প্রচ্ছদ    HT All Article   রসুলাল্লাহর কায়িক শ্রম

রসুলাল্লাহর কায়িক শ্রম

৩০ জানুয়ারি ২০১৬ ১২:১৪ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

রসুলাল্লাহ তাঁর ব্যক্তিগত কাজে একান্ত প্রয়োজন না হলে কারও সাহায্য গ্রহণ করতেন না। তিনি যথাসম্ভব নিজের কাজ নিজেই সম্পাদন করতেন এবং লক্ষ্য রাখতেন যাতে অন্যের উপর বোঝা চাপাতে না হয়। তিনি কোন কাজকেই ছোট মনে করতেন না, বিশেষ করে যে পুরুষোচিত কাজগুলিতে অধিক কষ্ট সহিষ্ণুতা ও কায়িক পরিশ্রমের প্রয়োজন হয় তিনি আগ্রহ সহকারে অংশ নিতেন এবং শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তাতে লেগে থাকতেন।
আল্লাহর রসুল নবুওয়াত পূর্ববর্তী যুগে কা’বা ঘর পুনঃনির্মাণে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন। তিনি তাঁর চাচা আব্বাস (রা.) এবং অন্যান্যদের সঙ্গে পাথর বহনের কাজ করেছিলেন (বোখারি)। নবুওয়াত-পরবর্তী যুগেও মসজিদ নববী নির্মাণকালে তিনি কায়িক পরিশ্রম করেছিলেন। তাঁর এ অংশগ্রহণ ছিল একজন সাধারণ শ্রমিকের মতো। সাহাবীগণ মসজিদের এক একটি পাথর বহন করতেন এবং উদ্দীপনামূলক কবিতা পাঠ করতেন। রসুলাল্লাহও তাঁর সাথে সুর মিলিয়ে পাঠ করতেন, “হে আল্লাহ! পরকালের মঙ্গল ছাড়া আর কোনও মঙ্গল নেই। অতএব আনসার ও মোহাজেরদের ক্ষমা করুন” (শিবলী নো’মানীর সীরাতুন্নবী)।

মসজিদে নববী ছাড়াও অন্যান্য মসজিদ নির্মাণে রসুলাল্লাহ অন্যান্য সকলের সাথে কায়িক শ্রম দিয়েছেন। যেমন মসজিদে কু’বা নির্মাণকালে ভারী ভারী পাথর বহন করার একটি সময়ে তিনি অত্যন্ত পরিশ্রান্ত হয়ে গিয়েছিলেন। তবু তিনি কাজ থামান নি। তাঁর কষ্ট হচ্ছে বুঝতে পেয়ে কয়েকজন সাহাবী ছুটে আসেন এবং আকুল হয়ে বলেন, ‘আমাদের পিতা-মাতা আপনার জন্য কুরবান হউক! আপনি দয়া করে রেখে দিন, আমরা তা বহন করব।’ তাদের অনুরোধে রসুলাল্লাহ সেই পাথর তাদের বহন করতে দিলেন কিন্তু নিজে গিয়ে আরেকটি সম-ওজনের পাথর বহন করে নিয়ে আসলেন (শিবলী নো’মানী, সীরাতুন্নবী)।

এক সফরে বকরী যবেহ করা হলো এবং তা রান্না করবার জন্য সকলেই নিজ নিজ কাজ বণ্টন করে নিলেন। তিনি বললেন, ‘আমি জঙ্গল হতে কাঠ কেটে আনবার দায়িত্ব নিচ্ছি’। সাহাবারা ইতস্তত করতে লাগলেন। তিনি দৃঢ়কণ্ঠে বললেন, ‘আমি বৈষম্য পছন্দ করি না’ (শিবলী নু’মানী, সীরাতুন্নবী)।

আরও পড়ুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

রসুলাল্লাহ বাড়িতে বা মসজিদে আগত মেহমানদের সেবাযত্ন নিজেই করতেন। তাঁর ঘরে সবসময় মেহমান থাকত। এমনকি কোনও অমুসলিম মেহমানের আগমন ঘটলেও তিনি তাদের সেবা-যত্নে কোন ত্রুটি করতেন না। যেমন, আবিসিনিয়ার খ্রিস্টান বাদশাহ নাজ্জাশীর নিকট থেকে একদল প্রতিনিধি আগমন করলে রসুলাল্লাহ তাদেরকে নিজের কাছে রেখে স্বয়ং মেহমানদারির যাবতীয় দায়িত্ব পালন করলেন। সাহাবীগণ আরয করলেন, ‘আমরা তাদেরকে খেদমত করতে চাই।’। রসুলাল্লাহ বললেন, ‘এই লোকজন আমার সঙ্গীদেরকে বহু খেদমত করেছে। তাই আমি নিজে তাদের খেদমত করতে চাই ’(কাদী ইয়াদ, আশ-শিফা; শিবলী নু’মানী, সীরাতুন্নবী)।

এক সন্ধ্যায় এক ইহুদি এসে নবীজীর আতিথ্য গ্রহণ করল। নবীজী তাকে ভালভাবে খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা করলেন। খাওয়া-দাওয়ার পর রাতে ঘুমানোর জন্যে সবচেয়ে ভালো কম্বলটি তাকে দিলেন। কিন্তু ইহুদির মতলব ছিল খারাপ। সবাই যখন গভীর নিদ্রায় নিমগ্ন তখন ইহুদি কম্বলে পায়খানা-প্রশ্রাব করে ভোর হওয়ার আগেই পালিয়ে গেল। কিন্তু তাড়াহুড়ো করে পালানোর সময় ভুলে তলোয়ার ফেলে রেখে গেল। নবীজী ফজরের সময় উঠে অবস্থা দেখে সবই বুঝলেন। কিন্তু কাউকেই কিছু না বলে কম্বল নিজেই পরিষ্কার করে ফেললেন। ইহুদির তলোয়ারটা ভালভাবে রেখে দিলেন। এদিকে বহু দূর যাওয়ার পর ইহুদির খেয়াল হলো সে তলোয়ার ভুল করে ফেলে রেখে গেছে। তখনকার দিনে আরবে একজন মানুষের তলোয়ার ছাড়া চলতো না। ইহুদি অনেকক্ষণ চিন্তা করল। তারপর সিদ্ধান্ত নিলো তলোয়ার ফেরত পাওয়ার জন্যে সে নবীজীর কাছে যাবে। ইহুদি দুরু দুরু বক্ষে নবীজীর কাছে হাজির হলো। নবীজী তাকে দেখে সমবেদনা প্রকাশ করে বললেন, ‘আহা! রাতে তোমার কতই না কষ্ট হয়েছে। কত কষ্ট হলে একজন মানুষ কম্বল নষ্ট করতে পারে। আর সেই লজ্জায় তুমি অন্ধকার থাকতেই চলে গেছ। আর যাওয়ার সময় ভুল করে তোমার তলোয়ারটা ফেলে রেখে গেছ। এই নাও তোমার তলোয়ার।’ নবীজীর ব্যবহারে ইহুদি মুগ্ধ হলো। অনুশোচনা এল তার মাঝে। ইহুদি সঙ্গে সঙ্গে ইসলাম গ্রহণ করল।

শুধু মেহমানদের সেবাযত্ন করেই তিনি ক্ষান্ত হন নাই, বরং অভিভাবকহীনদের দেখাশুনার দায়িত্বও তিনি নিজের কাজ মনে করে গুরুত্ব সহকারে পালন করতেন। যেমন, মহানবী বলেছেন, “মিসকীন ও স্বামীহীনদের ভরণ-পোষণের জন্য যে ব্যক্তি উপার্জনের প্রচেষ্টা চালায়, সে হল আল্লাহর পথে মোজাহেদের মতো বা ঐ ব্যক্তির মত পুণ্যের অধিকারী সে হবে, যে দিনভর সিয়াম পালন করে এবং রাতভর দাঁড়িয়ে আল্লাহর জন্য সালাহ আদায় করে”(তিরমিযী)। এটা তিনি কাজেও প্রমাণ করেছেন। জুন্নাব ইবন আরুত (রা.) একজন সাহাবী ছিলেন। একবার রসুলাল্লাহ তাঁকে কোন এক যুদ্ধে প্রেরণ করলেন। এজন্য তিনি প্রতিদিন জুন্নাবের ঘরে গমন করে তার পরিবারের জন্য দুধ দোহন করে দিতেন (শিবলী নু’মানী, সীরাতুন্নবী)।

রোগীদের সেবাযত্ন করা রসুলাল্লাহর আরেকটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য ছিল। তিনি নিজে রোগীদের দেখাশুনা করতেন। মুহাম্মদ ইবন নাফে ইবন যুবায়র (রা.) হতে বর্ণিত: তিনি বলেছেন, আমি মহানবীকে সাঈদ ইবনুল আস (রা)-এর সেবা করতে দেখেছি। তখন আমি দেখলাম তিনি টুকরা কাপড়ের সাহায্যে সাঈদ ইবন আসকে (শরীরে) গরম সেক দিতেছেন (হাকিম আবু শায়খ ইস্পাহানী, আখলাকুন নবী)।

খন্দকের যুদ্ধের সময় মদীনা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসাবে শহরকে ঘিরে ছয়দিনে দশ হাত গভীর পরিখা খননের কাজ সম্পন্ন হয়। এই খন্দক খননের সময় সাহাবীদের সাথে মহানবীও কাজে অংশগ্রহণ করেছিলেন। বারাআ (রা.) হতে বর্ণিত আছে, রসুলাল্লাহ (স) খন্দক খননের সময় মাটি উঠাচ্ছিলেন আর বলছিলেন, ‘ইয়া আল্লাহ্। আপনি না দিলে আমরা হেদায়াত পেতাম না (ইমাম বোখারি)।’ উক্ত রাবী আরেকটি হাদিসে বর্ণনা করেন, ‘আহযাবের দিন আমি রসুলাল্লাহকে দেখেছি যে, তিনি মাটি বহন করছেন, আর তাঁর পেটের শুভ্রতা মাটি ঢেকে ফেলেছে (বোখারি)।

বদরের যুদ্ধসহ অন্যান্য অনেক যুদ্ধে রসুলাল্লাহ স্বয়ং তরবারি হাতে নিয়ে যুদ্ধের ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। আলী (রা.) বলেন, ‘বদর যুদ্ধের দিন আমরা রসুলাল্লাহর পার্শ্বে থাকার চেষ্টা করছিলাম। আর তিনি আমাদের সকলের তুলনায় শত্র“দের বেশি কাছাকাছি পৌঁছে তাদের মোকাবেলা করে যাচ্ছিলেন। বদরের সেই দিন তাঁর বীরত্ব ও সাহসিকতা ছিল অন্য সকলের চেয়ে বেশি (আবু শায়খ ইস্পাহানী, আখলাকুন নবী)’।

এছাড়া মহানবী কোন শিষ্টাচার পরিপন্থী কাজ দেখলে তা বর্জন করবার উপদেশ দিতেন এবং তা শুধরিয়ে দিতেন। আনাস ইবন মালিক (রা.) বলেন, মহানবী এক বেদুঈনকে মসজিদে প্রস্রাব করতে দেখলেন। এতে সাহাবীগণ তার প্রতি মারমুখী হলে তিনি বললেন, ‘ওকে শেষ করতে দাও’। সে প্রস্রাব শেষ করলে তিনি নিজে গিয়ে পানি এনে সেখানে ঢেলে দিলেন এবং লোকটিকে বলে দিলেন, মসজিদে প্রস্রাব করা উচিত নয় (বোখারি)।
আরেকদিন মহানবী মসজিদের দেওয়ালে কফ দেখতে পেয়ে কাঁকর দিয়ে তা মুছে ফেললেন। তারপর বললেন, ‘তোমাদের কেহ যেন সামনের দিকে অথবা ডান দিকে কফ না ফেলে, বরং সে যেন তার বাম দিকে অথবা তার বাম পায়ের নীচে তা ফেলে (বোখারি)।

রসুলাল্লাহর ব্যক্তিগত জীবনের এই সুমহান বৈশিষ্ট্যগুলি তাঁর উম্মাহর জন্য অবশ্যই অনুসরণীয় তবে এটা মনে রাখতে হবে যে, তাঁর জীবনের উদ্দেশ্য ছিল সমগ্র পৃথিবীতে আল্লাহর সত্যদীন প্রতিষ্ঠা করা এবং এই উদ্দেশ্যেই তিনি আজীবন সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। এই সংগ্রামকে বাদ দিয়ে কেউ যদি রসুলাল্লাহর ব্যক্তিগত এই আখলাক বা গুণাবলীগুলি অভ্যাস করে তাতে কেউ উম্মতে মোহাম্মদী হতে পারবে না, যে কাজের জন্য তিনি উম্মতে মোহাম্মদী গঠন করেছিলেন সেটা বাস্তবায়ন করেই উম্মতে মোহাম্মদী হওয়া যাবে। পাশাপাশি রসুলাল্লাহ যেহেতু মানবজাতির সর্বোত্তম আদর্শ তাই সর্বক্ষেত্রে তাঁর অনুসরণ সমাজকে সমৃদ্ধ, উন্নত, প্রগতিশীল সর্বোপরি শান্তিময় করবে।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
 ১ মে ২০২৬    HT All Article

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article
পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমিয়েছে চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন
চীনে প্রতি ১০ কর্মদিবস অন্তর বৈশ্বিক তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নতুন দামে ৫০ লিটার জ্বালানি কিনতে এখন চালকদের প্রায়…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    মতামত

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা
রিয়াদুল হাসান গৌড়ের রাজ দরবারে চাচা কুতুব খানের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ দাসত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে সুলতান তাজ খান কররানির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন যুবক ঈসা খাঁ ও ইসমাইল…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!
শাহাদৎ হোসেন:বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো এই মাটির কৃষক। কৃষকদের আমরা বলি, সব সাধকের বড় সাধক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারা যে ফসল ফলায়,…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!
কথক দা: আমরা যেন আইয়্যামে গুজবে বাস করছি। অপতথ্য আর অপসংবাদের ভীড়ে কোনটা সত্য আর কোনটা অর্ধসত্য এবং কোনটা মিথ্যা তা বোঝা খুবই মুশকিল। একসময়…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান
এম আর হাসান:খুররম খান পন্নী ছিলেন উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইতিহাসের এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর জীবন ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান পর্ব এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ- এই তিনটি…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?
শাহাদৎ হোসেন:ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘ ৪৭ বছরের শীতল সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে। গত ১১ এপ্রিল দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে যে…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ
ওবায়দুল হক বাদল:আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে বড় অঙ্কের ব্যয় নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার। এসব খাতে ২ লাখ…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?
মুস্তাফিজ শিহাব:বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকালে এক চরম বৈপরীত্য চোখে পড়ে। একদিকে রয়েছে বিপুল জনশক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য এবং অন্যদিকে চরম অবমাননা…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article