প্রচ্ছদ    HT All Article   পশ্চিমে ধর্মনিরপেক্ষ ব্যবস্থা গৃহীত হলো,...

পশ্চিমে ধর্মনিরপেক্ষ ব্যবস্থা গৃহীত হলো, প্রাচ্যে কেন হচ্ছে না? পর্ব-২

২৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ০২:১৩ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

পর্ব-২

Untitled-3রিয়াদুল হাসান
৩. ঔপনিবেশিক যুগে ধর্ম নির্মূলের চেষ্টা নয়, রাজনৈতিক অপব্যবহার করা হয়েছে:

ধর্মকে ব্রিটিশরাজ কিন্তু ভারতবর্ষ থেকে একেবারে নির্মূল করতে চায় নি, তারা কেবল ধর্মকে তাদের শাসননীতির হাতিয়ারে পরিণত করেছিল। তারা মাদ্রাসা শিক্ষার মাধ্যমে মুসলিমদেরকে চরম মূর্খতা ও অন্ধত্বের মধ্যে নিপতিত করে রাখতে চেয়েছিল এবং হিন্দুদেরকে পাশ্চাত্য ইংরেজি শিক্ষা দিয়ে নিজেদের অনুগত কেরানি, আর্দালি, দফতরি তথা চাকরিজীবী চাকরে পরিণত করতে চেয়েছিল। তারা ষড়যন্ত্রমূলকভাবে নানা ফন্দিতে পূর্বতন শাসক মুসলিমদেরকে হিন্দুদের (সনাতন) থেকে একশত বছর পিছিয়ে দেয়। ১৮১৭ সনে হিন্দুদের শিক্ষা দেওয়ার জন্য হিন্দু কলেজ (প্রেসিডেন্সি কলেজ) প্রতিষ্ঠা করা হয়, ১৮২৪ সনে সংস্কৃত কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয় কিন্তু সেগুলোতে মুসলিমদের প্রবেশাধিকার ছিল না। বহু রক্তের বিনিময়ে, বহু সংগ্রামের পরে ব্রিটিশ যুগে মুসলিমরা নিজেদের শিক্ষালাভের অধিকার প্রাপ্ত হয়। সিপাহী বিদ্রোহেরও ১৮ বছর পর ১৮৭৫ সনে মুসলিমদের জন্য প্রথম কলেজটি স্থাপিত হয় উত্তর প্রদেশের আলীগড়ে। কলকাতায় নারীদের জন্য প্রথম শিক্ষালয়টি নির্মিত হয় ১৮৫০ সনে বেথুন স্কুল কিন্তু সেখানে মুসলিম নারীদের শিক্ষালাভের সুযোগ ছিল অপ্রতুল। এর ৮৯ বছর পর দেশবিভাগের কিছুদিন আগে ১৯৩৯ সানে লেডি ব্রেবোর্ন কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় যেখানে মুসলিম নারীরা শিক্ষালাভের মোটামুটি সুযোগ লাভ করেন। ধর্মান্ধতার দরুন হিন্দু-মুসলিম উভয় সমাজ নারী শিক্ষার বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকায় উপমহাদেশের নারীরা শিক্ষাক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়েছিল দারুণভাবে।

৪. খ্রিষ্টধর্মের ব্যর্থতা বনাম সনাতন-ইসলাম ধর্মের সফলতার ইতিহাস:

যাদের অতীত আছে তাদের ভবিষ্যৎও আছে। খ্রিষ্টানদের অতীত বলে কিছু ছিল না কারণ ঈসা (আ.) এর দ্বারা কোনো স্বর্ণযুগ প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ইহুদি ধর্মব্যবসায়ীদের প্রবল বাধার কারণে তাঁর শিক্ষা বিকশিত হতে পারে নি, ফলে তাঁর মিশন অসমাপ্ত থেকে যায়। তিনি তিনবছর তওহীদ প্রচারের পর আল্লাহর সান্নিধ্যে গমন করেন। তাঁর অনুসারীরাও ব্যর্থ হন স্বভাবতই। সুতরাং খ্রিষ্টান ধর্মের কোনো অতীত গৌরব নেই, তাই তারা সহজেই জাতীয় জীবন থেকে ধর্মকে পরিত্যাগ করতে পেরেছে। ধর্মের সংস্কার করে, জাতির মধ্যে পুনর্জাগরণ সৃষ্টি করে ধর্মের রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করার কোনো প্রয়াস তারা করতে পারে নি, কেননা অতীত থেকে কোনো উদাহরণ তাদেরকে সেই প্রেরণা যোগায় নি। তবে ভবিষ্যতে ঈসা (আ.) দ্বিতীয়বার এসে বিশ্বময় শান্তি (The Kingdom of Heaven) প্রতিষ্ঠা করবেন এমন বিশ্বাস খ্রিষ্টানরা যেমন পোষণ করে, মুসলিমরাও পোষণ করে। সনাতন ধর্মাবলম্বীরাও বিশ্বাস করে যে আবার সত্যযুগ প্রতিষ্ঠিত হবে, রামরাজত্বের শান্তি আবার ফিরে আসবে এবং তারাই বিশ্বের উপরে কর্তৃত্বশীল হবে। কিন্তু বিশ্বাস করলে কী হবে, ভবিষ্যতের একটি বিষয়কে নিয়ে যত রাজনীতিই করা হোক, যত ক্রুসেডই বাঁধানো হোক, সেটার ভিত্তিতে রাষ্ট্রনীতি নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। কিন্তু মুসলিমদের একটি মহান সুখকর স্বর্ণোজ্জ্বল, শ্রেষ্ঠত্বপূর্ণ অতীতকাল আছে। জীবনের প্রতিটি শাখায় তারাই বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ছিল এ কথা মুসলিমরা ভুলবে কী করে? তাই তাদের ধর্মবিশ্বাস যতদিন থাকবে, আবার সেই সোনালি দিন ফিরিয়ে আনার জন্য আকুলতা তাদের কিছু অংশের মধ্যে হলেও ক্রিয়াশীল থাকবে। তারা বিদ্রোহ করবেই। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মগ্রন্থেও আছে সত্য-ত্রেতা-দ্বাপর যুগে শাস্ত্রের শাসনে সৃষ্টি হওয়া সুবিচার, নিরাপত্তা, প্রাচুর্য আর শান্তিপূর্ণ সমাজব্যবস্থার হাজার হাজার বছরের ইতিহাস। কিন্তু সেটা ছিল সুদূর অতীত, আর মুসলিমদের স্বর্ণময় ইতিহাসটা তখনও তরতাজা, হারানোর শোকটাও অমলিন।

৫. ব্রিটিশ রাষ্ট্রনীতি প্রযুক্ত ধর্মান্ধতা, সংশয়বাদ ও সাম্প্রদায়িকতার আবাদ ধর্মনিরপেক্ষতা চর্চার প্রতিবন্ধক:

ব্রিটিশরা মুসলিমদের এই চেতনাটিকে মেরে ফেলার জন্যই মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেছিল। মাদ্রাসার মাধ্যমে তারা মুসলিমদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে দিয়েছিল। পাশাপাশি সনাতন ধর্মীদের মধ্যেও বিস্তার ঘটিয়েছিল মুসলিম বিদ্বেষী মনোভাব। ১২০০ বছর ধরে (মুহাম্মদ বিন কাশেম থেকে টিপু সুলতান পর্যন্ত) ভারতবর্ষে হিন্দু-মুসলিম সহাবস্থান ছিল শান্তিপূর্ণ, কিন্তু ব্রিটিশদের কূটনীতির কারণে জন্ম নেয় সাম্প্রদায়িকতার শকুন যা ধর্মীয় দাঙ্গা বাঁধিয়ে লক্ষ লক্ষ হিন্দু-মুসলিমের শব ভক্ষণ করেছে।
ব্রিটিশ আসার আগে ভারতে সাম্প্রদায়িক কোনো দাঙ্গা হয়নি এটা এক ঐতিহাসিক সত্য। এমনকি ব্রিটিশের আগে ভারতবর্ষ ‘হিন্দু-মুসলিমের’ এলাকা হিসেবে পরিচিত ছিল না। ইউরোপে যখন জাতিরাষ্ট্রের ধারণা বিকাশমান, তখন ব্রিটিশরা ভারতবর্ষে ধর্মীয় জাতীয়তাবাদের গোড়াপত্তন করে। ভারতবর্ষ হিন্দু ও মুসলমান, এই দুই বৈরী সত্তায় বিভাজিত, এটা উপনিবেশবাদী ইংরেজের প্রচারিত মত।
ব্রিটিশ এর সূত্র ধরে শেষ দাবার চালটা দিয়েছে ধর্মের ভিত্তিতে দেশবিভাগ ঘটিয়ে। সেই কুফল আজও আমরা বয়ে বেড়াচ্ছি। যতই ধর্মনিরপেক্ষতার চর্চা করা হোক, সাম্প্রদায়িক ঘৃণা মোটেও বিদূরিত হয়নি, কেবল আত্মকেন্দ্রিকতার দরুন তা কিছুদিন চাপা পড়ে থাকে, আবার স্বার্থবাজ রাজনীতিবিদরা ভোটের জন্য সেই নিভু নিভু আগুনকে উস্কে দেয়। সাম্প্রদায়িকতার জন্ম ও প্রতিপালন করে যে বিষবৃক্ষটি ব্রিটিশরা ভারতবর্ষের মাটিতে বড় করে রেখে গেছে, সেই বৃক্ষ থেকে পরধর্মসহিষ্ণুতা, ধর্মনিরপেক্ষতা আশা করা কেবল ব্রিটিশদের যারা পদলেহনকারী চাটুকার তাদের পক্ষেই সম্ভব। যারা নিজেদের স্বাধীনতার ইতিহাস ভুলে যায়, আজীবন দাস থাকা তাদের পক্ষেই সম্ভব।
যেটা বলছিলাম, ব্রিটিশরা কিন্তু ভারতবাসীকে ধর্ম ভোলাতে চায় নি, চেয়েছে দুটি বিপরীতমুখী শিক্ষাব্যবস্থার দ্বারা জাতিকে দ্বিধাগ্রস্ত, বিভক্ত করে ফেলতে। তারা মাদ্রাসা ও সংস্কৃত কলেজ প্রতিষ্ঠা করে হিন্দু ও মুসলিম বিভাজন সৃষ্টি করে গেছে। ধর্মের নামে অধর্মের শেকড় এ জাতির চেতনার গভীরে প্রবেশ করিয়ে দিয়ে গেছে। ব্রিটিশ বিরোধী সংগ্রাম হয়েছে সেখানেও ধর্মীয় মৌলবাদকে অবলম্বন করেছে হিন্দু-মুসলিম উভয় সম্প্রদায়। এখন গণতন্ত্রের যিকির যতই করা হোক লাভ নেই। ১২৮ বছরের ধর্মনিরপেক্ষ কংগ্রেস তাই ব্যর্থ হয়ে ধর্মভিত্তিক বিজেপি এখন ভারতের ক্ষমতায়। ফলে হিন্দু মৌলবাদী দলগুলো হিন্দুত্ববাদের জাগরণের চেষ্টা করছে, যার মূল সুরই হচ্ছে মুসলিম বিদ্বেষ। সনাতন ধর্মেরও আছে সোনালি অতীত, সত্যযুগের ইতিহাস, সমৃদ্ধ সংস্কৃতি। অবশ্য সব ধর্মের মতো সেখানেও কুসংস্কারের দূষণ আছে, তথাপি তারা ইউরোপের মতো দেউলিয়া না। তাদের অনেক ধর্মগ্রন্থ আছে যাতে জাতীয় জীবন পরিচালনার জন্য দিক-নির্দেশনা, বিধি বিধান আছে। তাই সনাতনধর্মীরাও দৃঢ় প্রত্যয়ী হচ্ছেন যে অন্তত জীবনব্যবস্থা ও সংস্কৃতির জন্য তাদের পাশ্চাত্যের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে হবে না। চূড়ান্ত বিচারে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ কেবল বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টানদের কাছে কাম্য হতে পারে কেননা তাদের উভয়েরই ধর্মের সামষ্টিক জীবনবিধান নেই, আছে কেবল আত্মিক উন্নতির দিক-নির্দেশনা। তথাপি তারা রাজনীতির হাতিয়ার হিসাবে এখনো ধর্মকে ব্যবহার করে যাচ্ছে। উদাহরণ রোহিঙ্গা নির্যাতন ও প্যারিস হামলা। সম্প্রতি প্যারিসে আই.এস-হামলার পর ব্রিটেনে মুসলিম বিদ্বেষ শতকরা ৩০০% বৃদ্ধি পেয়েছে বলে পত্রিকায় এসেছে। এই বিদ্বেষকেই আরো বৃদ্ধি করে ডানপন্থী দলগুলো জনপ্রিয়তার পারদ ঊর্ধ্বে তোলার চেষ্টা করেছে। শরণার্থী মুসলিমদেরকে দেশে ঢুকতে না দেওয়া, সন্ত্রাসী সন্দেহে অভিবাসী মুসলিমদের জীবনকে সমস্যা-সংকুল করে তোলাই তাদের এখনকার রাজনৈতিক কর্মসূচি। বাইবেলে ধারণা দেওয়া হয়েছে যে, হাজার বছরের শিরোভাগে ঈসার (আ.) পুনরাগমন হবে এবং তিনি ইবলিসকে বেঁধে রেখে এক হাজার বছর শান্তিতে দুনিয়া শাসন করবেন (রিভিলেশান ২০:১-৫)। এজন্য প্রতি মিলেনিয়ামের প্রারম্ভে তারা যিশুর আবির্ভাবের সম্ভাবনায় ক্রুসেডের সূচনা করে। ইরাক আক্রমণের আগে জর্জ বুশ ক্রুসেডের ঘোষণা দিয়েছিলেন সে কথা সচেতন ব্যক্তিমাত্রই জানেন। সবার মুখে এখন কেবল ধর্ম-ধর্ম-ধর্ম।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
 ১ মে ২০২৬    HT All Article

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article
পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমিয়েছে চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন
চীনে প্রতি ১০ কর্মদিবস অন্তর বৈশ্বিক তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নতুন দামে ৫০ লিটার জ্বালানি কিনতে এখন চালকদের প্রায়…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    মতামত

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা
রিয়াদুল হাসান গৌড়ের রাজ দরবারে চাচা কুতুব খানের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ দাসত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে সুলতান তাজ খান কররানির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন যুবক ঈসা খাঁ ও ইসমাইল…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!
শাহাদৎ হোসেন:বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো এই মাটির কৃষক। কৃষকদের আমরা বলি, সব সাধকের বড় সাধক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারা যে ফসল ফলায়,…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!
কথক দা: আমরা যেন আইয়্যামে গুজবে বাস করছি। অপতথ্য আর অপসংবাদের ভীড়ে কোনটা সত্য আর কোনটা অর্ধসত্য এবং কোনটা মিথ্যা তা বোঝা খুবই মুশকিল। একসময়…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান
এম আর হাসান:খুররম খান পন্নী ছিলেন উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইতিহাসের এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর জীবন ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান পর্ব এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ- এই তিনটি…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?
শাহাদৎ হোসেন:ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘ ৪৭ বছরের শীতল সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে। গত ১১ এপ্রিল দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে যে…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ
ওবায়দুল হক বাদল:আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে বড় অঙ্কের ব্যয় নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার। এসব খাতে ২ লাখ…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?
মুস্তাফিজ শিহাব:বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকালে এক চরম বৈপরীত্য চোখে পড়ে। একদিকে রয়েছে বিপুল জনশক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য এবং অন্যদিকে চরম অবমাননা…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article