প্রচ্ছদ    HT All Article   আরবরাও আল্লাহকে উপাস্য মানত

আরবরাও আল্লাহকে উপাস্য মানত

২২ নভেম্বর ২০১৭ ১২:০৬ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

মোহাম্মদ আসাদ আলী:
অনেকে মনে করেন যাদের মধ্যে বিশ্বনবী এসেছিলেন তারা বোধহয় আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস করত না, আল্লাহকে উপাস্য বলে মানত না। আসলে কিন্তু তা নয়। তারাও আল্লাহকে বিশ্বাস করত, তাঁকে সমস্ত সৃষ্টির স্রষ্টা বলে জানত। এ কথার সাক্ষ্য স্বয়ং আল্লাহ দিচ্ছেন। তিনি তাঁর রসুলকে বলছেন- তুমি যদি তাদের (আরবের অধিবাসীদের) জিজ্ঞাসা কর আসমান ও যমীন কে সৃষ্টি করেছেন? তবে তারা অবশ্যই জবাব দেবে- সেই সর্বশক্তিমান মহাজ্ঞানী (আল্লাহ) (কোরান- সুরা যখরুফ, আয়াত ৯)। অন্যত্র বলছেন- তুমি যদি তাদের প্রশ্ন কর আকাশ ও পৃথিবী কে সৃষ্টি করেছেন এবং কে সূর্য ও চাঁদকে (তাদের কর্তব্যকাজে) নিয়োজিত ও নিয়ন্ত্রণ করছেন? তবে তারা অবশ্যই বলবে, আল্লাহ (সুরা আন্কাবুত, আয়াত ৬১)। আল্লাহ আবার বলছেন- যদি তুমি তাদের জিজ্ঞাসা কর- মাটি (পানির অভাবে শুকিয়ে যেয়ে) মরে যাবার পর আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করে কে তাকে আবার পুনর্জীবন দান করেন? তবে তারা অবশ্যই বলবে- আল্লাহ (সুরা আন্কাবুত, আয়াত ৬৩)। তিনি আবার বলছেন তাঁর রসুলকে- যদি তাদের প্রশ্ন কর- কে এই মহাকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন? তবে তারা অবশ্যই জবাব দেবে- আল্লাহ (সুরা লোকমান, আয়াত ২৫)। প্রশ্ন আসতে পারে আল্লাহর প্রতি এতই যখন বিশ্বাস তাহলে তারা মূর্তি বানিয়ে পূজা করত কেন? এর জবাবও আল্লাহ দিয়েছেন। তারা লাত, মান্নাত, হুবাল ইত্যাদিকে স্রষ্টা মনে করত না। এসব দেব-দেবীর মূর্তি বানিয়ে পূজা করত এই আশায় যে, এরা আল্লাহর কাছে তাদের জন্য সুপারিশ করবে (সুরা ইউনুস, আয়াত ১৮)।
তারা ইবরাহীমকে (আ.) আল্লাহর নবী বলে বিশ্বাস করত; নিজেদের মিল্লাতে ইবরাহীম বলে বিশ্বাস করত; ইবরাহীম (আ.) দ্বারা পুনর্নির্মিত কাবাকে আল্লাহর ঘর বলে বিশ্বাস করত; কাবার দিকে মুখ করে ইবরাহীমের (আ.) শেখানো পদ্ধতিতে সালাহ (নামাজ) কায়েম করত; কাবাকে কেন্দ্র করে বছরে একবার হজ্ব করত; কাবা তওয়াফ (পরিক্রমা) করত; সেখানে যেয়ে আল্লাহর রাস্তায় পশু কোরবানি করত; বছরে একমাস, রমাদান মাসে সওম (রোযা) পালন করত; এমন কি প্রত্যেকে ইবরাহীমের (আঃ) শেখান খাত্না করত। তারা প্রতি কাজে আল্লাহর নাম নিত, দলিল ইত্যাদি লিখতে বিয়ে-শাদীর কাবিন লিখতে তারা প্রথমেই ওপরে আল্লাহর নাম লিখে আরম্ভ করত। আমরা যেমন এখন লেখি ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’, তারা লেখত ‘বিসমিকা আল্লাহুম্মা’। একই অর্থ। কিন্তু এতকিছুর পরও তারা কাফের, মোশরেক ছিল কারণ তারা তাদের সর্বময় জীবনে আল্লাহর সার্বভৌমত্বের বদলে ক্বাবার ঐ তিনশ’ ষাটটি মূর্তির পুরোহিতদের সার্বভৌমত্ব মেনে নিয়েছিল। পুরোহিতরা যে হুকুম দিত তারা সেটাই পালন করত। ফলে অন্যায়, অবিচার, চুরি, ডাকাতি, যুদ্ধ, রক্তপাতে ভরে গিয়েছিল তাদের সমাজ। আল্লাহর রসুল এসে যখন ঘোষণা দিলেন- আল্লাহ ছাড়া কোনো হুকুমদাতা (ইলাহ) নেই, তখন ঐ পুরোহিতদের কায়েমী স্বার্থে আঘাত লাগল। সমাজপতিরা, ধর্মের ধ্বজাধারীরা উত্তেজিত হয়ে উঠল। আল্লাহর রসুল ও তাঁর মুষ্ঠিমেয় অনুসারীর উপর অকথ্য নির্যাতন নিপীড়ন চলতে থাকল। সেদিন আল্লাহর রসুল যদি সর্বাঙ্গীন জীবনের তওহীদের দিকে আহ্বান না করে আজকের বিকৃত আকীদায় আমরা যেমন আল্লাহকে কেবল ব্যক্তিগত জীবনের উপাস্য বলে মনে করি কিন্তু জাতীয় জীবনে কার হুকুম চলছে সেটা নিয়ে মাথা ঘামাই না- আল্লাহর রসুলও যদি তেমন ব্যক্তিগত জীবনের উপাসনার দিকে ডাকতেন তাহলে আর যাই হোক তাঁকে ও তাঁর অনুসারীদেরকে নির্যাতিত হতে হত না।
ঐ আরবদের মধ্যেই কিছু লোক ছিল তারা মূর্তিপূজা করাকে ঘৃণ্য কাজ মনে করত যেমনটা আমরা বর্তমানে মনে করি। তাদের মধ্যে একজনের নাম জায়েদ ইবনে আমর। ইবনে ইসহাক রসুলাল্লাহর জীবনীগ্রন্থে এই জায়েদ ইবনে আমর সম্পর্কে লিখেছেন যে, ‘তিনি নিজের বাপ-দাদার ধর্মবিশ্বাস পরিত্যাগ করে মূর্তি, মৃত প্রাণী ও রক্ত ভক্ষণ এবং প্রতিমাকে অর্ঘ্যদান ইত্যাদি বিষয় থেকে বিরত থাকতেন। বলতেন, তিনি কেবল ইবরাহিমের উপাস্যকে পূজা করেন। নিজের লোকজনকে প্রকাশ্যে তিনি তাদের আচার-আচরণের জন্য নিন্দা করতেন।’ কই, এই ব্যক্তিকে তো ওতবা, শায়বা, আবু জাহেলরা কিছু বলত না। অন্যদিকে বিশ্বনবীকে সমস্ত রকমের নির্যাতন তো বটেই, শেষাবধি হত্যার সিদ্ধান্ত পর্যন্ত নিল। এর কারণ খুব সোজা- জায়েদ ইবনে আমর যেটা করেছিলেন আর আল্লাহর রসুল যেটা করেছিলেন এই উভয়ের মধ্যে আকাশ পাতাল তফাৎ রয়েছে। জায়েদ ডাকছিলেন উপাসনা, আরাধনার দিকে, ওটা পূর্ণাঙ্গ তওহীদ নয় যে তওহীদ নিয়ে যুগে যুগে আল্লাহর পক্ষ থেকে নবী-রসুলগণ এসেছেন, অন্যদিকে আখেরী নবী মানুষকে আহ্বান করছিলেন সেই প্রকৃত তওহীদ তথা আল্লাহর সার্বভৌমত্ব- ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’র দিকে, যে দাবিকে শয়তান সবচাইতে বেশি ভয় পায়, কারণ এই একটি দাবি গ্রহণ করে নিলেই মানুষের জীবন থেকে অন্যায়, অবিচার, যুদ্ধ, রক্তপাত ইত্যাদি নির্মূল হয়ে যাবে, মানুষকে পথভ্রষ্ট করার চ্যালেঞ্জে সে হেরে যাবে, আল্লাহ বিজয়ী হবেন।
চুরি ও ব্যাভিচারের মত অপরাধ করেও কেবল তওহীদের স্বীকৃতি দিলেই জান্নাতের প্রতিশ্রুতি (হাদিস) রসুলাল্লাহ কেন দিয়েছেন তার জবাবটা এখানে নিহিত আছে। কোনো সমাজের মানুষ তওহীদের স্বীকৃতি দেওয়ার অর্থ তারা আল্লাহর হুকুম মোতাবেক তাদের সমষ্টিগত জীবন পরিচালনা করতে সম্মতি জ্ঞাপন করল। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তদাতা হিসেবে আল্লাহকে গ্রহণ করে নিল। আর এটা সাধারণ জ্ঞানেই বোঝা যায় যে, আল্লাহ ভুল সিদ্ধান্ত দিতে পারেন না। তিনি জানেন কোন নিয়মে এই জগত চলছে, কারণ তিনিই এসবের স্রষ্টা। কাজেই মানুষের সমষ্টিগত জীবন পরিচালনার ক্ষেত্রে তাঁর সিদ্ধান্ত যে নিখুঁত ও সঠিক হবে তাতে সন্দেহ নেই। কোনো জনসমষ্টি ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ ঘোষণা দেওয়ার অর্থ এই যে, তারা কার্যত নিজেদের ব্যক্তি, সমাজ ও জাতীয় জীবনের জন্য একটি ত্রুটিহীন জীবনব্যবস্থা নির্বাচন করল। এর প্রভাবে প্রথমত তাদের জাতীয় জীবন থেকে অন্যায়, অবিচার, দুর্নীতি, রক্তপাত নির্মূল হয়ে যাবে এবং দ্বিতীয়ত জাতীয় জীবনের প্রভাবে ব্যক্তিগত জীবনও পরিশুদ্ধ হয়ে অচিন্তনীয় শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে। তখন চুরি, ব্যাভিচারের সুযোগ থাকলেও মানুষ এসব গর্হিত কাজে জড়াবে না, যে পরিবেশ আজকে আমরা হাজারো আইন-কানুন, দণ্ডবিধি প্রনয়ণ করেও তৈরি করতে ব্যর্থ হচ্ছি। ব্যর্থ হচ্ছি তার কারণ আল্লাহ ও রসুল যে তওহীদকে সবার উপরে স্থান দিয়েছেন আমরা সেটাকে সবার নিচে নামিয়ে দিয়ে দ্বীনের খুঁটিনাটি, মাসলা-মাসায়েল ইত্যাদিকে উপরে স্থান দিয়েছি। আমরা উপাসনা-আরাধনায় আছি, খুব ভালোভাবেই আছি। আমাদের লক্ষ লক্ষ মসজিদ আছে। এসি মসজিদ, টাইলস মসজিদ, সোনার গম্বুজ বসানো মসজিদ। লক্ষ লক্ষ মাদ্রাসা আছে, সেখানে নিখুঁত আরবি শেখানো হয়, ব্যাকরণ শেখানো হয়, কোর’আন-হাদীস, ফেকাহ, মাসলা-মাসায়েল মুখস্ত করানো হয়। এসবের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম জ্ঞান নিয়ে অসংখ্য আলেম, পণ্ডিত বের হন। মিলাদ, মাহফিল, ইজতেমা, হজ্ব ইত্যাদিতে লক্ষ লক্ষ মানুষের জমায়েত হয়। অনেকে নিয়মিত তাহাজ্জুদ পড়েন। পাড়া-মহল্লা কাঁপিয়ে জিকির করেন। কিন্তু একটি জায়গায় আমরা ধরা এবং সেই জায়গাটি দ্বীনের একেবারে মূলমন্ত্র, ভিত্তিমূল, যেখানে কোনো আপস চলে না। সেটা হচ্ছে আমরা আল্লাহকে সর্বাঙ্গীন জীবনের একমাত্র হুকুমদাতা, বিধানদাতা অর্থাৎ ইলাহ হিসেবে মানছি না। আমরা আল্লাহর দেওয়া জীবনবিধানকে কয়েক শ’ বছর পূর্বেই পরিত্যাগ করে পাশ্চাত্যের তৈরি বিধানকে কার্যকর করে নিয়েছি। পাশ্চাত্যের তৈরি রাজনৈতিক ব্যবস্থা, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, বিচারব্যবস্থা, শিক্ষাব্যবস্থা, আইন, কানুন, দণ্ডবিধি দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে আমাদের জাতীয় জীবন। অর্থাৎ আমাদের ইলাহ এখন আল্লাহ নেই, দ্বীন বা জীবনব্যবস্থাও ‘ইসলাম’ নেই। আখেরী যামানায় কি কি হবে সে সম্বন্ধে ভবিষ্যদ্বাণীতে আল্লাহর রসুল বলেছিলেন, তখন মসজিদসমূহ পূর্ণ হবে- সেখানে জায়গা পাওয়া যাবে না, কিন্তু সেখানে হেদায়াহ থাকবে না (বায়হাকী)। হেদায়াহ’ই হলো আল্লাহকে একমাত্র ইলাহ, হুকুমাদাতা বলে বিশ্বাস করা, মেনে নেওয়া অর্থাৎ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। মুসল্লি দিয়ে ভর্ত্তি মসজিদগুলোতে যদি হেদায়াহ’ই না থেকে থাকে তবে সেখানে আর রইল কী? আল্লাহ বলেছেন, আল্লাহ যে আইন, বিধান নাযেল করেছেন তা দিয়ে যারা হুকুম করে না তারাই কাফের, জালেম, ফাসেক (সুরা মায়েদা- ৪৪, ৪৫, ৪৭)। পরিহাসের বিষয় হচ্ছে- আল্লাহর ভাষায় কার্যত কাফের, জালেম, ফাসেক হবার পরেও ব্যক্তিজীবনে আমরা খুব আমল করে যাচ্ছি, নামাজ পড়তে পড়তে কপালে কড়া ফেলে দিচ্ছি, আর ভাবছি- খুব বোধহয় সওয়াবের কাজ হচ্ছে। এই ঈমানহীন আমল যে আল্লাহ ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে আমাদেরকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবেন সেটা বোঝার সাধারণ জ্ঞানটাও আমাদের লোপ পেয়েছে।
লেখক: সহকারী সাহিত্য সম্পাদক, হেযবুত তওহীদ।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
 ১ মে ২০২৬    HT All Article

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article
পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমিয়েছে চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন
চীনে প্রতি ১০ কর্মদিবস অন্তর বৈশ্বিক তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নতুন দামে ৫০ লিটার জ্বালানি কিনতে এখন চালকদের প্রায়…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    মতামত

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা
রিয়াদুল হাসান গৌড়ের রাজ দরবারে চাচা কুতুব খানের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ দাসত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে সুলতান তাজ খান কররানির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন যুবক ঈসা খাঁ ও ইসমাইল…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!
শাহাদৎ হোসেন:বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো এই মাটির কৃষক। কৃষকদের আমরা বলি, সব সাধকের বড় সাধক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারা যে ফসল ফলায়,…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!
কথক দা: আমরা যেন আইয়্যামে গুজবে বাস করছি। অপতথ্য আর অপসংবাদের ভীড়ে কোনটা সত্য আর কোনটা অর্ধসত্য এবং কোনটা মিথ্যা তা বোঝা খুবই মুশকিল। একসময়…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান
এম আর হাসান:খুররম খান পন্নী ছিলেন উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইতিহাসের এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর জীবন ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান পর্ব এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ- এই তিনটি…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?
শাহাদৎ হোসেন:ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘ ৪৭ বছরের শীতল সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে। গত ১১ এপ্রিল দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে যে…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ
ওবায়দুল হক বাদল:আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে বড় অঙ্কের ব্যয় নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার। এসব খাতে ২ লাখ…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?
মুস্তাফিজ শিহাব:বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকালে এক চরম বৈপরীত্য চোখে পড়ে। একদিকে রয়েছে বিপুল জনশক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য এবং অন্যদিকে চরম অবমাননা…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article