প্রচ্ছদ    HT All Article   মালায়েকরা কীভাবে বুঝলো মানুষ ফাসাদ...

মালায়েকরা কীভাবে বুঝলো মানুষ ফাসাদ ও সাফাকুদ্দিমা কোরবে?

১ নভেম্বর ২০১৯ ০৩:০৬ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

এমামুযযামান জনাব মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নীর লেখা থেকে সম্পাদিত:

মানুষ সৃষ্টির গোড়ার কথা আল কোর’আনে যতটুকু জানা যায় তা এই যে, ‘অসংখ্য সৃষ্টির সৃষ্টিকর্তা, সীমাহীন মহাবিশ্বের অধিপতি তাঁর সৃষ্ট মালায়েক দিয়ে সুশৃঙ্খলভাবে তাঁর সকল সৃষ্টিকে পরিচালনা কোরছিলেন। এই সকল সৃষ্টি আল্লাহ কোরেছিলেন ‘কুন’ (হও) আদেশ দিয়ে। অতঃপর তাঁর ইচ্ছা হোল তিনি পৃথিবীতে তাঁর প্রতিভূ অর্থাৎ মানুষ সৃষ্টি কোরবেন। তিনি মালায়েকদের ডেকে তাঁর এই পরিকল্পনার কথা জানালে মালায়েকরা বোললেন- কেন আপনি পৃথিবীতে আপনার প্রতিনিধি পাঠাতে চান, তারা তো সেখানে ফাসাদ (অন্যায়, অবিচার,মানুষ সৃষ্টির বিরুদ্ধে যুক্তি হিসাবে মালায়েকরা এ কথা বলেন নি যে, মানুষ মন্দিরে, মসজিদে, গীর্জায়, প্যাগোডায়, সিনাগগে যেয়ে তোমার উপাসনা কোরবে না, উপবাস কোরবে না। তারা এসবের একটাও বোলেন নি। বোলেছেন অশান্তি, অন্যায়, ঝগড়া আর রক্তপাত কোরবে। অর্থাৎ আসল সমস্যা ওটা নয়, এইটা। অশান্তি) এবং সাফাকুদ্দিমা (যুদ্ধ, রক্তপাত) সৃষ্টি কোরবে (সুরা-আল বাকারা- ৩০)। কিন্তু তাদের মৃদু আপত্তি সত্ত্বেও আল্লাহ আদমকে সৃষ্টি কোরলেন। এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ্য যে, মানুষ পৃথিবীতে যে অন্যায়-অশান্তি, রক্তপাত কোরবে বোলে মালায়েকরা আশঙ্কা কোরেছিলেন তার সম্পূর্ণটাই মানবজাতির বেলায় অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়িত হোচ্ছে। বলার অপেক্ষা রাখে না যে, আদম (আ:) এর ছেলে কাবিল কর্তৃক অপর ছেলে হাবিলকে হত্যা করা থেকে শুরু কোরে আজ পর্যন্ত মানবজাতির সর্বপ্রধান সমস্যা হোয়ে আছে এই ফাসাদ ও সাফাকুদ্দিমা, শত চেষ্টা কোরেও যার কোন সমাধান মানবজাতি কোরতে পারে নি। বরং দিন দিন এটা বাড়তে বাড়তে বর্তমানে পুরো মানবজাতি ধ্বংসের দোড়গোড়ায় এসে উপনীত হোয়েছে।
আরেকটি বিষয় হোল, মানুষ সৃষ্টির বিরুদ্ধে যুক্তি হিসাবে মালায়েকরা এ কথা বলেন নি যে, মানুষ মন্দিরে, মসজিদে, গীর্জায়, প্যাগোডায়, সিনাগগে যেয়ে তোমার উপাসনা কোরবে না, উপবাস কোরবে না। তারা এসবের একটাও বোলেন নি। বোলেছেন অশান্তি, অন্যায়, ঝগড়া আর রক্তপাত কোরবে। অর্থাৎ আসল সমস্যা ওটা নয়, এইটা। আল্লাহ কি বোঝেন নি মালায়েকরা কী বোলেছিলেন? তিনি ঠিকই বুঝেছিলেন এবং তা সত্ত্বেও তাদের আপত্তি অগ্রাহ্য কোরে মানুষ বানালেন। তাঁর প্রতিনিধি সৃষ্টির ব্যাপারে স্রষ্টা নিজে আমাদের যে সব তথ্য জানাচ্ছেন তা থেকে আমরা কয়েকটি বুনিয়াদি কথা জানতে পারছি। একটি – তাঁর এই নতুন সৃষ্টিটির গুরুত্ব ও মর্যাদা কত বেশি এবং এর উপর তার øেহ কতখানি তা বুঝা যায় এথেকে যে- যেখানে মালায়েকসহ এই বিশাল সৃষ্টি তিনি কোরলেন শুধু তাঁর মুখের আদেশ দিয়ে- হও! আর সব হোয়ে গেলো (কোর’আন-সুরা আল বাকারা- ১১৯, সুরা আন নাহল- ৪০, সুরা ইয়াসিন-৮২)। সেখানে মানুষকে অর্থাৎ আদমকে (আ:) তৈরি কোরলেন তাঁর নিজ হাতে (কোর’আন-সুরা সা’দ-৭৫)। এবং আদমের দেহের মধ্যে তাঁর নিজের আত্মা থেকে ফুঁকে দিলেন (কোর’আন-সুরা আল হিজর-২৯)। ঠিক এই কারণেই মালায়েকরা মানুষ সৃষ্টির বিরোধিতা কোরেছিলেন। কারণ নিজের আত্মা থেকে ফুঁকে দেবার ফলে আল্লাহর যে গুণাবলী, সিফতসমূহ রোয়েছে সব মানুষের মধ্যে চলে এলো। এমনকি স্বাধীন ইচ্ছাশক্তিও মানুষের মধ্যে চলে আসলো, যে ইচ্ছাশক্তি আল্লাহ ছাড়া আর কারো মাঝে ছিলো না। প্রশ্ন আসতে পারে- স্বাধীন ইচ্ছাশক্তির সাথে ফাসাদ, সাফাকুদ্দিমার সম্পর্ক কোথায়? সম্পর্ক আছে, ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে। স্বাধীন ইচ্ছাশক্তি মানেই হোল ইচ্ছা হোলে সে আল্লাহর হুকুম মোতাবেক চোলতে পারবে আবার ইচ্ছা না হোলেই সে আল্লাহর হুকুম প্রত্যাখ্যান কোরতে পারবে। যেহেতু মানুষ আল্লাহর সৃষ্টি কাজেই তিনিই ভালো জানেন কোন সিস্টেম মোতবেক জীবন-যাপন কোরলে, কোন বিধি-বিধান মেনে চোললে মানবজাতি শান্তিতে থাকতে পারবে। আল-কোর’আনে আল্লাহ বোলেছেন- ‘যিনি সৃষ্টি কোরেছেন তিনি কি জানেন না? তিনি সূক্ষ্মতম বিষয়ও জানেন’। কাজেই অন্যায়-অবিচার, অশান্তি এবং যুদ্ধ, রক্তপাতহীন সমাজে বসবাস কোরতে চাইলে অবশ্যই মানুষকে আল্লাহর হুকুম মেনে চোলতে হবে। বনি আদম যদি আল্লাহর হুকুম-বিধানকে প্রত্যাখ্যান কোরে নিজের স্বাধীন ইচ্ছাশক্তিকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের চলার পথ নিজেরাই তৈরি কোরে নেয় তাহোলে অবশ্যম্ভাবীরূপে তারা ফাসাদ-সাফাকুদ্দিমাতে পতিত হবে, যেমন আজ হোয়েছে। এই বিষয়টি উপলব্ধি কোরেই মালায়েকরা মানুষ সৃষ্টির বিরোধিতা কোরেছিলেন। কিন্তু মালায়েকদের কথা অগ্রাহ্য কোরে সর্বজ্ঞানী আল্লাহ যখন মানুষকে তাঁর নিজের আত্মা থেকে ফুঁকে দিলেন তখন আল্লাহর যত রকম গুণাবলী, সিফত আছে সব মানুষের মধ্যে চলে এলো। এমনকি তাঁর যে স্বাধীন ইচ্ছা শক্তি এটাও ঐ আত্মার সঙ্গে মানুষের মধ্যে চলে এলো। এইটা সম্বন্ধেই আল্লাহ বোলেছেন- মানুষকে আমি আমার আমানত দিয়েছি (কোর’আন-সুরা আল আহযাব-৭২)। আল্লাহর এই গুণ, এই শক্তিগুলি সৃষ্টির আর কারো নাই- ফেরেশতা, মালায়েকদেরও নেই- সব তাঁর বেধে দেওয়া আইন, নিয়ম মেনে চলছে। এইগুলিকেই আমরা বোলি প্রাকৃতিক নিয়ম। কারো সাধ্য নেই এই নিয়ম থেকে এক চুল পরিমাণও ব্যতিক্রম করে। কারণ তা করার ইচ্ছাশক্তিই তাদের দেয়া হয় নি। ইচ্ছা হোলে কোরব, ইচ্ছা না হোলে কোরব না, এ স্বাধীন ইচ্ছাশক্তি একমাত্র আল্লাহর। মানুষের মধ্যে যখন তিনি তাঁর আত্মা ফুঁকে দিলেন তখন তার মধ্যে স্রষ্টার সমস্ত গুণাবলীর ও শক্তির সঙ্গে ঐ স্বাধীন ইচ্ছাশক্তিও চলে এলো। এটাই হোল তাঁর দেয়া আমানত যা অন্য কোন সৃষ্টি গ্রহণ কোরতে ভয় পেলো। কিন্তু মানুষ এটা নিয়ে নিজেকে অন্যায়কারী ও জ্ঞানহীন প্রমাণ কোরল (কোর’আন-সুরা আল আহযাব-৭২)। আল্লাহ তাঁর নিজের আত্মা মানুষের মধ্যে ফুঁকে দেয়ার আগে পর্যন্ত মানুষ লক্ষ কো
টি সৃষ্টির আরেকটি মাত্র ছিলো। কিন্তু স্রষ্টার আত্মা তার মধ্যে ফুঁকে দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে সে এক অনন্য সৃষ্টিতে রূপান্তরিত হোয়ে গেলো। সে হোয়ে গেলো স্রষ্টার, আল্লাহর প্রতিনিধি যার মধ্যে রোয়েছে সেই মহান স্রষ্টার প্রত্যেকটি গুণ, শুধুমাত্র গুণ নয় প্রত্যেকটি শক্তি। শুধু তফাৎ এই যে, অতি সামান্য পরিমাণে। ব্যাখ্যা কোরতে গেলে বোলতে হয়- মহাসমুদ্র থেকে এক ফোঁটা পানি তুলে এনে তার যদি রাসায়নিক বিশ্লেষণ করা যায় তবে ঐ এক ফোঁটা পানির মধ্যে সেই মহাসমুদ্রের পানির প্রত্যেকটি গুণ পাওয়া যাবে, মহাসমুদ্রের মধ্যে যত পদার্থ আছে তার প্রত্যেকটি পাওয়া যাবে। কিন্তু তবু ঐ এক ফোঁটা পানি মহাসমুদ্র নয়-সে প্রলয়ংকর ঝড় তুলতে পারে না, জাহাজ ডোবাতে পারবে না। সূর্যের আগুন থেকে একটা মোমবাতি জ্বালিয়ে আনলে সেই মোমবাতির শিখায় সূর্যের আগুনের সমস্ত গুণ থাকবে। সেও জ্বালাতে পারবে, আলো দিতে পারবে কিন্তু সে সূর্যের মতো গ্রহে গ্রহে আলো আর তাপ ছড়াতে পারবে না। তবুও ঐ মোমবাতির শিখা সেই সূর্য থেকেই আনা আগুন- একই জিনিস।
দ্বিতীয় হোল:- স্রষ্টা তাঁর এই নতুন সৃষ্টিটাকে সব জিনিসের নাম শেখালেন (কোর’আন-সুরা আল বাকারা-৩১)। এর অর্থ হোল তিনি যা সৃষ্টি কোরেছেন সেই সব জিনিসের ধর্ম (Property), কোন জিনিসের কী কাজ, কেমন কোরে সে জিনিস কাজ করে ইত্যাদি, এক কথায় বিজ্ঞান, যে বিজ্ঞানের উপর ভিত্তি কোরে তিনি তাঁর বিশাল সৃষ্টি কোরেছেন, মানুষকে সেই বিজ্ঞান শেখালেন। এই কথা বোলে তিনি জানিয়ে দিচ্ছেন যে, মানুষ জাতি সৃষ্টির প্রত্যেক জিনিস সম্বন্ধে জ্ঞান লাভ কোরবে। আজ থেকে হাজার বছর আগে মানুষ যে সব জিনিসের সম্পর্কে জ্ঞান লাভ কোরেছিল অর্থাৎ নাম জেনেছিল, আজ তার চেয়ে বহু বেশি জিনিসের সম্বন্ধে জানে- আজ থেকে বহু বছর পর সে আরো বহু জিনিস সম্বন্ধে জানবে। মানুষকে বিজ্ঞান শেখাবার পর তিনি তাঁর মালায়েকদের ডেকে সব জিনিসের নাম জিজ্ঞাসা কোরলেন- তারা বোলতে পারলেন না (কোর’আন সুরা আল বাকারা-৩২)। কারণ আগেই বোলেছি, মালায়েকরা প্রাকৃতিক শক্তিমাত্র। তাদের যার উপর যে কাজের ভার দেয়া আছে তার বাইরের কোন জ্ঞান তাদের নেই- ইচ্ছাশক্তিও নেই। তৃতীয় হোল:- আল্লাহ তাঁর মালায়েকদের ডেকে হুকুম কোরলেন তাঁর এই নতুন সৃষ্টি আদম অর্থাৎ মানুষকে সেজদা কোরতে। এবলিস ছাড়া আর সমস্ত মালায়েক মানুষকে সেজদা কোরলেন (কোর’আন-সুরা আল বাকারা-৩৪)। এর অর্থ কী? এর অর্থ প্রথমতঃ মালায়েকরা মানুষকে তাদের চেয়ে বড়, বেশি উচ্চ বোলে মেনে নিলেন, কারণ মানুষের মধ্যে আল্লাহর আত্মা আছে যা তাদের মধ্যে নেই। দ্বিতীয়তঃ প্রাকৃতিক শক্তিগুলিকে আল্লাহ মানুষের খেদমতে নিযুক্ত কোরে দিলেন। আগুন, পানি, বাতাস, বিদ্যুৎ, চুম্বক, মাটি ইত্যাদি লক্ষ কোটি মালায়েক তাই মানুষের সেবায় নিয়োজিত।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
 ১ মে ২০২৬    HT All Article

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article
পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমিয়েছে চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন
চীনে প্রতি ১০ কর্মদিবস অন্তর বৈশ্বিক তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নতুন দামে ৫০ লিটার জ্বালানি কিনতে এখন চালকদের প্রায়…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    মতামত

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা
রিয়াদুল হাসান গৌড়ের রাজ দরবারে চাচা কুতুব খানের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ দাসত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে সুলতান তাজ খান কররানির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন যুবক ঈসা খাঁ ও ইসমাইল…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!
শাহাদৎ হোসেন:বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো এই মাটির কৃষক। কৃষকদের আমরা বলি, সব সাধকের বড় সাধক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারা যে ফসল ফলায়,…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!
কথক দা: আমরা যেন আইয়্যামে গুজবে বাস করছি। অপতথ্য আর অপসংবাদের ভীড়ে কোনটা সত্য আর কোনটা অর্ধসত্য এবং কোনটা মিথ্যা তা বোঝা খুবই মুশকিল। একসময়…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান
এম আর হাসান:খুররম খান পন্নী ছিলেন উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইতিহাসের এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর জীবন ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান পর্ব এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ- এই তিনটি…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?
শাহাদৎ হোসেন:ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘ ৪৭ বছরের শীতল সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে। গত ১১ এপ্রিল দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে যে…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ
ওবায়দুল হক বাদল:আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে বড় অঙ্কের ব্যয় নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার। এসব খাতে ২ লাখ…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?
মুস্তাফিজ শিহাব:বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকালে এক চরম বৈপরীত্য চোখে পড়ে। একদিকে রয়েছে বিপুল জনশক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য এবং অন্যদিকে চরম অবমাননা…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article