প্রচ্ছদ    HT All Article   বিভিন্ন ধর্মে ফেরেশতা ও দেবদেবীর...

বিভিন্ন ধর্মে ফেরেশতা ও দেবদেবীর ধারণা

২২ মে ২০১৫ ০৪:৩১ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

মূল: এমামুয্যামান জনাব মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী

পৃথিবীর বিভিন্ন ধর্ম গ্রন্থগুলি ও বিজ্ঞান একমত যে মানুষ সৃষ্টির বহু আগে স্রষ্টা এই বিপুল বিশ্ব-জগত সৃষ্টি করেছেন। এই বিশাল সৃষ্টিকে তিনি প্রশাসন ও পরিচালনা করতেন এবং করেন তাঁর অসংখ্য মালায়েকদের দিয়ে যাদের আমরা বলি ফেরেশতা-ফারসি ভাষায়, ইংরেজিতে Angel। বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ, প্রচলিত বিশ্বাস, পৌরাণিক মিথ এবং ইতিহাসসহ যাবতীয় তথ্য উপাত্ত ইত্যাদি একত্র করে গবেষণা করলে একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছান যায় যে, ভারতীয়, রোমান এবং গ্রীকরা যে দেব-দেবী gods, goddess বিশ্বাস করেন সেগুলো এবং মালায়েক বা ফেরেশতা একই জিনিস। সংখ্যায় এরা অগণ্য এবং এরা আসলে প্রাকৃতিক শক্তি, যে শক্তি দিয়ে আল্লাহ তাঁর সমস্ত সৃষ্টিকে শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে পরিচালনা করেন এবং এদের কোনো ইচ্ছাশক্তি নেই। আল্লাহ যাকে যে নিয়ম বেঁধে দিয়েছেন, যাকে যে কর্তব্য নির্ধারণ করে দিয়েছেন; সে ফেরেশতা সামান্যতম বিচ্যুতি না করে তা যথাযথ করে যাচ্ছেন। আসলে কোনো বিচ্যুতি হতে পারে না- কারণ প্রাকৃতিক শক্তিগুলির কোনো স্বাধীন ইচ্ছাই নেই। যেমন মাধ্যাকর্ষণ শক্তি একটি মালায়েক। এর উপর স্রষ্টা কর্তব্য নির্ধারণ করে দিয়েছেন সমস্ত কিছুকে আকর্ষণ করে ধরে রাখার। সৃষ্টির প্রথম থেকে এই ফেরেশতা তার কর্তব্য করে যাচ্ছেন এবং শেষ পর্যন্ত করে যাবেন। তার এতটুকু ইচ্ছা শক্তি নেই যে, এক মুহূর্তের এক ভগ্নাংশের জন্যও তিনি এই কাজের বিরতি দেন, সে ইচ্ছাশক্তি আল্লাহ তাকে দেন নি। এমনি আগুন, বাতাস, পানি, বিদ্যুৎ ইত্যাদি সমস্ত প্রাকৃতিক শক্তিগুলি- ফেরেশতা, দেব-দেবী, অন্যান্য ধর্মে যেমন দেব-দেবীরা কোনো না কোনো প্রাকৃতিক শক্তির ভারপ্রাপ্ত, যেমন হিন্দু শাস্ত্রে বরুণ বাতাসের দেবতা, সূর্য একটি দেবতা- সূর্যদেব, গ্রীকদের নেপচুন সমুদ্রের, পানির দেবতা, রোমানদের ভালকান হচ্ছেন আগুনের দেবতা, তেমনি ইসলাম ধর্মেও বিভিন্ন কাজে অসংখ্য ফেরেশতা নিয়োজিত আছেন। আজরাইলকে আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেন মানুষের মৃত্যুর সময় এলে জান কবজ করার। এই ফেরেশতা ত্র“টিহীনভাবে তার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন, এক মুহূর্তের জন্যও তার সাধ্য নেই এই কাজ থেকে বিরত থাকার। সনাতন ধর্মে এই মৃত্যুদূতকে বলা হয় যমরাজ, জোরাস্ট্রিয়ান ধর্মে বলা হয় মারিয়া। গ্রীক পুরাণে আকাশ ও বজ্রের দেবতা হচ্ছেন দেবরাজ জিউস, আর বৈদিক ধর্মে দেবরাজ বলা হয় ইন্দ্রকে যার অস্ত্রও সেই বজ্র। ইসলাম ও বাইবেল মতে মিকাইল (মাইকেল) নিয়োজিত বৃষ্টি ঝরানোর কাজে, বজ্রও তার নিয়ন্ত্রণে। এভাবে জিব্রাইল, ইস্রাফিল, কেরামান-কাতেবিন তারাও অনবরতভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করে চলেছে। বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থগুলিতে সংস্কৃত/পালি ভাষায় এদের বোঝাতে শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে দেব (উবাধ), দেবতা, দেবপুত্র ইত্যাদি। আরও ব্যাপারে মিল আছে। সব ধর্ম মতেই এরা সংখ্যায় বিশাল-স্বভাবতঃই, কারণ এই অসীম সৃষ্টিতে প্রাকৃতিক শক্তিও অসংখ্য। ভারতীয় ধর্মগুলিতে এদের সংখ্যা ধরা হয় তেত্রিশ কোটি। সংস্কৃতে কোটি শব্দের সংখ্যাবাচক অর্থ ছাড়াও আরো অনেক অর্থ আছে। সংস্কৃতে কোটি শব্দের অর্থ হলো অনন্ত, চরম, অসংখ্য, অসীম, কল্পনা (বিশাল ধারণা)।
খ্রিষ্টানরাও এদের সংখ্যা বলেন কোটির অংকে। ত্রয়োদশ শতাব্দীর যাজক পণ্ডিত এ্যালবার্টাস ম্যাগনাস (Albertus Magnus) তো হিসেব করে (কেমন করে হিসাব করলেন আল্লাহই জানেন) বের করেই ফেললেন যে Angel অর্থাৎ ফেরেশতার সঠিক সংখ্যা হচ্ছে ঊনচল্লিশ কোটি, নিরানব্বই লক্ষ, বিশ হাজার চার জন- হিন্দুদের চেয়ে সাত কোটির মতো বেশি। জাপানের শিনটো ধর্মে দেব-দেবীর সংখ্যা আশী লক্ষ। মেরাজে যেয়ে বিশ্বনবী মোহাম্মদ (সা.) দেখেছিলেন যে, বায়তুল মামুর মসজিদে হাজার হাজার ফেরেশতা একদিক দিয়ে ঢুকছেন, সালাহ কায়েম করে আরেক দিক দিয়ে বের হয়ে যাচ্ছেন। তাদের সংখ্যা সম্বন্ধে বলতে যেয়ে তিনি বলেছেন একবার যারা সালাহ কায়েম করে বের হয়ে যাচ্ছে তাদের আর দ্বিতীয় বার সালাহ কায়েম করার সুযোগ আসবে না (হাদিস- আনাস (রা:) থেকে সাবেত আল বুতানী, মুসলিম, মেশকাত) অর্থাৎ অসংখ্য। অসীম সময় থেকে আল্লাহ তাঁর বিশাল সৃষ্টিকে তাঁর অসংখ্য মালায়েকদের (প্রাকৃতিক শক্তি) দিয়ে সুশৃঙ্খলভাবে প্রশাসন ও পরিচালনা করে আসছিলেন। তারপর এক সময়ে তাঁর ইচ্ছা হলো মানুষ সৃষ্টির। তাঁর এই ইচ্ছা কেন তা আমার জানা নেই। কারো জানা আছে কিনা তাও জানা নেই। তাঁর বাণীতে তিনি কিছু আভাস মাত্র দিয়েছেন। একবার বলেছেন- এ সৃষ্টি আমি সময় কাটাবার জন্য করি নি (সুরা আল মুল্ক)। অবশ্যই- কারণ সময়ই যার সৃষ্টি তার আবার তা কাটাবার প্রশ্ন কোথায়? আবার বলেছেন- তিনি পরীক্ষা করে দেখতে চান তোমাদের মধ্যে কারা ভালো কাজ করে (সুরা আল মুল্ক)। মোট কথা একমাত্র তিনিই জানেন, কেন তিনি এই বিশ্বজগৎ ও বিশেষ করে একাধারে তাঁর শ্রেষ্ঠ ও সর্বনিকৃষ্ট সৃষ্টি মানুষ সৃষ্টি করলেন (সুরা আত্ ত্বীন ৪-৫) কিন্তু এ সত্য এড়াবার উপায় নেই যে সৃষ্টি তিনি করেছেন। ঐ সময়টার কথা বলতে যেয়ে তিনি কোর’আনে আমাদের যা বলেছেন তা এই যে, যখন আল্লাহ তাঁর মালায়েক অর্থাৎ ফেরেশতাদের বললেন যে আমি পৃথিবীতে আমার প্রতিনিধি সৃষ্টি করতে ইচ্ছা করেছি তখন তারা বললেন- কী দরকার তোমার প্রতিভূ সৃষ্টি করার? ওরাতো পৃথিবীতে ফাসাদ, অশান্তি আর রক্তপাত করবে (কোর’আন-সুরা আল বাকারা ৩০)। মালায়েকদের এই উত্তরের মধ্যে নিহিত রয়েছে সৃষ্টি রহস্যের একটা বড় অংশ। কাজেই এটাকে একটু ভালোভাবে বুঝে নেয়া যাক।
ইসলাম, জুডিয় ও খ্রিষ্টান ধর্মমতে আদমের (আ.) এক ছেলে কাবিল আরেক ছেলে হাবিলকে হত্যা করেছিল। ঐ প্রথম রক্তপাত থেকে যে রক্তপাত মানুষ জাতির মধ্যে শুরু তা আজ পর্যন্ত থামে নি। বরং এই অশান্তি ও রক্তপাত আজ পর্যন্ত মানুষজাতির জন্য সর্বপ্রধান সমস্যা হয়ে আছে। শত চেষ্টা করেও, লীগ অব নেশনস করেও, কোটি কোটি মানুষের বিরোধিতা থাকা সত্ত্বেও শুধু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধেই প্রায় সাড়ে আট কোটি আদম সন্তান জীবন হারায়। এদের মধ্যে সাড়ে পাঁচ কোটিই হলো বেসামরিক মানুষ। তৎকালীন বিশ্বের মোট জনসংখ্যার অনুপাতে এই নিহতের সংখ্যা দাঁড়ায় শতকরা ৪ জন। পৃথিবীর ইতিহাসের জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড ছিল এটি। তবে বর্তমান পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ। নতুন এই শতাব্দীতে যুদ্ধ-রক্তপাতহীন একটি দিনও অতিবাহিত হয় নি। এই শতাব্দীর শুরুতে শুধু এক ইরাকেই দশ লক্ষাধিক মানুষ যুদ্ধের বলি হয়। সামান্য পরিমাণ মানবতাবোধ না থাকার দরুন অবুঝ শিশু, বৃদ্ধ, প্রতিবন্ধী, গর্ভবতী মহিলারা পর্যন্ত এই সকল যুদ্ধের নৃশংসতা থেকে রেহাই পাচ্ছে না। পৃথিবীর এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে মানুষ শান্তিতে বসবাস করছে। যতোই দিন যাচ্ছে মানবজাতি ততোই ফাসাদ-সাফাকুদ্দিমার নতুন নতুন পর্ব অতিক্রম করে ভয়াবহ পরিণতির দিকে এগিয়ে চলেছে। মালায়েকরা যে দু’টি শব্দ মানুষ সৃষ্টির বিরুদ্ধে ব্যবহার করেছিলেন তার একটা ফাসাদ, যার অর্থ অবিচার, অশান্তি, অন্যায় ইত্যাদি। অন্যটি সাফাকুদ্দিমা অর্থাৎ রক্তপাত। দু’টো মিলিয়ে অর্থ দাঁড়ায় মানুষ অন্যায়, অশান্তি আর রক্তপাত করবে। সত্যই তাই হয়েছে, আদমের (আ.) ছেলে থেকে আজ পর্যন্ত শুধু ঐ রক্তপাতই নয়, অশান্তি, অন্যায়, অবিচারও বন্ধ হয় নি, এবং তখন থেকে আজ পর্যন্ত মানব জাতির জীবনের সবচেয়ে বড় সমস্যা এই অন্যায়, অশান্তি, অবিচার আর রক্তপাত। শুধু তাই নয়, এই সমস্যাই মানুষ জাতিকে এমন পর্যায়ে নিয়ে এসেছে যে আজ তার অস্তিত্বই প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। সর্বসাকুল্যে একথা বলা যায় যে, মানুষ সৃষ্টির বিরুদ্ধে মালায়েকরা যে যুক্তিগুলো আল্লাহর কাছে পেশ করেছিলেন তার প্রত্যেকটি বর্তমানে অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
 ১ মে ২০২৬    HT All Article

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article
পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমিয়েছে চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন
চীনে প্রতি ১০ কর্মদিবস অন্তর বৈশ্বিক তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নতুন দামে ৫০ লিটার জ্বালানি কিনতে এখন চালকদের প্রায়…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    মতামত

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা
রিয়াদুল হাসান গৌড়ের রাজ দরবারে চাচা কুতুব খানের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ দাসত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে সুলতান তাজ খান কররানির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন যুবক ঈসা খাঁ ও ইসমাইল…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!
শাহাদৎ হোসেন:বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো এই মাটির কৃষক। কৃষকদের আমরা বলি, সব সাধকের বড় সাধক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারা যে ফসল ফলায়,…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!
কথক দা: আমরা যেন আইয়্যামে গুজবে বাস করছি। অপতথ্য আর অপসংবাদের ভীড়ে কোনটা সত্য আর কোনটা অর্ধসত্য এবং কোনটা মিথ্যা তা বোঝা খুবই মুশকিল। একসময়…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান
এম আর হাসান:খুররম খান পন্নী ছিলেন উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইতিহাসের এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর জীবন ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান পর্ব এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ- এই তিনটি…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?
শাহাদৎ হোসেন:ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘ ৪৭ বছরের শীতল সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে। গত ১১ এপ্রিল দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে যে…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ
ওবায়দুল হক বাদল:আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে বড় অঙ্কের ব্যয় নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার। এসব খাতে ২ লাখ…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?
মুস্তাফিজ শিহাব:বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকালে এক চরম বৈপরীত্য চোখে পড়ে। একদিকে রয়েছে বিপুল জনশক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য এবং অন্যদিকে চরম অবমাননা…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article