প্রচ্ছদ    HT All Article   বাংলার সুফি সাধকরা কেমন ছিলেন?

বাংলার সুফি সাধকরা কেমন ছিলেন?

১৭ জানুয়ারি ২০১৬ ১১:৫৩ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক
কামরুল হাসান

বাংলায় ইসলামের ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায়, প্রথমে মুসলিমরা এতদঞ্চলের সার্বভৗম ক্ষমতার অধিকারী হয়, তারপর সুফি-দরবেশদের আগমন ঘটে। সুফি-সাধকদের আধ্যাত্মিক ক্ষমতা ও কেরামতি দেখে বহু মানুষ ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে ইসলাম গ্রহণ করে। ইতিহাসবিদদের মধ্যে সুফিবাদকে অতি মূল্যায়ন করতে গিয়ে এখানকার মুসলিম শাসনের গুরুত্বকে ছোট করে দেখানোর একটি প্রবণতা লক্ষ করা যায় এবং তার প্রভাবে অনেকে মনে করেন- এখানকার মানুষের ইসলাম ধর্ম গ্রহণের সবটুকু কৃতিত্বই সুফিদের প্রাপ্য। কিন্তু এ ধারণা সর্বাংশে সত্য নয়। প্রকৃতপক্ষে অত্র এলাকায় ইসলামের বীজ বপন করে মুসলিম শাসকরা, আর সেই বীজকে চারায় রূপান্তরিত হবার জন্য উপযুক্ত আলো-বাতাস সরবরাহ করেন সুফি-সাধকরা। বাংলায় ইসলামের প্রচার ও প্রসারে মুসলিম মুজাহিদরা সর্বাত্মক সংগ্রাম করার মাধ্যমে যে অবদান রেখেছেন, সুফি-দরবেশদের অবদানের চেয়ে তা কোনো অংশে কম নয়। কিন্তু মুজাহিদদের সেই সংগ্রামকে ছাপিয়ে সুফি-দরবেশদের অবদানকে বড় ও প্রধান করে দেখানোর অন্যতম কারণ হচ্ছে ইসলামের সংগ্রামী দিকটিকে আড়াল করে রাখা এবং প্রমাণের চেষ্টা করা যে, ইসলাম হচ্ছে নামাজ, রোজা, যেকের-আজগার, দোয়া-কালাম, আধ্যাত্মিক সাধনা ইত্যাদি ব্যক্তিগত উপসনাকেন্দ্রিক ধর্ম, সমাজ ও রাষ্ট্রের সাথে ইসলামের সম্পর্ক নেই। অর্থাৎ মুসলিমদের উচিত কেবল ব্যক্তিগত এবাদত-আমল নিয়ে পড়ে থাকা, সমাজের কোথাও অশান্তি আছে কিনা, অন্যায়-অবিচার হচ্ছে কিনা, দমন-পীড়ন চলছে কিনা- এসব নিয়ে মাথা ঘামানো মুসলিমদের দায়িত্ব নয়। এ প্রবণতা প্রথম শুরু হয় ব্রিটিশ শাসনামলে মুসলিমদেরকে পদানত করে রাখার জন্য। তারপর তা সংক্রমিত হয় উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে। এ বিষয়ে বিস্তারিত লিখতে গেলে পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা লেখা যায়। আমার আলোচনার প্রসঙ্গ সেটা নয়। মূল আলোচনায় যাবার আগে এটুকু জেনে রাখলেই চলবে যে, বাংলায় ব্যাপকভাবে ইসলামের আগমন ঘটেছিল মুসলিম মুজাহিদদের সংগ্রামের ফলে এবং ইসলামের প্রসার ঘটেছিল মুসলিম শাসক ও ওলি-আউলিয়াদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায়।
ওলি-আউলিয়াদের সম্পর্কে অনেকেরই ধারণা সীমিত, যাদের ধারণা আছে তারা আবার মিথ্যা ইতিহাসের শিকার হয়ে থাকেন। ওলি-আউলিয়ার নাম শুনলেই আমাদের চোখের সামনে যেমন ধ্যানগ্রস্ত বুজুর্গের ছবি ভেসে ওঠে বাস্তবতা কিন্তু তেমন নয়। তাদের জীবনেও রয়েছে সংগ্রামী সোনালি অধ্যায়। দুই জালাল, শেখ জালালুদ্দিন তাবরিজী (মৃত্যু ১২২৬ অথবা ১২৪৪) ও শেখ শাহ জালাল (মৃত্যু ১৩৪৭) ছিলেন বাংলার শ্রেষ্ঠ দুই সুফি সাধক। ১২০৫ সালে হিন্দু রাজা লক্ষণসেনকে পরাজিত করে বখতিয়ার খিলজীর বাংলা বিজয়ের পর শেখ জালালুদ্দিন তাবরিজী বাংলায় আসেন। তিনি পান্দুয়ার (মালদহ, পশ্চিম বাংলা) নিকট দেবতলায় স্থায়িভাবে বসতি গাড়েন। তার সমকালীন ঘটনাপ্রবাহ তেমন জানা না গেলেও ঐতিহাসিকরা কতিপয় ঘটনার সূত্র ধরে ধারণা করেন, তার সাথে প্রত্যক্ষ যুদ্ধ বা যুদ্ধসংশ্লিষ্ট সহিংসতার ঘটনা ঘটে এবং হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী একটি বড় সংখ্যার জনগোষ্ঠী ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে।
বাংলার আরেক শ্রেষ্ঠ সুফি সাধক আবাস গেড়েছিলেন সিলেটে। বাংলাদেশী মুসলিমদের কাছে তিনি আজও অতুলনীয় সম্মানের অধিকারী হয়ে আছেন। বাংলাদেশের সিলেটে শাহজালাল (র.)- এর স্থায়িভাবে বসবাস শুরু করার ঠিক পূর্বে সিলেটের শাসনকর্তা ছিলেন গৌরগোবিন্দ নামে এক হিন্দু রাজা। শাহজালাল বাংলায় আসার পূর্বে গৌড়ের সুলতান শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহ দুইবার গৌরগোবিন্দকে আক্রমণ করেন। উভয় আক্রমণের নেতৃত্বে ছিলেন সুলতান শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহের ভাতিজা সিকান্দর খান গাজী। দুবারেই মুসলিমরা পরাজিত হয়। এরপর সুলতানের প্রধান সেনাপতি নাসিরুদ্দিনের পরিচালনায় গৌর গোবিন্দের বিরুদ্ধে তৃতীয় আক্রমণ চালানো হয়। এ জিহাদ অভিযানে অংশ নিতে বিখ্যাত সুফি সাধক নিজামুদ্দিন আউলিয়া তার বিশিষ্ট শিষ্য শাহজালালকে ৩৬০ জন অনুসারীসহ প্রেরণ করেন। শাহজালাল (র.) ভক্তদের নিয়ে বাংলায় পৌঁছে মুসলিম বাহিনীতে যোগ দেন। প্রচণ্ড যুদ্ধের পর রাজা গৌর গোবিন্দ পরাজিত হয়। কথিত আছে সেই যুদ্ধে মুসলিমদের বিজয়ের সবটুকু কৃতিত্বই ছিল শাহজালাল (র.) ও তার ভক্তদের প্রাপ্য। সিলেটে শাহজালাল (র.) এর মাজারে এই সুফি সাধক ও বীর মুজাহিদের তলোয়ার এখনও সংরক্ষিত আছে।
অপর এক দৃষ্টান্ত অনুসারে, বাংলায় ইসলামের প্রসারে সুফি সাধক নূর কুতুব-ই-আলম কেন্দ্রীয় ভূমিকা রেখেছিলেন বলে জানা যায়। ১৪১৪ সালে বিদ্রোহী হিন্দু যুবরাজ গণেশ মুসলিম শাসককে হটিয়ে দিয়ে বাংলার ক্ষমতা দখল করেন। এ বিদ্রোহের ফলে বাংলার সুফিরা প্রচণ্ড অসন্তুষ্ট হন এবং তারা তার শাসন মেনে নিতে অস্বীকার করে বাংলার বাইরের মুসলিম শাসকদের কাছে সাহায্যের আবেদন করেন। তাদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে ইব্রাহিম শাহ সারকি বাংলা আক্রমণ করে গণেশকে পরাজিত করেন। তৎকালীনবাংলার নেতৃস্থানীয় সুফি সাধক নূর কুতুব-ই-আলম সাময়িক শান্তি স্থাপনের মধ্যস্থতাকারী রূপে এগিয়ে আসেন। তিনি গণেশকে সিংহাসন ত্যাগে বাধ্য করে গণেশের বার বছরের মুসলিম পুত্র জালালুদ্দিন মোহাম্মদকে সিংহাসনে বসান।
একইভাবে ইসলামের সত্য ও ন্যায়ের আলো সর্বত্র ছড়িয়ে দেয়ার অভিপ্রায়ে দক্ষিণ বাংলায় সংগ্রাম করেন খান জাহান আলী (র.), উত্তর বাংলায় সুলতান মাহমুদ মাহী সওয়ার (র.), পশ্চিম বাংলায় শাহ শফী উদ্দিন (র.), শাহ সুলায়মান (র.), সৈয়দ চন্দন শহীদসহ অনেক বিপ্লবী মুজাহিদ। তাদের জীবনী পড়লে দেখা যায় যে, সত্য প্রতিষ্ঠার সংগ্রামেই তাদের জীবনের বেশির ভাগ সময় কেটেছে। সিলেটের শাহ জালালের (র.) মতো অনেকের হাতের তলোয়ার আজও রক্ষিত আছে। তারা যে আধ্যাত্মিক সাধকও ছিলেন না তা আমি বলছি না, তাদের আধ্যাত্মিক সাধনাও অবশ্যই ছিল। কারণ তাদের জীবন প্রকৃত মুসলিম ও উম্মতে মোহাম্মদীর মতোই ভারসাম্যযুক্ত ছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে তাদের জীবনের সশস্ত্র সংগ্রামের ভাগটুকু ছেটে ফেলে তাদের কেরামতির ভাগটাকেই শুধু প্রধান নয় একমাত্র ভাগ বলে প্রচার করা হয়েছে।
ইসলামকে সুফি-সাধকের ধর্ম ও বাংলাদেশকে সুফি-সাধকদের দেশ বলে ইসলামকে মসজিদ-মাদ্রাসা-খানকা-দরগার চৌহদ্দির ভেতরে আটকে রাখার যে প্রচেষ্টা চলে ইতিহাস তাকে সমর্থন করে না। সুফি সাধকরা যেটা করেছেন সে বিবেচনা থেকে বলতে গেলে বলতে হবে- ইসলাম মিথ্যার বিরুদ্ধে লড়াই করার ধর্ম, সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের ধর্ম, সংঘর্ষের ধর্ম। সংঘর্ষকে এড়িয়ে চলার বাসনায় মিথ্যাকে মেনে নেওয়ার নাম ইসলাম নয়। এমনকি ব্যক্তিগতভাবে আধ্যাত্মিক চর্চা করে কেরামতির ক্ষমতা অর্জন করাও ইসলামের চূড়ান্ত লক্ষ্য নয়। ইসলামের উদ্দেশ্য মানবজীবনে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা যার জন্য সংঘর্ষ ও লড়াইয়ের প্রয়োজন। বাংলার সুফি-সাধকরা একদা সত্য প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম করেছেন বলেই এতদঞ্চলের মানুষ ইসলামের দেখা পেয়েছে। তারা যদি ঘরে বসে থেকে ভারসাম্যহীনভাবে ধ্যান করেই জীবন পার করতেন তাহলে আমাদের ইতিহাস অন্য রকম হতো। সুতরাং কেউ যদি বলে ‘শাহ জালালের বাংলাদেশ’ কেউ যদি বলে ‘সুফি সাধকের বাংলাদেশ’ তা এই অর্থই প্রকাশ করে যে, বাংলাদেশ মিথ্যা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের দেশ, বাংলাদেশ সংগ্রামের দেশ, বাংলাদেশ প্রতিবাদের দেশ। অন্যায়, অবিচার, অশান্তি দেখে মুখ বুঁজে ও হাত গুটিয়ে বসে থাকার দেশ বাংলাদেশ নয়। সুফি-সাধকরা অন্যায়-অশান্তি দেখেও হাত গুটিয়ে বসে থাকার শিক্ষা দেন নি।
লেখক: হেযবুত তওহীদের ভোলা জেলা আমীর।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
 ১ মে ২০২৬    HT All Article

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article
পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমিয়েছে চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন
চীনে প্রতি ১০ কর্মদিবস অন্তর বৈশ্বিক তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নতুন দামে ৫০ লিটার জ্বালানি কিনতে এখন চালকদের প্রায়…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    মতামত

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা
রিয়াদুল হাসান গৌড়ের রাজ দরবারে চাচা কুতুব খানের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ দাসত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে সুলতান তাজ খান কররানির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন যুবক ঈসা খাঁ ও ইসমাইল…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!
শাহাদৎ হোসেন:বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো এই মাটির কৃষক। কৃষকদের আমরা বলি, সব সাধকের বড় সাধক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারা যে ফসল ফলায়,…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!
কথক দা: আমরা যেন আইয়্যামে গুজবে বাস করছি। অপতথ্য আর অপসংবাদের ভীড়ে কোনটা সত্য আর কোনটা অর্ধসত্য এবং কোনটা মিথ্যা তা বোঝা খুবই মুশকিল। একসময়…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান
এম আর হাসান:খুররম খান পন্নী ছিলেন উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইতিহাসের এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর জীবন ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান পর্ব এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ- এই তিনটি…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?
শাহাদৎ হোসেন:ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘ ৪৭ বছরের শীতল সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে। গত ১১ এপ্রিল দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে যে…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ
ওবায়দুল হক বাদল:আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে বড় অঙ্কের ব্যয় নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার। এসব খাতে ২ লাখ…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?
মুস্তাফিজ শিহাব:বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকালে এক চরম বৈপরীত্য চোখে পড়ে। একদিকে রয়েছে বিপুল জনশক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য এবং অন্যদিকে চরম অবমাননা…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article