প্রচ্ছদ    HT All Article   মুসলিম উম্মাহর দুর্গতি দূর করতে...

মুসলিম উম্মাহর দুর্গতি দূর করতে পারে প্রকৃত ইসলাম

১৩ মে ২০২৪ ১১:২২ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম:
মুসলিম জাতির গত এক শতাব্দির ইতিহাস যেন এক বিভীষিকা। যুদ্ধ, রক্তপাত, হত্যা, গুম, ধর্ষণ, নির্যাতন, লুণ্ঠন, উৎখাত, উচ্ছেদ অভিযান, গণহত্যা যেন মুসলমানদের ভাগ্যের লিখন। একেকটা মুসলিমপ্রধান দেশ যেন একেকটা কসাইখানা। এসব যুদ্ধভূমিতে শিশুদের ঘুম ভাঙে বোমার শব্দে কিংবা বুলেটে বুক ঝাঁঝরা হওয়া স্বজনের আর্তচিৎকারে। সাম্রাজ্যবাদীরা সম্মিলিতভাবে মুসলমানদের জাতিগতভাবে নির্মূল করতে উঠেপড়ে লেগেছে। কেবল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে বিগত ৭৭ বছরে মুসলমান নিধনযজ্ঞের পরিসংখ্যান দেখলে যেকোনো সুস্থ মানুষের গা শিউরে উঠবে। (সূত্র: উইকিপিডিয়া ও অন্যান্য)

  • ১৯৪৮-২০০৮ সালের আরব ও ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত হয়- ৮৮ হাজার মুসলমান
  • ১৯৪৭ সালে শুরু হওয়া কাশ্মির যুদ্ধে নিহত হয়- ১ লক্ষ মুসলমান 
  • ১৯৭৯-৮৯ সালের আফগানিস্তান যুদ্ধে নিহত হয়- ২০ লক্ষ মুসলমান 
  • ১৯৮০-৮৮ সালের ইরান-ইরাক যুদ্ধে নিহত হয়- ২০ লক্ষ মুসলমান 
  • ১৯৮৩-২০০৫ সালের সুদানের গৃহযুদ্ধে নিহত হয়- ৪০ লক্ষ মুসলমান 
  • ১৯৮৮-২০০১ সালের আফগানিস্তান গৃহযুদ্ধে নিহত হয়- ১০ লক্ষ মুসলমান
  • ১৯৮৮-২০০৪ সালের সোমালিয়া গৃহযুদ্ধে নিহত- সাড়ে ৫ লক্ষ মুসলমান
  • ১৯৯২-১৯৯৫ সালের বসনিয়া যুদ্ধে নিহত হয়- ১ লক্ষ মুসলমান 
  • ১৯৯৪ সালের রুয়ান্ডা গৃহযুদ্ধে প্রায় নিহত হয়- ১৫ লক্ষ মুসলমান 
  • ২০০১-২১ সাল পর্যন্ত চলা আমেরিকা-আফগান যুদ্ধে নিহত হয়- ১ লক্ষ ৭৬ হাজার মুসলমান 
  • ২০১২ সাল থেকে চলা সিরিয়া গৃহযুদ্ধে নিহত- ৬ লক্ষ মুসলমান 
  • ২০০৩ থেকে চলমান ইরাক যুদ্ধে নিহত- ১০ লক্ষ মুসলমান
  • ২০১৬-১৭ সালে মায়ানমার গৃহযুদ্ধে হত্যা করা হয়- ৫০ হাজার মুসলমান এবং দশ লাখ মুসলমানকে দেশ থেকে বিতাড়িত করা হয়। 
  • ২০২৩ সালে শুরু হওয়া হামাস ইসরায়েল যুদ্ধে এখন পর্যন্ত নিহত- ৩৫ হাজার মুসলমান

এ তো গেল কেবল গত কয়েক দশকের মুসলিম গণহত্যার একটি পরিসংখ্যান। আমরা যদি, আরো পেছনে যাই সেখানেও দেখব মুসলিম গণহত্যার রক্তাক্ত ইতিহাস। ১০০০ খ্রিষ্টাব্দে মুসলমানদের উপর প্রথম আক্রমণ ও গণহত্যা চালায় ক্রুসেডাররা। এ হামলায় নির্মমভাবে হত্যা করা হয় ১৭ লক্ষ মুসলমানকে। এরপর দ্বিতীয় আক্রমণে হালাকু খান বাগদাদে হামলা চালিয়ে পুরো নগরীকে মৃত্যুপুরীতে রূপ দেয়। হালাকু খানের বাহিনী প্রায় ২০ লক্ষ মুসলমানকে নৃশংসভাবে হত্যা করে তাদের মাথা দিয়ে পিরামিড বানায়। অল্প সময়ের মধ্যে এত বিপুল সংখ্যক মানুষকে হত্যা করে যে পুরো নগরী রক্তের নদীতে পরিণত হয়। একই কায়দায় গণহত্যা চালায় চেঙ্গিস খান, তৈমুর লং। এর কিছুকাল পরে মুসলমান জাতিটির উপর সর্বশেষ আক্রমণ করে ইউরোপীয় প্রভুরা। ১৬ শতকের শেষদিকে ইউরোপীয় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র খ্রিষ্টান জাতি কর্তৃক আক্রমণ, গণহত্যা, লুণ্ঠন অতঃপর দুইশো’ বছরের দাসত্ব মুসলমান জাতিকে মুক, অন্ধ ও বধির করে দেয়। সেই থেকে আর মুসলমানরা মাথা তুলতে পারে নি। তারা অন্য জাতিগুলোর কাছে ফুটবলের মতো লাথি খেয়ে তাদের অনুগ্রহ, অনুকম্পা নিয়েই বেঁচে আছে। যে যেভাবে পারছে মুসলমানদের উপর চেপে বসছে, তাদের উপর অন্যায়-অত্যাচার, জুলুম করছে, শোষণ করে ফায়দা লুটে নিচ্ছে। যখন স্বার্থ ফুরিয়ে যাচ্ছে তখন অবরোধ, নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়ে তাদের ভূখণ্ড কেড়ে নিয়ে উদ্বাস্তু শিবিরে পাঠিয়ে দিচ্ছে। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় এগারো কোটি মুসলমান উদ্বাস্তু। তাদের নিজেদের দেশ থেকে বাস্তুচ্যুত। তাদের না আছে কোন আবাসস্থল, না আছে কোন বেঁচে থাকার অধিকার। তাদের দেখার কেউ নেই। তখন সাম্রাজ্যবাদীদের প্রতিষ্ঠা করা বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন আসে ত্রাণের সামগ্রী নিয়ে। তাদের দয়া-অনুকম্পা ছাড়া উদ্বাস্তু মুসলমানদের আহারও জোটে না।

প্রশ্ন হচ্ছে, মুসলমানদের এই শোচনীয় পরিণতির কারণ কী? যে মুসলমানরা ছিল দুনিয়াতে সেরা জাতি, অর্ধ পৃথিবীর শাসক, যারা কিনা একদা পৃথিবীর দুই সুপার পাওয়ার রোম ও পারস্যকে পরাজিত করে মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছিল, যাদের শক্তি, শৌর্য, বীরত্বের কাছে মাথা নত করেছিল অর্ধেক দুনিয়া, মাত্র কয়েক দশকের মধ্যে জ্ঞান-বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, সামরিক শক্তি, শিক্ষা-দীক্ষার সর্বোচ্চ শিখরে আরোহণ করেছিল যে জাতি তারা আজ কেন অন্য জাতির দাসত্বের শেকলে বন্দি? কেন তারা নিজেদের শক্তি, গৌরব, মর্যাদা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে? এর কারণ, যে মহান আদর্শবলে আল্লাহর রসুল (সা.) তাঁর উম্মাহ গঠন করেছিলেন, যে তওহীদ-কালেমা ও লক্ষ্য-উদ্দেশ্যের উপর পুরো জাতিকে এক উম্মাহতে পরিণত করেছিলেন সেই লক্ষ্য-উদ্দেশ্য থেকে তারা সরে গিয়েছে। দুনিয়াময় আল্লাহর সত্যদীন প্রতিষ্ঠার যে মহান দায়িত্ব রসুলাল্লাহর (সা.) তাঁর উম্মাহর উপর অর্পণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব বাদ দেওয়ার অনিবার্য ফলস্বরূপ মুসলমানরা আজ দুর্বল, শক্তিহীন হয়ে অন্য জাতির দাস বা গোলামে পরিণত হয়েছে। মুসলমানদের এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য অনেকেই অনেক উপায় বলছে। কেউ বলছে মুসলিমদের প্রচুর শিক্ষিত হতে হবে, কেউ বলছে তাদের ঈমান দুর্বল হয়ে গেছে, আরো বেশি নামাজ পড়তে হবে, কেউ বলছে মাতৃভাষায় কোর’আন পড়তে হবে। মাহফিলে এস্তেমায় মুসলিমদের কল্যাণকামনায় দোয়ার বন্যা বইয়ে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু কোনকিছুই মুসলমানদের ভাগ্য ফেরাতে পারছে না। এখন মুসলমানদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটতে পারে কেবল একটি উপায়ে তা হলো, যদি তারা আবারও একমাত্র আল্লাহর তওহীদের উপর ঐক্যবদ্ধ হয়ে দুনিয়াময় আল্লাহর সত্যদীন প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেয়। তবেই মুসলমানদের এই শোচনীয় অবস্থার পরিবর্তন হবে এবং তারা তাদের হারানো গৌরব ও মর্যাদা ফিরে পাবে।

আরও পড়ুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

আল্লাহর রসুল যখন আরবে ইসলাম প্রচার শুরু করলেন তখন পৃথিবীর সবচেয়ে পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠী ছিল আরবরা। রোমান ও পারস্যের শাসকরা আরবদেরকে দেখত অবহেলার চোখে। সেই আরবদের মধ্যে যখন ইসলামের আবির্ভাব ঘটল, ইতিহাসের মোড় ঘুরে গেল। রসুলাল্লাহ এসে আরবের ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন গোত্রগুলোকে একটি নির্দিষ্ট কর্মসূচির উপর ঐক্যবদ্ধ করলেন। অবহেলিত আরবসন্তানরা জেগে উঠল নতুন প্রাণের উল্লাসে! তাদের মাঝে এমন যুগান্তকারী সভ্যতার উন্মেষ ঘটল যার সম্মুখে সমসাময়িক সকল আদর্শ, সকল মতবাদ আবেদন হারিয়ে বর্ণহীন হয়ে গেল। পি কে হিট্টির ভাষায়, ‘সম্ভাবনাহীন উপাদান বা শূন্য’ থেকে জন্ম হলো বিরাট এক বটবৃক্ষের। সেই বৃক্ষের ছায়াতলে আসলো অর্ধ দুনিয়া। জ্ঞানে-বিজ্ঞানে-সভ্যতায় তারা এমন স্বর্ণযুগ প্রতিষ্ঠা করল যে বাকি বিশ্ব বিস্ময়ে হতবাক হয়ে চেয়ে থাকত মুসলমানদের দিকে।

কিন্তু এরপর ঘটে গেল মহা দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। যে মহান আদর্শের উপর ঐক্যবদ্ধ করে দুনিয়াময় আল্লাহর সত্যদীন প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব তিনি তাঁর উম্মাহর উপর অর্পণ করে চলে গেলেন উম্মাহ সেই দায়িত্ব ভুলে গেল। দীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম বাদ দিয়ে, লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ভুলে জাতির শাসক শ্রেণিটি অন্যান্য রাজা-বাদশাহদের মতো ভোগ বিলাসিতায় ডুবে গেল। জাতির অন্য আরেকটি শ্রেণি দীনের ছোট-খাটো বিষয় নিয়ে চুলচেরা ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করে, দীন নিয়ে বাড়াবাড়ি করে হাজার হাজার ফেরকা, তরিকা, মতবাদে বিভক্ত হয়ে গেল। অন্য শ্রেণিটি দীন প্রতিষ্ঠার কাজকে বাদ দিয়ে আত্মার বিরুদ্ধে জেহাদকে বড় জেহাদ মনে করে আত্মার ঘষামাজা চালিয়ে যেতে লাগল। এভাবে জাতির একেকটি অংশ একেকভাবে দীন নিয়ে চর্চা করে তাদের নেতার অর্পিত দায়িত্ব ভুলে গিয়ে, লক্ষভ্রষ্ট ও পথহারা হয়ে গেল। আকিদা ও লক্ষ্য হারানোর অনিবার্য ফলস্বরূপ তারা আজ অন্য জাতির কাছে পরাজিত, লাঞ্ছিত, নিপীড়িত।    

এমতাবস্থায় আমরা হেযবুত তওহীদ আবারও মানুষের কাছে ইসলামের সেই হারিয়ে যাওয়া প্রকৃত রূপটি তুলে ধরছি। মানবজীবনে বিরাজিত যাবতীয় অন্যায় অশান্তি রক্তপাত নির্মূল করে শান্তিময় পৃথিবী গড়ে তোলার জন্য যে জীবনবিধান আল্লাহ তাঁর শেষ নবীর মাধ্যমে নাজিল করেছিলেন, সেই জীবনবিধান সর্বাত্মক সংগ্রামের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করার জন্য হেযবুত তওহীদ মানুষকে আহ্বান করছে।

[লেখক: এমাম, হেযবুত তওহীদ; ফোন: ০১৬৭০১৭৪৬৪৩, ০১৭১১০০৫০২৫, ০১৭১১৫৭১৫৮১]

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
 ১ মে ২০২৬    HT All Article

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article
পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমিয়েছে চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন
চীনে প্রতি ১০ কর্মদিবস অন্তর বৈশ্বিক তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নতুন দামে ৫০ লিটার জ্বালানি কিনতে এখন চালকদের প্রায়…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    মতামত

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা
রিয়াদুল হাসান গৌড়ের রাজ দরবারে চাচা কুতুব খানের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ দাসত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে সুলতান তাজ খান কররানির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন যুবক ঈসা খাঁ ও ইসমাইল…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!
শাহাদৎ হোসেন:বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো এই মাটির কৃষক। কৃষকদের আমরা বলি, সব সাধকের বড় সাধক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারা যে ফসল ফলায়,…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!
কথক দা: আমরা যেন আইয়্যামে গুজবে বাস করছি। অপতথ্য আর অপসংবাদের ভীড়ে কোনটা সত্য আর কোনটা অর্ধসত্য এবং কোনটা মিথ্যা তা বোঝা খুবই মুশকিল। একসময়…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান
এম আর হাসান:খুররম খান পন্নী ছিলেন উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইতিহাসের এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর জীবন ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান পর্ব এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ- এই তিনটি…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?
শাহাদৎ হোসেন:ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘ ৪৭ বছরের শীতল সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে। গত ১১ এপ্রিল দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে যে…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ
ওবায়দুল হক বাদল:আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে বড় অঙ্কের ব্যয় নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার। এসব খাতে ২ লাখ…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?
মুস্তাফিজ শিহাব:বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকালে এক চরম বৈপরীত্য চোখে পড়ে। একদিকে রয়েছে বিপুল জনশক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য এবং অন্যদিকে চরম অবমাননা…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article