প্রচ্ছদ    HT All Article   ইতিহাস বিকৃতির পেছনের কথা

ইতিহাস বিকৃতির পেছনের কথা

২২ মে ২০১৫ ০৪:৩৯ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

রিয়াদুল হাসান:
ইংরেজরা যখন ভারতবর্ষে আসে তখন সারা পৃথিবীর মধ্যে ধনে জনে সর্বশ্রেষ্ঠ ছিল ভারত উপমহাদেশ। তার সঙ্গে তুলনা করা যেত মুসলিমদেরই আরেক সাম্রাজ্য তুর্কী অটোমানদের। নিছক বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে ইংরেজরা এই এলাকায় পাড়ি জমায়, ভারত বিজয়ের কথা ব্রিটিশদের কল্পনারও বাইরে ছিল। মুসলিমরাও তাদেরকে সন্দেহের চোখে দেখে নি, নিজেদের স্বভাবজাত উদারতাবশত খ্রিষ্টানদেরকে তারা অতিথি হিসাবেই গ্রহণ করে নেয়, সন্দেহ না করার কারণ শক্তির বিচারে তখনও ব্রিটিশরা মোঘলদের তুলনায় সামান্য ছিল। কিন্তু পরে নিজেদের বাণিজ্যের নিরাপত্তার অজুহাতে ব্রিটিশরা ভারতে কুঠিবাড়ি স্থাপনের অনুমতি নিয়ে নেয় এবং সেখানে অস্ত্র ও সৈন্য সমাবেশ করতে থাকে। এক সময় তাদের ষড়যন্ত্রের মুখোশ উন্মোচিত হয়ে পড়ে, কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। তারা তখন এতটাই শক্তিশালী যে মোঘল বাদশাহরা তাদের পরাভব মেনে নিতে বাধ্য হয়। ব্যাপক ও নির্বিচার গণহত্যার মাধ্যমে সূচনা হয় ভারতীয়দের প্রায় তিন শতাব্দীর গোলামির যুগ।
আমেরিকা, দক্ষিণ আফ্রিকা আর অস্ট্রেলিয়াতেও ইউরোপীয় খ্রিষ্টানরা তাদের উপনিবেশ স্থাপন করেছে কিন্তু সেখানে তারা মুখোমুখি হয়েছে জংলী রেড ইন্ডিয়ান আর অ্যাবোরিজিনদের। জংলীদের উপর প্রভুত্ব করা আর ভারতের সুশিক্ষিত, বহুগুণ অগ্রসর জাতি মুসলিমদের উপরে প্রভুত্ব করা এক কথা নয়। তারা দিল্লীর পতন ঘটিয়ে এতদঞ্চলীয় হিন্দু-মুসলিম জনসংখ্যাটিকে সামরিক শক্তিবলে তাদের গোলামে পরিণত করল, তখন তারা এই জাতির উপর তাদের কর্তৃত্ব বজায় রাখার জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করল। তার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে জাতির মধ্যে গোলামি মানসিকতা প্রবেশ করিয়ে দেওয়া। গোলামি মানসিকতা হচ্ছে নিজেকে সর্বদিকে প্রভুর তুলনায় তুচ্ছ, নগণ্য ও জঘন্য মনে করা অর্থাৎ হীনম্মন্যতা। তখন ভারতবর্ষের প্রধান শক্তি ছিল মুসলিমরা। তাই খ্রিষ্টানদের প্রধান লক্ষ্য ছিল পূর্বতন শাসক জাতির মনমগজকে ভালো করে ধোলাই করা। এটা করতে হলে মুসলিমদের ইতিহাস, শিক্ষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং অবধারিতভাবে তাদের প্রেরণার উৎস কোর’আন ও রসুলাল্লাহর জীবন ইতিহাস সম্পর্কে খ্রিষ্টানদের ব্যাপক গবেষণা করতে হয়। এটা তারা করে শাসনকে টিকিয়ে রাখার স্বার্থেই। এজন্য তারা ফার্সি, উর্দু, আরবী, সংস্কৃতি ইত্যাদি প্রাচ্যদেশীয় ভাষায় অবিশ্বাস্য পাণ্ডিত্য অর্জন করল। এই পণ্ডিতদেরকে বোঝানোর জন্য ইংরেজি ভাষায় একটি শব্দই সৃষ্টি হলো- Orientalist বা প্রাচ্যবিদ। ইংরেজ শাসকরা যেন মুসলিমদের ইতিহাস ও শিক্ষা-সংস্কৃতি সম্পর্কে সহজে জ্ঞানলাভ করতে পারে এবং সে অনুযায়ী রাষ্ট্রনীতি নির্ধারণ করতে পারে সেজন্য মুসলিমদের লেখা প্রায় প্রতিটি বই তা যে ভাষাতেই হোক না কেন, সেগুলির অনুবাদ করে ফেলল। নিজেরাও লিখল রসুলাল্লাহর জীবন ইতিহাস, কোর’আনের তাফসির, ইসলামের ইতিহাস। ইংরেজরা এই কয়েক শতাব্দীতে কয়েক হাজার মৌলিক গ্রন্থ রচনা করেছেন যেগুলিতে তারা প্রাচ্যদেশীয় মানুষের অনুসৃত ধর্ম, ইতিহাস ও সংস্কৃতির পুঙ্খানুপুঙ্খ বিচার বিশ্লেষণ সন্নিবেশ করেছেন। স্বভাবতই এগুলি তারা লিখেছিল প্রধানত রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির জন্য, তাই এগুলিতে ইতিহাসের ব্যাপকভাবে বিকৃতি-সাধন করা হয়েছে, নিজেদের ইসলাম বিদ্বেষ সেগুলিতে প্রতিফলিত হয়েছে।
মুসলিমদেরকে পদানত রাখার জন্য এই প্রাচ্যবিদ পণ্ডিতরা কী সাংঘাতিক পরিশ্রম ও ষড়যন্ত্র করেছিলেন তা বর্তমানে ইতিহাসের এক গোপন করা অধ্যায়। আমাদের দেশে বিকৃত ইতিহাস পরিবেশনের জন্য ইংরেজরা বহুলাংশে দায়ী হলেও তাঁদের কূটনৈতিক জ্ঞান ও সুদূরপ্রসারী চিন্তাধারার প্রশংসা করতেই হয়। তারা তস্কর হলেও প্রতিভাবান তস্কর একথা নিরপেক্ষ বিচারে না বলে উপায় নেই। তাঁরা বুঝেছেন, ইতিহাসে ভেজাল দিয়েই ভারতবাসীকে অন্ধকারে রাখা সম্ভব এবং এ ইতিহাসের মাধ্যমেই হিন্দু-মুসলমানের বিভেদ সৃষ্টি করা যাবে। সে উদ্দেশ্যেই ইতিহাস-স্রষ্টা মুসলিম জাতির অক্লান্ত পরিশ্রমের রচনা-সম্ভার আরবি, ফার্সি ও উর্দু ইতিহাসগুলোর প্রায় প্রত্যেকটি অধ্যয়ন, গবেষণা ও অনুবাদ করতে তাঁরা যে অধ্যবসায় ও পরিশ্রমশীলতার দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন তা অনস্বীকার্য এবং উল্লেখযোগ্য।
উদাহরণ দিয়ে বলা যায়-
(১) আব্বাস শেরওয়ানির লেখা তোহফায়ে আকবর শাহী, জিয়াউদ্দিন বারনীর লেখা তারিখে ফিরোজশাহী, আবদুর হামিদ খানের বাদশাহনামা এবং মুহাম্মদ আলীর লেখা চাচানামা, ফাতাহনামা ও মিনহাজুল মাসালিকের অনুবাদ করেছেন যুগ্মভাবে মি: ইলিয়ট ও মি: ডওসন।
(২) মিনজাউদ্দিন সিরাজের তাবাকাতে নাসিরির অনুবাদক এইচ.জি. রেভার্টি।
(৩) আলী হাসানের সিয়াসাতনামার অনুবাদক মি: শেফার।
(৪) ইউসুফের কিতাবুল খারাজের অনুবাদ করেছেন মি: ই. ফাগনন।
(৫) আবু তালেব লিখিত মালফুজাতে তাইমুরির অনুবাদ মি: মেজর ডাভি।
(৬) বায়হাকির তারিখে সুবুক্তগীনের অনুবাদক মি: ডব্লু এইচ. মোরাবি।
(৭) আবুল ফজলের আকবরনামার তৃতীয় খণ্ডের অনুবাদ করেছেন মি: হেনরী বেভারিজ।
(৮) আইন-ই-আকবরীর দ্বিতীয় ও তৃতীয় খণ্ডের অনুবাদ করেছেন মি: এইচ এস, জারেট এবং প্রথম খণ্ডের অনুবাদ করেছেন মি: এইচ, লো এবং স্যার ডব্লু হেইগ।
(৯) মাওয়ার্দির আল-আহকামে সুলতানিয়ার অনুবাদ করেছেন যুগ্মভাবে মি: স্ট্ররগ ও মি: আঘনিডস।
(১০) বালাজুরির ফাতহুল বুলদানের তরজমা করেছেন মি: ডি. কোজে।
(১১) আল বিরুনীর কিতাবুল হিন্দের অনুবাদ করেছেন মি: ই.সি.সাচান।
(১২) ইবনুল আসির লিখিত তারিখুল কামিলের অনুবাদক হচ্ছেন মি: টর্নবার্গ।
(১৩) মুসলিম মহিলা ঐতিহাসিক গুলবদন বেগম লিখিত হুমায়ুুননামার ইংরেজি অনুবাদ করেছেন মিসেস বেভারিজ।
(১৪) বাদশা জাহাঙ্গীরের লেখা তুজুকে জাহাঙ্গীরীর অনুবাদক যুগ্মভাবে মি: রজার ও মি: বেভারিজ।
(১৫) মির্জা হায়দারের লেখা তারিখে রশীদীর ইংরেজি করেছে মি: ই. ডি. রস।
(১৬) কাফি খানের মুনতাখাবুল লুবাবের অনুবাদ করেছেন স্যার ডব্লু হেইগ।
(১৭) হেদায়া’র মতো গ্রন্থের অনুবাদ করেছেন চার্লস হ্যামিল্টন।
(১৮) পর্যটক ইবনে বতুতার পর্যটনের কাহিনী লিখিত গ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদ করেছেন মি: এইচ. এ. আর গিবন প্রমুখ।
এগুলি সামান্য কয়েকটি উদাহরণ মাত্র, পাঠকের ধৈর্যচ্যুতির আশঙ্কায় এখানেই থামলাম। এই অনুবাদ গ্রন্থগুলিতে মূল তথ্যের সাথে কোন্ কায়দায় কোন্ ভেজাল কিভাবে সংমিশ্রণ করতে হয় এ বিষয়ে অধিকাংশ ক্ষেত্রে অনুবাদকগণ ‘নিপুণ শিল্পী’র পরিচয় দিয়েছেন। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হচ্ছে, ব্রিটিশ পরবর্তী ভারতীয় জনগোষ্ঠী তাদের পূর্বতন সরকারি ভাষা ফার্সিসহ আরবি ও উর্দুর সঙ্গে সম্পর্কহীন হয়ে পড়ায় মূল গ্রন্থগুলি পাঠ করে এর নির্যাস গ্রহণের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলল। তখন তাদের ভরসা ইংরেজদের করা উপরোক্ত বইয়ের অনুবাদগুলি। সেগুলির সহায়তা নিয়েই এ অঞ্চলের ঐতিহাসিকগণ ইতিহাস রচনা করেছেন এবং এখনও করে যাচ্ছেন। তাদের কেবল ইসলামের ইতিহাস ও শিক্ষাই নয়, সনাতন ধর্মগ্রন্থ এবং বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থের মধ্যেও তারা বিকৃতি ও ভেজাল মিশিয়ে গেছেন, কারণ এ ধর্মের অনুসারীরাই এতদঅঞ্চলে সংখ্যাগরিষ্ঠ।
‘বাংলা ও বাঙালীর ইতিহাস’ বইয়ে শ্রী ধনঞ্জয় দাস মজুমদার লিখেছেন: “ইংরেজগণ তখন শাসকজাতি ছিলেন। ভারতের আর্যগোষ্ঠীর বহির্ভূত পণ্ডিত ও ঐতিহাসিকগণের মধ্যে বাংলার ইংরেজের সংস্কৃতিতে অভিজাত ও বেতনভুক্ত ঐতিহাসিক ও শাস্ত্রকারগণ তাঁদের ইচ্ছামত শাস্ত্রগ্রন্থের বহু তালপত্র বদলিয়ে তাঁদের ইচ্ছামত শ্লোক প্রক্ষিপ্ত করেন। আবার বহু তালপত্র ধ্বংস করিয়াছেন। এই শাসক গোষ্ঠীর ভারত শাসনের সুবিধার জন্য তাঁরা হিন্দুশাস্ত্রের বহু তথ্য গোপন, বহু তথ্য বিকৃত এবং বহু মিথ্যা প্রক্ষিপ্ত করিয়া যে মিথ্যা ইতিহাস প্রস্তুত করেছেন তাহার বহু প্রমাণ দেওয়া হয়েছে। বিভেদের সুযোগে ইংরেজ রাজত্ব চিরস্থায়ী করতে চেষ্টা করেন। এইজন্য তারা তাদের অনুগত হিন্দুদেরকে এইরূপ মিথ্যা ইতিহাস লিখতে অনুপ্রেরণা দিয়েছিল।” (পৃষ্ঠা ৬৬-৬৭)
ভারতের বিখ্যাত নেতা স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ও এ প্রসঙ্গে লিখেছেন: “অনেক বৌদ্ধ গ্রন্থের দু’ একটি স্থল ঈষৎ পরিবর্তনপূর্বক কোথাও বা প্রমাণসূত্রটিকে বদলিয়ে সমগ্র গ্রন্থখানিকে ‘হিন্দু’ করে তোলা হয়েছে। পরবর্তীকালে ভাষার পরিমার্জনের সাথে সাথে বাঙ্গলার আদি কবি কৃত্তিবাসও ‘পরিমার্জিত’ হয়েছেন। কবির কাব্য পরি®কৃত করতে যেয়ে সংশোধকগণ আবর্জনা রাশির দ্বারা কৃত্তিবাসকে আচ্ছন্ন করে ফেলেছেন। এটা ছাড়া অন্যান্য পুরাণ, উপপুরাণ হতে মনোরম অংশও লিপিকারগণ বেছে এনে কৃত্তিবাসে জুড়ে দিয়েছেন।” (সমালোচনা সংগ্রহ-কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, চতুর্থ সংস্করণ, পৃষ্ঠা: ২৮৩-২৮৪)
তাহলে ইতিহাস, সাহিত্য, প্রবন্ধ ইত্যাদিতে ভেজাল দেয়ার কথা প্রমাণিত হচ্ছে। এছাড়া আর একটি দিক হচ্ছেÑ ব্রিটিশ আমলে এবং তার পরবর্তীতে রচিত সরকারি ইতিহাসের সাথে বেসরকারি ইতিহাসের পার্থক্য কতটুকু। এ সম্বন্ধে রমেশচন্দ্র মজুমদারের ভাষায় বলছি: “এটা কিছুতেই ভুললে চলবে না যে, সরকারি ইতিহাস এবং পণ্ডিতসুলভ (Academic) ইতিহাসের মধ্যে আদর্শ উদ্দেশ্য এবং দৃষ্টিভঙ্গিতে পার্থক্য থাকবেই। সেইজন্য বেসরকারি ইতিহাসের একটি বিশেষ দায়িত্ব হলো সরকারি ইতিহাসের প্রকৃতির উপর দৃষ্টি রাখা। ভারতের জাতীয়তাবাদী ইতিহাস, স্বধীনতা সংগ্রামের ইতিবৃত্তও নিরপেক্ষ গবেষণার কষ্টিপাথরে যাচাই হওয়া উচিত। হয়তো তার ফলে, প্রচলিত কিছু অলীক ধারণা ধূলিসাৎ হবে। ব্যক্তি বিশেষের প্রতিষ্ঠার বুনিয়াদ ভেঙ্গে পড়বে। তার ফলেই প্রমাণ হবে প্রকৃত ইতিহাস রচনার সার্থকতা।”
এ প্রসঙ্গে ভারত উপমহাদেশের ইতিহাসের অন্যতম দিকপাল শ্রীমতী রোমিলা থাপার বলেন: -“স্কুল-কলেজের পাঠ্য ইতিহাসের বই সত্যিই সেকেলে এবং অজস্র ভুল তত্ত্ব ও তথ্যে ভরা। কিন্তু পাঠ্যপুস্তকের অনুমোদন সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকার কিংবা শিক্ষা পর্ষদের এখতিয়ার। অথচ ভারপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ইতিহাসের লোক ননÑহয় আমলা, নয় রাজনীতিবিদ, যাঁরা কখনও ইতিহাস পড়েন নি অথবা ৬০/৭০ বছর আগেকার দু’একটা বই মনে করে পড়ছেন। রাজনীতিবিদদের ইতিহাস চেতনার কথা আর নাই বা বললাম, ইতিহাসের মধ্যে নিজের দল গোষ্ঠী বা সম্প্রদায়ের স্বার্থ খোঁজাই এদের কাজ”
আর রবীন্দ্রনাথ বলেছেন, “ভারতবর্ষের যে ইতিহাস আমরা পড়ি এবং মুখস্ত করে পরীক্ষা দেই তা ভারতবর্ষের ইতিহাসের এক দুঃস্বপ্নের কাহিনী মাত্র।”
ভারত উপমহাদেশে ক্যান্সারের মতো সবচেয়ে বড় ব্যাধি হচ্ছে সাম্প্রদায়িকতা। এটাকে নির্মূল করতে হলে, আমাদের ধারণায় সর্বাগ্রে সঠিক ইতিহাস পরিবেশন অবশ্য কর্তব্য।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
 ১ মে ২০২৬    HT All Article

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article
পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমিয়েছে চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন
চীনে প্রতি ১০ কর্মদিবস অন্তর বৈশ্বিক তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নতুন দামে ৫০ লিটার জ্বালানি কিনতে এখন চালকদের প্রায়…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    মতামত

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা
রিয়াদুল হাসান গৌড়ের রাজ দরবারে চাচা কুতুব খানের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ দাসত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে সুলতান তাজ খান কররানির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন যুবক ঈসা খাঁ ও ইসমাইল…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!
শাহাদৎ হোসেন:বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো এই মাটির কৃষক। কৃষকদের আমরা বলি, সব সাধকের বড় সাধক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারা যে ফসল ফলায়,…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!
কথক দা: আমরা যেন আইয়্যামে গুজবে বাস করছি। অপতথ্য আর অপসংবাদের ভীড়ে কোনটা সত্য আর কোনটা অর্ধসত্য এবং কোনটা মিথ্যা তা বোঝা খুবই মুশকিল। একসময়…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান
এম আর হাসান:খুররম খান পন্নী ছিলেন উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইতিহাসের এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর জীবন ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান পর্ব এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ- এই তিনটি…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?
শাহাদৎ হোসেন:ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘ ৪৭ বছরের শীতল সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে। গত ১১ এপ্রিল দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে যে…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ
ওবায়দুল হক বাদল:আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে বড় অঙ্কের ব্যয় নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার। এসব খাতে ২ লাখ…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?
মুস্তাফিজ শিহাব:বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকালে এক চরম বৈপরীত্য চোখে পড়ে। একদিকে রয়েছে বিপুল জনশক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য এবং অন্যদিকে চরম অবমাননা…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article