প্রচ্ছদ    HT All Article   এই হজ কি প্রকৃত উম্মতে...

এই হজ কি প্রকৃত উম্মতে মোহাম্মদীর হজ?

১৭ আগস্ট ২০১৮ ০৯:১৮ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

শাকিলা আলম
ইসলামী জীবনব্যবস্থায় হজ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবাদত। বর্তমানের মুসলিম নামধারী এই জাতিটির নামাজ, রোজা, যাকাত ইত্যাদির মতো হজ সম্পর্কেও আকিদা বিকৃত হয়ে গিয়েছে। তাদের বিকৃত আকিদার হজ আজ সম্পূর্ণরূপে একটি আধ্যাত্মিক ব্যাপার, আল্লাহর সান্নিধ্য অর্জন করার পথ। তাই যদি হবে তাহলে আল্লাহ তো সর্বত্র আছেন, সৃষ্টির প্রতি অণু পরমাণুতে আছেন; তবে তাঁকে ডাকতে, তাঁর সান্নিধ্যের জন্য এত কষ্ট করে দূরে যেতে হবে কেন? শুধ্ ুতাই নয়, তিনি বলেছেন- নিশ্চয়ই আমি তোমাদের অতি সন্নিকটে (সূরা আল বাকারা ১৮৬), তারপর আরো এগিয়ে গিয়ে বলেছেন, আমি তোমাদের গলার রগের চেয়েও সন্নিকটে (সুরা ক্বাফ ১৬)। যিনি শুধু নিকটেই নয় একেবারে গলার রগের চেয়েও নিকটে, তাঁকে ডাকতে, তাঁর সান্নিধ্যের আশায় এত দূরে যেতে হবে কেন? যদি বলেন কাবা আল্লাহর ঘর তাই সেখানে যাওয়া, তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে ঘরের মালিকই যখন আমাদের সাথে আছে তখন বহু দূরের পাথরের ঘরে যাবার দরকার কি? আজকে হজের যে আকিদা অর্থাৎ “আল্লাহর ঘরে গিয়ে তাঁকে ডাকা” তাহলে আরো একটি প্রশ্ন থেকে যায় যে, একা একা যেয়ে তাঁকে ভালোভাবে ডাকা যায় নাকি সম্পূর্ণ অপরিচিত জায়গায়, অপরিচিত পরিবেশে লক্ষ লক্ষ মানুষের ভিড়ের ধাক্কাধাক্কির মাঝে তাকে ভালোভাবে মন নিবিষ্ট করে ডাকা যায়? ইসলামের উদ্দেশ্য, উদ্দেশ্য অর্জনের প্রক্রিয়া অর্থাৎ সামগ্রিক রূপ যাদের মস্তিষ্ক থেকে বিদায় নিয়েছে, এক কথায় যাদের আকিদা বিকৃত হয়ে গেছে তাদের কাছে এই প্রশ্নগুলোর কোনো উত্তর নেই। দীন অর্থ জীবনব্যবস্থা। যে আইন কানুন, দ-বিধি মানুষের সমষ্টিগত, ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয় জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করবে সেটাই হচ্ছে দীন বা জীবনব্যবস্থা। এটা আল্লাহর সৃষ্টিও হতে পারে আবার মানুষের মস্তিষ্কপ্রসূতও হতে পারে। আল্লাহ প্রদত্ত দীন হচ্ছে ভারসাম্যযুক্ত। সেই দীনের প্রতিটি আদেশ নিষেধও হয়ে থাকে ভারসাম্যযুক্ত। তাতে যেমন রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ইত্যাদির ব্যবস্থা আছে তেমনি আত্মার উন্নতির, পরিচ্ছন্নতারও ব্যবস্থা আছে। যেমন হজ। নির্জনে বলে আল্লাহকে ডাকায় বেশি মনসংযোগ, নিবিষ্টতা হওয়া সত্ত্বেও হজের আদেশ হচ্ছে লক্ষ লক্ষ মানুষের কোলাহলে জনতার সাথে একত্র হয়ে তাঁর সামনে হাজির হওয়া। কারণ আগেই বলেছি ইসলাম আল্লাহর সৃষ্ট দীন কাজেই এর প্রতিটি আদেশ নিষেধ ভারসাম্যযুক্ত। কোনো নির্দেশই একতরফা অর্থাৎ আত্মার ধোয়া মোছা, পরিষ্কার পবিত্রতা নয়। শেষ ইসলামের প্রথম এবং মুখ্য দিকটা হচ্ছে রাষ্ট্রীয়, জাতীয়, ব্যক্তিগত দিকটা গৌণ যদিও ভারসাম্যযুক্ত। বর্তমানের মুসলিম নামধারী জাতির আকিদার সাথে না মিললেও চূড়ান্ত সত্য হচ্ছে এই যে, মুসলিমদের ইহজীবন এবং পরজীবনের, দেহের এবং আত্মার কোনো বিভক্তি থাকতে পারে না। মুসলিম জাতির সমস্ত কর্মকা- হচ্ছে এক অবিচ্ছিন্ন এবাদত। জামাতে নামাজের উদ্দেশ্য হলো মুসলিম পাঁচবার তাদের স্থানীয় কর্মকা-ের কেন্দ্র মসজিদে একত্র হবে, তাদের স্থানীয় সমস্যা নিয়ে আলোচনা পরামর্শ করবে। তারপর সপ্তাহে একবার বৃহত্তর এলাকার জামে মসজিদে জুমার নামাজে একত্র হয়ে ঐ একই কাজ করবে। তারপর বছরে একবার আরাফাতের মাঠে পৃথিবীর সমস্ত মুসলিম জাতির নেতৃত্বস্থানীয়রা, একত্র হয়ে জাতির সর্বরকম সমস্যা, বিষয় নিয়ে আলোচনা করবে, পরামর্শ করবে, সিদ্ধান্ত নেবে। এভাবে স্থানীয় পর্যায় থেকে ক্রমশ বৃহত্তর পর্যায়ে বিকাশ করতে করতে জাতির কেন্দ্রবিন্দু মক্কায় একত্রিত হবে। একটি মহাজাতিকে ঐক্যের সুদৃঢ় বন্ধনে বেঁধে রাখার কী সুন্দর প্রক্রিয়া।
কিন্তু বর্তমানের এই জাতি সেই ঐক্যের বন্ধন ধোরে রাখতে পারে নি। এক সময় এই দীনের অতি বিশ্লেষণ করে, সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম মাসলা মাসায়েল উদ্ভাবন করে জাতিকে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে একে এক মৃতপ্রায় জাতিতে পরিণত করে দেওয়ার পরও এর সব রকম কর্মকা-ের কেন্দ্র মসজিদ ও কাবাই ছিল, কারণ তখনও এই দীনকে জাতীয় পর্যায়ে আর ব্যক্তি পর্যায়ে বিভক্ত করা হয় নি। সামগ্রিক জীবনই এই দীনের দ্বারা পরিচালিত হতো। তারপর যখন ঐ ঐক্যহীন ছিন্ন বিচ্ছিন্ন জাতিটিকে আক্রমণ করে ইউরোপীয় জাতিগুলো দাসে পরিণত করে শাসন এবং শোষণ করলো তখন এই জাতির জাতীয় এবং ব্যক্তিগত জীবনে ভাগ করা হলো যার ফলে রাষ্ট্রীয় এবাদত জুমা, হজ পরিণত হয়েছে উপাসনাতে, শুধু আত্মশুদ্ধির প্রক্রিয়ায়। এখনকার হাজীরা আর তাদের আঞ্চলিক সমস্যার সমাধানকল্পে নিজ নিজ অঞ্চলের প্রতিনিধি হয়ে কেন্দ্রীয় এমামের কাছে যান না তারা আজকে হজ করতে যান শুধুই মাত্র পরকালীন মুক্তির আশায় যে উদ্দেশ্যে ইসলাম আসার আগে মক্কার মোশরেকরা হজ করত। তাদের এই হজ যে আল্লাহ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছেন তা বোঝার ক্ষমতাও আজ এদের নেই। এই জাতি বুঝতে পারছে না যে তারা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের যতই চেষ্টা করছে ততই তারা আল্লাহর লা’নত ডেকে আনছে কারণ জাতীয় জীবন থেকে আল্লাহর হুকুমকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে তারা ইহুদি খ্রিস্টান সভ্যতার হুকুমকে তসলিম করে নিয়েছে, যার ফলে তারা মূলত কাফের মোশরেকে পরিণত হয়েছে। তাদের পরিচয় আজ তারা নিজেরাই জানে না। সমস্ত পৃথিবীতে শান্তি আনা যাদের দায়িত্ব সেই তারাই এখন সমস্ত পৃথিবীতে অশান্তিতে দিনানিপাত করছে। সাম্প্রতিক একটি ঘটনার উদাহরণ দেওয়ার লোভ সংবরণ করতে পারছি না। কয়েক বছর আগে ভারতের উত্তর প্রদেশের মুজাফফর নগরে হিন্দু মুসলিম দাঙ্গায় ৩৭ জনেরও অধিক লোক নিহত হয়েছে। সেখানে দীর্ঘকাল অস্থিতিশীল অবস্থা বিরাজ করেছে। পরিস্থিতির এতটাই অবনতি হয়েছিল যে কেন্দ্রীয় সরকার সেখানে সেনা মোতায়েন করতে বাধ্য হয়েছিল। মূলত এই ধরনের ঘটনাকে ভারতে, মিয়ানমারে দাঙ্গা বলে চালিয়ে দিলেও আসলে সেগুলো সারা পৃথিবীতে চলমান মুসলিম নিধনেরই অংশ, এর পেছনে মূল উদ্দেশ্য রাজনৈতিক। যাই হোক, দাঙ্গা পরিস্থিতিতে ঐ এলাকার মুসলিমদের কী করা উচিত ছিল? নিশ্চয়ই শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য যথাসম্ভব চেষ্টা করা উচিত ছিল। উভয়পক্ষকে সহিংসতা পরিহার করানোর আপ্রাণ চেষ্টা করা উচিত। কিন্তু না, সেখানকার অতি মুসলিমরা এই দুনিয়াদারি কর্মকা-ে না ঢুকে তারা যাচ্ছেন হজ করতে, আত্মার ময়লা পরিষ্কার করতে, নিষ্পাপ হতে। আর সেই হাজীদের বিদায় দিতে গিয়ে ঐ উত্তর প্রদেশের তরুণ মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব হজযাত্রীদেরকে উপদেশ দিয়ে বলেছিলেন, “আপনারা মক্কায় গিয়ে এখানকার দাঙ্গা পরিস্থিতির উন্নতির জন্য দোয়া করবেন।” কি হাস্যকর! মনে হয় যেন তারা দোয়া করলেই আল্লাহ আসমান থেকে সশস্ত্র মালায়েক বাহিনী পাঠিয়ে দিবেন যারা দাঙ্গাবাজদের মেরে ধরে থামিয়ে দেবেন আর অবস্থার উন্নতি হয়ে যাবে। যে কাজের ভার আল্লাহ মুসলিমদেরকে দিয়েছেন সেই কাজের দায়ভার আবার তারা আল্লাহর কাছে ফেরত পাঠিয়ে নিজেরা যাচ্ছেন হজে। এই লক্ষ লক্ষ হাজীদের দোয়া যে আল্লাহ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছেন তার প্রমাণ বর্তমানে সারা পৃথিবীতে মুসলিম নামক জাতিটির শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে চলমান করুণ দুর্দশা ও দাসত্বের জীবন।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
 ১ মে ২০২৬    HT All Article

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article
পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমিয়েছে চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন
চীনে প্রতি ১০ কর্মদিবস অন্তর বৈশ্বিক তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নতুন দামে ৫০ লিটার জ্বালানি কিনতে এখন চালকদের প্রায়…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    মতামত

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা
রিয়াদুল হাসান গৌড়ের রাজ দরবারে চাচা কুতুব খানের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ দাসত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে সুলতান তাজ খান কররানির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন যুবক ঈসা খাঁ ও ইসমাইল…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!
শাহাদৎ হোসেন:বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো এই মাটির কৃষক। কৃষকদের আমরা বলি, সব সাধকের বড় সাধক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারা যে ফসল ফলায়,…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!
কথক দা: আমরা যেন আইয়্যামে গুজবে বাস করছি। অপতথ্য আর অপসংবাদের ভীড়ে কোনটা সত্য আর কোনটা অর্ধসত্য এবং কোনটা মিথ্যা তা বোঝা খুবই মুশকিল। একসময়…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান
এম আর হাসান:খুররম খান পন্নী ছিলেন উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইতিহাসের এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর জীবন ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান পর্ব এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ- এই তিনটি…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?
শাহাদৎ হোসেন:ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘ ৪৭ বছরের শীতল সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে। গত ১১ এপ্রিল দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে যে…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ
ওবায়দুল হক বাদল:আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে বড় অঙ্কের ব্যয় নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার। এসব খাতে ২ লাখ…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?
মুস্তাফিজ শিহাব:বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকালে এক চরম বৈপরীত্য চোখে পড়ে। একদিকে রয়েছে বিপুল জনশক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য এবং অন্যদিকে চরম অবমাননা…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article