প্রচ্ছদ    HT All Article   জঙ্গিবাদ সৃষ্টির জন্য কারা দায়ী?

জঙ্গিবাদ সৃষ্টির জন্য কারা দায়ী?

৫ ডিসেম্বর ২০২২ ০২:০৩ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

আপাতদৃষ্টিতে জঙ্গিবাদকে ইসলাম থেকে সৃষ্ট মনে হলেও আমরা যদি এর গোড়াতে যাই তাহলে দেখতে পাবো জঙ্গিবাদের জন্য ইসলাম দায়ী নয়। আজকে পৃথিবীময় যে জঙ্গিবাদ তার উত্থানের জন্য প্রধানত দায়ী পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো। আশির দশকে আফগানিস্তানের মাটিতে এই জঙ্গিবাদের বীজ বপন করেছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার আরবীয় মিত্ররা। পৃথিবী রাজনৈতিকভাবে তখন দুইটি ব্লকে বিভক্ত ছিল। সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে একদিকে সমাজতান্ত্রিক ব্লক; অন্যদিকে আমেরিকা-ব্রিটেনের নেতৃত্বে পুঁজিবাদী গণতান্ত্রিক ব্লক। এই দুইটি পরাশক্তির মধ্যে বহু বছর ধরে একটি ‘শীতল যুদ্ধ’ চলতে থাকে। ভিয়েতনামে আমেরিকা চরমভাবে মার খাওয়ার পর যখন প্রতিশোধের সুযোগ খোঁজায় ব্যস্ত, তখনই সোভিয়েত ইউনিয়ন সেনা পাঠাল আফগানিস্তানে। এই সুযোগকে কাজে লাগাতে চাইল আমেরিকা। সোভিয়েত ইউনিয়নের সৈন্যদেরকে মোকাবেলা করার জন্য আফগানদের ধর্মীয় চেতনাকে কাজে লাগানোর কথা ভাবল তারা। কেননা আফগানিস্তান এমন একটি দেশ যেখানকার প্রায় শতভাগ মানুষ মুসলমান। আর অন্য যে কোনো দেশের চাইতে আফগানিস্তানের মুসলমানদের ধর্মীয় চেতনাও অত্যন্ত প্রবল। আমেরিকা দেখল এই ধর্মপ্রাণ মুসলিমদেরকে নাস্তিক্যবাদী কমিউনিস্টদের বিরুদ্ধে খুব সহজেই জিহাদের কথা বলে উদ্বুদ্ধ করা সম্ভব। তাতে সমর্থন দিল মধ্যপ্রাচ্যের কিছু আরব দেশও। ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার আরবীয় মিত্রদের প্রচারণায় অল্পদিনের মধ্যেই আফগানিস্তানের স্বাধীনতার আন্দোলন মুসলিম দেশগুলোতে পরিচিতি লাভ করল নাস্তিক সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে মুসলিম মুজাহিদদের ‘জিহাদ’ ও ‘কিতাল ফি সাবিলিল্লাহ’ হিসেবে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তারা মুসলিমপ্রধান দেশে দেশে এমন কিছু ধর্মব্যবসায়ী ভাড়া করল যাদের দায়িত্ব ছিল মুসলিম তরুণদেরকে জিহাদের কথা বলে উদ্বুদ্ধ করে আফগানিস্তানের যুদ্ধভূমিতে যেতে উৎসাহিত করা। তারা ওয়াজে-নসিহতে, গোপনে ও প্রকাশ্যে ধর্মবিশ্বাসী মানুষদেরকে উদ্বুদ্ধ করতে লাগল এই বলে যে, ‘আফগানিস্তানে নাস্তিক্যবাদী রাশিয়ার বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদ চলছে, এই জিহাদে সবার অংশগ্রহণ করা ঈমানী কর্তব্য এবং যারা এই জিহাদে মারা যাবে তারা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদে শহীদ হিসেবে গণ্য হবে।’ তাদের এসব কথায় উৎসাহিত হয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে হাজার হাজার তরুণ আফগানিস্তানে ছুটে গেল আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করার জন্য। আর পর্দার আড়াল থেকে তাদের অস্ত্র, অর্থ ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জামাদী সরবরাহ করতে লাগল মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা ‘সিআইএ’। যারা এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চান তারা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেনের ‘আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসের ইতিকথা – আফগানিস্তান থেকে আমেরিকা’ বইটি পড়ে দেখতে পারেন। আমরা কেবল ধারণা দেওয়ার জন্য বইটির ১২৬ পৃষ্ঠায় উল্লেখকৃত কয়েকটি লাইন তুলে ধরছি, “(মার্কিন প্রেসিডেন্ট) কার্টারের রুশবিরোধী দল পাকিস্তান, মিশর আর সৌদি আরবের সাহায্য সম্বন্ধে একরকম নিশ্চিতই ছিল। এ উপদেষ্টাদের এখন প্রয়োজন এ যুদ্ধে তিনটি উপকরণের- অর্থ, জনবল আর অস্ত্রের নিশ্চয়তা। এগুলোর সমন্বয়েই এ যুদ্ধ পরিচালিত হবে। প্রাথমিকভাবে ঈওঅ এবং পরে ধনী মুসলিম দেশগুলোকে অর্থ দিয়ে সাহায্য করতে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। এরপরে রয়েছে জনবল। বেশিরভাগ যোদ্ধা আফগান আর পাকিস্তানের সীমান্ত থেকেই আসবে, সে সাথে অন্যান্য মুসলিম দেশ এবং বিভিন্ন স্থানের স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী সংগ্রহ করে এ যুদ্ধের জনবল যোগাড় হবে . . .মোটামুটি এই ছিল সোভিয়েতবিরোধী জেহাদের পরিকল্পনার মোটা দাগগুলো।” সেদিন বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আফগানিস্তানে ছুটে যাওয়া তরুণরা অকাতরে নিজেদের জীবন বিসর্জন দিয়েছে আর ভেবেছে তারা আল্লাহর রাস্তায় জীবন দিচ্ছে। এই তরুণরা কি জানত- তাদের এই আত্মত্যাগে আল্লাহ ও রসুলের কোনো উপকার হচ্ছে না, এই যুদ্ধ ইসলামের স্বার্থে হচ্ছে না, এমনকি এই যুদ্ধ মুসলিমদের সাথে সোভিয়েত রাশিয়ার যুদ্ধও নয়, এই যুদ্ধ আদতে এক সাম্রাজ্যবাদী পরাশক্তি আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আরেক সাম্রাজ্যবাদী পরাশক্তি সোভিয়েত রাশিয়ার স্বার্থের যুদ্ধ? তারা কি ঘুনাক্ষরেও টের পেয়েছিল যে আমেরিকা-রাশিয়ার এই স্বার্থের যুদ্ধে তাদের জিহাদী চেতনাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে মাত্র? যাহোক, যুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়ন পরাজিত ও বিতাড়িত হবার পর রাষ্ট্রক্ষমতায় গেল তালেবানের মতো উগ্রপন্থী মুজাহিদীনরা যাদেরকে ইসলামের কথা বলে উদ্বুদ্ধ করা হয়েছিল। তখন তাদের আর অস্ত্রশস্ত্রের অভাব নেই, সামরিক প্রশিক্ষণও তারা যথেষ্টই পেয়েছে। সবচাইতে বড় কথা হলো তারা প্রত্যেকে জিহাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ। যুদ্ধ শেষ হলেও জিহাদের এই চেতনা কিন্তু শেষ হলো না বরং আরও ধারালো হলো। তারা রাষ্ট্রক্ষমতায় যাওয়ার পর ইসলামের যে ফর্মটি তারা মেনে চলে স্বভাবতই তা সর্বত্র প্রতিষ্ঠা করতে মরিয়া হয়ে উঠল। অন্যদিকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে যারা আফগানিস্তানে জিহাদের জন্য গিয়েছিল তারা সামরিক প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজ নিজ দেশে ফিরে গিয়ে ছোট ছোট দল গঠন করল নিজেদের দেশে জিহাদ করার উদ্দেশ্যে। তারাও স্বপ্ন দেখতে লাগল নিজেদের দেশে তালেবান সরকারের আদলে কথিত ইসলামী সরকার প্রতিষ্ঠা করার। সে সময় আমাদের বাংলাদেশেও রাজপথে স্লোগান দেওয়া হতো- ‘আমরা হব তালেবান, বাংলা হবে আফগান’। এদিকে ফিলিস্তিন, জিনজিয়াং, কাশ্মীরসহ পৃথিবীর যেখানে যেখানে মুসলিমরা দুর্দশার মধ্যে রয়েছে সেখানেও আফগানফেরত ঐ সামরিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তরুণরা জিহাদী চেতনায় ছুটে যেতে লাগল, হামলা-পাল্টা হামলা চালাতে থাকল। পরিস্থিতি এমন দাঁড়াল, যে আল কায়েদাকে যুক্তরাষ্ট্র তৈরি করেছিল সোভিয়েতবিরোধী যুদ্ধের জন্য সেই আল কায়েদাই এবার যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন মুসলিমবিরোধী পদক্ষেপের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের চরম শত্রুতে পরিণত হলো। একইভাবে যে তালেবানকে তৈরি করল আমেরিকা, সেই তালেবানকে ক্ষমতাচ্যুৎ করার জন্যই আমেরিকা আফগানিস্তানে আরেক দফা যুদ্ধের আয়োজন করল। শুরু হলো একদিকে জঙ্গিবাদী তাণ্ডব, অন্যদিকে জঙ্গি দমনের নামে দেশ দখলের মহোৎসব। টুইন টাওয়ারে হামলা হলো, আফগানিস্তানের পর ইরাক দখল করে নেওয়া হলো। লক্ষ লক্ষ মুসলিমের রক্ত ঝরল মার্কিন সেনার হাতে। এসব অন্যায়-অবিচার দেখে আরও হাজার হাজার তরুণ জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়তে লাগল। সাম্রাজ্যবাদী পরাশক্তিগুলো তাদের স্বার্থ হাসিল করতে আফগানের মাটিতে যে অগ্নিকুণ্ডের জন্ম দিয়েছিল তা অল্পদিনের মধ্যেই দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়তে লাগল একটার পর একটা মুসলিমপ্রধান দেশে।
অতএব, প্রকৃত সত্যকে আড়াল করে এ কথা বলার অবকাশ নেই যে, জঙ্গিবাদ ইসলাম থেকে সৃষ্টি হয়েছে। সত্য হচ্ছে, জঙ্গিবাদের জন্মদাতা পশ্চিমা পরাশক্তিগুলো; ইসলামকে তারা সুবিধা বুঝে ব্যবহার করেছে মাত্র।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
 ১ মে ২০২৬    HT All Article

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article
পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমিয়েছে চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন
চীনে প্রতি ১০ কর্মদিবস অন্তর বৈশ্বিক তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নতুন দামে ৫০ লিটার জ্বালানি কিনতে এখন চালকদের প্রায়…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    মতামত

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা
রিয়াদুল হাসান গৌড়ের রাজ দরবারে চাচা কুতুব খানের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ দাসত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে সুলতান তাজ খান কররানির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন যুবক ঈসা খাঁ ও ইসমাইল…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!
শাহাদৎ হোসেন:বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো এই মাটির কৃষক। কৃষকদের আমরা বলি, সব সাধকের বড় সাধক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারা যে ফসল ফলায়,…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!
কথক দা: আমরা যেন আইয়্যামে গুজবে বাস করছি। অপতথ্য আর অপসংবাদের ভীড়ে কোনটা সত্য আর কোনটা অর্ধসত্য এবং কোনটা মিথ্যা তা বোঝা খুবই মুশকিল। একসময়…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান
এম আর হাসান:খুররম খান পন্নী ছিলেন উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইতিহাসের এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর জীবন ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান পর্ব এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ- এই তিনটি…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?
শাহাদৎ হোসেন:ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘ ৪৭ বছরের শীতল সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে। গত ১১ এপ্রিল দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে যে…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ
ওবায়দুল হক বাদল:আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে বড় অঙ্কের ব্যয় নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার। এসব খাতে ২ লাখ…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?
মুস্তাফিজ শিহাব:বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকালে এক চরম বৈপরীত্য চোখে পড়ে। একদিকে রয়েছে বিপুল জনশক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য এবং অন্যদিকে চরম অবমাননা…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article