প্রচ্ছদ    HT All Article   জাতির উদ্দেশ্যচ্যুতি ও দীন নিয়ে...

জাতির উদ্দেশ্যচ্যুতি ও দীন নিয়ে বাড়াবাড়ি

২২ মে ২০১৫ ১২:০৭ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

012মাননীয় এমামুযযামানের লেখা থেকে সম্পাদিত:

শেষ নবীর উপর আল্লাহ দায়িত্ব দিলেন সমস্ত পৃথিবীর প্রচলিত জীবন-ব্যবস্থাসমূহকে অকার্যকর কোরে একমাত্র আল্লাহর দেওয়া শেষ জীবনব্যবস্থা পৃথিবীব্যাপী প্রতিষ্ঠা করার (সুরা আল ফাতাহ-২৮, সফ-৯, তওবা-৩৩)। এটা এই কারণে যে, সমস্ত পৃথিবীতে আল্লাহর দেওয়া এই শেষ জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা হোলে পৃথিবী থেকে যাবতীয় অন্যায়-অবিচার, যুদ্ধ-রক্তপাত, হানাহানি, মারামারি এককথায় অশান্তি নির্মূল হোয়ে যাবে; মানবজাতি শান্তিতে বসবাস কোরতে পারবে। সবচেয়ে বড় বিষয় হোল- এবলিস আল্লাহকে চ্যালেঞ্জ দিয়েছিল যে, সে মানবজাতিকে ফাসাদ (অন্যায়-অবিচার) ও সাফাকুদ্দিমাতে (রক্তপাত) পতিত কোরবে সে চ্যালেঞ্জে আল্লাহ জয়ী হবেন। তাই এই মহান কাজ করার জন্য রসুল তাঁর নিজ হাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে উম্মতে মোহাম্মদী নামক একটি জাতি গঠন কোরলেন। অতঃপর সে জাতির জীবনের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও কর্মসূচী শিক্ষা দিলেন। জানিয়ে দিলেন তাঁর অনুপস্থিতিতে জাতির কাজ কী, কীভাবে সেটা বাস্তবায়ন কোরতে হবে। এভাবেই উম্মতের প্রতি দায়িত্ব নির্দিষ্ট কোরে দিয়ে তিনি তাঁর প্রভুর কাছে চোলে গেলেন। তার পরের ঘটনাপ্রবাহ ইতিহাস।
উম্মতে মোহাম্মদী ডাইনে-বায়ে না চেয়ে (হানিফ) একাগ্র লক্ষ্যে তাদের কর্তব্য চালিয়ে গেলো প্রায় ৬০/৭০ বছর। এবং এই অল্প সময়ের মধ্যে তদানীন্তন পৃথিবীর এক উল্লেখযোগ্য অংশে এই শেষ ইসলাম প্রতিষ্ঠা কোরল। তারপর দুর্ভাগ্যক্রমে আরম্ভ হোল উদ্দেশ্যচ্যুতি, আকিদার বিচ্যুতি। যে কোন কিছুরই যখন উদ্দেশ্যচ্যুতি ঘটে তখন তার আর কোনো দাম থাকে না, হোক সেটা জাতি, দল, সমিতি, প্রতিষ্ঠান এমনকি ব্যক্তি- যাই হোক। যে মুহূর্ত থেকে উদ্দেশ্য বিলুপ্ত হোয়ে যায় সেই মুহূর্ত থেকে যে কোনো জিনিস অর্থহীন হোয়ে যায়। রসুলাল্লাহকে (দ:) মে’রাজে নিয়ে আল্লাহ তাঁকে স্থান ও কালের বি¯তৃতি থেকে মুক্ত কোরেছিলেন। তাই অতীত ও ভবিষ্যতের যতটুকু তাঁকে জানিয়েছিলেন তাতেই তাঁর উম্মাহর ভবিষ্যতের অনেক কিছুই তিনি জানতে পেরেছিলেন। তাঁর ওফাতের ত্রিশ বছর পর খেলাফত পরিত্যক্ত হোয়ে বংশানুক্রমিক রাজতন্ত্রে পরিণত হবে তা তিনি জানতেন, বোলেও গেছেন এবং তা যে সত্য হোয়েছে তা ইতিহাস- ঠিক ত্রিশ বছর পরে একজনের ছেলে বাপের পর খলিফা পদে অধিষ্ঠিত হোল। তিনি এও বোলে গিয়েছিলেন যে, আমার উম্মাহর আয়ু ৬০ থেকে ৭০ বছর (হাদিস- আবু হোরায়রা (রা:) থেকে তিরমিজি ইবনে, মাজাহ।)। বর্তমানের বিকৃত ইসলামের ধর্মীয় নেতাদের দৃষ্টিতে তাদের অর্থাৎ যেটাকে তারা উম্মতে মোহাম্মদী বোলে আত্মপ্রসাদ লাভ করেন সেটাকে মানুষের ব্যক্তিগত আয়ুর কথা বোঝেন। তাদের এই ভুল বোঝার কারণ হোল, অতি সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গী ও আকিদার বিকৃতি। রসুলাল্লাহ (দ:) তাঁর উম্মাহর আয়ু ৬০ থেকে ৭০ বছর বোলতে তিনি যে তাঁর উম্মাহর লোকজনের ব্যক্তিগত আয়ু বোঝান নি তার প্রধান দু’টো কারণ আছে। প্রথমতঃ ৬০ থেকে ৭০ বছর আয়ু হবার মধ্যে এমনকি বিশেষত্ব আছে যা একজন নবী তাঁর উম্মাহ সম্বন্ধে বোলবেন? তার আগের লোকজনের বা পরের লোকজনের আয়ুর থেকে তার কি তফাৎ? আমাদের মধ্যেই যে অন্যান্য ধর্মের লোকজন বাস করে তাদের আয়ুর সঙ্গে আমাদের আয়ুর কি তফাৎ? কিছু না। তবে ওকথা তাঁর উম্মাহর কোন বৈশিষ্ট্য হিসাবে বলার কোন অর্থ হয় না। তিনি (দ:) যদি বোলতেন আমার উম্মাহর লোকজনের দু’টো কোরে চোখ থাকবে তবে তার কী অর্থ হোত? কিছুই না। দ্বিতীয়তঃ আমার উম্মাহর আয়ু ৬০ থেকে ৭০ বছর এ কথা বোলে দেবার অর্থ ৬০ বছর বয়সের আগে মারা যাবে এবং ৭০ বছর বয়সের পর যারা মারা যাবে তারা উম্মতে মোহাম্মদী নয়। এ হোতে পারে? অবশ্যই নয়। মনে রাখবেন, একথা সাধারণ মানুষের যা মনে চায় বোলে ফেলা নয়- এ আল্লাহর রসুলের (দ:) বাণী- যার প্রতি কথা, প্রতি শব্দের ব্যবহার ওজন করা, ভেবে চিন্তে বলা।
এই হাদিসের প্রকৃত অর্থ – উম্মতে মোহাম্মদী হোল সেই জাতি যে জাতি তার নবীর অর্থাৎ মোহাম্মদের (দ:) উপর আল্লাহর দেয়া দায়িত্ব পূর্ণ কোরতে সংগ্রাম কোরে যায়- যে কথা পেছনে বোলে এসেছি। এখানে ঐ দায়িত্ব হোল সমস্ত পৃথিবীতে এই দীন প্রতিষ্ঠা করা। ঐ সংগ্রাম পরিত্যাগ কোরলেই সে জাতি আর উম্মতে মোহাম্মদী থাকে না। ইতিহাসের দিকে লক্ষ্য কোরুন, দেখবেন ঐ জাতি মোটামুটি ৬০ থেকে ৭০ বছর পর্যন্ত সংগ্রাম নিরবচ্ছিন্নভাবে চালিয়ে গেছে। এই সময় পর্যন্ত এই জাতি সশস্ত্র সংগ্রাম কোরে গেছে একটিমাত্র উদ্দেশ্য নিয়ে এবং সেটা হোল বিশ্বনবীর (দ:) সুন্নাহ পালন। যে সুন্নাহর কথা তিনি বোলেছেন- যে আমার সুন্নাহ ত্যাগ কোরবে সে আমাদের কেউ নয়। সেই প্রকৃত সুন্নাহ হোল সমস্ত পৃথিবীতে এই শেষ ইসলামকে প্রতিষ্ঠা করার সংগ্রাম। এই দৃষ্টিভঙ্গি অর্থাৎ আকিদা বদলে গেলো ৬০/৭০ বছর পর। এই উম্মাহ তার উদ্দেশ্য ভুলে গেলো। ইসলাম প্রতিষ্ঠার বদলে যুদ্ধের উদ্দেশ্য হোয়ে গেল রাজ্য বিস্তার, সম্পদ আহরণ। জাতির উদ্দেশ্য বদলে গেলো। উদ্দেশ্যের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, প্রয়োজনীয় আর কিছুই হোতে পারে না, বাকী সব কম প্রয়োজনীয়। সেই মহাপ্রয়োজনীয় উদ্দেশ্যই যদি বদলে যায় তবে যে কোন জিনিসেরই আর কিছু থাকে না। যে উদ্দেশ্যে শ্রেষ্ঠ ও শেষনবী (দ:) প্রেরিত হোয়েছিলেন, যে উদ্দেশ্য সাধনের জন্য তাঁর সৃষ্ট জাতি জীবনের সব কিছু কোরবান কোরে আরব থেকে বের হোয়ে সশস্ত্র সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো সেই উদ্দেশ্য তাদের সম্মুখ থেকে অদৃশ্য হোয়ে পরিণত হোল রাজ্যজয়ের যুদ্ধে।
দু’টি ঘটনার মধ্যে এই বিরাট তফাৎটা প্রকট হোয়ে ফুটে উঠেছে। একটি খলিফা ওমরের (রা:) সময়ে অন্যটা একজন উমাইয়া খলিফার সময়ে। ওমরের (রা:) সময়ে মিশরের শাসনকর্তা হাইয়ান ইবনে শারিহ খলিফাকে লিখলেন- আমীরুল মো’মেনীন! অমোসলেমরা স্বেচ্ছায় এত সংখ্যায় ইসলাম গ্রহণ কোরছে যে, জিজিয়া আদায় অনেক কমে গেছে। এখন কি করা? ওমর (রা:) রাগান্বিত হোয়ে জবাব দিলেন- জিজিয়া আদায় কমে যাচ্ছে বোলে অভিযোগ কোরতে তোমার একজন মোসলেম হিসাবে লজ্জা কোরল না? তোমার মনে রাখা উচিৎ যে, রসুলাল্লাহ (দ:) কর আদায় করার জন্য প্রেরিত হন নি (সয়ুতি, ইদ্রীস আহমদ এবং decisive moments in the History of Islam- Inan ) । ঠিক এমনি অভিযোগ এসেছিল একজন গভর্নরের কাছ থেকে এক উমাইয়া খলিফার কাছে। অমোসলেমরা মোসলেম হোয়ে যাচ্ছে, জিজিয়া দেয়া বন্ধ হোয়ে যাচ্ছে বোলে রাজকোষে সম্পদ কমে গেছে। ঐ খলিফা আদেশ দিলেন অমোসলেমদের ইসলাম গ্রহণ বন্ধ কোরে দাও। একই অভিযোগের দু’টি বিপরীতমুখী উত্তর। অভিযোগ শুনে ওমর (রা:) খুশী হোয়ে ছিলেন, যদি জিজিয়া আদায় একেবারে বন্ধ হোয়ে যেতো তাহলে তিনি সবচেয়ে বেশী খুশী হোতেন, কারণ তার মানে ঐ অঞ্চলের সমস্ত অমোসলেম মোসলেম হোয়ে গেছে, মোসলেম উম্মাহ উদ্দেশ্য পূরণে তাদের প্রিয় নবীর (দ:) আরদ্ধ কাজে আরও একটু অগ্রসর হোয়েছে। আর ঐ উমাইয়া খলিফার সম্মুখে তখন আর সে উদ্দেশ্য নেই। তার জাতিরও সে উদ্দেশ্য নেই। উদ্দেশ্য বদলে গিয়ে হোয়ে গেছে রাজত্ব ও আনুষঙ্গিক শান-শওকত। কাজেই তখন আর ঐ জাতি উম্মতে মোহাম্মদী নেই। কারণ উম্মতে মোহাম্মদীর উদ্দেশ্য ও তার পরের ঐ জাতির উদ্দেশ্য সম্পূর্ণ ভিন্ন।
ইতিহাস দেখুন, পরিষ্কার দেখতে পাবেন যে, ঐ উদ্দেশ্যচ্যুতি বা পরিবর্তন ঘটেছে ভবিষ্যতদ্রষ্টা বিশ্বনবীর (দ:) ৬০ থেকে ৭০ বছর পর। লক্ষ্য কোরলে আরও একটি ব্যাপার দেখতে পাবেন। সেটা হোল রসুলাল্লাহর (দ:) কাছ থেকে যারা সরাসরি ইসলাম শিক্ষা কোরেছিলেন অর্থাৎ আসহাব, তারা কখনই ঐ লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হন নি। বিচ্যুতি এলো তারা সবাই পৃথিবী থেকে চলে যাবার পর। যেহেতু উদ্দেশ্যের পরিবর্তন বা চ্যুতি হোল কাজেই ঐ জাতি আর উম্মতে মোহাম্মদী রোইল না এবং আজ পর্যন্তও উম্মতে মোহাম্মদী নয়। তবে একথা মনের রাখতে হবে যে, আমি জাতি হিসাবে উম্মতে মোহাম্মদী বোলছি। ৬০/৭০ বছর পর থেকে এই উম্মাহ জাতি হিসাবে উম্মতে মোহাম্মদী রোইল না কিন্তু ব্যক্তি ও দলগতভাবে অনেক লোকই রোইলেন যারা ইসলামের সর্বপ্রধান লক্ষ্য ও রসুলাল্লাহর (দ:) সুন্নাহ ভুলে গেলেন না। সাধারণ মুজাহিদ ও কিছু কিছু সেনাপতির আকিদা ঠিকই ছিলো যারা উর্ধতন নেতৃত্বের আকিদা বিকৃতি সত্ত্বেও নিজেদের আকিদা ঠিক রেখে জেহাদ চালিয়ে গেলেন, যার ফলে ঐ বিকৃত আকিদার খলিফাদের সময়েও ইসলাম আরো বি¯তৃত হোয়েছে।
কিন্তু ঐ উদ্দেশ্যচ্যুতির ফল ক্রমশঃ আরও ভয়াবহ হোতে আরম্ভ কোরল। আমি আগেও বোলে এসেছি, উদ্দেশ্যের, আকিদার চেয়ে বড় আর কিছুই নাই, উদ্দেশ্য না থাকলে আর সব কিছুই অর্থহীন। একদল লোক যদি একত্র হোয়ে কোনো নির্দিষ্ট স্থানে যাওয়ার জন্য রওনা হয় তবে যতোক্ষণ তারা গন্তব্যস্থলের কথা মনে রাখবে ততোক্ষণ তারা একত্রই থাকবে। যদি কোনো কারণে তারা তাদের নির্দিষ্ট গন্তব্যস্থল কী তা ভুলে যায় তবে কী হবে? নিশ্চিত বলা যায় যে, তারা আর একত্রিত থাকবে না। এক এক জন এক একদিকে চোলতে শুরু কোরবে, কেউ চোলবেই না, বোসে পড়বে, কেই একদম অন্য কোনো কাজ কোরতে শুরু কোরবে। এই জাতির ঠিক সেই অবস্থা হোল তাদের উদ্দেশ্য ভুলে যাবার ফলে, আকিদা নষ্ট হবার ফলে। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হোল এই যে, এই সময় থেকে এই জাতির মধ্যে যে বিকৃতি আসতে শুরু হোল সেই সব বিকৃতি পূর্বতন প্রত্যেক নবীর (আ:) জাতির মধ্যে আবির্ভূত হোয়েছে এবং সেই জাতিগুলিকে ধ্বংস কোরে ফেলেছে। আল্লাহ তাঁর কোর’আনে আর রসুল (দ:) তাঁর হাদিসে বারবার ঐ বিকৃতিগুলি থেকে বাঁচার জন্য সাবধান কোরে দিয়েছেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও এই জাতি ঠিক ঐ ভুলগুলিই কোরতে আরম্ভ কোরল আর তার ফলে ধ্বংস হোয়ে গেলো। (চোলবে এনশা’ল্লাহ)

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
 ১ মে ২০২৬    HT All Article

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article
পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমিয়েছে চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন
চীনে প্রতি ১০ কর্মদিবস অন্তর বৈশ্বিক তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নতুন দামে ৫০ লিটার জ্বালানি কিনতে এখন চালকদের প্রায়…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    মতামত

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা
রিয়াদুল হাসান গৌড়ের রাজ দরবারে চাচা কুতুব খানের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ দাসত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে সুলতান তাজ খান কররানির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন যুবক ঈসা খাঁ ও ইসমাইল…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!
শাহাদৎ হোসেন:বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো এই মাটির কৃষক। কৃষকদের আমরা বলি, সব সাধকের বড় সাধক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারা যে ফসল ফলায়,…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!
কথক দা: আমরা যেন আইয়্যামে গুজবে বাস করছি। অপতথ্য আর অপসংবাদের ভীড়ে কোনটা সত্য আর কোনটা অর্ধসত্য এবং কোনটা মিথ্যা তা বোঝা খুবই মুশকিল। একসময়…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান
এম আর হাসান:খুররম খান পন্নী ছিলেন উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইতিহাসের এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর জীবন ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান পর্ব এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ- এই তিনটি…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?
শাহাদৎ হোসেন:ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘ ৪৭ বছরের শীতল সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে। গত ১১ এপ্রিল দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে যে…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ
ওবায়দুল হক বাদল:আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে বড় অঙ্কের ব্যয় নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার। এসব খাতে ২ লাখ…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?
মুস্তাফিজ শিহাব:বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকালে এক চরম বৈপরীত্য চোখে পড়ে। একদিকে রয়েছে বিপুল জনশক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য এবং অন্যদিকে চরম অবমাননা…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article