
সম্প্রতি ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মুক্তি পাওয়া দেশীয় সিনেমাগুলো বক্স অফিসে আয়ের ক্ষেত্রে নতুন এক মাইলফলক স্থাপন করেছে। শুক্রবার প্রকাশিত এক রিপোর্টে দেখা যায়, দর্শকদের উপচে পড়া ভিড়ের কারণে দেশের অধিকাংশ সিনেপ্লেক্স এবং সিঙ্গেল স্ক্রিনগুলোতে টিকিট পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিনের খরা কাটিয়ে বাংলা সিনেমার এই সোনালী প্রত্যাবর্তন হল মালিক ও নির্মাতাদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
এবারের ঈদে অ্যাকশন, রোমান্টিক এবং সোশ্যাল ড্রামা—সব ধরনের সিনেমাই দর্শকদের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের নির্মাতাদের আধুনিক নির্মাণশৈলী এবং উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার সিনেমাগুলোকে আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছে দিয়েছে। দর্শকরা বলছেন, এখন আর বিনোদনের জন্য ভিনদেশি সিনেমার ওপর নির্ভর করতে হয় না; আমাদের নিজেদের গল্পের মান অনেক উন্নত হয়েছে।
চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা এই ধারাকে ধরে রাখতে সরকারি সহায়তা এবং নতুন নতুন সিনেমা হল নির্মাণের ওপর জোর দিচ্ছেন। তারা মনে করেন, পাইরেসি বন্ধ করতে পারলে এবং জেলা শহরগুলোতে আধুনিক সিনেপ্লেক্স তৈরি হলে বাংলা সিনেমা খুব দ্রুতই হাজার কোটি টাকার শিল্পে পরিণত হবে। ওটিটি প্ল্যাটফর্মের পাশাপাশি বড় পর্দায় দর্শকদের এই আগ্রহ প্রমাণ করে যে, ভালো কাজ হলে মানুষ অবশ্যই প্রেক্ষাগৃহে আসবে।


