প্রচ্ছদ    HT All Article   কারা আমাদের বংশ রক্ষা করবে?

কারা আমাদের বংশ রক্ষা করবে?

১৬ জুন ২০১৫ ১২:২৬ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

035আতাহার হোসাইন:

মানুষ পৃথিবীতে আসে আবার নির্ধারিত কাল অতিক্রম করে চলে যায়। কিন্তু সে সব সময়ই আশা করে তার উত্তরসূরীর মাধ্যমে পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে। উত্তরসূরী রেখে যাওয়ার মাধ্যমেই মানুষ তার আদি পিতা আদমের অমরত্বের আকাক্সক্ষাকে পূর্ণতা দেয়। যে মানুষ তার উত্তরসূরী রেখে যেতে পারে না সে তার জীবনকে বৃথা বলে মনে করে। আমরাও এর ব্যতিক্রম নই। কিন্তু আমাদেরকে অবশ্যই দেখতে হবে পৃথিবীতে আমাদের কেমন উত্তরসূরি রেখে যাচ্ছি। আমরা কি তাদেরকে মানুষ বানাতে পারছি, নাকি রেখে যাচ্ছি মানুষ নামের দু’পেয়ে কিছু প্রাণী?
এই লেখাটার পেছনে যিনি আমাকে উৎসাহ যুগিয়েছেন তিনি অতিশয় দুঃখ নিয়ে আমাকে একটি ঘটনা শোনালেন। কোরবানির ঈদের দিন ঢাকা মহানগরীর কোন একটি গলিতে বাড়ির কর্তা গরু কোরবানি দেবেন। গরুতো আর একা জবাই করা সম্ভব নয়, তাই তিনি কসাইসহ আরো দু-একজনের সহযোগিতা নিলেন এবং তার পরিবারের (উত্তর প্রজন্ম) তরুণটিকেও ডাকলেন গরুটিকে শোয়ানোর কাজে সহযোগিতা করার জন্য। তরুণটি আসল বটে, কিন্তু সে গরুটিকে বিব্রত ভাব নিয়ে এমনভাবে ধরল যাকে ‘ধরল’ না বলে ‘ছুয়েছে’ বলাটাই শ্রেয় হবে। তার চালচলনে ভীষণ আনাড়ি ভাব। কিন্তু গরুকে শুধু ছুয়ে রাখলে তো আর জবাই করা সম্ভব নয়। কর্তা তরুণটির এই অবস্থা দেখে রেগে মেগে দিলেন এক ধমক, ‘যা এখান থেকে!’ ছেলেটি সঙ্গে সঙ্গে বিড়বিড় করতে করতে পিছু হটে গেল, যেন এটাই সে চাইছিল। আর কর্তা তখন রাগে গজ-গজ করতে করতে আরো দু’একজন প্রৌঢ়-বৃদ্ধের সহযোগিতায় সর্বশক্তি প্রয়োগ করে গরুটিকে জবাই করলেন। তরুণটি তখন কী করছিল? সে পাঞ্জাবির পকেট থেকে স্মার্ট ফোনটি বের করে টেপাটিপি করছিল আর গরু জবাইয়ের ছবি তুলছিল।
হ্যাঁ, এই হচ্ছে আমাদের উত্তর প্রজন্ম। এরা হাতে ছুঁয়ে দিয়ে গরু জবাই করতে চায়, পারে তো ভার্চুয়ালী গরু কোরবানি করে ফেলে আর কী! এরা বড় হয়ে উঠছে টিভি স্ক্রিনে ফুটবল, ক্রিকেট, রেসলিং দেখে, নিজেরাও খেলছে বহুকিছু তবে ঐ কম্পিউটার ও মোবাইল ফোনের স্ক্রিনে। ধূলা-বালি-কাদা-ঘাম এদেরকে স্পর্শ করতে পারে না। অল্প বয়সেই এদের অনেকের চোখে ভারি চশমা। এরা অদ্ভুত বাংরেজি ভাষায় কথা বলে, বিচিত্র তার শব্দভাণ্ডার (যেমন: জোস, শিরাম, আজীব, মাম্মা, পুরাই পাংখা, মাইরালা আম্রে মাইরালা ইত্যাদি)। মাথার চুল থেকে পায়ের জুতা পর্যন্ত পশ্চিমা রকস্টারদের নকল করে এরা হয়েছে ‘ইয়ো ইয়ো’ জেনারেশন। পরনে খাটো টি-শার্ট, থ্রি কোয়ার্টার প্যান্ট অথবা নিচু করে পরা ফেঁসে যাওয়া জিন্স, প্রকাশিত আন্ডার অয়্যার আধুনিকতার জানান দেয়। গলায়, কানে, কবজিতে এমন কি ভ্রুতে বিভিন্ন গহনা, মোটা বকলসের ঘড়ি। হাতে এনার্জি ড্রিংকস। কৈশোরেই ধূমপানে অভ্যস্ত। মাদকাসক্তও কম নয়। বেলা একটার পরে এদের সকাল হয়। এক মাইল পথ হাঁটার সামর্থ এদের নেই, ইচ্ছাও নেই। এদের কেউ ডাব কেটে পানি বের করে খেতে পারে না। এরা গাড়ি, রিক্সা, মোটর বাইক ছাড়া চলে না, প্রিয় খাদ্য ফাস্টফুড। এদের মধ্যে একটি বিরাট অংশের শরীর স্বাস্থ্য ব্রয়লার মুরগির কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। এদের হাতে থাকে বড় বড় স্ক্রিনের স্মার্ট ফোন, ট্যাব, কানে হেডফোন-ব্লুটুথ। দিনমান ব্যস্ত ফেসবুক, স্কাইপে, ভিডিও চ্যাট, হিন্দি সিনেমা, নাচ-গান, হোয়াটসএপ-ভাইবার প্রভৃতি নিয়ে। বাবা-মা এদের কাছে গুরুত্বহীন ওল্ড ফুল, খানা-খাদ্যের প্রয়োজন মেটাতে ফর্মালিটির সম্পর্ক, হৃদয়ের বন্ধন বহু আগেই ছিন্ন হয়ে গেছে। ডিজিটাল সন্তানের অ্যানালগ বাবা-মায়ের সঙ্গে জেনারেশন গ্যাপতো হবেই। ভদ্রতা, শিষ্টাচারেরও বিরাট অভাব তাদের চরিত্রে। বন্ধুরাই জীবন-মরণ। দিনরাত বন্ধুদের সাথে আড্ডা, ফুর্তি (ওদের ভাষায় মাস্তি), চ্যাটিং আর ফোনালাপ। এদের নাকি বন্ধু ছাড়া একটা দিনও ইমপসিবল! গুরুত্বপূর্ণ পরিবেশেও তারা থাকে ফেসবুকে মগ্ন।
একবার ভেবে দেখুনতো আপনার ঘরে আপনার যে উত্তরসূরীটি এভাবে বড় হচ্ছে তাদের ভবিষ্যৎ কী? বাস্তবতা বিবর্জিত, জগতের প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করতে অক্ষম, মানসিকভাবে অক্ষম ও ভারসাম্যহীন এই প্রজন্মই আপনার আকাক্সিক্ষত ছিল? এরা কি আমাদের অমরত্বের স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রাখতে পারবে? এভাবে যদি চলতে থাকে তবে আর দু’এক প্রজন্ম পরে এরা বলবীর্য্যহীন নপুংসকে পরিণত হবে এ কথা নিঃসন্দেহে বলা যায়। ব্রয়লার মুরগি দিয়ে বংশরক্ষা হয় না।
প্রশ্ন হচ্ছে এই অনাকাক্সিক্ষত পরিণতি কি আমাদের নিয়তি, নাকি আমরাই আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সেদিকে ঠেলে দিয়েছি? অতীতে আমাদের স্বকীয়তা, স্বাধীন চেতনা, ইতিহাস-ঐতিহ্যকে ধ্বংস করে দেয়ার জন্য পরধনলোভী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোকে সামরিকভাবে আমাদের ভূ-খণ্ড দখল করে, শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়ে তাদের মানসিক গোলামে পরিণত করতে হতো। সে সময় বন্দুকের জোরে লুটে-পুটে আমাদের সম্পদ জাহাজে করে তাদের দেশে নিয়ে যেত। এভাবে তারা আমাদেরকে ফতুর করে দিয়ে গেছে। কিন্তু আজ সেই ঔপনিবেশিক যুগ তার রূপ পরিবর্তন করেছে। আজ বন্দুকের স্থান নিয়েছে পুঁজিবাদ ও আকাশ সংস্কৃতির আগ্রাসন। আজ আর তাদেরকে সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে আমাদেরকে শারীরিকভাবে দখল করতে হয় না। তাদের দৃষ্টিভঙ্গি (যা তারা নিজেদের ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করে না) আমাদের দেশগুলোতে রপ্তানি করেই তারা তাদের কাক্সিক্ষত সাফল্য আদায় করে নিচ্ছে। আমরা গ্লোবালাইজেশনের নামে তাদের কাছে অসহায় আত্মসমর্পণে বাধ্য হয়েছি। আমরা যতই তাদের মত হতে চাচ্ছি, ততই আমাদের সামান্য যা সম্পদ তারও সিংহভাগ তাদের কর্পোরেশনগুলির অ্যাকাউন্টে পাচার হচ্ছে। যেখানে গোলামী যুগেও আমাদের বৈদেশিক কোন ঋণ ছিল না সেখানে আজ আমাদের মাথাপিছু ঋণের কথা মনে হলে ঘুম হারাম হয়ে যায়।
প্রযুক্তির কল্যাণকর দিক যেমন আছে অপব্যবহারের ফলে সৃষ্ট অকল্যাণের পরিমাণও কম নয়। একটি মোবাইল ফোনের উদ্দেশ্য দূরে থাকা আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা এবং প্রয়োজনীয় কথা বার্তা বলা। কিন্তু সেই মৌলিক প্রয়োজনীয়তাকে ছাড়িয়ে আজ মোবাইল ফোন হয়ে উঠেছে যুবসমাজ ধ্বংসের হাতিয়ারে। আজকে আপনার উত্তর প্রজন্মকে প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে চলার স্বার্থে তার হাতে যে বড় স্ক্রীনের মোবাইল, ট্যাবলেট-ফ্যাবলেট ফোনটি তুলে দিয়েছেন তা দিয়ে সে কি করছে তার খবর রাখছেন কী? যোগাযোগের জন্য এত দামি ও উন্নত কনফিগারেশনের ফোন কি তার খুব জরুরি? না, মূলত সে এই প্রযুক্তির অপব্যবহার করে নিজেকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। অতীতের সাম্রাজ্যবাদী ঔপনিবেশিক শক্তিগুলোর প্রতিনিধি হয়ে আসা মোবাইল কোম্পানিগুলো বিভিন্ন প্রকার আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন, ভোগবাদী ও স্ফুর্তিবাজ লাইফস্টাইল তাকে নানাভাবে বাধ্য করছে তাদের নতুন নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ করতে। এর মাধ্যমে তারা একদিকে যেমন দরিদ্র দেশগুলির অর্থ নিয়ে যাচ্ছে তেমনি ধ্বংস করে দিচ্ছে নতুন প্রজন্মটির নৈতিকতা, চারিত্রিক দৃঢ়তা। তাদের ভার্চুয়াল দেশপ্রেমের সঙ্গে একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধাদের দেশপ্রেমের কতটুকু পার্থক্য সেটা আপনারাই বিবেচনা করুন। কেবল বন্ধুদের সঙ্গে অসার আড্ডাবাজি, চ্যাটিং, ফেসবুকিং করে তাদের জীবন থেকে হারিয়ে যাচ্ছে দিনের পর দিন, বছরের পর বছর। বিনামূল্যে বা স্বল্পমূলে অনলাইন, ফেসবুক ব্যবহারের সুবিধা দিয়ে বেনিয়ারা এসবের নেশায় তরুণদেরকে আসক্ত করছে, ঠিক যেভাবে দু’শ’ বছর আগে ব্রিটিশরা এদেশের যুবক শ্রেণিকে বিনামূল্যে আফিম খাওয়াতো যেন এেেদর যুবসমাজ ধ্বংস হয়, এবং এদেশে আফিমের বাজার সৃষ্টি হয়। এজন্য তারা পাহাড়ি দেশগুলিতে আফিমের চাষও করত। তরুণ প্রজন্ম শুধু কি এসব যোগাযোগ সাইটই ব্যবহার করে? না, অনলাইন জগতে যতগুলো সাধারণ সাইট আছে তার চেয়েও বেশি সাইট রয়েছে পর্নোগ্রাফিক সাইট। সার্চ ইঞ্জিনগুলির হিসাবমতে সবচেয়ে বেশি সার্চ ও ভিজিট হয় পর্ন সাইটগুলিতে, আর এটা করে প্রধানত আপনার-আমার উত্তর প্রজন্মরাই। সুতরাং তাদের নৈতিক স্খলন রোধ করার কোনো উপায় থাকে না। বাস্তব জীবনে সেসবের প্রতিক্রিয়া হিসেবে তারা প্রেম-ডেটিং, ইভটিজিং, অনৈতিক শারীরিক সম্পর্ক, ধর্ষণ ইত্যাদিতে জড়িয়ে পড়ছে। প্রাচীন রীতি-চিঠির কথা মনে করে ধরে-টরে, বলে কয়ে বিয়ে থা দিলেন, ব্যস- কিছুদিন পরেই সংসার শেষ। হাতের গ্লাস ভাঙতেও সময় লাগে কিন্তু এদের সংসার ভাঙতে সময় লাগে না।
অবশ্য ফেসবুক চালানোর সুবিধাও অস্বীকার করা যায় না। কারণ, পরীক্ষার আগেই সেখানকার পেজগুলো থেকে প্রশ্নপত্র পাওয়া যায়। এর কল্যাণে শতকরা নব্বই শতাংশ ছাত্র-ছাত্রী কৃতকার্য হয়ে যাচ্ছে। সকল খাতে যেখানে অবনতি, সেখানে শিক্ষাখাতে বসন্তের জোয়ার। কিন্তু ধরা খেতেও আমাদেরকে বেশি দিন অপেক্ষা করতে হয় না। গোল্ডেন এ প্লাস পাওয়া সেই ছাত্র-ছাত্রীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় শতকরা নব্বই জন অকৃতকার্য হয়। ইংরেজি বিভাগে মাত্র দুইজন কৃতকার্য হওয়া তারই উত্তম নমুনা।
আধুনিক প্রজন্মের এই যে অধঃপতন, এর দায় কে নেবে? পুঁজিবাদী ও ভোগবাদী বিশ্বের মুখোমুখি করে দিয়ে আমরাই তাদেরকে এই পরিস্থিতির মুখোমুখি দিয়েছি। যুগের চাহিদা মেটাতে, তাদের আব্দার মেটাতে আমরা তাদের হাতে প্রযুক্তি তুলে দিচ্ছি, কিন্তু সেসবের ক্ষতিকারক দিকগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করি নি। ডিজিটাল জোয়ারে আমরা এতটাই টালমাটাল যে, অনেক সময় দেশের অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গকেও আমরা দেখি দায়িত্বে অবহেলা করে স্মার্ট ফোন টেপাটেপিতে মগ্ন। আমরাই নবপ্রজন্মকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছি। সুতরাং তাদেরকে এ থেকে উদ্ধার করার দায়িত্বও আমাদের।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
 ১ মে ২০২৬    HT All Article

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article
পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমিয়েছে চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন
চীনে প্রতি ১০ কর্মদিবস অন্তর বৈশ্বিক তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নতুন দামে ৫০ লিটার জ্বালানি কিনতে এখন চালকদের প্রায়…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    মতামত

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা
রিয়াদুল হাসান গৌড়ের রাজ দরবারে চাচা কুতুব খানের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ দাসত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে সুলতান তাজ খান কররানির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন যুবক ঈসা খাঁ ও ইসমাইল…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!
শাহাদৎ হোসেন:বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো এই মাটির কৃষক। কৃষকদের আমরা বলি, সব সাধকের বড় সাধক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারা যে ফসল ফলায়,…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!
কথক দা: আমরা যেন আইয়্যামে গুজবে বাস করছি। অপতথ্য আর অপসংবাদের ভীড়ে কোনটা সত্য আর কোনটা অর্ধসত্য এবং কোনটা মিথ্যা তা বোঝা খুবই মুশকিল। একসময়…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান
এম আর হাসান:খুররম খান পন্নী ছিলেন উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইতিহাসের এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর জীবন ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান পর্ব এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ- এই তিনটি…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?
শাহাদৎ হোসেন:ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘ ৪৭ বছরের শীতল সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে। গত ১১ এপ্রিল দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে যে…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ
ওবায়দুল হক বাদল:আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে বড় অঙ্কের ব্যয় নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার। এসব খাতে ২ লাখ…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?
মুস্তাফিজ শিহাব:বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকালে এক চরম বৈপরীত্য চোখে পড়ে। একদিকে রয়েছে বিপুল জনশক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য এবং অন্যদিকে চরম অবমাননা…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article