অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার করতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি শীর্ষ দেশ তাদের অভিবাসন নীতিতে ব্যাপক কড়াকড়ি আরোপ করেছে। শুক্রবার কার্যকর হওয়া নতুন এই আইনের ফলে সীমান্ত অঞ্চলে আশ্রয়প্রার্থীদের যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া অত্যন্ত কঠিন করে তোলা হয়েছে। পর্যাপ্ত নথিপত্র প্রমাণ করতে না পারলে আশ্রয়প্রার্থীদের দ্রুত তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর বিধান রাখা হয়েছে।
ইউরোপের ডানপন্থী রাজনৈতিক দলগুলো দীর্ঘদিন ধরেই অভিবাসন নিয়ন্ত্রণের দাবি জানিয়ে আসছিল। নতুন এই আইন পাসের পর মানবাধিকার সংস্থাগুলো তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তারা বলছে, এই নীতির ফলে যুদ্ধ ও নিপীড়নের শিকার হয়ে পালিয়ে আসা অসহায় মানুষেরা মানবিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে। ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে অবৈধভাবে প্রবেশকারী নৌকায় উদ্ধার কার্যক্রমও সীমিত করা হয়েছে, যা সাগরে মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
অন্যদিকে ইউরোপীয় দেশগুলোর সরকার প্রধানরা যুক্তি দেখাচ্ছেন যে, তাদের দেশের অর্থনীতি ও সামাজিক কাঠামোর পক্ষে আর অতিরিক্ত অভিবাসীর বোঝা বহন করা সম্ভব নয়। তারা বৈধ উপায়ে এবং নির্দিষ্ট কাজের চুক্তির ভিত্তিতে অভিবাসীদের আসার ওপর জোর দিচ্ছেন। এই কড়াকড়ির ফলে এশিয়া ও আফ্রিকার অনেক দেশের নাগরিক যারা ইউরোপে উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখছিলেন, তারা চরম বিপাকে পড়েছেন।



