প্রচ্ছদ    HT All Article   বাংলাদেশ বিশ্বের পরাশক্তি!

বাংলাদেশ বিশ্বের পরাশক্তি!

১২ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ১২:১৯ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম:
পৃথিবীতে যে কয়টি দেশ বর্তমানে কর্তৃত্ব করছে, আধিপত্য বিস্তার করেছে, তাদের এই কর্তৃত্বের পেছনে মূল শক্তি কী?

  • সামরিক শক্তি
  • অর্থনৈতিক শক্তি
  • প্রযুক্তিগত উন্নতি
  • শিক্ষিত জনগোষ্ঠী

প্রশ্ন হচ্ছে, এই শক্তিগুলো তাদের পক্ষে অর্জন করা সম্ভব হলো কী করে? এর উত্তর হচ্ছে, তারা যে কোনো ভাবেই হোক একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যের পানে তাদের জনগোষ্ঠীকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল। কর্তৃত্ব ও আধিপত্য দুই ধরনের হতে পারে  ন্যায়, সুবিচার ও সাম্য প্রতিষ্ঠার লক্ষে অথবা সাম্রাজ্যবিস্তার করে জুলুম, শোষণ করার লক্ষ্যে। এক প্রকার কর্তৃত্বের ফলে মানুষ শান্তি-সুখে বসবাস করে, আরেক প্রকার কর্তৃত্বের ফলে মানুষ অশান্তির দাবানলে জ্বলতে থাকে।
আজকে পৃথিবীতে যে পরাশক্তিগুলো আধিপত্য বিস্তার করে আছে তাদের এই আধিপত্য-কর্তৃত্ব হলো দ্বিতীয় প্রকারের। প্রকৃতপক্ষে মানুষ আজ তাদের অধীনতার নাগপাশ থেকে মুক্তি চায়। তারা তীর্থের কাকের ন্যায় প্রতীক্ষা করে আছে এমন একটি সভ্যতার উত্থানের জন্য যে সভ্যতা তাদেরকে যাবতীয় শোষণ, অবিচার থেকে মুক্তি দেবে, সবার কথা বলার অধিকার থাকবে, ঘরে বাইরে সমান নিরাপত্তা থাকবে, পরিবেশ প্রকৃতি হবে সুনির্মল।
প্রশ্ন করতে পারেন বর্তমানের এ সকল দানবীয় পরাশক্তির যুগে এমন সভ্যতা নির্মাণকারী জাতির উত্থান কি আদৌ সম্ভব? হ্যাঁ, সম্ভব, এই বাঙালি জাতিকে দিয়েই সম্ভব। সেজন্য আমাদেরকে শুধু অল্প কয়েকটি শর্ত মানতে হবে। বাংলাদেশের মানুষকে একটি প্রাকৃতিক সত্য অনুধাবন করতে হবে যে, ল্যামার্কের সেই কথা-  যোগ্যতমের উদ্বর্তন মোতাবেক যে জাতি যোগ্যতা অর্জন করতে পারবে তারাই অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে পারবে, অন্যরা কালের গর্ভে হারিয়ে যাবে। একে প্রাকৃতিক নির্বাচনও বলা হয়। এই জাতি কি পারবে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে?
১৯৭১ সালে আমরা একটি স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে রক্তাক্ত যুদ্ধের মধ্য দিয়ে একটি স্বাধীন ভূ-খণ্ড ও রাজনৈতিক স্বাধীনতা পেয়েছিলাম কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো শক্তিশালী জাতিসত্ত্বা গড়ে তুলতে পারি নি। রাজনৈতিক স্বাধীনতা যে কী জিনিস জানতে চাইলে রোহিঙ্গা ও ফিলিস্তিনীদের জিজ্ঞেস করুন। এই ইস্পাতকঠিন জাতিসত্ত্বা গড়ে না তোলার ফল কী হয়েছে? স্বাধীনতার পর ৪৬ বছর চলে গেল, অর্ধশতাব্দি হতে চলেছে। এত বিশাল কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী, উর্বর ব্যবহারযোগ্য জমি, অপার প্রাকৃতিক সম্পদ, সম্পূর্ণ মিঠাপানির দেশ পৃথিবীর বুকে দ্বিতীয়টি নেই। তবুও আমরা বিশ্বের বুকে মর্যাদার আসন লাভ করতে পারছি না। এর প্রধান কারণ বিভক্তি; রাজনৈতিক বিভক্তি, ধর্মীয় বিভক্তি, সাম্প্রদায়িকতা ইত্যাদি বিভক্তি। গণতন্ত্রের নামে স্বার্থপরতার রাজনীতি, ধান্ধাবাজির রাজনীতির চর্চা করতে করতে কালক্রমে অগণিত রাজনৈতিক দল গড়ে উঠেছে যারা একে অপরের জীবন-মরণের শত্রু। এক দল ক্ষমতায় গেলে অপর দল পরদিন থেকে রাস্তায় নেমে পড়ে গাড়ি ভাঙচুর করার কর্মসূচি নিয়ে। গদি থেকে টেনে নামানোর জন্য এমন কোনো রাস্তা নেই যা তারা বাদ রাখে। ক্ষমতাসীন দলের সিংহভাগ মেধা, ধ্যান, শক্তি, যোগ্যতা, সামর্থ্য, অর্থ, শ্রম, সময় ব্যয়িত হয় কথিত বিরোধী দলের মোকাবেলা করতে। আর ওদিকে ধর্মের নামে তৈরি হলো শত শত দল, মাদ্রাসাভিত্তিক দল, ইসলামিক রাজনৈতিক দল, জঙ্গিবাদী দল, পীরপন্থী দল ইত্যাদি। এই দলগুলোর একটার সাথে আরেকটার মধ্যে যে কী শত্রুতা তা বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই। তারা সুযোগ পেলেই একে অপরকে কাফের, জিন্দিক, মুরতাদ, ফেরকায়ে বাতেলা, ইহুদির দালাল ইত্যাদি বলে গালিগালাজ করতে থাকে। রীতিমত ওয়াজ মাহফিল করে তারা এই কদর্য বিদ্বেষের চর্চা করে। সাপ আর বেজিও বন্ধু হতে পারে, কিন্তু তারা একে অপরের বন্ধু হতে পারে না। জনগণ এই সমস্ত ধর্মীয় দলগুলোর অনুসরণ করে হাজারো শত্রুতামূলক ভাগে বিভক্ত।
আর প্রচলিত ঔপনিবেশিক শিক্ষাব্যবস্থা জাতিকে মানসিক ভাবে বিভক্ত করে দিয়েছে, তাদেরকে লক্ষ্যকে চুরমার করে দিয়েছে। প্রথমেই দুই ধরনের শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তিত হলো- সাধারণ শিক্ষা ও মাদ্রাসা শিক্ষা। সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থায় ধর্ম, নৈতিকতা, দেশপ্রেম কিছুই শিক্ষা দেওয়া হলো না। সেটা সম্পূর্ণরূপে পাশ্চাত্যের বস্তুবাদী, ভোগবাদী জীবনদর্শনের উপর গড়ে উঠল। ওখানে আবার দুটো মূল ভাগ – বাংলা মিডিয়াম, ইংরেজি মিডিয়াম। বাংলা মিডিয়ামে বাংলা সাহিত্য, নজরুল, রবীন্দ্রনাথ, জীবনানন্দ, শরৎ পড়ানো হয়। আর ইংরেজি মিডিয়ামে পড়ানো হয় শেকসপিয়ার, বায়রন, কিটস, টেনিসন ইত্যাদি। সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিতদের মনে নিজের বাঙালি ও মুসলিম জাতি সম্পর্কে সীমাহীন অজ্ঞতা ও হীনম্মন্যতা তৈরি হয়। তাদের চোখে ইউরোপ হচ্ছে স্বর্গ, সেটাই সকল জ্ঞান-বিজ্ঞানের পাদপীঠ। নিজের জাতিকে শ্রেষ্ঠত্বের আসনে উন্নীত করার স্বপ্নও তারা দেখে না, তাদের একমাত্র স্বপ্ন বিদেশে গিয়ে এতদিনের শিক্ষাজীবনের যে মূল লক্ষ্য অর্থাৎ পাশ্চাত্যের ভোগবাদী জীবনের সাথে বিলীন হওয়া। এই যদি তাদের জীবনের উদ্দেশ্য না হতো, তাহলে এই শিক্ষিত লোকেরা বাংলার খেটে খাওয়া কৃষক, শ্রমিক শ্রেণির রক্ত শোষণ করে এক বছরে সত্তর হাজার কোটি টাকা বিদেশের ব্যাংকে পাচার করতো না। গত ৪৫ বছরে এই শিক্ষিত জোঁকেরা কত লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে সে পরিসংখ্যান বিশেষজ্ঞরা বলতে পারবেন। অদ্ভুত ব্যাপার হলো এরাই আবার নির্বাচনে দাঁড়ায় আর জনগণও তাদেরকেই ভোট দিয়ে তাদের প্রতিনিধি বানায়। এভাবে তারা দুধও খায়, দুধের সরও খায়।
অপরদিকে মাদ্রাসা শিক্ষার মাধ্যমে প্রতি বছর হাজার হাজার কর্মবিমুখ ধর্মব্যবসায়ী পরজীবী শ্রেণির মানুষ বের হয়। সেখানেও আছে বহু প্রকার বিভক্তি। কেউ সরকারী, কেউ কওমী। কওমীদের মধ্যেও আবার রয়েছে বহু প্রকার বিভক্তি। এক প্রতিষ্ঠান আরেক প্রতিষ্ঠানের রীতিমত শত্রু। এই শত্রুতা তাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, তা জাতির মধ্যেও বিস্তৃত হয়েছে। এই মাদ্রাসা শিক্ষিত লোকগুলোর জীবনের কোনো বড় লক্ষ্য নেই। তারা কেবল কোনো একটা মসজিদে মাদ্রাসায় চাকরি নিয়ে তিনবেলা খেয়ে বেঁচে থাকতে পারলেই তারা খুশি। জাতিকে নিয়ে ভাবার সময় নেই, যোগ্যতা নেই, সাহসও নেই। জাতি কোথায় ছিল, এখন কোথায় আছে, তাদের ভবিষ্যৎ কী, জাতির শত্রু কে কে, কী করে জাতিকে পাশ্চাত্যের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক দাসত্ব থেকে মুক্ত করা যায় এসব দুনিয়াবী বিষয় নিয়ে চিন্তা করার প্রয়োজনবোধ তারা করেন না। এর ফল কী হয়েছে? সমগ্র জাতি এইভাবে জাতি নিয়ে ভাবা ছেড়ে দিয়েছে এবং আত্মকেন্দ্রিক হয়েছে। ব্যতিক্রম যে দু’ চারজন নেই তা বলব না, কিন্তু তাদের শত চিৎকার কোটি কোটি স্বার্থপরের কোলাহলে হারিয়ে যায়। এইসব করেই জাতিটা আর ঐক্যবদ্ধ হতে পারলো না, নিজেদের জাতির লক্ষ্যই তারা জানতেও পারল না।
এখন বিশ্বপরিস্থিতি খুবই উত্তপ্ত, উত্তাল, টালমাটাল। একটার পর একটা স্বাধীন সার্বভৌম দেশ অস্ত্রব্যবসায়ী সাম্রাযবাদী পরাশক্তিগুলোর ষড়যন্ত্রে ও আগ্রাসনে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হচ্ছে। পুঁজিবাদী সুদভিত্তিক শোষণমূলক অর্থব্যবস্থার পরিণামে গুটি কয়েক লোকের হাতে অকল্পনীয় অর্থবিত্ত জমা হচ্ছে আর দরিদ্র মানুষগুলো দুটো অন্নসংস্থানের জন্য উদয়াস্ত অমানুষিক পরিশ্রম করতে করতে হাড্ডিসার হয়ে যাচ্ছে। এটা স্বাভাবিক যে পৃথিবীতে কেউ না কেউ আধিপত্য করবেই। কিন্তু সেটা যদি অন্যায় শক্তির আধিপত্য হয় তাহলে মানুষের কষ্টের সীমা থাকে না, জাতিসত্ত্বার অস্তিত্বও হুমকির মুখে পড়ে যায়। পক্ষান্তরে আমরা বলতে চাচ্ছি, শুধু অস্তিত্ব রক্ষাই নয় বরং বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করতে সক্ষম হবে এবং রুদ্রহস্তে যাবতীয় অন্যায় নির্মূলকারী পরাশক্তিধর রাষ্ট্র হবে।
এখন জনগণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়, তারা এই হানাহানি, শোষণ, বিভক্তিসৃষ্টিকারী, আত্মকেন্দ্রিক জনগোষ্ঠী সৃষ্টিকারী প্রচলিত সিস্টেমের জগদ্দল পাথর পিঠে বয়ে বেড়াবে, নাকি এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে। আমরা বাংলার মাটি ও মানুষের মধ্যে উপরে বর্ণিত শত প্রতিবন্ধকতা সত্তে¡ও দুনিয়াকে নেতৃত্ব দেওয়ার মত পরাশক্তিধর ও শ্রেষ্ঠ জাতি হওয়ার যে অপার সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি সেটা হচ্ছে প্রথমত যে আদর্শ থাকলে একটি জাতি সামরিক, অর্থনৈতিক, প্রযুক্তিগত ও শিক্ষাদীক্ষায় অতি উচ্চ অবস্থানে যেতে পারে সেই আদর্শ আল্লাহর দয়ায় এসে গেছে। পাশাপাশি একটি বিরাট কর্মক্ষম উদ্যমী জনগোষ্ঠীও রয়েছে। একটি বড় সামরিক শক্তির বিরুদ্ধে গোটা জাতি একসঙ্গে রুখে দাঁড়ানোর ইতিহাসও তাদের রয়েছে। এখন প্রয়োজন একজন সত্যনিষ্ঠ, নির্ভীক, দেশপ্রেমিক নেতৃত্বের অধীনে সমগ্র জনগোষ্ঠীকে ইস্পাত কঠিন ঐক্যবদ্ধ করা এবং একটি ভারসাম্যপূর্ণ জীবনপদ্ধতি প্রতিষ্ঠা করে পুরো জাতিটিকে সমগ্র মানবজাতির জীবনে সত্য প্রতিষ্ঠার মহান লক্ষ্যের দিকে পরিচালিত করা।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
 ১ মে ২০২৬    HT All Article

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article
পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমিয়েছে চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন
চীনে প্রতি ১০ কর্মদিবস অন্তর বৈশ্বিক তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নতুন দামে ৫০ লিটার জ্বালানি কিনতে এখন চালকদের প্রায়…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    মতামত

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা
রিয়াদুল হাসান গৌড়ের রাজ দরবারে চাচা কুতুব খানের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ দাসত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে সুলতান তাজ খান কররানির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন যুবক ঈসা খাঁ ও ইসমাইল…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!
শাহাদৎ হোসেন:বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো এই মাটির কৃষক। কৃষকদের আমরা বলি, সব সাধকের বড় সাধক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারা যে ফসল ফলায়,…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!
কথক দা: আমরা যেন আইয়্যামে গুজবে বাস করছি। অপতথ্য আর অপসংবাদের ভীড়ে কোনটা সত্য আর কোনটা অর্ধসত্য এবং কোনটা মিথ্যা তা বোঝা খুবই মুশকিল। একসময়…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান
এম আর হাসান:খুররম খান পন্নী ছিলেন উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইতিহাসের এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর জীবন ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান পর্ব এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ- এই তিনটি…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?
শাহাদৎ হোসেন:ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘ ৪৭ বছরের শীতল সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে। গত ১১ এপ্রিল দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে যে…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ
ওবায়দুল হক বাদল:আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে বড় অঙ্কের ব্যয় নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার। এসব খাতে ২ লাখ…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?
মুস্তাফিজ শিহাব:বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকালে এক চরম বৈপরীত্য চোখে পড়ে। একদিকে রয়েছে বিপুল জনশক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য এবং অন্যদিকে চরম অবমাননা…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article