প্রচ্ছদ    HT All Article   রসুলাল্লাহর (দ:) ভবিষ্যদ্বাণী মোতাবেক জান্নাতি...

রসুলাল্লাহর (দ:) ভবিষ্যদ্বাণী মোতাবেক জান্নাতি ফেরকা কারা? (পর্ব-১)

১২ জুলাই ২০১৫ ১২:০২ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

এমামুযযামান জনাব মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী:

একদিন মহানবী (দ:) বোললেন, ইহুদি জাতি একাত্তর ভাগে বিভক্ত হোয়েছিল যার একটি ভাগ জান্নাতি আর সত্তরভাগ জাহান্নামী। খ্রিস্টান জাতি বাহাত্তর ভাগে বিভক্ত হোয়েছিল যার মধ্যে একাত্তর ভাগই জাহান্নামী একভাগ জান্নাতি। তাঁর শপথ যার হাতে মোহাম্মদদের (দ:) প্রাণ, আমার উম্মাহ তেহাত্তর ভাগে বিভক্ত হবে যার মধ্যে একটি মাত্র ভাগ জান্নাতে যাবে, বাকি বাহাত্তর ভাগই জাহান্নামে যাবে।” রসুলাল্লাহকে জিজ্ঞেস করা হোল, “তারা (জান্নাতি) কারা?” তিনি জবাব দিলেন, “যারা আমাদের (অর্থাৎ আমি এবং আমার সাহাবীগণ) পথে আছে”। [আবু হোরায়রা (রা.) থেকে আবু দাউদ, আউফ বিন মালেক (রা:) থেকে ইবনে মাজাহ]
অতি সাংঘাতিক ও ভয়ঙ্কর কথা! ইহুদি ও খ্রিস্টানরা দীন নিয়ে মতভেদ কোরে যত ভাগে বিভক্ত হোয়েছিল আর উম্মতে মোহাম্মদী নামক এই জাতি আরও একধাপ বেশি হবে। এখানে ৭৩ ফেরকা বোলতে অগনিত, অসংখ্যও বোঝায়। রসুলাল্লাহ বহু হাদিসে সত্তর সংখ্যাটি ব্যবহার কোরেছেন। যেমন দাজ্জাল সংক্রান্ত একটি হাদিসে বোলেছেন, ‘আমার উম্মাহর ৭০ হাজার লোক দাজ্জালের অনুসরণ কোরবে’ [আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে- শারহে সুন্নাহ]। আরবি ভাষায় সত্তর বোলতে সাতের পিঠে শূন্য দিলে যেমন ৭০ বোঝায় তেমনি এর আরও একটা ব্যবহার আছে। সেটা হোল কোন সংখ্যাকে বহু বা অসংখ্য বোঝাবার জন্যও ঐ সত্তর সংখ্যা ব্যবহার করা হয়। এটা শুধু ঐ সত্তর সংখ্যা দিয়েই করা হয়, অন্য কোন সংখ্যা, যেমন পঞ্চাশ বা একশ’ দিয়ে করা হয় না। আরবিতে সাত হাজার বা সত্তর হাজার বা সত্তর ইত্যাদি সংখ্যা দ্বারা ঐ নির্দিষ্ট সংখ্যাই শুধু বোঝায় না, অসংখ্য, অগণিত সংখ্যা বুঝায়। আজ দুনিয়াময় মোসলেম বোলে পরিচিত যে জাতিটি আছে তারা বহু ভাগে, ফেরকায় বিভক্ত। প্রত্যেক ভাগ অর্থাৎ প্রত্যেক ফেরকা বা মাযহাব বিশ্বাস করে যে, তারাই শুধু প্রকৃত মোসলমান, তাদের মাজহাব বা ফেরকাই ঠিক বাকি সব ফেরকা পথভ্রষ্ট। বিষয়টি যেমন অন্যান্য ধর্মের মত, এক ধর্মের লোক মনে করে তার ধর্মই ঠিক, বাকি অন্যান্য ধর্মের সবাই নরকে যাবে। আসলে পৃথিবীতে ইসলাম ধর্ম ছাড়াও অন্যান্য যে ধর্মগুলি রোয়েছে সেগুলির অধিকাংশই কোন না কোন নবীর (আ:) অনুসারী, তারা তাদের নবীর দেখানো পথ থেকে বিচ্যুত হোয়ে গেছে। মোসলেম নামধারী এই জাতিও তাদের নবীর দেখানো, রেখে যাওয়া পথ থেকে বিচ্যুত হোয়ে গেছে। যতখানি পথভ্রষ্টতা, বিকৃতি আসলে, পূর্বে আল্লাহ নতুন নবী পাঠিয়েছেন, এই জাতিতে ততখানি বিকৃতি বহু পূর্বেই এসে গেছে। এরপরও নতুন নবী আসেন নি, কারণ, নবুয়্যত শেষ হোয়ে গেছে এবং শেষ রসুলের (দ:) প্রতিষ্ঠিত পথে, প্রকৃত ইসলামে আবার ফিরে যাওয়ার জন্য অবিকৃত কোর’আন ও রসুলের হাদিস আছে যা অন্যান্য ধর্মে নেই। শেষ ইসলামের বিভক্তিগুলির মধ্যে সর্ববৃহৎ ভাগ হোচ্ছে সুন্নী মাযহাব, দ্বিতীয় বৃহত্তম ভাগ হোচ্ছে শিয়া মাযহাব। এই শিয়া মাযহাবের পণ্ডিতরাও কোর’আন-হাদিসের চুলচেরা বিশ্লেষণে সুন্নী পণ্ডিতদের চেয়ে পেছনে পড়ে নেই এবং তাদের পাণ্ডিত্যের ফলে শিয়া মাযহাবও অগনিত ফেরকায় বিভক্ত হোয়ে গেছে সুন্নীদের মত। ফলে প্রকৃত ইসলামের উদ্দেশ্য থেকে শিয়া-সুন্নী উভয় মাযহাবই বহু দূরে। কে বেশি দূরে কে কম দূরে এ পরিমাপ করা আমার উদ্দেশ্য নয়, আমার সাধ্যও নয়, আমি শুধু এইটুকুই জানি যে মহানবীর (দ:) কথিত একটিমাত্র ফেরকা বাদে শিয়া-সুন্নীসহ আর সমস্ত ফেরকা, মাযহাব আগুনে নিক্ষিপ্ত হবে, অর্থাৎ মহানবীর (দ:) ইসলামে নেই। সেই একমাত্র ফেরকা কোন্ ফেরকা তা পেছনে দেখিয়ে এসেছি। সুন্নীরা যেমন বিশ্বনবীর (দ:) প্রকৃত সুন্নাত ত্যাগ কোরে আল্লাহ-রসুলের নিষিদ্ধ ‘চুলচেরা বিশ্লেষণ’ কোরে উম্মাহটাকে টুকরো টুকরো কোরে ভেঙ্গে দিলেন এবং হাত থেকে তলোয়ার ফেলে দিয়ে তসবিহ নিয়ে খানকায়, হুজরায় ঢুকে উম্মাহর বর্হিমুখী (Extrovert) গতিকে অন্তর্মুখী কোরে একে স্থবির কোরে দিলেন (Introvert), তেমনি শিয়ারাও তাদের মাযহাবকে চুলচেরা বিশ্লেষণ কোরে বহু ভাগে ভাগ কোরে দিলেন এবং নবীর (দ:) প্রকৃত সুন্নাহ অর্থাৎ দীনকে পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠার সংগ্রামকে বাদ দিয়ে বহু পূর্বের এক দুর্ভাগ্যজনক ঘটনাকে নিয়ে মাতম করাটাকেই সর্বশ্রেষ্ঠ ধর্ম-কর্ম হিসাবে গ্রহণ কোরলেন। তারা বুঝলেন না যে, মাতম করা কোন জীবন্ত জাতির মুখ্য কাজ হোতে পারে না, মৃত জাতির হোতে পারে। উম্মতে মোহাম্মদীর দাবিদার কিন্তু কার্যতঃ শেরক ও কুফরীর মধ্যে নিমজ্জিত এই জাতির এখন উপায় কি? এর একমাত্র আশা আজ তেহাত্তর ফেরকার সেই একমাত্র জান্নাতি ফেরকা। সেই জান্নাতি ফেরকাই পারে ইসলামের সঠিক পথটির উপরে মানবজাতিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার পথ দেখাতে।

সেই জান্নাতি ফেরকার লোক কোথায় আছে?
মহানবী যেহেতু বোলেছেন কাজেই জান্নাতি ফেরকার লোক অতি অবশ্যই আছে। থাকতেই হবে। তারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। তাদের খুঁজে পাওয়া কঠিন কারণ তারা একত্রে এক জায়গায় নেই। তারা ১৬০ কোটি পথভ্রষ্ট জনসংখ্যার মাঝে এখানে ওখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছেন। আজ তাদের একত্রিত হোতে হবে। তাদের উপর বিরাট বিশাল দায়িত্ব।
১৬০ কোটির এই জনসংখ্যা আল্লাহ, রসুলের, কোর’আনের বিশ্বাসী হোয়েও আজ আকীদার ভুলে শেরক ও কুফরে ডুবে আছে। আল্লাহর নবীকে কেন পাঠিয়েছেন, নবীর কাজ কি ছিল, পবিত্র কোর’আন কেন নাযেল কোরেছেন এই দীনের উদ্দেশ্য কি, প্রকৃত এবাদত কি ইত্যাদি সম্পর্কে সঠিক আকীদা না থাকার কারণে আজ তাদের মোকাম্মেল ঈমান থাকা সত্ত্বেও কাফের মোশরেক হোয়ে আছে। কারণ ঐ যে, ফকীহরা বোলেছেন আকীদা সহীহ না হোলে ঈমানের কোন দাম নেই। কাজেই আকীদা অর্থাৎ এই দীনের সামগ্রিক ধারণার বিকৃতির কারণে তাদের আজ কোন আমলই আল্লাহর দরবারে গৃহীত হোচ্ছে না। এখন আর আল্লাহর রহমত এই জাতির উপরে নেই। তার প্রমাণ হোল যে জাতিকে আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ জাতি বোলেছেন (সূরা এমরান ১১০) সেই জাতি আজ পৃথিবীময় সর্ব নিকৃষ্ট। অন্য জাতির গোলাম। আজ জান্নাতি ফেরকার প্রধান দায়িত্ব হোল পথভ্রষ্ট এই জাতিকে বিশ্বনবীর ইসলামে, প্রকৃত ইসলামে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা। এই কাজ খুবই কঠিন। এই কাজ কোরতে গিয়ে কঠিন বাধার সম্মুখীন হোতে হবে। প্রতিরোধ আসবে চারদিক থেকে। এ বিরোধিতা আসবে ইহুদি-খ্রিস্টান (Judio-Chrtian) ‘সভ্যতার পদ্ধতিতে ‘শিক্ষিত’ বর্তমান নেতৃত্বের ও তাদের অনুসারীদের (Agent) কাছ থেকে। আল্লাহ রসুল ও ইসলাম সম্পর্কে বিদ্বেষ তাদের আত্মার গভীরে প্রোথিত, ইসলামের কথা শুনলেই তাদের মাথা থেকে পা পর্যন্ত জ্বলে যায়। বিরোধিতা আসবে বর্তমানের বিকৃত দীনের পুরোহিত, যাজকদের কাছ থেকে, ধর্ম যাদের রুজি-রোজগারের পথ, তাদের কাছ থেকে, ইউরোপিয়ান খ্রিস্টানরা মোসলেম জগত অধিকার কোরে মাদ্রাসা স্থাপন কোরে ইসলাম শিক্ষার ছদ্মবেশে যে ধ্বংসকারী ফতোয়াবাজী শিক্ষা দিয়েছিলো সেই শিক্ষায় ‘শিক্ষিত’দের কাছ থেকে, অন্যায়, অবিচার, অত্যাচার, রক্তপাত নির্মূল কোরে পৃথিবীতে আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের জন্য নবী করিম (দ:) তার উম্মতের হাতে যে তলোয়ার ধোরিয়ে দিয়েছিলেন সেই তলোয়ার ফেলে দিয়ে তসবিহ হাতে নিয়ে যারা খানকায় ঢুকেছেন তাদের কাছ থেকে। প্রতিরোধ আসবে অন্যান্য বিকৃত ধর্মের অনুসারীদের কাছ থেকে। তারা মূলত ভুল বুঝেই বাধা দেবে। তারা মনে কোরবে এই সত্যদীন প্রতিষ্ঠিত হোলে তাদের ধর্মের উপরে আঘাত আসবে কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তা আসবে না। আল্লাহর রসুলের প্রকৃত ইসলামের সময় অন্যান্য ধর্মের অনুসারীরা সবচাইতে বেশি নিরাপদে ছিল। তাদের ধর্মীয় উপাসনালয়গুলিও নিরাপদ ছিল। তাদের জীবন সম্পদ নিরাপদ ছিল, বর্তমানের তথাকথিত গণতন্ত্রের অধীন, তাদের কারও ধর্মীয় উপাসনালয়ও নিরাপদে নেই। তারা প্রায়ই আক্রান্ত হোচ্ছেন। যাই হোক তারা কিন্তু এই জান্নাতি ফেরকার লোকদেরকে বাধা দিবে না বুঝেই। অর্থাৎ বাধা আসবে সর্বদিক থেকে। (চোলবে..)

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
 ১ মে ২০২৬    HT All Article

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article
পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমিয়েছে চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন
চীনে প্রতি ১০ কর্মদিবস অন্তর বৈশ্বিক তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নতুন দামে ৫০ লিটার জ্বালানি কিনতে এখন চালকদের প্রায়…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    মতামত

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা
রিয়াদুল হাসান গৌড়ের রাজ দরবারে চাচা কুতুব খানের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ দাসত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে সুলতান তাজ খান কররানির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন যুবক ঈসা খাঁ ও ইসমাইল…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!
শাহাদৎ হোসেন:বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো এই মাটির কৃষক। কৃষকদের আমরা বলি, সব সাধকের বড় সাধক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারা যে ফসল ফলায়,…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!
কথক দা: আমরা যেন আইয়্যামে গুজবে বাস করছি। অপতথ্য আর অপসংবাদের ভীড়ে কোনটা সত্য আর কোনটা অর্ধসত্য এবং কোনটা মিথ্যা তা বোঝা খুবই মুশকিল। একসময়…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান
এম আর হাসান:খুররম খান পন্নী ছিলেন উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইতিহাসের এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর জীবন ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান পর্ব এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ- এই তিনটি…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?
শাহাদৎ হোসেন:ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘ ৪৭ বছরের শীতল সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে। গত ১১ এপ্রিল দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে যে…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ
ওবায়দুল হক বাদল:আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে বড় অঙ্কের ব্যয় নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার। এসব খাতে ২ লাখ…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?
মুস্তাফিজ শিহাব:বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকালে এক চরম বৈপরীত্য চোখে পড়ে। একদিকে রয়েছে বিপুল জনশক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য এবং অন্যদিকে চরম অবমাননা…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article