প্রচ্ছদ    HT All Article   হামযা ইবনে আব্দুল মুত্তালিব (রা.)...

হামযা ইবনে আব্দুল মুত্তালিব (রা.) (ইতিহাসের পাতা থেকে)

২১ জানুয়ারি ২০১৮ ১১:১৯ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

নাম তাঁর হামযা ইবনে আব্দুল মুত্তালিব (রা.), আবু ইয়ালা ও আবু আম্মারা তাঁর কুনিয়াত। রসুলাল্লাহ (সা.) তাঁর উপাধি দেন আসাদুল্লাহ। তাঁর জননী ‘হালা বিনতে উহাইব’ রসুলাল্লাহর (সা.) মাতা আমিনার চাচাতো বোন। তিনি ছিলেন রসুলাল্লাহর (সা.) আপন চাচা। তাছাড়া হামযা (রা.) ছিলেন রসুলাল্লাহর (সা.) দুধভাই। আবু লাহাবের দাসী ‘সুওয়াইবা’ তাঁদের দু’জনকে দুধ পান করিয়েছিলেন। তিনি বয়সে রসুলাল্লাহর (সা.) দু’বছর মতান্তরে চার বছরে বড়।
ছোট বেলা থেকেই তরবারি চালনা, তীরন্দাযী ও কুস্তির প্রতি তাঁর ছিল প্রবল আগ্রহ। ভ্রমণ ও শিকারে তাঁর ছিল সীমাহীন আকর্ষণ। জীবনের অধিকাংশ সময় তিনি এ কাজে ব্যয় করেছেন। রসুলাল্লাহর (সা.) নবুয়্যত প্রাপ্তির পর তখন বেশ কিছুদিন গত হয়েছে। তওহীদের আহ্বান তখন মক্কার অলিতে গলিতে ধ্বনিত হচ্ছিল। তবে হামযার (রা.) মত শিকার নিয়ে ব্যাস্ত লোকের এ ধরণের বিষয় অর্থাৎ সামষ্টিক জীবন ব্যবস্থা নিয়ে ভাবার বা মনোযোগ দেওয়ার মানসিকতা ছিল না।
আবু জাহেল একদিন সাফা পাহাড়ের পাদদেশে রসুলাল্লাহ (সা.) এর পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় সে তাঁকে অশ্লীল গালিগালাজ ও ভর্ৎসনা করল এবং তার আনীত জীবনব্যবস্থার বিরুদ্ধে অত্যন্ত আপত্তিকর ভাষায় নিন্দা করল ও তাঁকে হীন বলে আখ্যায়িত করল। রসুলাল্লাহ (সা.) তাকে জবাবে কিছুই বললেন না। কিন্তু আব্দুল্লাহ ইবনে জুদআন এর আযাদকৃত দাসী নিজের ঘরে বসে আবু জাহেলের এসব অশ্লীল কথাবার্তা ও ব্যবহার শুনছিল। এরপর আবু জাহেল ঐ স্থান থেকে চলে গিয়ে কা’বার নিকট একদল কুরাইশদের সাথে বসল।
কিছুক্ষণ পর হামযা (রা.) ঐ পথ দিয়ে তীর-ধনুক সজ্জিত অবস্থায় শিকার থেকে ফিরছিলেন। হামযা (রা.) ঐ দাসীর ঘরের নিকট দিয়ে যাওয়ার সময় সে তাঁকে বলল; “হে ‘আবু আম্মারা’ এইমাত্র আপনার ভাতিজা মোহাম্মদ (সা.) আবুল হাকাম ইবনে হিশামের কাছ থেকে যে ব্যবহারটি পেল, তা যদি আপনি দেখতেন! সে মোহাম্মদকে (সা.) এখানে বসা দেখে বিনা কারণে গালাগাল করল এবং অত্যন্ত ঘৃণ্য আচরণ করল, তারপর চলে গেল। মোহাম্মদ (সা.) তাকে কিছুই বলেন নি”।
এ খবর শুনে হামযা (রা.) ক্রোধে অধীর হয়ে আবু জাহেলের খোঁজে বায়তুল্লাহর দিকে ছুটলেন। সেখানে গিয়েই তিনি দেখলেন আবু জাহেল কিছু লোকের সাথে বসে আছে। তিনি তার দিকে এগিয়ে গেলেন, সে কিছু বুঝে উঠার আগেই তিনি স্বীয় ধনুকটি দিয়ে তার মাথায় খুব জোরে আঘাত করলেন, ফলে আবু জাহেলের মাথা রক্তাক্ত হলো। তারপর হামযা তাকে লক্ষ্য করে বললেন, “তুমি তাঁকে (মোহাম্মদ) তিরস্কার কর! জেনে রাখ, আমিও তো তাঁর ধর্মের অনুসারী এবং সে যা বলে আমিও তা বলি। এখন পারলে আমাকে কিছু করে দেখাও দেখি”। এ সময় আবু জাহেলকে সাহায্য করার জন্য বনু মাখযূমের কিছু লোক হামযার দিকে ছুটে এলো। আবু জাহেল তখন তাদেরকে বলল; “থাক! ‘আবু আম্মারা’কে কিছু বলো না। আমি তার ভাতিজাকে সত্যিই খুব খারাপ গালি দিয়েছি”।
ঘটনার পর হামযার (রা.) উত্তেজনা কমে আসলে তাঁর মধ্যে ভাবান্তর আসলো। তিনি চিন্তা করতে শুরু করলেন যে, উত্তেজিত অবস্থায় যদিও তিনি কথাগুলো বলে ফেলেছেন, কিন্তু সত্যি সত্যি কি তিনি তাঁর বাপ-দাদার ধর্ম ত্যাগ করতে পারবেন। আর কোনটাই বা সঠিক? এতদিনের পালন করা ধর্ম, না কি মোহাম্মদের আনীত ধর্ম? এ সকল প্রশ্ন তাঁর মনে তোলপাড় শুরু করলো। এক ভয়াবহ দোলাচলে দোলতে লাগলো তাঁর মন। অবশেষে সিদ্ধান্তহীন হয়ে আকাশের দিকে হাত তুলে মোনাজাত ধরলেন হামযা (রা.); “হে আল্লাহ! মোহাম্মদের কথা যদি সত্য হয় এবং সে সত্যিই যদি তোমার প্রেরিত রসুল হয়, তাহলে এই বিশ্বাস আমার অন্তরে স্থির করে দাও! আমাকে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা কর! আর যদি তা সত্য না হয় তাহলে আমাকে এই বিপদ থেকে রক্ষা কর!”
এরপর তিনি মোহাম্মদ (সা.) এর নিকট উপস্থিত হয়ে নিজের মনের এই দোদ্যুলমানতার কথা তুলে ধরে পরামর্শ ও দোয়া চাইলেন। আল্লাহর রসুল (সা.) অত্যন্ত শান্তভাবে তাঁর কথা শুনার পর তাঁকে তওহীদের দিকে আহবান করলেন এবং দিকনির্দেশনমূলক কথা বললেন। এরপর তিনি প্রাণখুলে আল্লাহর দরবারে হামযার (রা.) মনের স্থিতিশীলতার জন্য এবং তাঁকে হেদায়াতদানের দোয়া করলেন।
এই সময়টা ছিল রসুলাল্লাহর উপর ঈমান আনয়নকারী মু’মীনদের জন্য সেই দুঃসময়ের কথা, যখন রসুল (সা.) আরকাম ইবনে আবুল আরকামের গৃহে আশ্রয় নিয়ে গোপনে তওহীদের আহবান করছিলেন। রসুলের (সা.) আহবানে তখন গুটিকয় মানুষ সাড়া দিয়েছেন। যারাই প্রকাশ্যে তওহীদের এই ঘোষণা দিয়েছেন তারাই অতি দ্রুত সমাজ এবং পরিবারের নিকট অনেকটা অচ্ছ্যুত হয়ে নিরাশ্রয় ও নিরন্ন অবস্থায় পতিত হয়েছেন। শুধু তাই নয় এমতাবস্থায় তারা হয়ে পড়েছিলেন চূড়ান্ত নিরাপত্তাহীন। এদের মধ্যে যাদের সামাজিক অবস্থান একটু দুর্বল ছিল তারা ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। আম্মার ইবনে ইয়াসের (রা.) এর পরিবারের সকল সদস্য তওহীদ গ্রহণের ফলে আবু জাহেল গংদের নির্যাতনের শিকার হয়ে তিনি ছাড়া তাঁর মা, বাবা, ভাই সকলেই শহীদ হন। আম্মার ইবনে ইয়াসের (রা.) এর মাতা সুমাইয়া (রা.) আখেরী ইসলামের প্রথম শহীদ। এমতাবস্থায় হামযা (রা.) এর তওহীদ গ্রহণ, পুরো পরিস্থিতির উপর গভীর প্রভাব বিস্তার করে। হামযার (রা.) দ্বীন গ্রহণের জন্য বিরুদ্ধবাদীদের অপতৎপরতা অনেকটা হ্রাস পায়।
এর কিছুদিন পরেই উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) তওহীদ গ্রহণের জন্য মনস্থ করে রসুলাল্লাহর নিকট দারুল আরকামে উপস্থিত হলেন। রসুলাল্লাহ তখন কয়েকজন সাহাবীকে নিয়ে সেখানে অবস্থান করছিলেন, হামযা (র.) ও তাদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন। উমর ইবনে খাত্তাব (রা.) সেখানে সশস্ত্র অবস্থায় উপস্থিত হলেন। উমারকে (রা.) এই অবস্থায় এসে দরজায় কড়া নাড়তে দেখে উপস্থিত সকলেই পরবর্তী পরিস্থিতি সম্পর্কে শঙ্কিত হয়ে পড়লেন। কিন্তু হামযা তাদের অভয় দিয়ে বললেন; “তাঁকে আসতে দাও। যদি সে ভালো উদ্দেশ্যে এসে থাকে, আমরাও তাঁর সাথে ভালো ব্যাবহার করবো। অন্যথায় তাঁরই তরবারি দিয়ে তাঁকে হত্যা করা হবে”। কিন্তু উমর (রা.) উল্টো তওহীদ গ্রহণের ঘোষণা দিলে সকলেই খুশিতে তকবীর দিলেন। হামযার (রা.) পর উমরের ইসলাম গ্রহণ মু’মিনদের অবস্থান যথেষ্ট দৃঢ় করে। এই দুই জনের তওহীদ গ্রহণ রসুলাল্লাহর (সা.) আনীত দ্বীনকে অপ্রতিরোধ্য গতি ও শক্তি দান করে।
মক্কায় অবস্থানকালে রসুলাল্লাহ (সা.) তার অতি আদরের পালক পুত্র যায়িদ ইবনে হারিসা (রা.) এর সাথে হামযার (রা.) ভ্রাতৃসম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে দেন। যায়িদের প্রতি তাঁর ভক্তি ও ভালোবাসা এত প্রগাঢ় হয় যে, যখন তিনি বাইরে কোথাও যেতেন, তখন তাঁকেই সব ব্যাপারে অসিয়ত করে যেতেন। নবুয়্যতের ত্রয়োদশ বছরে অন্য সকলের সঙ্গে হামযাও (রা.) মদিনায় হিজরত করলেন।
হিজরতের পর সপ্তম মাসে রসুল (সা.) ‘ঈস’ অঞ্চলের সমুদ্র উপকূলের দিকে ত্রিশ সদস্যের মুহাজিরদের একটি ক্ষুদ্র বাহিনী পাঠান। উদ্দেশ্য, কুরাইশদের গতিবিধি লক্ষ্য করা। মদিনা থেকে যাত্রার প্রাক্কালে রসুল (সা.) এই বাহিনীর নেতৃত্ব হামযার (রা.) হাতে তুলে দেন। এখানে তাঁরা আবু জাহেলের নেতৃত্বাধীন মক্কার তিনশো অশ্বারোহীর একটি বাহিনীর মুখোমুখি হন। তারা সিরিয়া থেকে ফিরছিল। কিন্তু মাজদী ইবনে আমর জুহানীর প্রচেষ্টায় এ যাত্রা সংঘর্ষ এড়ানো সম্ভব হয়। মাজদীর সাথে দু’পক্ষের সন্ধি চুক্তি ছিল। ইবনে আবদিল বার সহ কোনো কোনো ঐতিহাসিক মনে করেন, এটাই ছিল রসুল (সা.) কর্তৃক কোন সাহাবীর হাতে তুলে দেওয়া প্রথম ঝা-া।
সংগ্রহে – আব্দুল কাদের; সদস্য, হেযবুত তওহীদ

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
 ১ মে ২০২৬    HT All Article

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article
পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমিয়েছে চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন
চীনে প্রতি ১০ কর্মদিবস অন্তর বৈশ্বিক তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নতুন দামে ৫০ লিটার জ্বালানি কিনতে এখন চালকদের প্রায়…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    মতামত

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা
রিয়াদুল হাসান গৌড়ের রাজ দরবারে চাচা কুতুব খানের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ দাসত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে সুলতান তাজ খান কররানির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন যুবক ঈসা খাঁ ও ইসমাইল…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!
শাহাদৎ হোসেন:বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো এই মাটির কৃষক। কৃষকদের আমরা বলি, সব সাধকের বড় সাধক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারা যে ফসল ফলায়,…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!
কথক দা: আমরা যেন আইয়্যামে গুজবে বাস করছি। অপতথ্য আর অপসংবাদের ভীড়ে কোনটা সত্য আর কোনটা অর্ধসত্য এবং কোনটা মিথ্যা তা বোঝা খুবই মুশকিল। একসময়…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান
এম আর হাসান:খুররম খান পন্নী ছিলেন উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইতিহাসের এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর জীবন ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান পর্ব এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ- এই তিনটি…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?
শাহাদৎ হোসেন:ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘ ৪৭ বছরের শীতল সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে। গত ১১ এপ্রিল দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে যে…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ
ওবায়দুল হক বাদল:আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে বড় অঙ্কের ব্যয় নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার। এসব খাতে ২ লাখ…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?
মুস্তাফিজ শিহাব:বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকালে এক চরম বৈপরীত্য চোখে পড়ে। একদিকে রয়েছে বিপুল জনশক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য এবং অন্যদিকে চরম অবমাননা…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article