প্রচ্ছদ    HT All Article   ইসলাম বিদ্বেষের জবাব – মহানবী...

ইসলাম বিদ্বেষের জবাব – মহানবী (সা.) এর আগমনের উদ্দেশ্য কী?

৯ এপ্রিল ২০১৮ ১০:১৩ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

কাজী আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ

বর্তমানের শতধাবিচ্ছিন্ন বিক্ষিপ্ত, হানাহানিতে লিপ্ত, হাজারো রকমের আকিদায় বিভক্ত, অন্য জাতির দ্বারা লাঞ্ছিত অপমানিত আক্রান্ত মুসলমান জাতির এ বিষয়টি জানা খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে যে তারা নিজেদেরকে যাঁর উম্মত বলে বিশ্বাস করেন তাঁর অর্থাৎ মোহাম্মদ (সা.) এর আগমনের উদ্দেশ্য কী ছিল? এটা যদি মুসলমানদের কাছে সু¯পষ্ট থাকে তাহলে তাঁর হাদিসের রেফারেন্স দিয়ে সাম্প্রদায়িকতা, জঙ্গিবাদী কর্মকা-, ধর্মব্যবসা, অপরাজনীতি করার কোনো সুযোগ থাকবে না। তাঁর সমগ্র জীবনের এই যে কোরবানি, সাহাবিদের কোরবানি, শাহাদাত সব কিছুর বিনিময়ে তিনি কী করতে চেয়েছেন, তাঁর পবিত্র জীবনকে প্রথম দিন থেকে শেষ দিন পর্যন্ত পুরো ঘটনা সামগ্রিকভাবে এক দৃষ্টিতে দেখার নাম আকিদা। খ-িতভাবে, বিক্ষিপ্তভাবে দেখলে হবে না।
তিনি কি সাম্রাজ্যবিস্তার করতে এসেছেন, তিনি কি অন্য ধর্মের লোকদেরকে জোর করে ধর্মান্তরিত করতে এসেছেন, অন্যদের ধন সম্পদ জোরপূর্বক দখল করতে এসেছেন, নাকি অন্য কোনো কামনা-বাসনা চরিতার্থ করতে এসেছেন? (নাউযুবিল্লাহ!) যে বিষয়গুলো নিয়ে গত কয়েক শতাব্দী থেকে ইসলামের শত্রুরা বিষোদ্গার করে এসেছে, মিথ্যা বানোয়াট আজগুবি সব মতবাদ প্রচার করে দিয়ে ঘৃণা বিস্তার করে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপপ্রয়াস করছে।
কাজেই আমাদের পরিষ্কারভাবে জানা দরকার যে আমাদের শেষ রসুল আসলে কী জন্য এসেছেন? হ্যাঁ, তিনি সেনাবাহিনী গঠন করেছেন, যুদ্ধ করেছেন, সন্ধি করেছেন, আদেশ-উপদেশ দিয়েছেন, বিচার করেছেন, ব্যবসা বাণিজ্য করেছেন, সাংসারিক জীবনযাপনও করেছেন। তিনি ছিলেন একাধারে একটি ঐক্যবদ্ধ উদীয়মান জাতির জাগতিক ও আধ্যাত্মিক নেতা, ছিলেন বিচারক, ছিলেন সেনাপ্রধান, ছিলেন পরিবারের কর্তা। এই যে তার প্রচ- গতিময়, কর্মব্যস্ত জীবন, সেখানে তিনি কোন কাজ কখন কেন কোন পরিপ্রেক্ষিতে করেছেন এবং ঐ কাজগুলোর উদ্দেশ্য কী ছিল এটা সম্পর্কে সামগ্রিকভাবে জানাই হচ্ছে তাঁর আগমনের উদ্দেশ্য ও সুন্নাহ সম্পর্কে প্রকৃত আকিদা।
ইসলামের শত্রুরা তাদের উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য তাঁর কর্মময় জীবনের এখান থেকে একটি ঘটনা, ওখান থেকে একটি ঘটনা এনে গোজামিল, জোড়াতালি দিয়ে রসুল সম্পর্কে একটি ভ্রান্ত ধারণা দাঁড় করিয়ে দেয়। তারা এটা করেন মুসলিম জাতির ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে আর ধর্মের ধ্বজাধারীরা, ধর্মব্যবসায়ীরা করেন নিজেদের ক্ষুদ্র স্বার্থ উদ্ধারের জন্য। তারা রসুলাল্লাহর জীবনের অতি ব্যক্তিগত ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বিষয়গুলোকে মহাগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পরিণত করে জাতির দৃষ্টি থেকে রসুলাল্লাহর আগমনের মূল উদ্দেশ্যকেই আড়াল করে ফেলেছেন। তাঁর আল্লাহ প্রদত্ত উপাধি কী লক্ষ করুন- রহমাতাল্লিল আলামিন, সমস্ত বিশ্বজাহানের জন্য রহমতস্বরূপ। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বিশ্বের সমস্ত মানুষকে সুখ শান্তিময়, শোষণ-অবিচারহীন একটি জীবন উপহার দেওয়াই তাঁর আগমনের উদ্দেশ্য।
পবিত্র কোর’আনের অন্তত তিনটি আয়াতে আল্লাহ বলেছেন, “তিনি হেদায়াহ ও সত্যদীন সহকারে স্বীয় রসুল প্রেরণ করেছেন যেন তিনি একে অন্যান্য সকল জীবনব্যবস্থা, দীনের উপর বিজয়ী করেন (সুরা সফ ৯, সুরা তওবা ৩৩, সুরা ফাতাহ ২৮)। সুতরাং বোঝা গেল আল্লাহর প্রেরিত হেদায়াহ (সঠিক পথ) ও সত্যদীনকে সমগ্র মানবজাতির জীবনে প্রতিষ্ঠা করা তাঁর আগমনের উদ্দেশ্য। এ লক্ষ্যে তিনি সর্বপ্রথম কী করলেন? সবাইকে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ অর্থাৎ মানুষকে এক আল্লাহর হুকুমের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য আহ্বান করতে লাগলেন। শুরুতেই কাবাকেন্দ্রিক পুরোহিত ও ধর্মব্যবসায়ীদের অপপ্রচারের দরুন তিনি প্রচ- বিরোধিতার সম্মুখীন হলেন।
একদিন রসুলাল্লাহর চাচা তাঁকে ডেকে বললেন, “আমার কাছে মক্কার নেতারা এসেছিলেন। তাদের দাবি হচ্ছে তুমি মানুষকে যা বলছ সেগুলো আর বলবে না। তার বিনিময়ে তারা তোমাকে তিনটি প্রস্তাব দিয়েছে। তুমি কি আরবের বাদশাহ হতে চাও? তারা তোমাকে আরবের বাদশাহ বানিয়ে দেবে। তুমি যদি চাও তারা তোমাকে আরবের শ্রেষ্ঠ সুন্দরী নারীকে এনে দেবে। অথবা তুমি যদি চাও তোমাকে আরবের সবচেয়ে ভালো চিকিৎসক দিয়ে তোমার চিকিৎসা করাবো। আর যদি তুমি তাদের প্রস্তাবে সম্মত না হও, তাহলে তারাই আগামীকাল তোমার ব্যাপারে ফায়সালা করবে (অর্থাৎ হত্যা করবে)।
এ প্রস্তাবনা শুনে রসুলাল্লাহ দৃপ্তস্বরে উত্তর দিলেন, “চাচা, আপনি তাদের বলে দিবেন, তারা যদি আমার এক হাতে চন্দ্র আর আরেক হাতে সূর্যও এনে দেয় তবু আমি আমার এ পথ ছাড়ব না। হয় আল্লাহর বিজয় হবে নয় এ পথে মোহাম্মদ শেষ হয়ে যাবে।” (সিরাত ইবনে ইসহাক)
লক্ষ্য করুন, এখানে আল্লাহর রসুলের জীবনের উদ্দেশ্যটি প্রকাশিত হয়েছে। তিনি যদি ক্ষমতা চাইতেন, ভোগবিলাস চাইতেন তো বাদশাহী ও সুন্দরী নারীর প্রস্তাব গ্রহণ করতে পারতেন। কিন্তু তিনি সেগুলো প্রত্যাখ্যান করলেন এবং বললেন সেটা হচ্ছে আল্লাহর বিজয়। তিনি মৃত্যুভয়কে উপেক্ষা করলেন, বিপদসঙ্কুল সংগ্রামী জীবন বেছে নিলেন। প্রশ্ন হচ্ছে আল্লাহর বিজয় হবে কীসে? অপর দুটো ঘটনায় এ প্রশ্নের উত্তর আমরা খুঁজে পাব।
একজন নির্যাতিত সাহাবী রসুলের কাছে এসে বললেন, ইয়া রসুলাল্লাহ! আর সহ্য করতে পারছি না। আপনি দোয়া করেন তারা যেন ধ্বংস হয়ে যায়। কিন্তু রসুল কাফেরদের ধ্বংস কামনা করেন নি। এখানেই প্রমাণ হয়ে যায় যে তিনি মানুষকে ধ্বংস করার জন্য আসেন নি, তিনি তাদেরকে দুর্দশা থেকে উদ্ধার করতে এসেছেন। তিনি জবাবে বললেন, শোনো, সেদিন বেশি দূরে না, যেদিন একজন যুবতী সুন্দরী মেয়ে সারা গায়ে অলঙ্কার পরিহিত অবস্থায় সানা থেকে হাদরামাউত পর্যন্ত পথ রাতের অন্ধকারে হেঁটে যাবে। তার মনে আল্লাহ ও বন্যপ্রাণীর ভয় ছাড়া আর বিপদের আশঙ্কাও জাগ্রত হবে না। অর্থাৎ রসুলাল্লাহ একটি শান্তিময় সমাজব্যবস্থার ভবিষ্যদ্বাণী করলেন। একটি সমাজের শান্তিময়তা বোঝার জন্য এর চেয়ে বড় কোনো নির্দেশক থাকতে পারে না। মক্কা বিজয়ের দিন তিনি পরম শত্রুকেও ক্ষমা করে দিলেন। তারপর তিনি বেলালকে (রা.) কাবার উপরে উঠিয়ে আজান দেওয়ালেন। সেই বেলাল কোন বেলাল? সেই কোরায়েশদের দ্বারা অত্যাচারিত নিপীড়িত বেলাল, যার কোনো বলার অধিকার ছিল না, বিনোদনের অধিকার ছিল না, যাকে জন্তুর মতই ব্যবহার করা হতো। তিনি ছিলেন সমগ্র বিশ্বের বঞ্চিত, দাসত্বের শৃঙ্খলে আবদ্ধ মানুষের প্রতীক। সেই ক্রীতদাস বেলালকে তিনি কাবার উপরে উঠালেন। উঠিয়ে প্রমাণ করে দিলেন মানুষ ঊর্ধ্বে মানবতা ঊর্ধ্বে। মানুষকে সর্বোচ্চ আসনে উঠানোর জন্যই তিনি এসেছিলেন। এখানেই ঘটেছে রসুলাল্লাহর ‘রহমতাল্লিল আলামীন’ নামের বহিঃপ্রকাশ।
বিদায় হজ্বের ভাষণে তিনি বললেন, আরবের উপর অনারবের শ্রেষ্ঠত্ব নাই। সমস্ত বৈষম্যের উঁচু নিচু দেয়াল তিনি ভেঙ্গে দিলেন। তিনি বললেন, তোমরা যা খাবে তোমাদের অধীনস্থদেরও তাই খাওয়াবে, যা পরবে তা-ই তাদেরকে পরাবে। গোটা জাতিকে তিনি ঐক্যবদ্ধ করলেন, সুশৃঙ্খল করলেন, সত্যের পক্ষে সংগ্রামে অবতীর্ণ করলেন। তিনি যেমন সমাজ প্রতিষ্ঠা করলেন তার ফল হলো যে একজন মেয়ে একা রাতের অন্ধকারে হেঁটে যেতে পারত। মানুষ উটের পিঠভর্তি করে খাদ্য, সম্পদ নিয়ে দরিদ্র মানুষের সন্ধানে পথে পথে ঘুরে বেড়াত। রাস্তায় একটি মূল্যবান বস্তু হারিয়ে ফেললে সেটা খুঁজে যথাস্থানেই পাওয়া যেত। দোকান খোলা রেখে মানুষ মসজিদে যেত, বছরের পর বছর আদালতে কোনো অপরাধসংক্রান্ত মামলা আসত না। সেখানে পথচারীদের খাওয়ার জন্য রেস্তোরা বসানো হতো না, বসানো হতো সরাইখানা। স্থানীয় লোকেরা তাদের উৎপাদিত খাদ্যশস্য, ফলফলাদি, গৃহপালিত পশু সরাইখানাতে দিয়ে যেত যেন মুসাফির আর ক্ষুধার্তরা এসে খেতে পায়। একজন নিঃস্ব মানুষ দেশ ভ্রমণে বের হতো, কোথায় তার আশ্রয়ের সঙ্কটে পড়া তো দূরের কথা, সে মানুষের কাছ থেকে উপহার উপঢৌকন নিয়ে ধনী মানুষ হয়ে বাড়ি ফিরত।
রসুলাল্লাহ এন্তেকালের সময় পার্থিব সম্পদ হিসাবে কী রেখে গেছেন সেটা সর্বজনবিদিত। সেগুলো হচ্ছে (১) ১টি চাটাই, (২) ১ টি বালিশ (খেজুরের ছাল দিয়ে ভর্তি) ও (৩) কয়েকটি মশক। আরও রেখে যানÑ (১) ৯টি তরবারী, (২) ৫টি বর্শা, (৩) ১টি তীরকোষ, (৪) ৬টি ধনুক, (৫) ৭টি লৌহবর্ম, (৬) ৩টি জোব্বা (যুদ্ধের), (৭) ১টি কোমরবন্ধ, (৮) ১টি ঢাল এবং (৯) ৩টি পতাকা। (তথ্যসূত্র:- সিরাতুন্নবী- মওলানা শিবলী নোমানী)। তিনি যদি পার্থিব কোনো স্বার্থে সংগ্রাম করতেন তাহলে তাঁর ইন্তেকালের পর সেটার অবশ্যই নমুনা পাওয়া যেত। কিন্তু সিরাত গ্রন্থগুলো থেকে আমরা দেখি- সারা জীবন তিনি যে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে গেছেন সেই সংগ্রামের হাতিয়ার আর পার্থিব সম্পদ বলতে কেবল চাটাই, বালিশ আর মশক পাওয়া যায়, যা একেবারেই নিত্য ব্যবহার্য। সোনাদানা, হীরা, জহরত কিছুই তিনি রেখে যান নি।
সুতরাং মানুষের মুক্তিই হচ্ছে রসুলাল্লাহর (সা.) আগমনের উদ্দেশ্য, সকল নবী রসুলের আগমনের উদ্দেশ্য। এটাই ইসলামের উদ্দেশ্য। এই উদ্দেশ্য (আকিদা) যার সামনে থাকবে, সে আর ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বিষয় নিয়ে বাড়াবাড়ি করবে না, সন্ত্রাসী কর্মকা- করে ইসলামের নাম বলে চালিয়ে দিতে পারবে না। পাশাপাশি ইসলাম বিদ্বেষীদের সকল অপপ্রচারও ভিত্তিহীন ও যুক্তিহীন হয়ে যাবে। তাই এখন সকলের জন্যই রসুলাল্লাহর আগমনের সঠিক উদ্দেশ্যটি জানা অত্যন্ত জরুরি।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
 ১ মে ২০২৬    HT All Article

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article
পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমিয়েছে চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন
চীনে প্রতি ১০ কর্মদিবস অন্তর বৈশ্বিক তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নতুন দামে ৫০ লিটার জ্বালানি কিনতে এখন চালকদের প্রায়…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    মতামত

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা
রিয়াদুল হাসান গৌড়ের রাজ দরবারে চাচা কুতুব খানের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ দাসত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে সুলতান তাজ খান কররানির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন যুবক ঈসা খাঁ ও ইসমাইল…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!
শাহাদৎ হোসেন:বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো এই মাটির কৃষক। কৃষকদের আমরা বলি, সব সাধকের বড় সাধক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারা যে ফসল ফলায়,…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!
কথক দা: আমরা যেন আইয়্যামে গুজবে বাস করছি। অপতথ্য আর অপসংবাদের ভীড়ে কোনটা সত্য আর কোনটা অর্ধসত্য এবং কোনটা মিথ্যা তা বোঝা খুবই মুশকিল। একসময়…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান
এম আর হাসান:খুররম খান পন্নী ছিলেন উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইতিহাসের এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর জীবন ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান পর্ব এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ- এই তিনটি…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?
শাহাদৎ হোসেন:ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘ ৪৭ বছরের শীতল সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে। গত ১১ এপ্রিল দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে যে…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ
ওবায়দুল হক বাদল:আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে বড় অঙ্কের ব্যয় নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার। এসব খাতে ২ লাখ…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?
মুস্তাফিজ শিহাব:বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকালে এক চরম বৈপরীত্য চোখে পড়ে। একদিকে রয়েছে বিপুল জনশক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য এবং অন্যদিকে চরম অবমাননা…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article