প্রচ্ছদ    HT All Article   গৌড়ের সুলতানদের বংশধর পন্নী পরিবার

গৌড়ের সুলতানদের বংশধর পন্নী পরিবার

৫ ডিসেম্বর ২০২২ ০২:০০ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

বাংলার ইতিহাসে যে কয়টি বংশ শাসক হিসেবে সুপরিচিত হয়েছে তাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে টাঙ্গাইলের করটিয়ার পন্নী জমিদার বংশ। পন্নী জমিদার বংশের ইতিহাস সুপ্রাচীন এবং এখন পর্যন্ত সমাদৃত। হেযবুত তওহীদ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা এমাম এমামুয্যামান জনাব মোহাম্মাদ বায়াজীদ খান পন্নীর ধমনীতেও এই পন্নী জমিদার বংশের রক্তই প্রবাহিত ছিল। দৈনিক দেশেরপত্রের পাঠকদের জন্য আলহাজ্ব কাজী নুরুল ইসলাম এডভোকেট-এর টাঙ্গাইলের হাজার বছরের ইতিহাস বই থেকে জনদরদী বিখ্যাত এই পন্নী পরিবারের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস উপস্থাপন করছি।
নওয়াব সুলেমান খান পন্নী ছিলেন করটিয়ার জমিদারদের পূর্বপুরুষ। ঢাকা-টাঙ্গাইল রাস্তার ধারে এক মনোরম পরিবেশে শত শত বছরের ইতিহাস বুকে নিয়ে আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে ঐতিহ্যবাহী করটিয়ার জমিদার বাড়ি। সাদামাটা বাড়িগুলোই প্রমাণ করে যে এক জনদরদী, মানব প্রেমিক ও প্রজাবৎসল বিশাল হৃদয়ের জমিদার পরিবার বাস করত এখানে। আজ যদিও ম্লান হয়ে গেছে সে বাড়িগুলো, তবু তার ইতিহাস ও ঐতিহ্য লেখা রয়েছে প্রতিটি ইটের পাঁজরে পাঁজরে।
সে ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিচ্ছবি করটিয়া সা’দত বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছেই এ জমিদার বাড়ি। কলেজটি করটিয়ার বিখ্যাত জনদরদী, দেশপ্রেমিক জমিদার ওয়াজেদ আলী খান পন্নীর (চাঁদ মিয়ার) দ্বারা প্রতিষ্ঠিত। মহান হৃদয়ের এ মানুষটিকে আজও এ দেশের মানুষ শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে। শুধু তাই নয় স্কুল, মাদ্রাসা, মসজিদ সবই করেছে এই পরিবার।
এই ঐতিহ্যবাহী পরিবারের ইতিহাস অনেক লম্বা। এখনও এ পরিবারের সদস্যরা নিজেদের ইতিহাস-ঐতিহ্যকে ধরে রেখেছে। যা অনেক রাজ-পরিবারেও নেই। শত শত রাজ পরিবার বিলুপ্ত হয়ে মিলিয়ে গেছে মাটির গর্ভে, কিন্তু এই পরিবার এখনও ধরে রেখেছে তার অভিযাত্রা।
করটিয়া জমিদার বংশ বিখ্যাত আফগান পাঠান বংশোদ্ভূত। মুসলিম শাসনের সোনালি যুগে আরব পারস্য, তাতার হতে বহু মুসলমান বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমায়। ঠিক তেমনি এদেশেও তারা চলে আসে। কোন কোন রাজ-পরিবারের সদস্যরা পরাজিত হয়ে পালিয়ে অথবা কোন কোন রাজার সুবেদার হয়ে এদেশে এসে রাজত্ব কায়েম করেছেন। হয়তো আর যাননি এ দেশ হতে। প্রতিষ্ঠিত করেছেন পরিবারিক ব্যবস্থা। এমনই এক পরিবার হচ্ছে পন্নী পরিবার। এই জমিদার পরিবারকে কখনো পন্নী বা কখনো কররানী বলা হয়ে থাকে। এই পন্নী পরিবার জনগণের সুখে দুঃখে সমহারে জড়িত থেকেছে বলেই জনগণ তাদেরকে চিরকাল স্মরণ করবে।
১৫৪৬ খ্রিষ্টাব্দে শেরশাহের মৃত্যুর পর দেওয়ান সুলায়মান খাঁ বাংলায় বিদ্রোহ করে। দেওয়ান সুলায়মান খাঁকে দমন করার জন্য বিহারের শাসনকর্তা তাজ খান পন্নী এবং সেনাপতি দরিয়া খাঁ বাংলাদেশে এসে সুলায়মান খাঁ কে পরাজিত ও হত্যা করেন। এই যুদ্ধে সুলায়মান খাঁ এর পুত্র ইতিহাসখ্যাত ঈশা খাঁ ও ইসমাইল খাঁ বন্দী হয়ে ক্রীতদাস হিসেবে মঙ্গোলিয়ার বণিকদের কাছে বিক্রি হন।
১৫৬৩ খ্রিষ্টাব্দে তাজ খান পন্নী বাংলা ও বিহারের রাজপদে অভিষিক্ত হন এবং দিল্লীর অধীনতা স্বীকার করে বাংলায় মূলত স্বাধীনভাবেই রাজত্ব করতে থাকেন। তাজ খান পন্নী এই সময় নিহত সুলেমান খাঁর ভাই কুতুব খাঁকে তার দরবারে উচ্চপদে নিয়োগ দেন। কুতুব খাঁ উচ্চপদে আসীন হয়েই অনেক খোঁজাখুজির পর সেই সুদূর মঙ্গোলিয়া থেকে দুই ভাতিজা ঈশা খাঁ ও ইসমাইল খাঁকে অনেক অর্থ ব্যয় করে স্বদেশে ফিরিয়ে আনেন।
পরবর্তীকালে পিতৃব্য কুতুব খাঁর সাহায্যে ঈশা খাঁ পূর্ব বাংলার এক বিস্তৃত জনপদের শাসনভার প্রাপ্ত হন। ঈশা খাঁ নারায়ণগঞ্জের উত্তর পূর্ব দিক খিজিরপুর নামক স্থানে বাসস্থান নির্মাণ করেন। বীর কুল শ্রেষ্ঠ ঈশা খাঁ তাজ খান পন্নীর সাহায্য ও সহানুভূতিতে নিজের ভাগ্যকে গড়ে তুলেন। করটিয়ার জমিদার পরিবারের পূর্বপুরুষদের সাহায্য সহানুভূতি না পেলে হয়তো ঈসা খাঁ কে সারাজীবন কৃতদাস রূপে সেই সুদূর মঙ্গোলিয়ায় জীবন কাটাতে হতো।
১৫৬৪ খ্রিষ্টাব্দে নওয়াব তাজ খান পন্নীর মৃত্যু হলে তাঁর ছোট ভাই সুলেমান খান কররানী বাংলা বিহারের মসনদে বসেন। তিনি উড়িষ্যাও জয় করেন। নওয়াব সুলেমান খান কররানী বাদশাহ আকবরের নিকট উপঢৌকন পঠিয়ে তাঁর সাথে সন্ধি স্থাপন করেন। সুলেমান খান কররানী গড়বাড়ির গড়গড়ি নামক এক ব্রাহ্মণের সুন্দরী কন্যা অলকাকে বিবাহ করেন। এই গড়গড়ির নাম অনুসারেই গ্রামের নাম গড়বাড়ি হয়েছে বলে অনেকে মনে করেন। এই কন্যার গর্ভেই বায়েজীদ খান পন্নী এবং দাউদ খান পন্নীর জন্ম হয়।
সুলেমান খান কররানী টাঙ্গাইলের সখিপুরের উত্তরে তার বাসস্থান নির্মাণ করেন। আজও তার নাম অনুসারে সেই জায়গার নাম কররানী চালা নামেই পরিচিত। সেই বাসস্থানের পাশেই নাপিত ও ধোপাদের বাসস্থান নির্মাণ করে দিয়েছিলেন বলেই তার পাশেই ধোপা বা ধুপীর চালা আজও বিদ্যমান। মালিরা ফুল তুলে মালা গেঁথে তার দরবারে পৌঁছাত। তাদেরকে যে গ্রামে উপহার দেওয়া হয় সেই গ্রামের নামকে আজও ফুলমালীর চালা বলে।
পিতার মৃত্যুর পর বায়েজীদ খান পন্নী ১৫৭২ খ্রিষ্টাব্দে বাংলা বিহার ও উড়িষ্যার মসনদে বসেন। বায়েজীদ খান পন্নী সিংহাসনে বসে বেশি দিন রাজ্য ভোগ করতে পারেন নি। ক্ষমতালোভী ভগ্নিপতি হাঁসু খাঁ তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে। বায়েজীদ খাঁ মসনদে বসার আগে তার নাবালক পুত্র সাঈদ খাকে স্ত্রীসহ বায়েজীদপুরে বা বাজিতপুর রেখে রাজধানী তাড়ায় চলে যান। সুলায়মান খান কররানী পাহাড়ি এলাকায় রাজধানী করেছিলেন বলেই তার নাম অনুসারে এখনও সেই জায়গার নাম কররানী চালা নামে পরিচিত। সেখানে প্রচুর ইট পাটকেলের স্তূপ ইতিপূর্বে দেখা গেলেও এখন আর দেখা যায় না।
বায়েজীদ খান পন্নী পশ্চিম এলাকায় যুদ্ধে ব্যস্ত থাকায় কোচ রাজা চিলা রায় বায়েজীদ খাঁর রাজধানী আক্রমণ করে দখল করে নেন। তখন বায়েজীদ খাঁ পন্নী ফিরে এসে চিলা রায়কে পরাস্ত ও বন্দী করে চিলা পুকুর পারে বায়েজীদ খাঁ পন্নীর আবাস ভূমিতে আটক রাখেন বলে উক্ত পুকুররের নাম চিলা পুকুর হয়েছে। বায়েজীদ খান পন্নীর মৃত্যুর পর তার সহোদর ভ্রাতা দাউদ খান পন্নী হাঁসু খাঁকে হত্যা করে সিংহাসনে বসেন। তিনি সিংহাসনে বসেই মোঘলদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। বাদশাহ আকবরের সেনাপতি খানে খানম মোনায়েম খাঁ এবং রাজা তোডরমল্লের সাথে যুদ্ধে দাউদ খান পরাজিত হন। পরবর্তীকে তোডরমল্ল মহামারীতে মৃত্যু বরণ করলে দাউদ খান পন্নী আবারও আক্রমণ করে তার রাজত্বের কিছু অংশ দখল করেন। পরর্বতীতে বাদশাহ আকবর নিষ্ঠুর খানে জাহান হোসেন কুলি খাঁকে সেনাপতি করে বাংলায় পাঠান।
সেনাপতি হোসেন কুলি খাঁর নিকট যুদ্ধে দাউদ খাঁ পরাজিত ও নিহত হন। আকবরকে খুুশি করার জন্য ১৫৭৬ সনে হোসেন কুলি খাঁ গলাকেটে দাউদ খাঁর মস্তক দিল্লিতে পঠিয়ে দেন এবং দাউদ খাঁর স্ত্রী ও কন্যা দালিয়াকে বন্দী করে আগ্রায় নেওয়া হয়। বাদশাহ আকবর তাদেরকে সসম্মানে তাদেরকে ভাতার ব্যবস্থা করে আগ্রায় থাকার ব্যবস্থা করেন।
এদিকে বাদশাহ আকবর পাঠানদের সাথে সমঝোতায় আসার জন্য চেষ্টা করছিলেন। কাকে দিয়ে সমঝোতা করা যায় তাই ভাবছিলেন। হঠাৎ তার মনে পরে বায়জীদ খাঁ পন্নীর ছেলে সাঈদ খাঁ পন্নীর কথা। তাঁর বিশ্বাস তাঁর মাধ্যমেই সমঝোতা করা সম্ভব। তাই তিনি সেনাপতি দেলোয়ার খাঁকে সংবাদ পাঠালেন সাঈদ খাঁ পন্নীকে স্বশরীরে দিল্লীতে পাঠানোর জন্য।
দেলোয়ার খাঁ বায়েজীদপুরে আসার পূর্বেই বায়েজীদপুরে খবর এসে যায় যে মুঘল সেনাপতি স্বসৈন্যে বায়েজীদপুরে আসছে। তাদের ভয়ে চাকর চাকরানী সৈন্য সামন্ত সব পালিয়ে গেলে অন্ধকার ঘরে একা সাইদ খান পন্নী পায়চারী করছেন। এমন সময় তার শিক্ষাগুরু বাবা আদম কাশ্মিরীর সুযোগ্য শিষ্য মাস্তান শাহ এসে অনেক সান্তনা দিয়ে বললেন, “বাবা সাইদ, যৌবনকাল মানব জীবনের অমূল্য সম্পদ। এ সম্পদ অবহেলায় নষ্ট করা ঠিক হবে না। জেদের বশবর্তী হয়ে তুমি যদি মুঘলদের হাতে জীবন দাও তবে কি লাভ হবে। কাজেই নিজেকে বাঁচিয়ে জনসাধারনের জন্য কিছু করাই উচিত।” তখন সাইদ খাঁ তার শিক্ষা ও দীক্ষাগুরু বাবা আদম কশ্মিরীর শাহান শাহ (রহ.)-র সুযোগ্য শিষ্য মাস্তান শাহর হাত ধরে দিল্লির ফতেহপুর সিক্রিতে তাপস শ্রেষ্ঠ সেলিম শাহ চিশতির আশ্রমে আসেন। সাঈদ খাঁ সেখানেই থেকে যান। সেলিম শাহ চিশতি বাদশাহ আকবরের গুরু। বাদশাহ আকবরের সাথে সাঈদ খাঁ পন্নীর সেলিম শাহ চিশতির দরবারেই মুলাকাত হয়। বাদশাহ আকবর তার সাথে মত বিনিময় করে আগ্রায় নিয়ে তার চাচাত বোন শাহাজাদী দলিয়ারের সাথে বিয়ে দিয়ে ঘোড়াঘাট ও সরকার বাজুহারের জায়গীর দান করেন।
সাঈদ খাঁ পন্নী দেশে ফিরে এসে আটিয়ায় তার বাসস্থান নির্মাণ করেন। এভাবে উড়িষ্যার স্বাধীন নবাব সুলায়মান খাঁর বংশধর বহু চড়াই উৎরাই পড়ি দিয়ে অবশেষে মুঘল সম্রাট আকবরের সুবেদার নিয়ে আটিয়ায় বাসস্থান স্থাপন করে। বসবাস করতে থাকেন। আমির সাঈদ খান পন্নীর মৃত্যুর পর যারা কৃতিত্বের সাথে জমিদারী পরিচালনা করেন তাদের বংশ পরিচয় নিম্নে দেওয়া হলো:
আমীর সাঈদ খান পন্নীর মৃত্যুর পর তার উত্তরসূরি পূর্বপুরুষদের গৌরব রেখা সকলেই কৃতিত্বের সাথে জমিদারী পরিচালনা করেছেন।
বংশ লতিকায় দেখা গেছে আটিয়ার মূল জমিদারী নানাভাবে বিভক্ত হয়ে পাকুল্লা, ধনবাড়ি ও দেলদুয়ার জমিদার পরিবারকে সম্পর্কাম্বিত করে রেখেছে। প্রকৃতপক্ষে আটিয়ার জমিদার অথাৎ বর্তমান করটিয়ার পন্নী পরিবারই হচ্ছে প্রাচীন ঐতিহ্যশালী খান্দানী জমিদার। পূর্বে যে সাঈদ খাঁর ঘটনা বহুল কাহিনী উল্লেখ করা হয়েছে, তাঁরই প্রকৃত উত্তরাধিকার হচ্ছে করটিয়ার পন্নী বংশধর। ষোড়শ সপ্তদশ শতাব্দী থেকে দীর্ঘ সাড়ে তিনশত বছরের প্রাচীন ঐতিহ্য বহন করছেন পন্নী বংশ।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
 ১ মে ২০২৬    HT All Article

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article
পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমিয়েছে চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন
চীনে প্রতি ১০ কর্মদিবস অন্তর বৈশ্বিক তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নতুন দামে ৫০ লিটার জ্বালানি কিনতে এখন চালকদের প্রায়…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    মতামত

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা
রিয়াদুল হাসান গৌড়ের রাজ দরবারে চাচা কুতুব খানের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ দাসত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে সুলতান তাজ খান কররানির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন যুবক ঈসা খাঁ ও ইসমাইল…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!
শাহাদৎ হোসেন:বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো এই মাটির কৃষক। কৃষকদের আমরা বলি, সব সাধকের বড় সাধক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারা যে ফসল ফলায়,…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!
কথক দা: আমরা যেন আইয়্যামে গুজবে বাস করছি। অপতথ্য আর অপসংবাদের ভীড়ে কোনটা সত্য আর কোনটা অর্ধসত্য এবং কোনটা মিথ্যা তা বোঝা খুবই মুশকিল। একসময়…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান
এম আর হাসান:খুররম খান পন্নী ছিলেন উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইতিহাসের এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর জীবন ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান পর্ব এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ- এই তিনটি…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?
শাহাদৎ হোসেন:ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘ ৪৭ বছরের শীতল সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে। গত ১১ এপ্রিল দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে যে…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ
ওবায়দুল হক বাদল:আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে বড় অঙ্কের ব্যয় নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার। এসব খাতে ২ লাখ…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?
মুস্তাফিজ শিহাব:বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকালে এক চরম বৈপরীত্য চোখে পড়ে। একদিকে রয়েছে বিপুল জনশক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য এবং অন্যদিকে চরম অবমাননা…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article