প্রচ্ছদ    HT All Article   উগ্রবাদী ধর্মান্ধ ও দুর্নীতিবাজ সুশীল

উগ্রবাদী ধর্মান্ধ ও দুর্নীতিবাজ সুশীল

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৮:০৯ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

মোহাম্মদ আসাদ আলী

কোনো উগ্রবাদী ধর্মান্ধ গোষ্ঠী যখন কোনো দেশে প্রভাব বিস্তার করে কিংবা রাষ্ট্রক্ষমতায় যায়, তখন তাদের আচরণ কেমন হয়, শাসনব্যবস্থা কেমন হয়, বিচারব্যবস্থা কেমন হয় ও সমাজব্যবস্থা কেমন হয় তা আমাদের মোটামুটি জানা। এসব নিয়ে সমালোচনার অন্ত নেই। কিন্তু যারা সেই সমালোচনায় সবচেয়ে মুখর থাকেন, সেই সুশীলদের অবস্থাও একটু বিচার করা দরকার। ধর্মান্ধদের নিন্দার পাশাপাশি এদিকটাও খতিয়ে দেখা দরকার যে, দেশে লক্ষ লক্ষ পশ্চিমা শিক্ষিত সুশীল নাগরিক থাকা সত্ত্বেও কীভাবে একটি ধর্মান্ধ গোষ্ঠী শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে এবং ক্ষমতার শীর্ষে আরোহন করতে পারে। গলদটা কোথায়?
আমার ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণে প্রথম ও প্রধান যে গলদটা দেখতে পাই তাহলো উগ্রবাদী ধর্মান্ধরা তাদের বিশ্বাস প্রতিষ্ঠার জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত থাকলেও কথিত শিক্ষিত ও সুশীল গোষ্ঠী একবিন্দু ত্যাগও স্বীকার করতে চায় না ধর্মান্ধতা মোকাবেলার জন্য। এটাই তথাকথিত সুশীলদের খুঁটিকে নড়বড়ে করে দেয় অনেকাংশে।
কথিত এই সুশীলদের চরিত্র হলো- তারা লিখবে, গাইবে, ছবি আঁকবে, ফিল্ম তৈরি করবে, ফূর্তি করবে আর একদল বেতনভুক্ত সৈন্য পালবে তাদেরকে নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য, ব্যাস! তারপর সেই সৈন্যরা পরাজিত হলে সুশীল সাহেবরা উগ্রবাদীদের হাতে দেশ সঁপে দিয়ে টাকা পয়সা নিয়ে বিদেশে পালিয়ে যাবে। কেঁদে কেঁদে বলবে- অমুক দেশ আমাদের কেন বাঁচালো না, অমুক সরকার আমাদের কেন নিরাপত্তা দিতে পারল না! অথচ তাদের চোখের সামনেই সবকিছু ঘটেছে, যখন তারা স্বার্থপরের মত দিন কাটিয়েছে। তাদের সামনেই উগ্রবাদের জন্ম হয়েছে, বিস্তার লাভ করেছে, শক্তিশালী হয়েছে এবং পুরো দেশকে গ্রাস করে ফেলেছে, কিন্তু তথাকথিত সুশীল শ্রেণির সেদিকে মনোযোগ ছিল না, যতটা মনোযোগ ছিল দুর্নীতি ও লুটপাট করার দিকে, কিংবা ভোগ বিলাসী জীবন যাপনের দিকে।
যখন উগ্রবাদী ধর্মান্ধরা তাদের বিকৃত মতাদর্শ প্রতিষ্ঠার জন্য জীবন দেয়, তখন এরা ঘরে বসে বসে গান গায়, ছবি আঁকে, খেলা দেখে, সিনেমা দেখে। যখন উগ্রবাদীরা বিষাক্ত মতবাদ ছড়িয়ে দিয়ে দরিদ্র বঞ্চিত ছেলেদেরকে একটু একটু করে বিপথগামী করতে থাকে তখন এরা নিজেদের সন্তানদেরকে বিদেশে পড়াশোনা করে সেটেল হতে পাঠায়। যখন দেশের বিভিন্ন অংশে উগ্রবাদীরা অবহেলিত মানুষের সমর্থন আদায় করে নেয়, তখন এরা শহুরে বিলাসবহুল প্রাসাদে এসি কামরায় বসে প্রেমের কবিতা লেখে, গল্প লেখে, উপন্যাস লেখে।
তারপর একদিন শুরু হয় পরিণতি ভোগের পালা। শুরু হয় কান্নাকাটি, আহাজারি। তারা করুণ কণ্ঠে প্রতিবেশী দেশ বা আন্তর্জাতিক পরাশক্তিদের সাহায্য ভিক্ষা করেন আর বলেন- প্লিজ আমাদেরকে বাঁচান, ওই দেখুন শিল্পির কণ্ঠ থামিয়ে দিচ্ছে, সুরের গিটার ভেঙে দিচ্ছে, নারীর অধিকার কেড়ে নিচ্ছে, ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা গুড়িয়ে দিচ্ছে, মত প্রকাশের স্বাধীনতা হরণ করছে ইত্যাদি ইত্যাদি!
আমার প্রশ্ন হলো- ধর্মান্ধ উগ্রবাদীরা এতদূর আসতে পারল কীভাবে? তারা ক্ষমতায় এলে সঙ্গীত নিষিদ্ধ করে দেয়, খেলাধুলা নিষিদ্ধ করে দেয়, প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ধ্বংস করে দেয়, টিভি দেখা নিষিদ্ধ করে দেয়, নারী অধিকার হরণ করে নেয়, ব্যক্তিস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করে- এসব তো আগে থেকেই জানা কথা। এসব যদি মানতে না পারেন তাহলে ক্ষমতায় আসতে দিলেন কেন? প্রতিরোধ গড়লেন না কেন? কেন লক্ষ লক্ষ মানুষ দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান? এর অর্ধেকও যদি উগ্রবাদীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামতেন তাহলে উগ্রবাদীরা পালানোর রাস্তা খুঁজে পেত কি? দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী। তারাই তো যথেষ্ট যে কোনো দেশের উগ্রবাদী নারীবিদ্বেষীদের মোকাবেলার জন্য। কয়েক কোটি নারী যদি শুধু ঝাড়ু হাতে নিয়ে রাস্তায় বের হয় তাহলে উগ্রবাদীদের কী দশা হবে ভেবে দেখেছেন? অবাক করা বিষয় হলো- তারা বিমানের চাকায় চড়ে দেশ ছাড়তে গিয়ে জীবন দেন, কিন্তু উগ্রবাদীদের মোকাবেলা করতে জীবন দিতে চান না। তাহলে যেই যুদ্ধ তারা নিজেরা করতে চান না, সেই যুদ্ধ আমেরিকা এসে করবে কেন? ভারত করবে কেন? চীন করবে কেন? তারা নিজেরা কেন দাঁড়াতে চায় না?
কারণ একটাই- তাদের সেই মনোবল নাই। আর মনোবল নাই তার কারণ তাদের কোনো আদর্শ নাই। এখানে একটা বিষয় লক্ষণীয় উগ্রবাদী ধর্মান্ধরা বিকৃত হলেও কিন্তু “ধর্ম” দিয়ে উদ্বুদ্ধ। তাদের নৈতিক শক্তি টনটনে- কারণ তারা বিশ্বাস করে তারা আল্লাহর পথে লড়াই করছে, তাদের শাসন প্রতিষ্ঠা হলে মানুষ শান্তি পাবে, মুক্তি পাবে (যদিও বাস্তবে বিকৃত মতাদর্শ চর্চার কারণে শান্তি অধরাই থেকে যায়)। তারা এটাকে ভাবে বিপ্লব। অন্যদিকে পশ্চিমা শিক্ষায় শিক্ষিত কথিত সুশীল নাগরিকদের “আদর্শ” বলতে কিছুই নেই। পশ্চিমা গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, সমাজতন্ত্র ইত্যাদি মতাদর্শ তাদের কাছে কেবল রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের সিঁড়ি মাত্র। ক্ষমতায় যেতে পারলেই কিসের গণতন্ত্র আর কিসের ধর্মনিরপেক্ষতা- ওসব শিকেয় তুলে রাখা হয় আর দেশে চলে বিশুদ্ধ লুটপাটতন্ত্র। কাজেই আদর্শিকভাবে এই নেটিজেন সিটিজেনরা সর্বদাই দেউলিয়া হয়ে থাকে।
দ্বিতীয় যে বিষয়টা নৈতিক শক্তি তৈরি করতে পারত তা হলো সততা। এক্ষেত্রেও দেখা যায় সুশীলদের ভরাডুবি। তারা দেশের ক্ষমতার অংশীদার হয়ে যুগের পর যুগ গরীব-দুঃখী মেহনতী মানুষের রক্ত চুষে খান, বিদেশে সম্পদ পাচার করেন, দেশটাকে গরু ছাগলের চারণভূমি বানিয়ে রেখে নিজের সন্তানকে বিদেশে পড়তে পাঠান। যে দেশের মানুষ পেটপুরে খেতে পায় না, সেই দেশে তারা মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার ব্যয় করে বিলাসবহুল প্রাসাদ বানান। আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হন। এভাবে তারাই তৈরি করে দেন বিপ্লবের পটভূমি। তাদের দুর্নীতি ও লুটপাট থেকেই মূলত উগ্রবাদীরা অক্সিজেন পায়। তাহলে তারা কীভাবে উগ্রবাদের মোকাবেলা করবে? না আছে আদর্শ, না আছে সততা। অগত্যা পালিয়ে জীবন বাঁচানোই উপায় হয়ে দাঁড়ায়।
এই যখন অবস্থা, তখন উগ্রবাদী ধর্মান্ধ গোষ্ঠী ও পশ্চিমা শিক্ষায় শিক্ষিত কথিত সুশীল গোষ্ঠী উভয়ের মধ্যে কোনো একটিকে বেছে নিতে হয় দেশের জনগণকে। সেটা মুশকিল হয়ে দাঁড়ায়। আমরা দেখতে পাই একপক্ষ উগ্রবাদীদের বিরোধিতা করতে গিয়ে দুর্নীতিবাজ গোষ্ঠীকে সমর্থন দিতে বাধ্য হয়, আবার আরেকপক্ষ দুর্নীতিবাজ গোষ্ঠীর বিরোধিতা করতে গিয়ে উগ্রবাদী গোষ্ঠীকে সমর্থন দিয়ে ফেলে। তবে কি সত্য অবাঞ্ছিত ও অবহেলিতই থেকে যাবে?
[মতামতের জন্য যোগাযোগ: ০১৬৭০১৭৪৬৫১, ০১৭১১৫৭১৫৮১, ০১৬৭০১৭৪৬৪৩, ০১৭১১০০৫০২৫]

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
 ১ মে ২০২৬    HT All Article

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article
পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমিয়েছে চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন
চীনে প্রতি ১০ কর্মদিবস অন্তর বৈশ্বিক তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নতুন দামে ৫০ লিটার জ্বালানি কিনতে এখন চালকদের প্রায়…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    মতামত

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা
রিয়াদুল হাসান গৌড়ের রাজ দরবারে চাচা কুতুব খানের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ দাসত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে সুলতান তাজ খান কররানির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন যুবক ঈসা খাঁ ও ইসমাইল…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!
শাহাদৎ হোসেন:বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো এই মাটির কৃষক। কৃষকদের আমরা বলি, সব সাধকের বড় সাধক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারা যে ফসল ফলায়,…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!
কথক দা: আমরা যেন আইয়্যামে গুজবে বাস করছি। অপতথ্য আর অপসংবাদের ভীড়ে কোনটা সত্য আর কোনটা অর্ধসত্য এবং কোনটা মিথ্যা তা বোঝা খুবই মুশকিল। একসময়…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান
এম আর হাসান:খুররম খান পন্নী ছিলেন উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইতিহাসের এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর জীবন ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান পর্ব এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ- এই তিনটি…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?
শাহাদৎ হোসেন:ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘ ৪৭ বছরের শীতল সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে। গত ১১ এপ্রিল দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে যে…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ
ওবায়দুল হক বাদল:আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে বড় অঙ্কের ব্যয় নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার। এসব খাতে ২ লাখ…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?
মুস্তাফিজ শিহাব:বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকালে এক চরম বৈপরীত্য চোখে পড়ে। একদিকে রয়েছে বিপুল জনশক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য এবং অন্যদিকে চরম অবমাননা…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article