প্রচ্ছদ    HT All Article   দানশীলতার প্রতিমূর্তি আম্মা সাওদা (রা.)

দানশীলতার প্রতিমূর্তি আম্মা সাওদা (রা.)

২৭ মে ২০২৩ ০৭:৩৮ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

সাওদা (রা.) মক্কার বিখ্যাত কোরায়েশ বংশে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি সেই ভাগ্যবতী নারী যাঁকে রাসুল (সা.) উম্মুল মো’মেনীন খাদিজা (রা.) এর মৃত্যুর পর বিয়ে করেন। শুধু তাঁকে নিয়েই রাসুল (সা.) তিন বছরের বেশি সংসার জীবন অতিবাহিত করেন। জাহেলি যুগে সাওদার প্রথম বিয়ে হয় সাকরান ইবনে আমরের সাথে। সাকরান ছিলেন সাওদার চাচাতো ভাই। আল্লাহর রাসুলের নবুয়াতপ্রাপ্তির প্রথম দিকেই সাওদা এবং তাঁর স্বামী সাকরান ইসলাম গ্রহণ করেন।

সাওদা (রা) তাঁর প্রথম স্বামীর কাছে থাকাকালীন দুইটি স্বপ্ন দেখেন এবং স্বামীকে জানানোর পর স্বামী সেই স্বপ্নের ব্যাখ্যা দেন। তিনি স্বপ্নে দেখেন, আল্লাহর রাসুল (সা.) কাছে এসে একটা পা তাঁর কাঁধে তুলে দিলেন। সাওদার (রা.) স্বামী এই স্বপ্নের কথা শুনে বলেন, “তুমি যদি সত্যিই এই স্বপ্ন দেখে থাক তবে, অচিরেই আমার মৃত্যু হবে এবং আল্লাহর রাসুলের (সা.) সাথে তোমার বিয়ে হবে।” আর একবার স্বপ্নে দেখেন তিনি বালিশে হেলান দিয়ে শুয়ে আছেন। হঠাৎ আকাশ থেকে চাঁদ ভেঙ্গে তাঁর ওপর এসে পড়ল । স্বামী স্বপ্নের কথা শুনে বলেন, “খুব শীগ্রই আমি মারা যাব, আর আমার মৃত্যুর পর তোমার দ্বিতীয় বিয়ে হবে।”

সাওদার (রা.) এই স্বপ্নের ব্যাখ্যা সত্য হয়েছিল। মক্কায় কাফেরদের অত্যাচারে যখন টেকা যাচ্ছিল না তখন একদল সাহাবি রসুলাল্লাহর নির্দেশে আবিসিনিয়াতে হিজরত করেন। তাঁদের সঙ্গে সাওদা (রা.) ও সাকরানও ছিলেন। পরবর্তীতে সাকরান ইসলাম ত্যাগ করে সাগর পাড়ি দিয়ে আবার মক্কায় ফিরে আসেন কিন্তু সাওদা (রা.) আবিসিয়াতেই থেকে যান। কয়েক বছর সাহাবিরা সেখানে অবস্থান করে আবার মক্কায় ফিরে আসেন, সাওদাও (রা.) তাঁদের সঙ্গে ফিরে আসেন। এরই মধ্যে সাকরান মৃত্যুবরণ করেন।

আরও পড়ুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

আম্মা খাদিজা (রা.) ছিলেন রাসুলের প্রথম এবং প্রিয়তম স্ত্রী, রাসুলের সার্বক্ষণিক সঙ্গী। এমন একজন স্ত্রীর মৃত্যুতে রাসুল (সা.) দারুণ বিমর্ষ এবং বেদনায় জর্জরিত হয়ে পড়েন। আম্মা খাদিজার (রা.) বিচ্ছেদে রাসুলের জীবনেও বহুবিধ সংকট নেমে আসে। তাঁর অনুপস্থিতিতে সংসার এবং সন্তানদের লালন-পালন করা রাসুলের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। উসমান ইবনে মাজউন (রা.) নামের একজন সাহাবীর স্ত্রী খাওলা বিনতে হাকীম আল্লাহর রাসুলের (সা.) কাছে সাওদার (রা.) বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে হাজির হন। আল্লাহর রাসুলের (সা.) সম্মতি পেয়ে খাওলা গেলেন সাওদার (রা.) কাছে। তখন সাওদার (রা.) বাবা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সাওদার (রা.) পিতার কাছে খাওলা বিয়ের সুসংবাদ জানান। পিতা অত্যন্ত খুশি হয়ে নিজ মেয়েকে জিজ্ঞেস করেন, “সাওদা তুমি কি এই বিয়েতে রাজি?” সাওদা (রা.) বলেন, “হ্যাঁ, রাজি।” এরপর রাসুল (সা.) এর কাছে এই খবর পৌঁছানোর পর তিনি বরবেশে সাওদার (রা.) বাড়িতে উপস্থিত হন এবং বিয়েকার্য সম্পাদন করেন। রাসুল (সা.) সাওদাকে (রা.) ৪০০ দিরহাম মোহরানা দান করেন। জীবনের এক কঠিন, সংকটময় সময়ে সাওদা (রা.) জীবন সঙ্গিনী হিসেবে কঠিন দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করে আম্মা খাদিজার (রা) শূন্যতা পূরণের চেষ্টা করেন।

রসুলাল্লাহ (সা.) কী কারণে সওদাকে (রা.) বিয়ে করলেন এটা নিয়ে বিস্মিত মক্কাবাসীর মধ্যে আলোচনা-সমালোচনার অন্ত্য ছিল না। কারণ সওদা (রা.) ছিলেন একাধারে বিধবা, বয়স্কা এবং দেখতেও তিনি সুন্দরী ছিলেন না। প্রকৃতপক্ষে রসুলাল্লাহ তাঁর কোরবানি ও দীনের প্রতি অকপট আনুগত্য দেখেই এ বিয়েতে সম্মত হয়েছেন। সওদা (রা.) ঈমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন বারবার। তিনি নিজের সকল সম্পদ ফেলে রেখে অতি কষ্টকর মরুপথ পাড়ি দিয়ে অজানা অচেনা দেশ আবিসিনিয়াতে চলে যান কেবলমাত্র নিজের দীনকে ধারণ করার জন্য, তওহীদকে হেফাজত করার জন্য।

আল্লাহর রাসুল (সা.) যখন মক্কা থেকে মদিনায় করেন তখন তাঁর স্ত্রী ছিলেন সাওদা (রা.)। পরবর্তীতে তিনিও রাসুলের (রা.) সন্তানদের নিয়ে মদিনায় ফিরেন। দশম হিজরির বিদায় হজে আম্মা সাওদা (রা.) রাসুল (সা.) এর সফরসঙ্গী ছিলেন। রাসুলের স্ত্রীদের মধ্যে আম্মা সাওদা (রা.) ছিলেন লম্বা, স্বাস্থ্যবতী এবং চলা ফেরায় খুব ভারী। একদিন আল্লাহর রাসুলের স্ত্রীগণ তাঁর পাশে বসা আছেন। এমন সময় একজন প্রশ্ন করলেন: “ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমাদের মধ্যে সর্বপ্রথম কার মৃত্যু হবে?” রাসুল বললেন, “যার হাত সবচেয়ে বড়।” উপস্থিত সবাই যার যার হাত মেপে দেখলেন সাওদার (রা.) হাত সবচেয়ে বড়। তারা বিশ্বাস করলেন, সাওদার (রা.) সবার আগে মৃত্যু হবে। কিন্তু সবার প্রথম মারা গেলেন যয়নব বিনতে খুজায়মা (রা.)। তখন তাঁরা বুঝলেন যে, হাত লম্বা মানে হলো দানশীলতা। দান করা ছিল আম্মা যয়নবের (রা.) প্রিয় কাজ। আম্মা খাদিজার (রা.) পর, রাসুলের (সা.) স্ত্রীদের মধ্যে তিনি সর্বপ্রথম মারা যান।

উম্মুল মো’মেনীন সাওদা (রা.) কে বিয়ে করার মাত্র ১৫ দিন পর প্রিয় নবীজির (সা.) সঙ্গে আয়েশার বাগদান হয়। কিন্তু বাগদানের পর আরো তিন বছর আয়শা (রা.) বাবার গৃহেই ছিলেন। এ তিন বছর আম্মা সাওদা (রা.) রাসুলের (সা.) একমাত্র স্ত্রী হিসেবে সংসার দেখাশোনা করেন। আয়েশা (রা.) যখন নবীজির সংসারে আসেন তখনও বয়স কম হওয়ার কারণে সংসারের কাজকর্ম কিছুই বুঝতেন না। আম্মা সাওদা (রা.) তাকে সাংসারিক কাজকর্মে প্রশিক্ষিত করে তোলেন ও সর্ববিষয়ে পরামর্শ ও সাহায্য-সহযোগিতা করতেন। আম্মা সাওদা (রা.) ও আম্মা আয়শা (রা.) এর বয়সের মধ্যে বলতে গেলে আকাশ-পাতাল তফাৎ ছিল। তবুও সুসম্পর্কের কারণে তাদের মধ্যে সরস মধুর ব্যবহার ও হাসি-ঠাট্টার অবতারণা হতো, যাতে রাসুল (সা.) এর সংসারে অনাবিল খুশির ধারা বয়ে যেত। তাই আম্মা সাওদা (রা.) সম্পর্কে আম্মা আয়েশা (রা.) বলেছেন, ‘আমি শুধু একজন নারীর কথাই জানি, যার অন্তরে হিংসার ছোঁয়া মোটেই পড়েনি, আর তিনি হলেন সাওদা।’ গৃহস্থালী কাজের বেশিরভাগ বিষয় আম্মা সাওদা (রা.) ছিলেন আয়েশার (রা.) বান্ধবী। আম্মা আয়েশা (রা.) বলেন, “সাওদা ছাড়া আর অন্য কোনো নারীকে দেখে আমার এমন মনে হয় নি যে, তার শরীরে যদি আমার প্রাণটি হতো।”

নবীজির পবিত্র সাহচর্য লাভের ফলে আম্মা সাওদা (রা.) এর মাঝে উদারতা এবং দানশীলতার অপরূপ সমন্বয় ঘটেছিল। নবীজি (সা.) এর মতো আম্মা সাওদা (রা.) এর মনও দয়ায় ভরপুর ছিল।

রাসুল (সা.) এর ওফাতের পর, তখন ওমর (রা.) এর শাসনকাল। একদিন ওমর (রা.) এক বাহককে দিয়ে আম্মা সাওদা (রা.) এর জন্য একটি থলে পাঠালেন। থলেটি ছিল দিরহামে ভরা। তিনি বাহককে জিজ্ঞেস করলেন, ‘থলেতে কি আছে?’ উত্তরে বাহক বললেন, ‘দিরহাম’। আম্মা সাওদা (রা.) বললেন, “থলেটি দেখতে ঠিক খেজুরের থলের মতো। খেজুরের থলেতে কি দিরহাম থাকতে পারে?” এ কথা বলে তিনি খেজুরের মতো সব দিরহাম অভাবগ্রস্তদের মধ্যে বিলিয়ে দিলেন। তিনি নবীজির খুব অনুগত ছিলেন এবং তাঁর কথামতো সব কাজ করতেন।

আম্মা সাওদা (রা.) খুব সরল একজন মানুষ ছিলেন। মাঝে মাঝে তাঁর অনেক সরলতাপূর্ণ কথায় আল্লাহর রাসুল (সা.) হেসে দিতেন। একদিন তিনি আল্লাহর রাসুলকে (সা.) বলেন, কাল রাতে আমি আপনার সাথে সালাহ কায়েম করেছি। আপনি এত দীর্ঘ সময় রুকুতে ছিলেন যে, আমার মনে হচ্ছিল আমার নাক দিয়ে রক্ত ঝরতে শুরু করছে। এই কারণে দীর্ঘক্ষণ আমি নাক চেপে ধরে রেখেছিলাম। এই কথা শুনে রাসুল (সা.) মৃদু হাসলেন।

আম্মা সাওদার (রা.) সন্তান-সন্ততির বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায় নি। তবে রসুলের (রা.) সাথে তাঁর বিবাহিত জীবনে কোনো সন্তান হয় নি। তাঁর প্রথম স্বামী সাকরানের পক্ষের একটি ছেলে ছিল যার নাম আবদুর রহমান, তিনি ৬৩৭ সনে জালুলার যুদ্ধে শহীদ হন। রসুলাল্লাহর (রা.) ওফাতের পর তিনি উম্মুল মো’মেনীন হিসাবে যে ভাতা বায়তুল মাল থেকে পেতেন সেটি তিনি দান করে দিতেন। একটা পর্যায়ে তিনি নিজের বাড়িটিও বিক্রি করে দেন। প্রথম উমাইয়া খলিফা মুয়াবিয়া (রা.) তাঁর মদিনার বাড়িটি সেই যুগে ১,৮০,০০০ দিরহামের বিনিময়ে ক্রয় করে নেন। ৬৭৪ খ্রি. সনের সেপ্টেম্বর কি অক্টোবর মাসে তিনি মদিনায় ইন্তেকাল করেন। তাঁকে জান্নাতুল বাকিতে দাফন করা হয়।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
 ১ মে ২০২৬    HT All Article

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article
পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমিয়েছে চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন
চীনে প্রতি ১০ কর্মদিবস অন্তর বৈশ্বিক তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নতুন দামে ৫০ লিটার জ্বালানি কিনতে এখন চালকদের প্রায়…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    মতামত

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা
রিয়াদুল হাসান গৌড়ের রাজ দরবারে চাচা কুতুব খানের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ দাসত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে সুলতান তাজ খান কররানির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন যুবক ঈসা খাঁ ও ইসমাইল…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!
শাহাদৎ হোসেন:বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো এই মাটির কৃষক। কৃষকদের আমরা বলি, সব সাধকের বড় সাধক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারা যে ফসল ফলায়,…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!
কথক দা: আমরা যেন আইয়্যামে গুজবে বাস করছি। অপতথ্য আর অপসংবাদের ভীড়ে কোনটা সত্য আর কোনটা অর্ধসত্য এবং কোনটা মিথ্যা তা বোঝা খুবই মুশকিল। একসময়…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান
এম আর হাসান:খুররম খান পন্নী ছিলেন উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইতিহাসের এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর জীবন ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান পর্ব এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ- এই তিনটি…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?
শাহাদৎ হোসেন:ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘ ৪৭ বছরের শীতল সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে। গত ১১ এপ্রিল দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে যে…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ
ওবায়দুল হক বাদল:আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে বড় অঙ্কের ব্যয় নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার। এসব খাতে ২ লাখ…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?
মুস্তাফিজ শিহাব:বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকালে এক চরম বৈপরীত্য চোখে পড়ে। একদিকে রয়েছে বিপুল জনশক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য এবং অন্যদিকে চরম অবমাননা…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article