প্রচ্ছদ    HT All Article   পাশ্চাত্য ও ইসলামি সমাজের নারী

পাশ্চাত্য ও ইসলামি সমাজের নারী

১৯ মে ২০১৫ ০৫:০০ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

DP-51মানবসভ্যতার অগ্রযাত্রায় নারীর গুরুত্বপূর্ণ অবদান ইতিহাস ও বাস্তবতা হলেও সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নারীর ভূমিকা কেমন হওয়া উচিত তা নিয়ে বহু বিতর্ক প্রতিনিয়ত দেখা যায়। দেশে দেশে, সমাজে সমাজে নারীর ভূমিকার ফারাক একেবারে সুস্পষ্ট। বর্তমানে সারা দুনিয়ায় নারীর ভূমিকার মানদণ্ড হিসাবে ধরা হয় পাশ্চাত্যকে। যেসব দেশে পশ্চিমা মানদণ্ড পূরণ করা হচ্ছে না, সেসব দেশেই গজিয়ে উঠছে নারী অধিকার রক্ষার নামে বহুবিধ আন্দোলন। কিন্তু নারীর অধিকারের ব্যাপারে পাশ্চাত্যের দৃষ্টিভঙ্গিই কি চুড়ান্ত সঠিক?

ইতিহাসে দেখতে পাই, মাত্র কয়েক শতাব্দি আগেও পাশ্চাত্য দেশগুলোতে নারী ছিল অত্যন্ত অবহেলিত। তাদেরকে সকল সামাজিক সমস্যার উৎস বা মূল কারণ মনে করা হতো। প্রাচীন আরবে এমনকি প্রাচীন ভারতেও কন্যাসন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়াকে ভীষণ অশুভ বোলে বিবেচনা করতো। বহু লোকে কন্যা সন্তানকে জীবন্ত পুতে ফেলতো। চীনারা নারীদের কেমন মূল্যায়ন করত তার নমুনা পাওয়া যায় একটি চৈনিক প্রবাদে, সেটা হল- “তোমরা স্ত্রীর কথা শোন তবে বিশ্বাস করো না।” রুশ প্রবাদ, “দশটি নারীর মধ্যেও একটির বেশি আত্মা থাকে না।” স্পেনিশ প্রবাদ, “দুষ্টা নারীকে এড়িয়ে চলো, তবে বিদুষী নারীর প্রতিও ঝুঁকে পড়োনা।” এবং কিছু কিছু হিন্দু ধর্মগ্রন্থেও বলা হয়েছে “বিষ, সাপ, আগুন, মৃত্যু, নরক, ও ঝড়-বন্যা এসব কোন কিছুই নারীর চেয়ে খারাপ নয়।” খ্রীস্টধর্মের প্রথম যুগে যাজকগণ রোমান সমাজের অশ্লীলতা ও ব্যভিচারের ব্যাপক ছড়াছড়ি ও চরম নৈতিক অধঃপতন দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং এ সবকিছুর জন্য নারীকেই এককভাবে দায়ী করেন। তারতোলিয়ান [Quintus Septimius Florens Tertullianus (প. ১৬০ – প. ২২৫ ] নামক জনৈক খ্রিস্টান যাজক বলেন, “নারীরা হচ্ছে মানুষের হৃদয়ে শয়তান প্রবেশের সিংহদ্বার।” প্রাচীন সমাজে নারীর না ছিল কোন উত্তরাধিকার, না ছিল স্বামীর কাছে কোন অধিকার। এমনকি কিছু অভিজাত পরিবারের মেয়েদের ব্যতীত অন্যান্য মেয়েরা তাদের নিজের স্বামী নিজে পছন্দ করার অধিকারও ছিল না। খ্রীস্ট সমাজে মনে করা হতো নারীর সৃষ্টির একমাত্র উদ্দেশ্য হল স্বামীর সেবা করা। তাদের এই ধারা অব্যাহত থাকে মধ্যযুগ পর্যন্ত। মধ্যযুগে তাদের সমাজে মেয়েদের মর্যাদার কিছুটা উন্নতি হয় বটে কিন্তু তা মোটেও যথেষ্ঠ ছিলনা। ১৮০৫ সাল পর্যন্ত ব্রিটিশ আইনে স্ত্রীকে বিক্রি করে দেয়ার অধিকার স্বামীদের জন্য সংরক্ষিত ছিল। অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগে ফরাসী বিপ্লবের পর যখন মানুষের দাসত্ব ও হীনতার জীবনযাপন থেকে মুক্তি দানের ঘোষণা সম্প্রচারিত হলো, তখনও নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হলো না। এ আইনে দ্ব্যর্থহীনভাবে উল্লেখ করা হয় যে, নারী, শিশু ও পাগল-এই তিন শ্রেণীর মানুষ অধিকারহীন ও দায়িত্বহীন। এরই মধ্যে সমান্তরালভাবে অর্ধেক পৃথিবীতে বিকশিত হলো ইসলামী সভ্যতা, তার সুবাস আমোদিত করল দশ দিগন্ত। তার থেকে রং রূপ সংগ্রহ করে ধীরে ধীরে সমৃদ্ধ হতে লাগলো পাশ্চাত্য। কিন্তু তাদের সেই সমৃদ্ধি কেবলমাত্র একটি দিকে, জড়ের দিকে, যান্ত্রিক প্রগতির দিকে। একে তারা নাম দিল রেনেসাঁ। মানুষ সম্পূর্ণ আত্মাবিবর্জিত একটি প্রাণীতে পরিণত করার জন্য চেষ্টা সাধনা শুরু করল পশ্চিমা দার্শনিকগণ। কিন্তু তাদের এই নবজাগরণের প্রেরণাধারা যে প্রাচ্য তথা ইসলাম থেকে প্রবাহিত তা অকৃতজ্ঞের মত অস্বীকার করল। উল্টো তারা চাইল ইসলামকেই উপনিবেশবাদের বুটের তলায় পিষ্ট করে ফেলতে, একসময় সফলও হল। আজ ইসলামের অনুসারীরা পাশ্চাত্যের একটু স্বীকৃতির জন্য হা-পিত্যেষ করে চেয়ে থাকে, পশ্চিমের কেউ ইসলামকে আমলে নিলে ধন্য বোধ করে। কী নির্লজ্জতা! কী  অধঃপতন!

ইসলাম যখন স্পেনে প্রবেশ করল তখন জ্ঞানে-বিজ্ঞানে নতুন নতুন বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তিতে ও সামরিক শক্তিতে মোসলেমরা পৃথিবীর শীর্ষ স্থানে, আর ইউরোপ মধ্যযুগীয় বর্বরতার অন্ধকারে নিমজ্জিত। ইউরোপিয়রা দেখার সুযোগ পেলো ইসলাম মেয়েদেরকে কি পরিমাণ অধিকার এবং মর্যাদা দেয়। এ থেকে শিক্ষা নিলেও অসভ্য ইউরোপ নারীর ব্যবহার শুরু করল, তবে যথারীতি ভিন্নমাত্রায়। ইউরোপে যখন শিল্পবিপ্লব শুরু হয় তখন কৃষি পণ্যের উপর বাজার দখল শুরু করলো কারখানায় উৎপাদিত শিল্পপণ্য। এক পর্যায়ে এই সব শিল্পপণ্য প্রতিযোগিতার মধ্যে পড়লো। এই প্রতিযোগিতার বাজারে পণ্যের বিজ্ঞাপন হিসাবে ব্যবহার শুরু হল নারীদেহের। স্বভাবতই নারীদের স্বাধীনতা নিশ্চিত করল আর তা ইসলামের মত পরিশিলিতভাবে নয়; সেটা হল- লাগামহীনতা, অনৈতিকতা, অবাধ যৌনাচার, অশ্লীলতা এবং পরিবার ব্যবস্থার প্রায় বিলুপ্তিসহ নারীর আত্মিক, চারিত্রিক ও মানসিক অবস্থার ভয়াবহ ক্ষতি সাধন। স্বাধীনতার অপর নাম হল লাগামহীন যৌনতা। শরীরের যে অংশ ঢেকে রাখার জন্য ইসলাম বিধান দিয়েছে, পশ্চিমা দুনিয়া সেই আবৃতকরণকে মৌলবাদিতা আখ্যা দিয়ে তাদের ভাষায় ‘আধুনিক’ পোশাক পরিধানের সংস্কৃতি চালু করল, যে সংস্কৃতির কারণে পশ্চিম ও তাদের প্রভাবপুষ্ট সমাজে আজ ধর্ষণ আর ব্যভিচারও একটি সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে। মানুষ নেমে গেছে পশুরও নিচে, ৪ বছরের শিশুও তাদের কাছে লালসার বস্তু।

আরও পড়ুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

সৃষ্টিগতভাবে মানুষকে সমাজবদ্ধভাবে বসবাস করতে হয়, প্রাকৃতিকভাবেই তাদের প্রয়োজন পরিবারের, যা গঠনের শর্ত হচ্ছে বিয়ে। এটা প্রাগৈতিহাসিক আমল থেকে সকল ধর্মের শিক্ষা, ইসলামেরও শিক্ষা। কিন্তু আজ পাশ্চাত্য সমাজ সেই বিবাহ প্রথাকে নিরুৎসাহিত করছে। পাশ্চাত্য সমাজের ছেলে মেয়েরা নিজেদের সম্পর্কের নাম ‘বন্ধুত্বে’র মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখে। তারা এভাবে অবিবাহিত অবস্থাতেই একসাথে একই ছাদের নিচে বসবাস (Live together) করে, বাচ্চাও জন্ম দিয়ে থাকে। আবার ইচ্ছে হলেই আলাদা হয়ে যায়, কেউ কাউকে আটকে রাখার অধিকার নেই। এই প্রথাটি পশ্চিমা সমাজে ব্যাপকভাবে প্রচলিত থাকার পেছনে নারীর অবদানই প্রধান থাকে কারণ এ ধরণের সম্পর্কে বেশিরভাগ সময়ই মেয়েরা ছেলেদের ব্যয় বহন করে এবং সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে চায়। তবে বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই এ সম্পর্ক শেষ পর্যন্ত টেকে না, ছেলেদের অনাগ্রহের কারণেই একসময় তা ভেঙ্গে যায়। ইতিমধ্যে ‘ভুলবশত’ যদি দু’একটি সন্তান জন্ম নিয়েও থাকে, তাদের সঙ্গে পারিবারিক কোন সম্পর্ক গড়ে ওঠে না। বয়স হয়ে গেলে এই সমাজের নারীদের মধ্যে নেমে আসে হতাশা। তারা বিভিন্ন মাদকের নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ে। পাশ্চাত্য সামাজের অধিকাংশ নারী নেশাগ্রস্ত হয় এই হতাশাজনিত কারণে। ফলে সামাজে নারীর নিরাপত্তা লোপ পায়, সমাজে শুরু হয় বিশৃংখলা। সারাজীবন যে ‘অধিকার’ ‘অধিকার’ বলে তারা গলা ফাটিয়েছে, শেষ বয়সে সেই অধিকার থেকে চরমভাবে তারা বঞ্চিত হয়। পরিবার না থাকায় সেবা ও আশ্রয়ের অধিকারটুকুও তাদের থাকে না। জন্মের পরই ‘সন্তান’দের ডে কেয়ার সেন্টারে এ পাঠিয়ে দেয়ার কারণে তাদের সাথে আর প্রগাঢ় সম্পর্ক গড়ে ওঠে না। তাই বাবা-মা যখন বার্ধ্যকে উপনীত হয় তারাও বৃদ্ধনিবাসে পাঠিয়ে নিজেদের দায়িত্ব পালন করে। এভাবেই সম্পন্ন হয় প্রাকৃতিক প্রতিশোধ।

বৃদ্ধনিবাসের বাসিন্দাদের জীবন যাপন কতটা করুণ তা বোঝানোর জন্য একটি মাত্র উদাহরণ দেওয়াই যথেষ্ট মনে করছি। কয়েকদিন আগে একটি পত্রিকায় পড়লাম, যুক্তরাষ্ট্রে বৃদ্ধাশ্রমের এক কেয়ারটেকারের বিরুদ্ধে বহুসংখ্যক বৃদ্ধ ও বৃদ্ধাকে হত্যা করার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি হত্যার দায় স্বীকার করেন, তবে তিনি কেন এই হত্যাকাণ্ডগুলি করলেন তাও আদালতে বিবৃত করেন। তিনি বলেন, এই বৃদ্ধাশ্রমের বৃদ্ধ ও বৃদ্ধারা আত্মীয়হীন পরিবেশে প্রচণ্ড একাকীত্ব ও হতাশায় ভুগতেন। এ থেকে তারা মুক্তির কোন পথ না পেয়ে বন্ধুপ্রতীম ঐ কেয়ারটেকারকে অনুরোধ করত যে কোনভাবেই হোক তাদেরকে এই অভিশপ্ত জীবন থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য। কিন্তু এই কাজ করা থেকে ঐ কেয়ারটেকার বহু বছর বিরত থাকেন। এই বৃদ্ধ মানুষগুলির আত্মার ক্রন্দন একসময় তাকেও ব্যথিত করে। তিনি বুঝতে পারেন, বৃদ্ধাশ্রমের মর্মান্তিক জীবন থেকে কাউকে মুক্তি দিলে সেটা তার উপকারই করা হবে। এজন্য একসময় তিনি সেই অনুরোধকারী বৃদ্ধদের খাদ্যে অল্প পরিমাণে বিষ মেশাতে আরম্ভ করলেন।

পরিবার ব্যবস্থা ভেঙ্গে দেওয়ার এই হচ্ছে ফলাফল। অথচ আমাদের দেশেও কিছুদিন আগে শোনা যেত বৃদ্ধ বয়সে মানুষ নাকি আরও বেশীদিন বেঁচে থাকতে চায়, দুনিয়ার প্রতি, সংসারের প্রতি নাকি বয়সকালে মায়া মহব্বত আরও বেড়ে যায়। এটা কেন হয়? কারণ ইসলামের কিছু কিছু সংস্কৃতি অবচেতনভাবে হলেও এই মোসলেম দাবিদার জনগোষ্ঠীর মধ্যে ক্রিয়াশীল ছিল, এখনও কিছু কিছ আছে, ফলে যৌথ পরিবারে একজন বৃদ্ধ বা বৃদ্ধা তার নাতি ও নাতনিদের নিয়ে বেশ আনন্দেই সময় পার করতেন। তাদের মনে একাকীত্ব আসতো না, হতাশা আসতো না। তারা আগের চেয়ে আরও বেশী সম্মান পেতেন। তাই তারা এই সন্তান, আত্মীয়, পরিজন, নাতি-নাতনিদেরকে নিয়ে সুখেই থাকতেন। কিন্তু পশ্চিমা অপ-সংস্কৃতির আগ্রাসনে এমন দৃশ্য দিন দিন দুর্লভ হয়ে যাচ্ছে। (চোলবে…)

লেখিকা: শিক্ষার্থী, বিবিএ (২য় বর্ষ)

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ বিজনেস এন্ড টেকনোলজি

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
 ১ মে ২০২৬    HT All Article

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article
পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমিয়েছে চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন
চীনে প্রতি ১০ কর্মদিবস অন্তর বৈশ্বিক তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নতুন দামে ৫০ লিটার জ্বালানি কিনতে এখন চালকদের প্রায়…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    মতামত

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা
রিয়াদুল হাসান গৌড়ের রাজ দরবারে চাচা কুতুব খানের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ দাসত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে সুলতান তাজ খান কররানির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন যুবক ঈসা খাঁ ও ইসমাইল…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!
শাহাদৎ হোসেন:বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো এই মাটির কৃষক। কৃষকদের আমরা বলি, সব সাধকের বড় সাধক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারা যে ফসল ফলায়,…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!
কথক দা: আমরা যেন আইয়্যামে গুজবে বাস করছি। অপতথ্য আর অপসংবাদের ভীড়ে কোনটা সত্য আর কোনটা অর্ধসত্য এবং কোনটা মিথ্যা তা বোঝা খুবই মুশকিল। একসময়…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান
এম আর হাসান:খুররম খান পন্নী ছিলেন উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইতিহাসের এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর জীবন ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান পর্ব এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ- এই তিনটি…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?
শাহাদৎ হোসেন:ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘ ৪৭ বছরের শীতল সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে। গত ১১ এপ্রিল দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে যে…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ
ওবায়দুল হক বাদল:আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে বড় অঙ্কের ব্যয় নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার। এসব খাতে ২ লাখ…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?
মুস্তাফিজ শিহাব:বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকালে এক চরম বৈপরীত্য চোখে পড়ে। একদিকে রয়েছে বিপুল জনশক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য এবং অন্যদিকে চরম অবমাননা…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article