দেশের ডিজিটাল অবকাঠামোকে বিশ্বমানে উন্নীত করতে রাজধানী ঢাকার গণ্ডি পেরিয়ে এবার বিভাগীয় শহরগুলোতেও ফাইভজি (5G) নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। শুক্রবার বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) জানিয়েছে যে, মোবাইল অপারেটরগুলোকে ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় স্পেকট্রাম বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং তারা তাদের টাওয়ারগুলোকে ফাইভজি সক্ষম করে তুলছে।
ফাইভজি প্রযুক্তি শুধু দ্রুত গতির ইন্টারনেটই দেবে না, বরং এটি স্মার্ট সিটি, টেলিমেডিসিন, স্বয়ংক্রিয় শিল্প কারখানা এবং ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT)-এর মতো আধুনিক প্রযুক্তিগুলোর ব্যবহারের পথ সুগম করবে। প্রযুক্তিবিদরা বলছেন, ফাইভজির লেটেন্সি বা ধীরগতি প্রায় শূন্যের কোঠায় হওয়ায় রোবটিক সার্জারি বা দূরনিয়ন্ত্রিত গাড়ি চালানোর মতো স্পর্শকাতর কাজগুলো দেশের ভেতরে বসেই করা সম্ভব হবে।
সাধারণ মোবাইল ব্যবহারকারীরাও এই উচ্চগতির ইন্টারনেটের সুবিধা নিয়ে অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত। তবে অপারেটরদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, ফাইভজির পূর্ণ সুবিধা উপভোগ করতে হলে গ্রাহকদের অবশ্যই ফাইভজি সাপোর্টেড হ্যান্ডসেট ব্যবহার করতে হবে। সরকার আশা করছে, আগামী বছরের শেষ নাগাদ দেশের অন্তত ৬০ শতাংশ এলাকা ফাইভজি কভারেজের আওতায় চলে আসবে, যা ডিজিটাল অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখবে।


