঝার ক্ষেত্রে এ বিষয়টি সহায়ক হবে। ইব্রাহীম (আ.) নমরুদ, হামান গংদের কায়েম করে রাখা অন্যায়-অবিচার ও জাহেলিয়াতপূর্ণ সমাজব্যবস্থাকে আল্লাহর সাহায্যে ধ্বংস করে দিয়ে আল্লাহর তওহীদের উপরে ভিত্তি করা নতুন এক সভ্যতা নির্মাণ করেন। তাঁর মাধ্যমেই আল্লাহ মুসলিম জাতির উন্মেষ ঘটান এবং তিনি নিজেও নিজেকে একজন মুসলিম বলেই সাক্ষ্য প্রদান করেন। তাঁকে ঘিরে আল্লাহর সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা ছিল বলে তাঁকে আজীবন বহু কঠিন পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। অবশেষে আল্লাহ তাঁকে মুসলিম জাতির পিতা বলে আখ্যায়িত করেছেন (কোর’আন: সুরা হজ্ব ৭৮)। আল্লাহর অভিপ্রায় হচ্ছে এক দম্পতি থেকে উদ্ভূত হয়ে বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়া মানবজাতি যেন একটা সময়ে আবার আল্লাহর সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এক জাতিতে পরিণত হয়। এই মহাপরিকল্পনা পূরণের স্থপতি হলেন ইব্রাহীম (আ.)। তিনি সমগ্র মানবজাতির ঐক্যের সূত্ররূপে তাদের মিলিত হওয়ার জন্য পবিত্র কাবাগৃহকে পুনঃনির্মাণ করলেন।
ইব্রাহীম (আ.) এর প্রতিষ্ঠিত দীনের অধীনে শত শত বছর মানুষ শান্তি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বাস করেছে। তিনি জীবনভর ছুটে বেড়িয়েছেন মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে এক আল্লাহর হুকুমের ছায়াতলে সমবেত করতে। যিনি ছিলেন ঐক্যের প্রতীক সেই ইব্রাহীম (আ.) এর অনুসারীরা কয়েক শতাব্দী যেতে না যেতেই হাজারো গোত্রে উপগোত্রে ভাগ হয়ে গেল। তারা বহু অপসংস্কৃতি ধর্মের নামে চালু করে দিল আর আল্লাহর সান্নিধ্যলাভের উদ্দেশে সেই অপসংস্কৃতিগুলোর চর্চা হতে লাগল। উপসনাপদ্ধতি বিকৃত হয়ে গেল। তিনি তাঁর জাতির চরিত্র গঠনের প্রশিক্ষণস্বরূপ সালাহ (নামাজ) শিক্ষা দিয়েছিলেন। সেই সালাতকে হাততালি আর শিস বাজানোয় পর্যবসিত করল (কোর’আন: সুরা আনফাল ৩৫)। তিনি বায়তুল্লাহ শরীফে হজ্বের প্রবর্তন করেন। কিন্তু সেই হজ্বের নামে তাঁরই বংশধরেরা শুরু করল ধর্মব্যবসা। তারা উলঙ্গ হয়ে কাবা তাওয়াফের প্রবর্তন করল। ইব্রাহীম (আ.) কি জাতিকে এহেন অসভ্যতা শিক্ষা দিয়েছিলেন? অসম্ভব। তিনি নমরুদের মন্দিরে রক্ষিত মূর্তি ভেঙে প্রমাণ করেছিলেন যে, এই কাঠ পাথরের মূর্তির সামনে সর্বশ্রেষ্ঠ জীব আল্লাহর রূহধারী মানুষ প্রণত হতে পারে না, অথচ তাঁর বংশধর ও উম্মাহ দাবিদারেরা কাবা প্রাঙ্গণে ৩৬০টি মূর্তি স্থাপন করে সেগুলোর পূজা আরাধনা প্রচলন করেছিল। এই ৩৬০ টি মূর্তির মধ্যে ইব্রাহীম (আ.) এর মূর্তিও ছিল। একেক গোত্র একেক দেবদেবীকে তাদের গোত্রীয় উপাস্য বলে মানতো। আর এদের সবার কাছ থেকেই কাবার পুরোহিত মোতোয়াল্লি হিসাবে পাওনা-গ-া বুঝে নিত কোরায়েশ বংশীয়রা। এই ধর্মব্যবসাই ছিল তাদের প্রধান জীবিকা। কাবা প্রাঙ্গনে চলতো জুয়া আর লটারির মাধ্যমে ভাগ্য নির্ধারণের খেলা। পুরোহিতরা যা বলত তাই দীনে হানিফ অর্থাৎ ইব্রাহীমের (আ.) ধর্মমত হিসাবে মানুষ স্বীকার ও বিশ্বাস করে নিত। অল্প কিছু মানুষ কেবল বুঝত এগুলো ইব্রাহীমের (আ.) দীনের প্রথা নয়, কিন্তু সমাজকে ইব্রাহীমের (আ.) সঠিক দীনের উপর ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কোনো উপায় বা পথ তাদের জানা ছিল না। সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর অন্ধত্ব আর ধর্মব্যবসায়ীদের প্রভাবের সামনে তারা ছিল নিরুপায়। এভাবে তাদের কাছে ধর্ম একটি বিরাট লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল।
কিন্তু আল্লাহর শেষ রসুল এসে যখন তাদের এই ধর্মের নামে চালু করে দেওয়া অধর্মের বিরুদ্ধে কথা বলতে শুরু করলেন, তখন যেন তা ঐ সমাজের কায়েমী স্বার্থের মূলে কুঠারাঘাত করল। তিনি একটা কথাই বলেছিলেন, তোমাদের কারো কর্তৃত্ব আর চলবে না, শুধু আল্লাহর হুকুম চলবে। কলেমা, তওহীদের এই মর্মবাণী বুঝতে পেরে গোত্রপতি ও ধর্মব্যবসায়ীদের মাথা খারাপ হয়ে গেল। তারা বহুবিধ অপপ্রচার, প্রোপাগান্ডা চালিয়ে রসুলের বিরুদ্ধে জনগণকে উস্কে দিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কাজ হয় নি, যদিও রসুলকেও ইব্রাহীমের (আ.) মতোই বহু পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। রসুলাল্লাহ আরবের গোত্রপ্রথা ভেঙে এক আল্লাহর তওহীদের ভিত্তিতে আবার জাতিগঠন করতে শুরু করলেন। তিনি কাবাকেন্দ্রিক ধর্মব্যবসাকে দীনে হানিফ মোতাবেক অবৈধ বলে ঘোষণা করলেন। তারাই সম্মিলিতভাবে তাঁকে ও তাঁর সাহাবীদেরকে নির্মম নির্যাতন করে সত্যকে ধরাপৃষ্ঠ থেকে বিদূরিত করে দিতে সর্বোচ্চ শক্তি নিয়োগ করল। এভাবে আরবের ঐ সময়ের মানুষগুলো স্পষ্টত দুটো ভাগে বিভক্ত হয়ে গেল। একদল আল্লাহর তওহীদ গ্রহণ করল। তারা হলো মো’মেন। অপর দল তওহীদ প্রত্যাখ্যান করে পূর্বের জাহেলিয়াতকেই ধারণ করে হলো কাফের। যারা মো’মেন হলেন তারা প্রকৃত ইসলামের জ্ঞান লাভ করলেন এবং প্রকৃত ইসলামকে মানবজীবনে কার্যকর করার জন্য নিজেদের জীবন সম্পদ আল্লাহর রাস্তায় কোরবানি করলেন আল্লাহর দৃষ্টিতে তারাই হলেন সত্যনিষ্ঠ আলেম বা হক্কানি আলেম। কিন্তু সেই জাহেলি সমাজের চোখে জ্ঞানী বলে পরিচিত ব্যক্তিরা যারা তওহীদ গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল এবং তাদের বিকৃত দীনকে আঁকড়ে ধরে রেখে তা দিয়ে স্বার্থসিদ্ধি করে চলছিল তাদেরকে আমরা বলতে পারি ধর্মব্যবসায়ী আলেম। আবু জাহেল হলো এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ যার কথা আগেই উল্লেখ করা হয়েছে।
এ কথা আমাদের নয়, স্বয়ং আল্লাহর কথা। তিনি বলেন, আল্ল­াহ সাক্ষ্য দেন এবং মালায়েকগণ ও জ্ঞানী (আলেম) ব্যক্তিগণও সাক্ষ্য দেয় যে, তিনি ব্যতীত অন্য কোন হুকুমদাতা (ইলাহ) নেই (কোর’আন: সুরা ইমরান ১৮)। আল্লাহর এই কথা থেকেই পরিষ্কার হয়ে গেল যে, যারা আল্লাহর তওহীদের সাক্ষ্য দেয় তারা আলেম। কিন্তু যারা তওহীদের সাক্ষ্য দেবে না, তারা যত আরবি ভাষাই জানুক, ইসলামের এ মাথা থেকে ওই মাথা পর্যন্ত জানুক তারা আল্লাহর কথা মোতাবেক আলেম নয়। এর বাস্তব উদাহরণ পাশ্চাত্যের সেই খ্রিষ্টান প্রাচ্যবিদ বা ওরিয়েন্টালিস্টগণ যারা ইসলামের উপরে হাজার হাজার বই লিখেছেন, কোর’আন ও হাদিসের অগাধ পা-িত্য অর্জন করেছেন, আরবি ও ফারসি ভাষায় লিখিত প্রাচীন কেতাবগুলোকে তারাই প্রথমে ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন। সেই ইংরেজি থেকে তাদের অধীন দাসজাতিগুলোকে তারা যার যার মাতৃভাষায় তাদের মনমত ‘ইসলাম’ শিক্ষা দিয়েছে। এর জন্য তারা ভারতবর্ষে মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করে তার সর্বোচ্চ পদ অর্থাৎ প্রিন্সিপাল পদটি অধিকার করেছিল প্রায় আশি বছর। আরবি ভাষা জানা, ইসলামের ইতিহাস, মাসলা-মাসায়েল জানাই যদি আলেমের সংজ্ঞা হয় তাহলে তাদের চেয়ে বড় আলেম মুসলমানদের মধ্যে কয়জন আছে সন্দেহ। কিন্তু তাদেরকে তো আলেম বলে কেউই স্বীকৃতি দেবে না, স্বভাবতই, কারণ তারা আল্লাহ ও রসুলের প্রতি ঈমান আনে নি। তাদের এলেম হাসিলের উদ্দেশ্য ছিল অন্য।
যাহোক, যে কথা বলছিলাম, রসুলাল্লাহর আহ্বানে সমাজের যে নিরক্ষর, সাধারণ শ্রেণির মানুষগুলো যাদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন ক্রীতদাস, কুলি-মজুর, চাষী, বেদুইন, মেষ আর উটের রাখাল। তারা যখন ইসলাম গ্রহণ করলেন এবং স্বয়ং আল্লাহর রসুলের কাছ থেকে ইসলামের আকিদা শিক্ষা করলেন, তারা হয়ে দাঁড়ালেন একেকজন নক্ষত্রসদৃশ অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব [হাদিস: ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বায়হাকী], তারাই হলেন সত্যিকারের আলেম। ইসলাম সম্পর্কে তাদের থেকে কি কারও পক্ষে বেশি জানা সম্ভব? নিশ্চয় নয়। তাদের কাছ থেকেই পরবর্তী যুগের মানুষ ইসলাম শিক্ষা করেছেন। প্রায় নিরক্ষর সেই সাহাবীদের পবিত্র জীবনী পড়েই আজকে বহু মানুষ আল্লামা, মুফতি, মুফাসসির, মুহাদ্দিস, শায়েখ, বুজুর্গানে দীন হচ্ছেন, নামের আগে রেলগাড়ির মতো দীর্ঘ টাইটেল ব্যবহার করছেন কিন্তু সেই সাহাবীরা কেউই নামের আগে আলেম, আল্লামা, মাওলানা, মুফতি জাতীয় খেতাব ব্যবহার করেন নি। যে ব্যক্তি নিজেই নিজেকে ‘আলেম বা জ্ঞানী’ বলে পরিচয় দেয় তার চেয়ে মূর্খ, অজ্ঞ, নির্বোধ বোধহয় আর কেউ হতে পারে না।

[লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট; ফেসবুক: ফোন: ০১৬৭০১৭৪৬৫১, ০১৬৭০১৭৪৬৪৩]

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
 ১ মে ২০২৬    HT All Article

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article
পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমিয়েছে চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন
চীনে প্রতি ১০ কর্মদিবস অন্তর বৈশ্বিক তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নতুন দামে ৫০ লিটার জ্বালানি কিনতে এখন চালকদের প্রায়…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    মতামত

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা
রিয়াদুল হাসান গৌড়ের রাজ দরবারে চাচা কুতুব খানের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ দাসত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে সুলতান তাজ খান কররানির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন যুবক ঈসা খাঁ ও ইসমাইল…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!
শাহাদৎ হোসেন:বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো এই মাটির কৃষক। কৃষকদের আমরা বলি, সব সাধকের বড় সাধক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারা যে ফসল ফলায়,…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!
কথক দা: আমরা যেন আইয়্যামে গুজবে বাস করছি। অপতথ্য আর অপসংবাদের ভীড়ে কোনটা সত্য আর কোনটা অর্ধসত্য এবং কোনটা মিথ্যা তা বোঝা খুবই মুশকিল। একসময়…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান
এম আর হাসান:খুররম খান পন্নী ছিলেন উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইতিহাসের এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর জীবন ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান পর্ব এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ- এই তিনটি…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?
শাহাদৎ হোসেন:ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘ ৪৭ বছরের শীতল সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে। গত ১১ এপ্রিল দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে যে…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ
ওবায়দুল হক বাদল:আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে বড় অঙ্কের ব্যয় নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার। এসব খাতে ২ লাখ…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?
মুস্তাফিজ শিহাব:বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকালে এক চরম বৈপরীত্য চোখে পড়ে। একদিকে রয়েছে বিপুল জনশক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য এবং অন্যদিকে চরম অবমাননা…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article