প্রচ্ছদ    HT All Article   জাতি শিরক ও কুফরে কীভাবে...

জাতি শিরক ও কুফরে কীভাবে নিমজ্জিত

২২ মে ২০১৫ ০৪:৫০ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

মাহবুব আলী :
মানুষসৃষ্টি থেকে আজ পর্যন্ত মানব জাতির সর্বপ্রধান সমস্যা হয়ে আছে একটি- সেটা হচ্ছে যুদ্ধ-বিগ্রহ, রক্তপাত, অবিচার, সামাজিক অবিচার, অর্থনৈতিক অবিচার, রাজনৈতিক অবিচার, সর্বরকম অবিচার, এক কথায় ফাসাদ ও সাফাকুদ্দিমা। মানুষ সৃষ্টির পর মালায়েকরা (ফেরেশতারা) এই অশান্তি ও রক্তপাতের কথাই আল্লাহকে বলেছিলেন আর ইবলিস আল্লাহকে চ্যালেঞ্জ দিয়েছিল যে সে মানুষকে দিয়ে ঐ অশান্তি সৃষ্টি করাবে। আল্লাহ সে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে ইবলিসকে বলেছিলেন- আমি আমার নবী রসুলদের (আ.) পাঠিয়ে মানুষকে এমন রাস্তা দেখাব, এমন জীবনব্যবস্থা দেব যে জীবনব্যবস্থা সার্বিক জীবনে প্রতিষ্ঠা করলে, যে রাস্তায় চললে তারা ঐ অশান্তি থেকে মুক্তি পাবে, শান্তিতে থাকতে পারবে। কাজেই যে জীবন-বিধান তিনি মানুষের জন্য পাঠালেন তার নামই দিলেন ইসলাম, আক্ষরিক অর্থেই শান্তি। আদম (আ.) থেকে মোহাম্মদ (সা.) পর্যন্ত ঐ একই নাম- ইসলাম।
যখন যে নবী আল্লাহ পাঠিয়েছেন তাকে আল্লাহ প্রেরিত বলে বিশ্বাস ও স্বীকার করে নিয়ে যারা ঐ বিধান মতে চলেছে তাদের মধ্য থেকে সব রকম অন্যায়, অবিচার, অশান্তি দূর হয়ে গেছে, তারা সেই চির আকাক্সিক্ষত শান্তি পেয়েছে। তারপর যখন ঐ জীবনব্যবস্থাকে ইবলিসের প্ররোচণায় বিকৃত করে ফেলেছে তখন মানুষ আবার সেই অশান্তির মধ্যে পতিত হয়েছে। এই হচ্ছে সমস্ত ধর্ম, দীন, জীবন-বিধানের আসল কথা, গোড়ার কথা। বাকি যা আছে, উপাসনা, ইবাদত সবই আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া। ঐ আসল, গোড়ার কথা বাদ দিয়ে অর্থাৎ সামগ্রিক জীবনে আল্লাহর দেয়া জীবন-বিধানকে অস্বীকার করে, মানুষের তৈরি বিধান মেনে নিয়ে যতো উপাসনা, ইবাদতই করা হোক- তাতে মানুষের সমষ্টিগত ও ব্যক্তিগত কোনো জীবনেই শান্তি আসবে না। সেটা ইসলাম হবে না, সেটা হবে খাঁটি শিরক, বহুত্ববাদ। এবং আল্লাহ প্রতিজ্ঞাবদ্ধ যে, আর যতো রকম গোনাহ, পাপ, অন্যায় তিনি ইচ্ছা করলে মাফ করবেন, কিন্তু শিরক ও কুফর তিনি কখনও মাফ করবেন না (সুরা আন নিসা ৪৮, সুরা আরাফ ৩৬)।
এবার আমাদের বর্তমানের দিকে তাকানো যাক। সমস্ত পৃথিবীর কোথাও মানুষ স্রষ্টার দেয়া জীবনব্যবস্থা মেনে চলছে না। ঐ জীবন-ব্যবস্থাকে সমষ্টিগত জীবন থেকে বাদ দিয়ে সর্ব প্রথম পাশ্চাত্য খ্রিষ্টান জগত নিজেদের জন্য নিজেরা জীবন-বিধান তৈরি করে নিয়েছিল। তারাই যখন বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তি, সামরিক শক্তির জোরে প্রাচ্যের মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন ইত্যাদি সব রকম জাতিকে পরাজিত করে তাদের উপর রাজত্ব করল, তখন তারা তাদের উপর নিজেদের তৈরি স্রষ্টা বিবর্জিত ঐ বিধান চাপিয়ে দিল। তাদের শিক্ষা ব্যবস্থার ফলে এই জাতিগুলির এমন সুন্দর মগজ ধোলাই হলো যে, পাশ্চাত্য প্রভুরা পরে এদের ‘স্বাধীনতা’ দিয়ে চলে গেলেও তারা সবাই পূর্ব প্রভুদের ঐ শিরক, বহুশ্বর ব্যবস্থা নিজেদের সমষ্টিগত জীবনে চালু রাখল। মগজ ধোলাইর ফলে তারা এটা বুঝতে ব্যর্থ হলো যে, ঐ ব্যবস্থা মানুষে মানুষে সংঘর্ষ, যুদ্ধ, রক্তপাতের চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত। এর বাস্তব এবং নিশ্চিত প্রমাণ এই যে, ঐ প্রভুরা মাত্র ২৭ বছরের মধ্যে নিজেদের মধ্যে দুইটি মহাযুদ্ধ করেছে, ঐ যুদ্ধ দু’টিতে বাকি বিশ্বকেও জড়িয়ে ফেলেছে, প্রায় পনেরো কোটি মানুষকে হতাহত করেছে। অন্যান্য ধ্বংসের কথা বাদই দিলাম এবং বিজ্ঞানের ও প্রযুক্তির জ্ঞানকে তারা হত্যার কাজে ব্যবহার করে আজ এমন পর্যায়ে নিয়ে এসেছে যে, শুধু তারাই নয়, তাদের ঐ আত্মাহীন, বিবেকহীন নাস্তিক জীবন-ব্যবস্থার অনুসারী বাকি মানবজাতিকেও তাদের পেছনে পেছনে সার্বিক ধ্বংসের দোরগোড়ায় এনে দাঁড় করিয়েছে। পার্থিব জীবনে, জাতীয় জীবনে খ্রিষ্ট ধর্মের বিফলতার ফলে ধর্মকে মানুষের ব্যক্তিগত জীবনে সীমাবদ্ধ করে দেয়ার শিক্ষা অর্থাৎ এই শেখানো যে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, আইন-কানুন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি জটিল ব্যাপার আল্লাহর বুঝার এবং বুদ্ধির বাইরে।
এই মগজ ধোলাই হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন ইত্যাদি ধর্মের অনুসারীদের উপর সাফল্যপূর্ণ হওয়াটা অতখানি আশ্চর্যজনক নয় যতোখানি এই মুসলিম জাতির উপর হওয়াটা। কারণ ঐ ধর্মগুলির মধ্যে হিন্দু ধর্মের (যদিও হিন্দু বলে কোন ধর্ম নেই, আসলে বৈদিক, সনাতন ধর্ম) মধ্যে জাতীয় ব্যবস্থা থাকলেও তা ছিল সীমিত, সমস্ত মানব জাতির জন্য প্রযোজ্য নয় আর বৌদ্ধ, জৈন ইত্যাদি ধর্মের মধ্যে জাতীয় অর্থাৎ আইন-কানুন, রাজনৈতিক, আর্থ-সামাজিক কোন ব্যবস্থা ছিল না। আর এই শেষ ইসলামে সমগ্র মানব জাতির জন্য জাতীয়, সমষ্টিগত ব্যবস্থা, আইন, দণ্ডবিধি, আদেশ নিষেধ এত প্রকট ও দীপ্ত যে, এই জাতি কী করে খ্রিষ্টানদের ঐ শিক্ষা ও মগজ ধোলাই মেনে নিতে পারলো তা সত্যি আশ্চর্যজনক। আকিদার কতখানি বিকৃতি হলে মানুষের সাধারণ জ্ঞানও লোপ পায় তার প্রমাণ এই ব্যাপারটা। এই শেষ ইসলামের একটি প্রধান অংশই হচ্ছে বিচার বিভাগীয় ও দণ্ডবিধি অর্থাৎ শরিয়াহ। এটা যার সামান্য পরিমাণ জ্ঞানও আছে তিনিও জানেন এবং রাষ্ট্রশক্তি ছাড়া যে ওগুলো প্রয়োগ করা সম্ভব নয়, তা বুঝতে যে সাধারণ জ্ঞান সেটুকুও কেমন করে এই জাতির লোপ পেলো তা আশ্চর্যজনক। খ্রিষ্ট ধর্ম ও রাজনীতির যে সুস্পষ্ট বিভাজন আছে হিন্দু ধর্মে তেমন বিভাজন সুস্পষ্ট আকারে নেই। আর ইসলামে আদৌ কোন বিভাজন নেই। কিন্তু যতোই আশ্চর্যজনক হোক সত্য এই যে, দু’চারটি দেশ ছাড়া (যেগুলো ভাগ্যক্রমে পাশ্চাত্যের সরাসরি দাস হওয়া থেকে বেঁচে গিয়েছিল) অন্যান্যের সঙ্গে সমস্ত মুসলিম দুনিয়া খ্রিষ্টানদের ঐ আকিদাকে তসলিম করে নিয়েছে যে, তাদের ব্যক্তি জীবনের বিধাতা, অর্থাৎ বিধানদাতা, ইলাহ হচ্ছেন আল্লাহ এবং জাতীয় জীবনের অর্থাৎ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, শাসন, বিচার, দণ্ডবিধি ইত্যাদির বিধাতা, ইলাহ হচ্ছে পাশ্চাত্যের খ্রিষ্টান প্রভুরা, জুডিও খ্রিষ্টান সভ্যতা। এ যদি শিরক ও কুফর না হয় তবে শিরক বলে কোন শব্দ নেই।
আজকের ‘মুসলিম’ জগতের দিকে তাকালে যা দেখা যায় তা হচ্ছে বহু ভাগে বিভক্ত একটি জনসংখ্যা, একটা জাতি নয় একটি উম্মাহ নয়। আল্লাহ ও রসুলের (সা.) দেয়া জাতির সংজ্ঞা অর্থাৎ একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোন প্রভু, বিধানদাতা নেই এবং মোহাম্মদের (সা.) মাধ্যমে শেষ বিধান এসেছে, এই সত্যের বিশ্বাসীরা এক জাতি এক উম্মাহ, প্রত্যাখ্যান করে পাশ্চাত্য খ্রিষ্টানদের ভৌগোলিক অবস্থান, চামড়ার রং, ভাষা ইত্যাদির উপর ভিত্তি করে বিভক্ত হয়ে এবং তাদের দেওয়া জাতির সংজ্ঞাকে গ্রহণ করে পৃথিবীর সমস্ত মুসলিম নামের জনসংখ্যাটি কার্যতঃ মুশরিক ও কাফের হয়ে আছে। এর পরিণতি অবশ্য তারা এড়াতে পারছে না। এক সময়ের অর্ধ পৃথিবীর শাসনকর্তা এই জাতিটি আজ সমস্ত পৃথিবীজুড়ে আল্লাহর লা’নতের পাত্রতে পরিণত হয়েছে। এরা আর আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে গিয়ে শহীদ হয় না, এরা এখন ঘৃণিতভাবে জীবন হারাচ্ছে নিজেরা নিজেরা হানাহানি-মারামারি, বোমাবাজি করে; পাশ্চাত্য প্রভুদের অমানবিক নির্যাতনে। কাজেই এই জাতি আর প্রকৃত উম্মতে মোহাম্মদী যে এক জাতি নয় তা বুঝতে আত্মার চোখ ব্যবহার করতে হয় না, চর্মচক্ষুই যথেষ্ট। এমতাবস্থায় এই জাতির উচিত হবে নিজেরা নিজেরা শতমুখী সংঘাতে ডুবে না থেকে এই কুফর ও শিরক থেকে নিজেদের মুক্ত করা।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
 ১ মে ২০২৬    HT All Article

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article
পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমিয়েছে চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন
চীনে প্রতি ১০ কর্মদিবস অন্তর বৈশ্বিক তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নতুন দামে ৫০ লিটার জ্বালানি কিনতে এখন চালকদের প্রায়…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    মতামত

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা
রিয়াদুল হাসান গৌড়ের রাজ দরবারে চাচা কুতুব খানের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ দাসত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে সুলতান তাজ খান কররানির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন যুবক ঈসা খাঁ ও ইসমাইল…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!
শাহাদৎ হোসেন:বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো এই মাটির কৃষক। কৃষকদের আমরা বলি, সব সাধকের বড় সাধক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারা যে ফসল ফলায়,…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!
কথক দা: আমরা যেন আইয়্যামে গুজবে বাস করছি। অপতথ্য আর অপসংবাদের ভীড়ে কোনটা সত্য আর কোনটা অর্ধসত্য এবং কোনটা মিথ্যা তা বোঝা খুবই মুশকিল। একসময়…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান
এম আর হাসান:খুররম খান পন্নী ছিলেন উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইতিহাসের এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর জীবন ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান পর্ব এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ- এই তিনটি…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?
শাহাদৎ হোসেন:ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘ ৪৭ বছরের শীতল সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে। গত ১১ এপ্রিল দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে যে…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ
ওবায়দুল হক বাদল:আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে বড় অঙ্কের ব্যয় নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার। এসব খাতে ২ লাখ…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?
মুস্তাফিজ শিহাব:বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকালে এক চরম বৈপরীত্য চোখে পড়ে। একদিকে রয়েছে বিপুল জনশক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য এবং অন্যদিকে চরম অবমাননা…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article