প্রচ্ছদ    HT All Article   মো’মেন, মুসলিম ও উম্মতে মোহাম্মদী...

মো’মেন, মুসলিম ও উম্মতে মোহাম্মদী কাকে বলে?

২৭ জানুয়ারি ২০১৬ ০২:৫৫ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক
-এমামুযযামান জনাব মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী

বর্তমান সময়ে চালু ইসলামে ‘মো’মেন’, ‘মুসলিম’ ও ‘উম্মতে মোহাম্মদী’এই তিনটিকে একার্থবোধক অর্থাৎ তিনটিই একই জিনিস হিসাবে নেওয়া হয়। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তা নয়। তিনটিই আলাদা, যদিও পরস্পর ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। ধারণা সঠিক করার জন্য এই তফাৎ বুঝে নেওয়া দরকার।
মো’মেন: মোমেন শব্দটি এসেছে ঈমান অর্থাৎ বিশ্বাস থেকে। পবিত্র কোর’আনে আল্লাহ মো’মেনের সংজ্ঞা দিয়েছেন এভাবে- “তারাই মো’মেন যারা আল্লাহ ও তাঁর রসুলের উপর ঈমান আনে এবং আর কোন সন্দেহ পোষণ করে না এবং জীবন এবং সম্পদ দিয়ে আল্লাহর রাস্তায় জেহাদ করে। তারাই সত্যনিষ্ঠ্য (সুরা হুজরাত ১৫)। আল্লাহর দেয়া প্রকৃত মো’মেনের এই সংজ্ঞাটা ঠিকভাবে বুঝতে গেলে আমাদের বুঝতে হবে “যারা আল্লাহর ওপর ঈমানে”র অর্থ শুধু আল্লাহর অস্তিত্বে ও একত্বের ওপর ঈমান নয়, তাঁর উলুহিয়াতের ওপর, সার্বভৌমত্বের ওপর (Sovereignty) ঈমান, লা এলাহা এল্লা আল্লাহ, অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া কোন আদেশদাতা, হুকুমদাতা নেই এই বিশ্বাস করা অর্থাৎ তওহীদ। আল্লাহর দেয়া মো’মেনের এই সংজ্ঞার দ্বিতীয় ভাগ হলো প্রাণ ও সম্পদ দিয়ে জেহাদ করা। কি জন্য জেহাদ করা? আল্লাহর তওহীদের, সার্বভৌমত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত দীনটি যদি মানুষের জীবনে প্রতিষ্ঠা, কার্যকর না হয় তবে ওটা অর্থহীন। কাজেই আল্লাহর তওহীদ ভিত্তিক ঐ দীনুল হক, সত্য জীবন-ব্যবস্থাটা মানব জীবনে প্রতিষ্ঠার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা, জেহাদ। এই দু’টি একত্রে প্রকৃত মো’মেনের সংজ্ঞা। এই দু’টি যার বা যাদের মধ্যে আছে, আল্লাহর দেয়া সংজ্ঞা মোতাবেক সে বা তারা প্রকৃত মো’মেন। এই সংজ্ঞায় আল্লাহ বলেন নাই যে, যে সালাহ পড়বে সে মো’মেন, বা যে রোজা রাখবে সে মো’মেন, বা যে হজ্ব করবে, বা অন্য যে কোন পূণ্য, সওয়াবের কাজ করবে সে মো’মেন। এ সংজ্ঞায় শুধু আল্লাহ ছাড়া আর সমস্ত রকম প্রভূত্ব, সার্বভৌমত্ব অস্বীকার ও আল্লাহর পথে জেহাদ। এর ঠিক বিপরীতে তিনি এ সতর্কবাণীও বলেছেন যে এ তওহীদে যে বা যারা থাকবে না, যারা তাদের ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগত জীবনের যে কোন একটি ভাগে, অঙ্গনে আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো বা নিজেদের তৈরী আইন-কানুন, রীতি-নীতি গ্রহণ বা প্রয়োগ করবে, আল্লাহ ছাড়া আর কাউকে এলাহ বা সার্বভৌম হুকুমদাতা হিসাবে মানবে তারা শেরক করবে। আর শেরক ক্ষমা না করার জন্য আল্লাহ অঙ্গীকারাবদ্ধ (কোর’আন- সুরা নেসা ৪৮)।
দ্বিতীয়তঃ মুসলিম শব্দ এসেছে সালাম থেকে। যিনি বা যারা আল্লাহর দেওয়া জীবনব্যবস্থা, দীনকে সামগ্রিকভাবে তসলিম অর্থাৎ সসম্মানে গ্রহণ করে তা জাতীয়, পারিবারিক ও ব্যক্তিগত জীবনে প্রয়োগ ও প্রতিষ্ঠা করেছেন, অন্যসব রকম ব্যবস্থাকে বর্জন করেছেন তিনি বা তারা মুসলিম। এখানেও একজন মুসলিম হয়েও মো’মেন নাও হতে পারেন। যেমন- কোথাও দেশসুদ্ধ সকলে মুসলিম হয়ে গেলো। সেখানে একজন বা কিছুসংখ্যক মোশরেক বা নাস্তিক নানা রকম সামাজিক অসুবিধার কথা চিন্তা করে মুসলিম হয়ে গেলো, অর্থাৎ আল্লাহ, রসুল ও ইসলামকে পূর্ণভাবে বিশ্বাস না করেও সমাজের অন্য সবার সাথে আল্লাহর আইন ও দীন স্বীকার ও তসলিম করে নিলো। এ লোক মুসলিম, কিন্তু মো’মেন নয়। এর উদাহরণ দেওয়া যায় ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকেই। নবী করীমের ওফাতের আগেই সম্পূর্ণ আরব মুসলিম হয়ে গিয়েছিলো এটা ইতিহাস। কিন্তু আল্লাহ নবীকে সম্বোধন করে বলেছেন-“আরবরা বলে, আমরা বিশ্বাস করেছি (ঈমান এনেছি)। বল, তোমরা বিশ্বাস করনি। বরং বল, আমরা শুধু আত্মসমর্পণ করেছি। কারণ বিশ্বাস (ঈমান) তোমাদের আত্মায় প্রবেশ করে নি।”-
আল্লাহর কথা যে সত্য তা প্রমাণ হয়ে গেলো রসুলাল্লাহ এর ওফাতের সঙ্গে সঙ্গেই। চারদিকে বহু লোক ইসলামকে অস্বীকার করে বিদ্রোহী হয়ে উঠলো। অর্থাৎ অধিকাংশ মানুষ ইসলামকে গ্রহণ করার ফলে তারা বাধ্য হয়ে প্রকাশ্যে ইসলামকে স্বীকার করে মুসলিম হয়ে গিয়েছিলো, কিন্তু সত্যিকার বিশ্বাস তারা করে নি, তারা মুসলিম হয়েছিলো, কিন্তু মো’মেন হয় নি। আবু বকরের (রাঃ) নেতৃত্বে ঐ বিদ্রোহের বিরুদ্ধে প্রাণপণ যুদ্ধ করে সেদিন যারা ইসলামকে রক্ষা করেছিলেন, তারা ছিলেন মো’মেন। কোর’আনের বিভিন্ন স্থানে, মো’মেন ও মুসলিমদের আল্লাহ আলাদাভাবে সম্বোধন করা ছাড়াও মো’মেন কারা তা তিনি সুরা হুজরাতের ১৫নং আয়াতে পরিষ্কার করে দিয়েছেন যা একটু আগেই উল্লেখ করেছি। আল্লাহর দেয়া মো’মেনের সংজ্ঞায় দু’টি শর্ত দেয়া হলো; একটি ঈমান, অর্থাৎ তওহীদ, অন্যটি ঐ তওহীদ প্রতিষ্ঠার জেহাদ। বর্তমানে মুসলিম বলে পরিচিত জাতিটিতে এ দু’টি শর্তের একটিও নেই। আকিদার বিকৃতিতে আমরা জীবনের সমস্ত অঙ্গন থেকে তওহীদ অর্থাৎ আল্লাহর সার্বভৌমত্বকে বাদ দিয়ে শুধু মাত্র ব্যক্তি জীবনে সংকুচিত করে রেখেছি- যা প্রকৃতপক্ষে র্শেক। আর জেহাদকে তো উৎখাতই করে দিয়েছি এবং তার পরও নিজেদের মো’মেন ও মুসলিম বলে আত্মপ্রসাদ লাভ কোরছি।
মো’মেন ও মুসলিম যে এক নয় তা হাদিস থেকেও দেখাচ্ছি। সা’দ (রা:) বলছেন- একবার আমি রসুলাল্লাহর কাছে বসা ছিলাম- যখন তিনি একদল লোককে দান কোরছিলেন। সেখানে এমন একজন লোক বসা ছিলেন যাকে আমি একজন উত্তম মো’মেন বলে বিশ্বাস কোরতাম। কিন্তু রসুলাল্লাহ তাঁকে কিছুই দিলেন না। এ দেখে আমি বোললাম ইয়া রসুলাল্লাহ! আপনি তাকে কিছু দিলেন না? আমার দৃঢ় বিশ্বাস তিনি একজন মো’মেন। রসুলাল্লাহ বললেন মো’মেন বলো না মুসলিম বলো। আমি কিছু সময় চুপ থেকে আবার ঐ কথা বোললাম এবং তিনিও আবার ঐ জবাবই দিলেন-মো’মেন বলো না মুসলিম বলো। তৃতীয়বার আমি ঐ কথা বললে রসুলাল্লাহ বললেন সা’দ! আমি অপছন্দনীয় লোকদেরও দান করি এই কারণে যে আমার আশংকা হয় তারা অভাবের চাপে জাহান্নামের পথে চলে যেতে পারে (হাদিস-বোখারী)।” এখানে মহানবীর কথা থেকেই পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে যে মো’মেন ও মুসলিম এক নয়।
তৃতীয়তঃ উম্মতে মোহাম্মদী। আল্লাহ আদম (আ.) থেকে শুরু করে তার প্রত্যেক নবী-রসুল (আ.) কে পাঠিয়েছেন একটিমাত্র উদ্দেশ্য দিয়ে তাহলো যার যার জাতির মধ্যে আল্লাহর তওহীদ ও তার দেওয়া জীবন ব্যবস্থা দীন প্রতিষ্ঠা করা। শেষ নবীকে পাঠালেন সমস্ত মানবজাতির উপর এই দীন প্রতিষ্ঠা করার জন্য (কোর’আন-সুরা আল-ফাতাহ-২৮, সুরা আত-তওবা-৩৩, সুরা আস-সফ্-৯)। পূর্ববর্তী নবীদের উপর অর্পিত দায়িত্ব তাঁরা অনেকেই তাদের জীবনেই পূর্ণ করে যেতে পেরেছিলেন, কারণ তাদের দায়িত্বের পরিসীমা ছিলো ছোট। কিন্তু এই শেষ জনের দায়িত্ব হলো এত বিরাট যে এক জীবনে তা পূর্ণ করে যাওয়া অসম্ভব। অথচ যতদিন ঐ দায়িত্ব পূর্ণ করা না হবে ততদিন তার উপর আল্লাহর দেওয়া দায়িত্ব অপূর্ণ-অসমাপ্ত থেকে যাবে। তাই তিনি এমন একটি জাতি সৃষ্টি করলেন পৃথিবী থেকে তাঁর চলে যাওয়ার পরও যে জাতি তার উপর আল্লাহর দেয়া দায়িত্ব পূর্ণ করার জন্য তারই মত সংগ্রাম চালিয়ে যাবে। এই জাতি হলো তাঁর উম্মাহ-উম্মতে মোহাম্মদী- মোহাম্মদের জাতি। রসুলাল্লাহ যতদিন এই পৃথিবীতে রোইলেন ততদিন তিনি নিজে তাদের ভবিষ্যত কাজের জন্য প্রশিক্ষণ দিলেন। মাত্র দশ বছরের মধ্যে ৭৮টি যুদ্ধ সংঘটিত করে, একটি দুর্দ্ধর্ষ যোদ্ধা জাতি গঠন করে তিনি তাঁর প্রেরক প্রভুর কাছে চলে গেলেন। যে অপরাজেয় যোদ্ধা জাতিটি তিনি গঠন করে গেলেন সে জাতির আকিদার মধ্যে তিনি সুস্পষ্টভাবে গেঁথে দিয়ে গেলেন যে তাঁর ওপর আল্লাহর দেয়া দায়িত্ব-সর্বাত্মক সংগ্রামের মাধ্যমে সমস্ত পৃথিবীতে এই দীন প্রতিষ্ঠা করা, তাঁর অবর্তমানে তাঁর গঠিত এই উম্মাহর ওপর অর্পিত হয়েছে।
প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষদের মধ্যে প্রথম যিনি বিশ্বনবীকে প্রেরিত বলে স্বীকার করে এই দীনে প্রবেশ করলেন; অর্থাৎ আবু বকর (রা:) ইসলাম গ্রহণ করেই রসুলাল্লাহকে জিজ্ঞাসা করলেন- “হে আল্লাহর রসুল! এখন আমার কাজ কি? কর্তব্য কি?” আল্লাহর শেষ নবী যে উত্তর দিয়েছিলেন তা আমরা ইতিহাসে ও হাদিসে পাই। তিনি বললেন, “এখন থেকে আমার যে কাজ তোমারও সেই কাজ।” কোন সন্দেহ নেই যে যদি প্রত্যেকটি মানুষ-যারা ঈমান এনে মহানবীর হাতে মুসলিম হয়েছিলেন তারা আবু বকরের (রা:) মত- যদি ঐ প্রশ্ন করতেন তবে তিনি প্রত্যেককেই ঐ জবাব দিতেন। “আমার যে কাজ” বলতে তিনি কী বুঝিয়েছিলেন? তাঁর কী কাজ ছিলো? তাঁর কাজ তো মাত্র একটা, যে কাজ আল্লাহ তাঁর উপর অর্পণ করেছেন। সেটা হলো সমস্ত রকমের জীবনব্যবস্থা ‘দীন’ পৃথিবীর বুক থেকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়ে এই শেষ দীনকে মানব জীবনে প্রতিষ্ঠা করা। ইতিহাসে পাচ্ছি, শেষ-ইসলামকে গ্রহণ করার দিনটি থেকে শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত আবু বকরের (রা:) কাজ একটাই হয়ে গিয়েছিলো। সেটা ছিলো মহানবীর সংগ্রামে তাঁর সাথে থেকে তাঁকে সাহায্য করা। শুধু আবু বকর নয়, যে বা যারা নবীকে বিশ্বাস করে মুসলিম হয়েছেন সেই মুহূর্ত থেকে মৃত্যু পর্যন্ত তিনি বা তারা বিশ্বনবীকে তাঁর ঐ সংগ্রামে সাহায্য করে গেছেন, তাঁর সুন্নাহ পালন করে গেছেন। আর কেমন সে সাহায্য! স্ত্রী-পুত্র-পরিবার ত্যাগ করে, বাড়ী-ঘর, সম্পত্তি, ব্যবসা-বাণিজ্য ত্যাগ করে, অর্দ্ধাহারে-অনাহারে থেকে, নির্মম অত্যাচার সহ্য করে, অভিযানে বের হয়ে গাছের পাতা খেয়ে জীবন ধারণ করে এবং শেষ পর্যন্ত যুদ্ধক্ষেত্রে জীবন বিসর্জন দিয়ে। এই হলো তাঁর উম্মাহ, উম্মতে মোহাম্মদী, তাঁর প্রকৃত সুন্নাহ পালনকারী জাতি। তারা তাদের দায়িত্ব সম্বন্ধে কতখানি সচেতন ছিলো তার প্রমাণ পাওয়া যায় বিশ্বনবীর এন্তেকালের পর তাঁর উম্মাহর ইতিহাস থেকে। নেতার পৃথিবী থেকে বিদায় নেবার সঙ্গে সঙ্গে সমস্ত জাতিটি অস্ত্র হাতে স্বদেশ (আরব) থেকে বের হয়ে উত্তাল ঢেউয়ের মত পৃথিবীতে ছড়িয়ে পোড়লো এবং সর্বদিক দিয়ে তাদের চেয়ে বহুগুণ শক্তিশালী দুইটি বিশ্বশক্তিকে সামরিকভাবে পরাজিত করে তদানীন্তন অর্দ্ধেক পৃথিবীতে আল্লাহর সার্বভৌমত্ব অর্থাৎ তওহীদ ভিত্তিক সত্যদীন প্রতিষ্ঠা করলো। ঐ উম্মাহর শতকরা আশি জনেরও বেশীর কবর তাদের স্বদেশ আরবের বাইরে হয়েছে। এটাই হচ্ছে উম্মতে মোহাম্মদীর পরিচয়।
বর্তমানে উম্মতে মোহাম্মদী হিসাবে যারা পরিচয় দেন, তাদের কাছে ইসলামের মূল কাজ হলো টাখনুর উপর পায়জামা, খাওয়ার পূর্বে লবন খাওয়া, ডান কাত হয়ে শোওয়া, লম্বা জোব্বা, পাগড়ি, লম্বা দাড়ি, কাঁধে চেক রুমাল আর পাড়া মহল্লা কাঁপিয়ে মিলাদ ও জেকের করা, ব্যাস এই হলো উম্মতে মোহাম্মদী। এদের সামনে জেহাদ অপরিচিত। দুনিয়াময় ইহুদি খ্রিষ্টান ‘সভ্যতা’ অর্থাৎ দাজ্জালের শাসন, তাগুতের সার্বভৌমত্ব চোলছে নাকি আল্লাহর সার্বভৌমত্ব চোলছে, এটা তাদের বিবেচ্য নয়, দুনিয়াময় মুসলিম নামক জাতিটি অন্য জাতির লাথি খাচ্ছে খাক, নির্যাতিত হোক, এদের নারীরা ধর্ষিতা হচ্ছে হোক এটাও তাদের কাছে বিবেচ্য বিষয় নয়। এদের কেউ মসজিদে গিয়ে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পোড়তে বাধা দিচ্ছে না, জেকের করতে বাধা দিচ্ছে না, এই জাতীয় নির্জীব, নির্বিকার অন্তর্মুখী বিচ্ছিন্ন জনসংখ্যাকে মানবজাতির সেরা বিপ্লবী রসুলাল্লাহ অন্তত আর কিছু হোক তাঁর উম্মাহ বলে স্বীকার করবেন না।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
 ১ মে ২০২৬    HT All Article

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article
পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমিয়েছে চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন
চীনে প্রতি ১০ কর্মদিবস অন্তর বৈশ্বিক তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নতুন দামে ৫০ লিটার জ্বালানি কিনতে এখন চালকদের প্রায়…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    মতামত

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা
রিয়াদুল হাসান গৌড়ের রাজ দরবারে চাচা কুতুব খানের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ দাসত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে সুলতান তাজ খান কররানির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন যুবক ঈসা খাঁ ও ইসমাইল…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!
শাহাদৎ হোসেন:বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো এই মাটির কৃষক। কৃষকদের আমরা বলি, সব সাধকের বড় সাধক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারা যে ফসল ফলায়,…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!
কথক দা: আমরা যেন আইয়্যামে গুজবে বাস করছি। অপতথ্য আর অপসংবাদের ভীড়ে কোনটা সত্য আর কোনটা অর্ধসত্য এবং কোনটা মিথ্যা তা বোঝা খুবই মুশকিল। একসময়…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান
এম আর হাসান:খুররম খান পন্নী ছিলেন উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইতিহাসের এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর জীবন ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান পর্ব এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ- এই তিনটি…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?
শাহাদৎ হোসেন:ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘ ৪৭ বছরের শীতল সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে। গত ১১ এপ্রিল দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে যে…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ
ওবায়দুল হক বাদল:আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে বড় অঙ্কের ব্যয় নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার। এসব খাতে ২ লাখ…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?
মুস্তাফিজ শিহাব:বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকালে এক চরম বৈপরীত্য চোখে পড়ে। একদিকে রয়েছে বিপুল জনশক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য এবং অন্যদিকে চরম অবমাননা…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article