প্রচ্ছদ    HT All Article   চলমান রাজনীতি: যে কারণে ইসলামি...

চলমান রাজনীতি: যে কারণে ইসলামি দলগুলোর সামনে কঠিন বিপদ!

২ এপ্রিল ২০২৫ ১০:১০ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

আদিবা ইসলাম:
বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলো অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় অধিক সক্রিয়। যদিও কিছু সংগঠন সাংগঠনিক দুর্বলতা ও কর্মী স্বল্পতার কারণে পিছিয়ে রয়েছে, তবে দেশের বৃহৎ ধর্মীয় সংগঠনগুলো মাঠে তৎপর। তারা কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে সভা-সমাবেশ, মিছিল-মিটিং আয়োজন করছে এবং ব্যাপক জনসমাগম ঘটাচ্ছে। তাদের প্রত্যাশা রাষ্ট্রক্ষমতায় ইসলাম প্রতিষ্ঠা করা, কোর’আনের শাসন বাস্তবায়ন করা তথা শরিয়াহ আইন চালু করা।

সম্প্রতি জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা মিজানুর রহমান আজহারি এক ওয়াজ মাহফিলে বলেছেন, ‘ইসলামের অর্ধেক বিজয় ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে’। জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের আমির ডা. শফিকুর রহমান ঘোষণা দিয়েছেন, ‘ঘরে ঘরে আওয়াজ তুলতে হবে- কোর’আনের আইন চাই, কোর’আনের আলোকে মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই’। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, ‘আগামীর বাংলাদেশ হবে ইসলামের বাংলাদেশ’। স্পষ্টতই বোঝা যাচ্ছে যে, ধর্মীয় রাজনৈতিক দলগুলো বাংলাদেশের চলমান পরিস্থিতিতে দেশের উপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার জন্য তৎপর হয়ে উঠেছে।

তবে বাংলাদেশের এই ধর্মীয় দলগুলোর উত্থানকে ভারত, আমেরিকাসহ বিভিন্ন লবিস্ট ও ইউরোপীয় শক্তিগুলো ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করছে না। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরা হচ্ছে, যেখানে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে উগ্রবাদ ও ধর্মীয় মৌলবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের সিনিয়র ফেলো মাইকেল রুবিন সম্প্রতি ওয়াশিংটন এক্সামিনারে একটি প্রবন্ধ প্রকাশ করেন, যার শিরোনাম ছিল ‘বাংলাদেশ কি পরবর্তী আফগানিস্তান?’ প্রবন্ধে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, ‘পশ্চিমা গণমাধ্যমের মনোযোগ এড়িয়ে বাংলাদেশ ক্রমশ একটি নতুন সন্ত্রাসবাদী ঘাঁটিতে পরিণত হচ্ছে, যেখানে একাধিক জঙ্গি সংগঠন ক্রমাগত শক্তি বাড়াচ্ছে। এসব গোষ্ঠী এমনভাবে সংগঠিত হচ্ছে যে, তারা আল কায়েদার চেয়েও বেশি উগ্রবাদী ও বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।’

আরও পড়ুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

সম্প্রতি (১৭ মার্চ) এনডিটিভিকে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় মার্কিন ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের প্রধান তুলসী গ্যাবার্ড বলেন, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে দীর্ঘ সময় ধরে সেখানে হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, ক্যাথলিক ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন, হত্যা ও অত্যাচার চালানো হচ্ছে, যা আমেরিকার সরকার তথা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তার প্রশাসনের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়।’ একইভাবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশ প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমি বাংলাদেশে হিন্দু, খ্রিস্টান ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের ওপর বর্বরোচিত সহিংসতার তীব্র নিন্দা জানাই। দলবদ্ধভাবে তাদের ওপর হামলা ও লুটপাট চালানো হচ্ছে। বাংলাদেশ এখন সম্পূর্ণ বিশৃঙ্খল অবস্থার মধ্যে রয়েছে।’

অন্যদিকে, ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোও আশ্চর্যজনকভাবে এ বিষয়ে সরব হয়ে উঠেছে। শেখ হাসিনার পতনের পর থেকেই তারা বাংলাদেশ নিয়ে উত্তেজনাকর সংবাদ ও গুজব ছড়িয়ে যাচ্ছে, তিলকে তাল বানাচ্ছে। বিশেষ করে হিন্দু নির্যাতন, মৌলবাদের বিস্তার ইত্যাদি ইস্যুতে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক ও অতিরঞ্জিত সংবাদ পরিবেশন করছে। পাশাপাশি, সোশ্যাল মিডিয়ায়ও পরিকল্পিতভাবে মুসলিম বিদ্বেষ ছড়ানো হচ্ছে। তারা বাংলাদেশকে ধর্মীয় উগ্রবাদী ও অরাজক রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বদরবারে হেয় প্রতিপন্ন করতে সক্রিয়ভাবে প্রোপাগান্ডা চালিয়ে যাচ্ছে।

এদিকে, গত ৫ মার্চ, বাংলাদেশে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের বিক্ষোভে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও নির্যাতনের বিষয়ে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে বাংলাদেশের ব্যাপারে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে, প্রথমত, গণমাধ্যমগুলো বাংলাদেশকে একটি ধর্মীয় উগ্রবাদী রাষ্ট্র হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করছে। দ্বিতীয়ত, আন্তর্জাতিক মহলেও বাংলাদেশের মধ্যে মৌলবাদের বিস্তার নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে।

যদি এই ধরনের দাবী প্রতিষ্ঠিত হয়, তবে যেকোনো দেশে মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপ নেওয়া সহজ হয়ে যাবে, যেমনটি আমরা ইরাক, সিরিয়া ও আফগানিস্তানে দেখেছি। সাধারণত, তারা যেকোনো দেশে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার আগে ধর্মীয় চরমপন্থার বিষয়টিকে সামনে আনে, যাতে জাতিসংঘ ও বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের সমর্থন লাভ করা যায়। একইসাথে, মার্কিন সরকার তাদের দেশের নাগরিকদের সমর্থনও অর্জন করতে প্রচার প্রচারণা চালায়, যাতে জনগণ বিশ্বাস করে যে, এই পদক্ষেপটি নিরাপত্তা ও মানবাধিকার রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় এবং বৈধ।

এভাবে যদি তারা বাংলাদেশে একই কৌশল গ্রহণ করার চেষ্টা করে, তবে ধর্মীয় সংগঠনগুলো কঠিন সমস্যার সম্মুখীন হবে। তারা তখন কঠোর নীতিমালা ও অবরোধ আরোপ করবে, সরকারের ওপর শক্তি প্রয়োগের জন্য চাপ সৃষ্টি করবে। এটি আমরা হেযবুত তাহরীরের ক্ষেত্রে দেখেছি। গত ৭ মার্চ যখন তারা বায়তুল মোকাররমে মাঠে নামল, তখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপ অথবা অন্য যেকোনো চাপের কারণে সরকার তাদের বিরুদ্ধে শক্তি প্রয়োগ করতে বাধ্য হয়েছিল, যদিও সরকারের হেযবুত তাহরীরের উপর আক্রমণ করার তেমন কোনো সম্ভাবনা ছিল না।

বাংলাদেশে ইসলামী উগ্রগোষ্ঠীগুলি ইতিমধ্যে প্রায় একশোটি মাজারে হামলা চালিয়েছে। গত এক বছরে সংখ্যালঘুদের ওপর প্রায় ২৫০০টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি (৩০ জানুয়ারি ২০২৫) বিবিসি বাংলা “’তৌহিদী জনতা’ নামে হামলা কারা করছে?” শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যেখানে বাংলাদেশের ১০টি ‘তৌহিদী জনতা’র হামলার ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। বিবিসি চারটি ঘটনা যাচাই করে দেখেছে, যেখানে জড়িত ব্যক্তিদের একটি সাধারণ পরিচয় হলো- তারা হয় কোনো ইসলামিক রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত, নয়তো এর সমর্থক। যদিও ধর্মীয় সংগঠনগুলোর নেতারা এসব হামলার দায় অস্বীকার করেছেন, তবে বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণে স্পষ্ট হয়েছে যে, মূলত তারাই ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টি করে দাঙ্গা ও হামলার জন্য দায়ী।

২৪ ফেব্রুয়ারি রংপুরের পীরগাছা থানার ছিদামহাটে সংঘবদ্ধ মব তৈরি করে অরাজনৈতিক আন্দোলন হেযবুত তওহীদের কর্মীদের ওপর একটি পরিকল্পিত সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতাকর্মীরা যা প্রথম আলোসহ বেশ কিছু জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ গণমাধ্যমে এসেছে। সেখানে বাড়িঘর লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এ ঘটনায় প্রায় ২০ জন আহত হন এবং দুই কোটি টাকার সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এমন অসংখ্য সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা প্রতিনিয়ত দেশে ঘটেই চলেছে।

এসব ঘটনার প্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের বিষয়ে যেসব কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, তা মোটেই শুভ লক্ষণ নয়। সাম্প্রতিক দশকগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে বোঝা যায়, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্রগুলোর বিরুদ্ধে সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন চালানোর সময় সেসব দেশে উগ্রবাদের উত্থান, জঙ্গিবাদের বিস্তার ইত্যাদি বিষয়গুলো পরিকল্পিতভাবে একযোগে প্রচার করা হয়। এই প্রক্রিয়ায়, প্রথমেই টার্গেট করা হয় ধর্মীয় সংগঠনগুলোকে। তখন আর বিবেচনা করা হয় না কে কট্টরপন্থী, কে মধ্যপন্থী, কে উদারপন্থী, কে সুফিবাদী বা কে রাজনৈতিক ইসলামি দল। ২০০৩ সালে ইরাকে গণবিধ্বংসী অস্ত্রের মিথ্যা অভিযোগ তুলে হামলা চালানো হয়, যার ফলে আট বছর ধরে চলা যুদ্ধে প্রায় ১০ লাখ মানুষ প্রাণ হারায়। সিরিয়ায় উগ্রবাদ দমনের নামে পশ্চিমা সামরিক হস্তক্ষেপ দেশটিকে গৃহযুদ্ধের মুখে ফেলে দেয়, পাঁচ লাখেরও বেশি মানুষ নিহত হয় এবং শরণার্থী সংকট তৈরি হয়। একইভাবে, গাদ্দাফির পতনের পর লিবিয়া উগ্রবাদী ও মানব পাচারকারীদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়। সেখানে আজও গৃহযুদ্ধ চলছে। তালেবান দমনের নামে আফগানিস্তানে ২০ বছর ধরে সামরিক অভিযান চালানো হয়, যেখানে লক্ষ লক্ষ মানুষ নিহত হয়। এমন আরো অনেক উদাহরণ আমাদের সামনেই রয়েছে।

অতএব, বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় ধর্মীয় সংগঠনগুলোর বিরাট দায়বদ্ধতা রয়েছে। যদি কোথাও কোনো সন্ত্রাসী হামলা ঘটে বা ধর্মের নামে মব সৃষ্টি করা হয় এবং সেখানে যদি কোনো ধর্মীয় দলের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়, তবে দলের নেতাদের রাজনৈতিক বিবৃতি দিয়ে দায় এড়ানোর চেষ্টা না করে, বরং তাদের কর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ নিতে হবে। যদি তারা উগ্রবাদী কর্মকাণ্ড থেকে সরে এসে তাদের কর্মকৌশল পুনর্র্নিধারণ না করেন, তবে ভবিষ্যতে তারা ভয়াবহ বিপদের সম্মুখীন হতে পারেন।

[লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট; ইমেইল: hezbuttawheed.official@gmail.com যোগাযোগ: ০১৭১১০০৫০২৫, ০১৭১১৫৭১৫৮১, ০১৭১১২৩০৯৭৫]

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
 ১ মে ২০২৬    HT All Article

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article
পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমিয়েছে চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন
চীনে প্রতি ১০ কর্মদিবস অন্তর বৈশ্বিক তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নতুন দামে ৫০ লিটার জ্বালানি কিনতে এখন চালকদের প্রায়…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    মতামত

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা
রিয়াদুল হাসান গৌড়ের রাজ দরবারে চাচা কুতুব খানের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ দাসত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে সুলতান তাজ খান কররানির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন যুবক ঈসা খাঁ ও ইসমাইল…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!
শাহাদৎ হোসেন:বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো এই মাটির কৃষক। কৃষকদের আমরা বলি, সব সাধকের বড় সাধক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারা যে ফসল ফলায়,…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!
কথক দা: আমরা যেন আইয়্যামে গুজবে বাস করছি। অপতথ্য আর অপসংবাদের ভীড়ে কোনটা সত্য আর কোনটা অর্ধসত্য এবং কোনটা মিথ্যা তা বোঝা খুবই মুশকিল। একসময়…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান
এম আর হাসান:খুররম খান পন্নী ছিলেন উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইতিহাসের এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর জীবন ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান পর্ব এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ- এই তিনটি…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?
শাহাদৎ হোসেন:ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘ ৪৭ বছরের শীতল সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে। গত ১১ এপ্রিল দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে যে…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ
ওবায়দুল হক বাদল:আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে বড় অঙ্কের ব্যয় নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার। এসব খাতে ২ লাখ…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?
মুস্তাফিজ শিহাব:বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকালে এক চরম বৈপরীত্য চোখে পড়ে। একদিকে রয়েছে বিপুল জনশক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য এবং অন্যদিকে চরম অবমাননা…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article