প্রচ্ছদ    HT All Article   পবিত্র কোর’আনে আল্লাহর প্রথম হুকুম...

পবিত্র কোর’আনে আল্লাহর প্রথম হুকুম ইক্বরা: নবজাগরণের বীজমন্ত্র

১৬ জুন ২০১৮ ০১:১৭ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক


রিয়াদুল হাসান:
সাধারণ মানুষ ধর্ম সম্পর্কে বিশেষ অবগত থাকেন না। অন্যায়পূর্ণ সমাজে অশান্তির দাবানলে দগ্ধ হয়ে তারা যখন ইহজাগতিক ও পারলৌকিক মুক্তির আশায় ধর্মের দিকে ফিরে আসে তখন তারা শরণাপন্ন হয় ধর্মের কর্তৃপক্ষ সেজে থাকা সেই শ্রেণিটির যারা ধর্মকে স্বার্থের হাতিয়ারে পরিণত করেছে, ধর্মকে পণ্য বানিয়ে ব্যবসা করছে, ধর্ম দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছে, ধর্মকে ক্ষমতায় আরোহণের সিঁড়ি বানিয়ে প্রতিনিয়ত মাড়িয়ে যাচ্ছে। তারা নিজেদের স্বার্থের অনুকূলে ধর্মের ব্যাখ্যা প্রদান করে ধর্মপ্রাণ মানুষদেরকে প্রতিনিয়ত বিপথগামী করছেন, প্রতারিত করছেন। তারা যেটাকে ইসলাম বলে উপস্থাপন করেন সেটাকেই মানুষ আল্লাহ-রসুলের কথা হিসাবে শিরোধার্য বলে মনে করে। কেবল স্বার্থের জন্য তারা বহু গুরুত্বহীন বিষয়কে ইসলামের অপরিহার্য বিষয় বানিয়ে দেন, আবার মহাগুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে একেবারে বাদই দিয়ে দেন।
তাদের প্রতি অন্ধবিশ্বাস থাকায় জনগণ প্রতারিত হয়, তারা বুঝতে পারে না ধর্মব্যবসায়ীরা ইসলামের যে রূপ তাদের সামনে তুলে ধরছে সেটা একান্তই তাদের মনগড়া অপব্যাখ্যা। ভোক্তার চাহিদা মোতাবেক যেমন পণ্যের গুণাগুণ, আকার, আকৃতি, মোড়ক বিভিন্ন হয়, তেমনি ইসলামেরও বিভিন্ন ধরনের ব্যাখ্যা দাঁড় করানো হয়। এসব ব্যাখ্যা নিয়ে তারা নিজেরাই হাজারো ভাগে বিভক্ত। আল্লাহ রসুলের ইসলাম তো বর্তমানের মতো এত হাজার ফেরকা, মাজহাব, তরিকায় বিভক্ত ছিল না। এক আল্লাহ, এক রসুল, এক কেতাব, এক জাতি- এই ছিল প্রকৃত ইসলামের বৈশিষ্ট্য। সেই ইসলাম অর্ধ পৃথিবীর মানুষকে অনাবিল শান্তি, নিরাপত্তা, সমৃদ্ধি, প্রগতি ও শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছিল। সেই ইসলাম আজ হারিয়ে গেছে। সেই ইসলামের নাম ভাঙিয়ে খাওয়া হচ্ছে মাত্র। বিভিন্ন ধরনের ধর্মব্যবসায়ী সুবিধামাফিক ধর্মকে ব্যবহার করছে কিন্তু চরিত্রে একে ধারণ করছে না।
রাজনৈতিক নেতৃত্ব ভোটের স্বার্থে ধার্মিকতার ভান ধরছেন, ধর্মব্যবসায়ীদের অন্যায় দাবির কাছে মাথা নুইয়ে দিচ্ছেন, কেউ বা বলছেন অমুক মার্কায় ভোট দিলে জান্নাত নিশ্চিত। কেউ ধর্মের মোড়কে জঙ্গিবাদের বিস্তার ঘটিয়ে পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদীদের অস্ত্রের বাজার সৃষ্টি করে দিচ্ছেন। মানুষের ধর্মবিশ্বাস, ধর্মীয় চেতনা একটি মহাশক্তি। যে কোনো শক্তিরই সুফল ও কুফল নির্ভর করে তার ব্যবহারের উপর। যারা ধর্মকে নিজেদের কুক্ষিগত করে নিয়েছে তারা সর্বপ্রথম যে কাজটি করেছে তা হলো, তারা মানুষের চিন্তার জগতে তালা মেরে দিয়েছে এই বলে যে ধর্মের কোনো বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তোলা যাবে না। ধর্মের নির্দেশের ব্যাপারে কোনো যুক্তি চলবে না। মানুষ শ্রেষ্ঠ হয়েছে মস্তিষ্কের গুণে, আর ধর্মের ধ্বজাধারীরা সেই মস্তিষ্কের ঘরে তালা দিয়ে মানুষকে চিন্তাহীন, যুক্তিবোধহীন, ক‚পমЂক, পশু বানিয়ে ফেলতে চায়। এভাবেই মুসলিম জাতি আজ পৃথিবীর সবচেয়ে পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠী। কোনটা ভালো কোনটা মন্দ এটা বোঝার সাধারণ জ্ঞান তাদের ধার্মিকদের লুপ্ত হয়ে গেছে।
আল্লাহর রসুল যে জাতিটির মধ্যে আগমন করেছিলেন সেই জাতিটিও ছিল প্রায় চিন্তাশক্তিহীন। তাদের মস্তিষ্কের ঘরেও তালা মেরে রেখেছিল কাবাকেন্দ্রিক ধর্মব্যবসায়ী গোষ্ঠী। তা না হলে কি আর মানুষ হয়ে কেউ কাঠপাথরের মূর্তির কাছে প্রার্থনা করে? তাদের এই অজ্ঞানতা এতদূর গিয়েছিল যে, তাদের যুগটাকে ইতিহাসের পাতায় আইয়্যামে জাহেলিয়াত বা অজ্ঞানতার যুগ বলে আখ্যায়িত করা হয়। শিক্ষা-দীক্ষা জ্ঞান-বিজ্ঞানের লেশমাত্রও তাদের মধ্যে ছিল না, তারা ছিল হাজারো অপসংস্কৃতি ও কুসংস্কারে আচ্ছন্ন। সর্বদিক থেকে যখন একটি জাতি নিকৃষ্ট জাতিতে পরিণত হয় তখন সেখান থেকেই আল্লাহ সত্যের উত্থান ঘটান। এভাবেই আল্লাহ তাঁর কুদরত, মাহাত্ম্য ও শ্রেষ্ঠত্বের নিদর্শন রেখে যান। আল্লাহ তাঁর শ্রেষ্ঠ নবীকে সেই আরব জাতির মধ্যে প্রেরণ করলেন। হেরাগুহায় তিনি তখন ধ্যানমগ্ন ছিলেন, কী করে মানুষের ইহকাল ও পরকালের মুক্তি মিলবে, কী করে মানবজাতিকে এই অজ্ঞতার অন্ধকার থেকে মুক্ত করা যায়, কী করে সমাজের অন্যায় অশান্তি দূর করা যায়, মানবজীবনের সঠিক তাৎপর্য কোথায় এই জিজ্ঞাসাগুলোর জবাব তিনি দিবানিশি তালাশ করতেন। একদিন এল সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। জিব্রাইল আমিন আবিভর্‚ত হলেন সেই হেরাগুহার অন্ধকার প্রকোষ্ঠে। বললেন, হে মোহাম্মদ (সা.) পড়ো – ইক্বরা। নবী করিম (সা.) বললেন, “আমি তো পড়তে পারি না।” জিব্রাইল আবারও বললেন, “পড়ো।” তিনি আবারও বললেন, “আমি তো পড়তে পারি না।” এভাবে তিনবার তিনি অপরাগতা প্রকাশ করার পর জিব্রাইল আমিন তাঁকে আলিঙ্গন করলেন। রসুলাল্লাহর হৃদয় উন্মোচিত হলো, জ্ঞানজগতের সমস্ত অর্গল এক নিমেষে যেন মুক্ত হয়ে গেল। মুক্তির পথ তাঁর সামনে দৃশ্যমান হলো। “ইক্বরা” অর্থ পড়ো। পড়া হয় কেন? জানার জন্য, জ্ঞান আহরণের জন্য। সুতরাং মানবজাতির প্রতি আল্লাহর শেষ কেতাবের প্রথম হুকুমটিই হলো – “জানো”। শত শত যুগসঞ্চিত অজ্ঞানতার সকল আবর্জনাকে ভাসিয়ে নিয়ে গেল এই একটি শব্দ। সেই মূর্খ অশিক্ষিত আরব জাতি, যারা কাঠ পাথরের মূর্তির পায়ে সেজদা করে থাকতো তারা উদার আকাশের দিকে চোখ মেলে চাইল। তারা উন্নত এক সভ্যতার নির্মাণ করল যা পৃথিবীর সকল জাতির চোখ বিস্ফোরিত করে দিল। কী সামরিক শক্তি, কী অর্থনৈতিক শক্তি – সর্বদিকে তারা হলো শ্রেষ্ঠ জাতি। জ্ঞানবিজ্ঞানের সকল শাখায় তারা ছুটিয়ে দিল বেগবান আরবীয় ঘোড়া। সকল জাতির শিক্ষকে পরিণত হলো মুসলিম জাতি। তখন আর তারা কেবল আরব নয়, অর্ধদুনিয়া তাদের পায়ের নিচে। এই যে রেনেসাঁ, নবজাগরণ রসুলাল্লাহ ঘটালেন এর মূলসূত্র নিহিত ছিল ঐ ইক্বরা শব্দটির ভেতরে, মগজ খোলো মানুষ, চিন্তা করো, দেখো, জানো, শোনো। মিথ্যা ধর্মের মোহে বুঁদ হয়ে থেকো না, স্বার্থের গোলাম হয়ে থেকো না, তুমি আর দশটা জানোয়ারের মতো নও। তোমার মস্তিষ্ক অসাধারণ। তাকে কাজে লাগাও।
আজ আবার অধঃপতিত মুসলিম জাতি সেই জাহেলিয়াতের যুগে ফিরে গেছে। আজ তাদের প্রভু পশ্চিমা সভ্যতা, পশ্চিমাদের বৈজ্ঞানিক সামরিক অর্থনৈতিক প্রযুক্তিগত অগ্রগতি তাদের সামনে এক বিস্ময়। তারা বোয়াল মাছের মতো হা করে তাদের সেই উন্নতির পানে তাকিয়ে থাকে। তাদের আলেম ওলামারা নারীর পর্দা সংক্রান্ত ওয়াজ নিয়ে মহাব্যস্ত। আর ব্যস্ত নিজেদের মধ্যে ক‚টতর্কে, যার যার ফেরকা মাজহাবের শ্রেষ্ঠত্ববর্ণনে। অজ্ঞতার সীমাহীন পাথারে ঘুরপাক খাচ্ছে একদা শ্রেষ্ঠ জাতি মুসলমান। তাদের মস্তিষ্কের ঘরে ঝুলছে তালা। তারা ধর্মান্ধতায় আচ্ছন্ন, তাদের এই ধর্মবিশ্বাসকে টেনে নিয়ে কেউ জঙ্গিবাদে কাজে লাগাচ্ছে, কেউ বা লাগাচ্ছে ধর্মব্যবসায়। তাদের এই ঈমানকে, ধর্মকে যদি এখন মানুষের কল্যাণে ব্যবহার করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় সবার আগে মানুষের চিন্তা করার শক্তিকে জাগিয়ে তুলতে হবে, অচল মস্তিষ্ককে অর্গলমুক্ত করতে হবে। যতদিন ইসলামের কর্তৃত্ব, ধর্মানুভ‚তির নিয়ন্ত্রণ ধর্মব্যবসায়ীদের হাতে থাকবে ততদিন মুসলিমদের সঙ্কট থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার আশা দুরাশা। ততদিন ইসলাম কোনো জীবিত মানুষের কল্যাণে আসবে না, মৃত মানুষের কল্যাণেও আসবে না।

[লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট; ফেসবুক: riad.hassan.ht]

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
 ১ মে ২০২৬    HT All Article

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article
পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমিয়েছে চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন
চীনে প্রতি ১০ কর্মদিবস অন্তর বৈশ্বিক তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নতুন দামে ৫০ লিটার জ্বালানি কিনতে এখন চালকদের প্রায়…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    মতামত

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা
রিয়াদুল হাসান গৌড়ের রাজ দরবারে চাচা কুতুব খানের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ দাসত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে সুলতান তাজ খান কররানির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন যুবক ঈসা খাঁ ও ইসমাইল…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!
শাহাদৎ হোসেন:বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো এই মাটির কৃষক। কৃষকদের আমরা বলি, সব সাধকের বড় সাধক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারা যে ফসল ফলায়,…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!
কথক দা: আমরা যেন আইয়্যামে গুজবে বাস করছি। অপতথ্য আর অপসংবাদের ভীড়ে কোনটা সত্য আর কোনটা অর্ধসত্য এবং কোনটা মিথ্যা তা বোঝা খুবই মুশকিল। একসময়…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান
এম আর হাসান:খুররম খান পন্নী ছিলেন উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইতিহাসের এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর জীবন ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান পর্ব এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ- এই তিনটি…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?
শাহাদৎ হোসেন:ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘ ৪৭ বছরের শীতল সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে। গত ১১ এপ্রিল দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে যে…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ
ওবায়দুল হক বাদল:আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে বড় অঙ্কের ব্যয় নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার। এসব খাতে ২ লাখ…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?
মুস্তাফিজ শিহাব:বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকালে এক চরম বৈপরীত্য চোখে পড়ে। একদিকে রয়েছে বিপুল জনশক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য এবং অন্যদিকে চরম অবমাননা…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article