প্রচ্ছদ    HT All Article   তাকওয়ার প্রদর্শনী ও নিষ্ফল আমল

তাকওয়ার প্রদর্শনী ও নিষ্ফল আমল

২ অক্টোবর ২০২২ ০৮:৫৬ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

ইলিয়াস আহমেদ:

মুসলমানিত্ব, ঈমানদারী এসব দেখানোর বিষয় না। দাড়ি-টুপি ধারণ করলেই কেউ মুসলিম হয়ে যায় না, মো’মেন হয়ে যায় না, জোব্বা-পাগড়ি পড়লেই পরহেজগার হয়ে যায় না। এসবকে যদি আপনি আখেরি নবীর অনুসারীর চিহ্ন, মুসলিম, মো’মেনের পরিচায়ক হিসেবে মনে করে তাহলে ঘোর ভুলের মধ্যে রয়েছেন। কারণ যদি তাই হতো, তবে হাশরের ময়দানে আল্লাহ পাক পোশাকহীন না উঠিয়ে মুসলিম-মো’মেনদের জোব্বা-পাঞ্জাবি, পাগড়ি-টুপি ইত্যাদিসহ উঠাতেন। এসবে মুসলমানিত্ব নেই, ঈমানদারীত্ব নেই। যদি তারপরেও বলেন এসব ছাড়া ইসলাম হয় না, মুসলমান হওয়া যায় না; তবে বুঝে নিতে হবে আপনি যে ইসলামের লালন করছেন সেটা আরব্য জাতীয়তাবাদে আবদ্ধ, কূপমণ্ডূকতায় আড়ষ্ট।

পোশাকে সৈনিকত্ব নেই, ডাক্তারিত্ব নেই। খাকি রঙের ইউনিফর্ম পড়লেই সৈনিক হয় না, অ্যাপ্রন আর গলায় একটা স্টেথোস্কোপ ঝুলিয়ে রাখলেই ডাক্তার হয় না। সৈনিকত্ব, ডাক্তারিত্ব বহু অধ্যবসায়ের মাধ্যমে অর্জন করে নিতে হয়। তেমনি মুসলমানিত্ব, মো’মেনত্ব এসব আত্মায় ধারণ করতে হয়, নিজের ভিতরে, বিবেকে-চিন্তায়, চরিত্রে প্রতিষ্ঠা করতে হয়। ইসলাম হচ্ছে প্রকাশমান বিষয়, আর ঈমান হচ্ছে অন্তরের বিষয়। আল্লাহ কারো বাহ্যিক চেহারা, পোশাক আশাক দেখেন না, তিনি দেখেন মানুষের অন্তর ও মানুষের কাজ (আবু হোরায়রা রা. থেকে মুসলিম)। একাধিক হাদিসে পাওয়া যায়, রসুল (সা.) তাঁর হাত দ্বারা বক্ষের দিকে ইশারা করেন তিনবার; এরপর বলেন, “তাকওয়া এখানে”। [আনাস বিন মালিক (রা.) হতে, মুসনাদে আহমেদ (ইফা), ২য় অধ্যায়, হাদিস নং ৯]

আরও পড়ুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

কেবলমাত্র ইসলাম প্রকাশ্যমান। ইসলাম মানুষের শরীরে থাকে না, থাকে চরিত্রে। ইসলাম থাকে পরিবারে, সমাজে, রাষ্ট্রে। এই ইসলামের ফলই হলো শান্তি। সত্য, ন্যায়, মানবিকবোধ, নিরাপত্তার অভূতপূর্ব মেলবন্ধনের নাম ইসলাম। সমাজে শান্তি নেই মানে সমাজে ইসলাম নেই, রাষ্ট্রে শান্তি নেই মানে রাষ্ট্রে ইসলাম নেই। দীন ইসলাম প্রতিষ্ঠার বিষয়; কাগজে লিপিবদ্ধ করে রাখার তত্ত্ব না, কন্ঠে বয়ানে সীমাবদ্ধ রাখার মন্ত্র-কালাম না, আবার কেবলমাত্র বিশ্বাসে গেঁথে রাখারও বিষয় না।

মহানবীর মক্কি জীবনে তখনও ইসলাম প্রতিষ্ঠা হয় নি। তখন ইসলাম কবুলকারীদের উপর নেমে এসেছিলো অকথ্য নির্যাতন। তাঁরা যখন আর সহ্য করতে পারছিল না, তখন একদিন তাঁদের অন্যতম খাব্বাব (রা.) রসুলাল্লাহর কাছে এলেন। খাব্বাব (রা.) বলেন, আমি একবার নবী করিম (সা.) এর খেদমতে হাযির হলাম। তখন তিনি তাঁর নিজের চাদরকে বালিশ বানিয়ে কা’বা গৃহের ছায়ায় বিশ্রাম করছিলেন। যেহেতু আমরা মুশরিকদের পক্ষ থেকে কঠিন নির্যাতন ভোগ করছিলাম, তাই আমি বললাম, আপনি কি আমাদের (শান্তি ও নিরাপত্তার) জন্য আল্লাহর কাছে দু’আ করবেন না? তখন তিনি উঠে বসলেন এবং তাঁর চেহারা রক্তিম বর্ণ হয়ে গেল। তখন তিনি বললেন, তোমাদের পূর্ববর্তী ঈমানদারদের মধ্যে কারো কারো শরীরের হাড় পর্যন্ত সমস্ত মাংস ও শিরা উপশিরাগুলো লোহার চিরুনী দিয়ে আঁচড়ে পৃথক করে ফেলা হত। কিন্তু এসব নির্যাতনও তাদেরকে দীন থেকে বিমুখ করতে পারত না। তাঁদের মধ্যে কারো মাথার মধ্যবর্তী স্থানে করাত স্থাপন করে তাকে দ্বিখণ্ডিত করে ফেলা হত। কিন্তু এ নির্যাতনও তাঁদেরকে তাদের দীন থেকে ফিরাতে পারত না। আল্লাহর কসম, আল্লাহ তা’আলা অবশ্যই দীনকে পরিপূর্ণ করবেন, ফলে একজন উষ্ট্রারোহী সান’আ শহর থেকে হাযারামাউত পর্যন্ত একাকী ভ্রমণ করবে। আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাউকে সে ভয় করবে না। রাবী (র.) অতিরিক্ত বর্ণনা করেন এবং তার মেষ পালের উপর নেকড়ে বাঘের আক্রমণে সে ভয় করবে না। [সহীহ বুখারি (ইফা), ৬ষ্ঠ খন্ড, হাদিস নং ৩৫৭৩]

হ্যাঁ, ইসলামের মূল উদ্দেশ্যই এটা। মানুষের সামাজিক, আর্থিক, রাষ্ট্রীয়সহ সকল ধরনের নিরাপত্তা প্রদান করা; সত্য ও ন্যায় সুপ্রতিষ্ঠিত করা। এককথায় পৃথিবীকে স্বর্গে পরিণত করার আরেক নাম ইসলাম। আমরা ইতিহাসে দেখেছি, পরবর্তীতে এই ইসলামের মাধ্যমে সমস্ত আরবে কী পরিমাণ শান্তি, নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা হয়েছিলো। একজন সুন্দরী সালঙ্কারা নারী একাকী রাতের আঁধারে মাইলে পর মাইল পাড়ি দিত, কিন্তু তার মনে আল্লাহ ছাড়া আর কোনো ভয় থাকতো না। আর্থিক অবস্থার এতটাই উন্নতি হয়েছিলো যে, শহর-উপশহর, মরুভূমি চষে বেড়িয়েও দান গ্রহণের জন্য এমন একজনকেও পাওয়া যেত না। মাসের পর মাস আদালত আলস্যে দিন কাটাতেন বিচারকগণ।

কোথায় সেই ইসলাম? কোথায় সেই নিরাপত্তা? আজ কোথায় সেই শান্তি? বাস্তবের কাছে সবই যেন আজ দুঃস্বপ্ন। কারণ, আমরা রসুল (সা.) ও তাঁর আসহাবদের কাছ থেকে প্রকৃত শিক্ষা গ্রহণ করার পরিবর্তে গ্রহণ করেছি তাঁদের যুগের আরবীয় লেবাস, সুরত। বিষ ভর্তি রসগোল্লা খেলে যা হয়, তাই হয়েছে আমাদের। হ্যাঁ, আমরা মরেই গিয়েছি, মৃতজাতি। না হলে কী করে আমরা বাস্তব ও পার্থিব জীবনের শান্তিটাকে বিসর্জন দিয়ে, মানবজাতির দুঃখ দুর্দশা দেখেও না দেখে স্বার্থপরের মতো পরকালীন সুখের জন্য নিজেকে আবদ্ধ করেছি ফজিলত ও সওয়াবের নানাবিধ ব্যক্তিগত আমলে! আল্লাহ বলেন, নিশ্চয়ই সালাহ যাবতীয় অন্যায় ও অশ্লীল কাজ থেকে তোমাদের বিরত রাখে (সুরা আনকাবুত ৪৫)। তাহলে সালাতের ফল কী সেটা বোঝা গেল, কিন্তু আমাদের সমাজে লক্ষ লক্ষ মসজিদে কোটি কোটি মুসল্লির নামাজের ফল কী হলো সেটা বোঝা গেল না। সবচেয়ে বেশি যারা নামাজ পড়ছে অর্থাৎ মাদ্রাসা ও মসজিদের বাসিন্দারা, তাদের মধ্যে শিশুকামিতা, ধর্ষণ, বলাৎকার ইত্যাদি বহুবিধ অশ্লীলতার চর্চা প্রায়ই গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়ে পড়ে।

সুতরাং যে নামায সমাজের অন্যায়, অবিচার, অশ্লীলতা দূর করতে পারে না, সেটা নামাযই না। যে নামাযে গরিব-দুঃখী, এতিম-মিসকীনদের পাশে দাঁড়ানোর কথা তিলাওয়াত করা হয়, যে নামাজে সত্য, ন্যায়, সুবিচারের কথা তিলাওয়াত করা হয় আর সেই নামাযকেই আমরা অন্যান্য ধর্মের অনুসারীদের পূজা-প্রার্থনার মতো নির্জীব, প্রাণহীন উপাসনায় পরিণত করেছি। মূর্তির কাছে প্রার্থনায় যেমন কোনো ফলাফল নেই, আমরাও নামায থেকে কোনো ফলাফলে আশাবাদী না, বিশ্বাসী না। তেমনি রোজা-কুরবানি দেয়া হয়েছে তাকওয়াভিত্তিক চরিত্র তৈরির জন্য (সুরা বাকারাহ ১৮৩, সুরা হজ ৩৭), ওগুলো পালন করে জান্নাত যাবার জন্য না। এই তাকওয়াভিত্তিক চরিত্রের উদ্দেশ্য সমাজে-রাষ্ট্রে সর্বত্র শান্তি, ন্যায়, সুবিচার প্রতিষ্ঠা করা। এখনতো আমাদের রোজা-কুরবানিতে তাকওয়া অর্জন হয় না, হয় পার্থিব সম্মান অর্জন। এসব উৎসব-আড়ম্বরে পরিণত হয়েছে আমাদের কাছে, সামাজিক মান-মর্যাদার, প্রদর্শনেচ্ছা, প্রতিযোগতার ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদি তাকওয়া অর্জনই করতে পারতাম তবে সমাজে-রাষ্ট্রে এতো অন্যায়, হানাহানি, রক্তপাত থাকার কথা ছিলো না; এতো অশান্তি থাকার কথা ছিলো না। কারণ আল্লাহ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এই বলে, “জনপদের অধিবাসীগণ যদি ঈমান আনতো এবং তাকওয়া অবলম্বন করতো, তবে আমি তাদের জন্যে আকাশ ও পৃথিবীর বরকতের দ্বার খুলে দিতাম।” (সুরা আরাফ ৯৬)।

আজ কোথায় আল্লাহর রহমত, কোথায় বরকত? আকাশে-বাতাসে বোমা-বারুদের গন্ধ, পারদ-সীসার বিষবাষ্প; মুসলিমদের ভূখণ্ডগুলো আবালবৃদ্ধবণিতার রক্তে সিক্ত; ইরাক, আফগানিস্তান, সিরিয়া, লিবিয়া, আরাকান, উইঘুর, জিংজিয়াং, কাশ্মির, লেবানন, ইয়ামেনসহ বহু দেশের নদী-সাগরের পানি আজও রক্তমিশ্রিত ও পঁচা লাশে বিষাক্ত। কামান-শেলে ঝলসে যাচ্ছে ভূখণ্ডগুলো, রাসায়নিক অস্ত্রের প্রয়োগে কিংবা ক্ষুধার যন্ত্রণায় ধুঁকে ধুঁকে মারা যাচ্ছে মানুষ। আমাদেরই অসাবধানতায়, কূপমণ্ডূকতায়, অজ্ঞানতায়, উদ্দেশ্যহীন জীবনযাপনের কারণে মানবতার মহাশত্রু দাজ্জাল (কথিত পশ্চিমা সভ্যতা) মহা ধ্বংসযজ্ঞের আয়োজন করেছে। সময় খুব কম, যদি সত্যটা না বুঝি, প্রস্তুত থাকতে হবে আত্মাহুতির মাধ্যমে তার অভ্যর্থনা জানানোর জন্য।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
 ১ মে ২০২৬    HT All Article

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article
পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমিয়েছে চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন
চীনে প্রতি ১০ কর্মদিবস অন্তর বৈশ্বিক তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নতুন দামে ৫০ লিটার জ্বালানি কিনতে এখন চালকদের প্রায়…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    মতামত

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা
রিয়াদুল হাসান গৌড়ের রাজ দরবারে চাচা কুতুব খানের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ দাসত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে সুলতান তাজ খান কররানির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন যুবক ঈসা খাঁ ও ইসমাইল…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!
শাহাদৎ হোসেন:বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো এই মাটির কৃষক। কৃষকদের আমরা বলি, সব সাধকের বড় সাধক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারা যে ফসল ফলায়,…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!
কথক দা: আমরা যেন আইয়্যামে গুজবে বাস করছি। অপতথ্য আর অপসংবাদের ভীড়ে কোনটা সত্য আর কোনটা অর্ধসত্য এবং কোনটা মিথ্যা তা বোঝা খুবই মুশকিল। একসময়…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান
এম আর হাসান:খুররম খান পন্নী ছিলেন উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইতিহাসের এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর জীবন ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান পর্ব এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ- এই তিনটি…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?
শাহাদৎ হোসেন:ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘ ৪৭ বছরের শীতল সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে। গত ১১ এপ্রিল দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে যে…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ
ওবায়দুল হক বাদল:আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে বড় অঙ্কের ব্যয় নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার। এসব খাতে ২ লাখ…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?
মুস্তাফিজ শিহাব:বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকালে এক চরম বৈপরীত্য চোখে পড়ে। একদিকে রয়েছে বিপুল জনশক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য এবং অন্যদিকে চরম অবমাননা…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article