
আগামী অর্থবছরের জাতীয় বাজেট প্রণয়নকে সামনে রেখে জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্যদের নিয়ে একটি বিশেষ প্রাক-বাজেট আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল ২০২৬) অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। অর্থমন্ত্রী তার বক্তব্যে জানান যে এবারের বাজেটে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সরাসরি প্রভাব ফেলে এমন খাতগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
অধিবেশনে বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যরা স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী খাতে বরাদ্দ আরও বাড়ানোর জোর দাবি জানান। তারা উল্লেখ করেন যে, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে নিম্ন আয়ের মানুষ চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন। তাই বাজেটে এমন কিছু পদক্ষেপ থাকা প্রয়োজন যা সরাসরি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উপকারে আসে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করে।
সরকার দলীয় নেতারাও এসব দাবির সাথে আংশিক একমত পোষণ করে জানান যে, সম্পদের সীমাবদ্ধতার মধ্যেও সরকার সর্বোত্তম বাজেট প্রণয়নের চেষ্টা করছে। কর কাঠামোগত সংস্কারের মাধ্যমে রাজস্ব আয় বাড়ানোর কৌশল নেওয়া হচ্ছে, যাতে সাধারণ মানুষের ওপর নতুন করে কোনো করের বোঝা না চাপে। মে মাসের শেষ নাগাদ এই বাজেটের একটি খসড়া মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের কথা রয়েছে।


