প্রচ্ছদ    HT All Article   আত্মসমালোচনা: মো’মেন ও কাফেরের প্রকৃত...

আত্মসমালোচনা: মো’মেন ও কাফেরের প্রকৃত মানদণ্ড

৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০৯:২২ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

আল্লাহর চোখে মানুষ দুই প্রকার – মো’মেন ও কাফের। আল্লাহ বলেছেন, আমি মানুষ সৃষ্টি করেছি। অতঃপর তাদের কেউ মো’মেন, কেউ কাফের (সুরা তাগাবুন ২)। এজন্য মানুষের পরকালীন পরিণতিও দুটি – জান্নাত ও জাহান্নাম। পৃথিবীতে মানুষের অবস্থাও দুই রকম – শান্তি ও অশান্তি। সেজন্য মানবজাতির সূচনালগ্ন থেকে আজ পর্যন্ত মানুষ দুটো বিষয়ের সংঘাতের মধ্য দিয়ে যাত্রা করে যাচ্ছে, তা হলো ন্যায়-অন্যায়ের লড়াই, সত্য-মিথ্যার দ্বন্দ, বৈধ-অবৈধের ধারণার সংঘাত। আসুন আমরা দেখি, প্রকৃত মো’মেন কারা।
সুরা হুজরাতের ১৫ আয়াতে আল্লাহ প্রকৃত মো’মেনের সংজ্ঞা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “মো’মেন শুধু তারা যারা আল্লাহ-রসুলের প্রতি ঈমান আনে, আর সন্দেহ পোষণ করে না এবং জীবন-সম্পদ দিয়ে আল্লাহর রাস্তায় সংগ্রাম করে। তারাই সত্যনিষ্ঠ মো’মেন।” মনে রাখতে হবে, আল্লাহ রসুলের প্রতি ঈমান অর্থ হচ্ছে তারা যে সত্য মানবজাতির সামনে তুলে ধরেছেন সেই সত্যকে জীবনে ধারণ করা এবং আল্লাহর রাস্তায় জীবন-সম্পদ দেওয়ার অর্থ মানুষের কল্যাণার্থে নিজ জীবন ও সম্পদকে উৎসর্গ করা। আল্লাহ ও তাঁর রসুল (সা.) সত্যের ধারক, সত্যের উৎস। কাজেই যারা সত্যকে ধরণ করবে এবং সেই মানবতার কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করে সেই সত্যকে প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করল, সত্যের পক্ষ নিল সেই হচ্ছে প্রকৃত মো’মেন। শেষ পৃষ্ঠার পর: এবার দেখা যাক কাফের কারা। আল্লাহ কোর’আনে কাফেরের সংজ্ঞা দিয়েছেন সুরা মায়েদার ৪৪ নম্বর আয়াতে। তিনি বলেছেন, আল্লাহ যা নাজেল করেছেন তা দিয়ে যারা বিধান দেয় না তারা কাফের। এটি একটি চিরন্তন কথা। কাফের অর্থ সত্য প্রত্যাখ্যানকারী। আল্লাহ যুগে যুগে অসংখ্য নবী-রসুল প্রেরণ করে তাঁদের মাধ্যমে মানবজাতির কাছে সত্য পাঠিয়েছেন, সেই সত্যকে যারা প্রত্যাখ্যান করবে তারা কাফের, যারা সেই সত্যের বিরুদ্ধে দাঁড়াবে, মিথ্যার পক্ষ অবলম্বন করবে, মিথ্যাকে আলিঙ্গন করবে, সেই সত্যকে গোপন করবে, সত্যের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে তারা হচ্ছে কাফের। তাদের কাজের দ্বারা সমাজে অন্যায় প্রতিষ্ঠিত হবে অর্থাৎ কুফর প্রতিষ্ঠিত হবে। সনাতন ধর্মেও অসুর, রাক্ষস ইত্যাদি শব্দগুলো ঐ কুফরি শক্তিকে বোঝানোর জন্যই বলা হয়েছে।
এই হচ্ছে মো’মেন আর কাফের। এক কথায় দুটো পক্ষ – সত্য আর মিথ্যা। সত্যের পক্ষে যারা তারা মো’মেন, মিথ্যার পক্ষ নিলে কাফের। এই উভয় শ্রেণির লোকেরা বংশসূত্রে যে ধর্মেরই অনুসারী হোক, যে শাস্ত্র বা কেতাবই পড়–ক, যে উপাসনালয়েই গমন করুক তার ভিত্তিতে কোনো বিভক্তি আল্লাহর কাছে নেই। সত্য গ্রহণ/বর্জনের ভিত্তিতে মানবজাতির এই মু’মিন-কাফের বিভক্তি ছাড়া অন্য যে কোনো বিভক্তি ইসলামবহির্ভুত অর্থাৎ হারাম। সাদা-কালো, ধনী-দরিদ্র, শিক্ষিত-অশিক্ষিত, বাঙালি-অবাঙালি, বাংলাদেশি-ভারতীয়, প্রাচ্য-পাশ্চাত্য, আর্য-অনার্য, আরব-অনারব, সংখ্যাগুরু-সংখ্যালঘু ইত্যাদি যত ভেদাভেদ দুনিয়াময় প্রচলিত রয়েছে তার সাথে ইসলামের দূরতম সম্পর্কও নেই।
আল্লাহ বলেন, হে মানবজাতি! আমি তোমাদেরকে এক পুরুষ ও এক নারী থেকে সৃষ্টি করেছি এবং তোমাদেরকে বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে বিভক্ত করেছি, যাতে তোমরা পরস্পরে পরিচিতি হও। নিশ্চয় আল্লাহর কাছে সে-ই সর্বাধিক মর্যাদাবান যে সর্বাধিক মুত্তাকি (সুরা হুজরাত ১৩)। এই মুত্তাকি কারা। মুত্তাকি শব্দটি এসেছে তাকওয়া থেকে। তাকওয়ার অর্থ ন্যায়-অন্যায়, ভালো-মন্দ, সত্য-মিথ্যা বেছে বেছে পথ চলা। যিনি এই পথ চলার সময় যত বেশি ন্যায় অন্যায় বেছে চলেন তিনি তত বড় মুত্তাকি। বিদায় হজ্বের ভাষণে তাই মহানবী (সা.) বলেছিলেন, অনারবের উপর আরবের কোনো শ্রেষ্ঠত্ব নাই। তাঁর সেই শিক্ষা এখন হারিয়ে গেছে, এখন কেবল জন্মগত অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে আরবরা অনারবদের উপর ধর্মীয় শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করছে।
যুগে যুগে কালে কালে আসুরিক শয়তানি শক্তির প্ররোচনায় মানুষের মধ্যে জন্ম নিয়েছে স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী, বুর্জোয়া শ্রেণি যারা কায়েমি স্বার্থে মানুষে মানুষে এসব দেওয়াল সৃষ্টি করেছে। সেগুলোকে ধূলিসাৎ করার জন্যই আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রতিটি জনপদে আগমণ করেছেন নবী-রসুল-অবতারগণ। তাঁরা এসেছেন পাপপূর্ণ সময়ে ঠিক যেমন আল্লাহর শেষ রসুল (সা.) এসেছিলেন আরবের আইয়ামে জাহেলিয়াতে। সেই সময় আরবসহ সমগ্র পৃথিবীতে মানবজাতির মধ্যে রচিত হয়েছে এমনই হাজার বিভক্তির দেওয়াল। রসুলাল্লাহ (সা.) সেই দেওয়াল ভেঙে ন্যায় ও সত্যের উপরে ভিত্তি করে সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করলেন। তিনি ক্রীতদাস বেলালকে (রা.) কাবার শীর্ষে দাঁড় করিয়ে প্রমাণ দিলেন মানুষের মর্যাদা বংশপরিচয়ে নয়, তার ধারণকৃত আদর্শের ভিত্তিতে নিরূপিত হবে।
এভাবে মানবসৃষ্ট অন্যায়মূলক বিভক্তিকে উঠিয়ে দিয়ে সমস্ত মানবজাতিকে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ করাই ছিল ইসলামের উদ্দেশ্য। এই উদ্দেশ্য অর্জনের জন্যই আল্লাহর রসুল মোহাম্মদ (সা.) একটি সত্যনিষ্ঠ আত্মত্যাগী জাতি গঠন করেছিলেন, যারা তাঁর ইন্তেকালের পর তাদের জীবন-স¤ম্পদ উৎসর্গ করে স্বদেশ থেকে বেরিয়ে পড়েছিল এবং এমন মহাবিপ্লব সংঘটন করেছিল যার সামনে তৎকালীন পৃথিবীর দুই সুপার পাওয়ার রোমান ও পারস্য সাম্রাজ্য ঝড়ের মুখে তুলোর মত উড়ে গিয়েছিল। তাঁরা অর্ধ-দুনিয়ায় সাম্য, ন্যায় সুবিচার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
অথচ আজ মুসলমান নামক জনগোষ্ঠীর সামনে সেই নির্দিষ্ট লক্ষ্যটি নেই। সমস্ত বিভেদরেখার ঊর্ধ্বে উঠে সকল জাতি-গোত্র-ভাষা-বর্ণ-বিশ্বাসের মানুষকে সত্যের পক্ষে ঐক্যের ডাক দেওয়ার যে সার্বজনীনতা ইসলামের অনন্য বৈশিষ্ট্য ছিল, তা আজ হারিয়ে গেছে। ইসলাম হয়ে পড়েছে যেন গৃহবন্দী। আকীদা ভুলে গিয়ে দীন নিয়ে বাড়াবাড়ি ও অতি বিশ্লেষণের কারণে ইসলামের সার্বজনীন বৈশিষ্ট্য বিগত ১৩০০ বছরে একটু একটু করে বিলীন হতে হতে বর্তমানে এমন শোচনীয় অবস্থায় উপনীত হয়েছে যে, আল্লাহর দেওয়া সমুদ্রের মত বিশাল ও ঝড়ের মত গতিশীল দীনটি আজ স্থবিরতা ও সংকীর্ণতার চাদরে ঢাকা পড়েছে।
অন্য আর দশটা ধর্মের মতই ইসলামও আজ একটি আচার-আনুষ্ঠানিকতা নির্ভর বিশ্বাসে পরিণত হয়েছে। সকল সাম্প্রদায়িকতার মূলোৎপাটন করা যে দ্বীনের লক্ষ্য, সেই দীনটিকেই নতুন নতুন সাম্প্রদায়িকতার কেন্দ্রভূমিতে পরিণত করা হয়েছে। অন্য ধর্মের অনুসারীদের মত মুসলমানদেরকেও একটি সম্প্রদায়ের খোপে ফেলে তার ভেতরে আবার জন্ম দেওয়া হয়েছে শিয়া-সুন্নি, হানাফি-হাম্বলী, শরীয়তী-মারেফতি, কওমী-আলীয়া ইত্যাদি উপ-সম্প্রদায়ের। অথচ অন্য সব বিভেদের মত এই বিভেদগুলোও নিঃসন্দেহে ইসলামপরিপন্থী।
সর্বদিক দিয়ে বিচেনা করলে মুসলিমরা আবার সেই ইসলামপূর্ব জাহেলিয়াতে গেছে। পাশ্চাত্যের দাসত্ব বরণের পর থেকে তাদের দৃষ্টিতে আজ সত্যমিথ্যা একাকার হয়ে গেছে। আল্লাহর আদেশ আর তাদের কাছে মুখ্য নয়। আমাদেরকে এইসব জাহেলিয়াতের দেওয়াল ভেঙ্গে ফেলতে হবে। আমরা যদি নব্য জাতিভেদপ্রথা তথা বিভক্তির দেওয়াল ভেঙে বের না হতে পারি তাহলে আমাদের ধ্বংস কেউ রুখতে পারবে না।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
 ১ মে ২০২৬    HT All Article

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article
পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমিয়েছে চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন
চীনে প্রতি ১০ কর্মদিবস অন্তর বৈশ্বিক তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নতুন দামে ৫০ লিটার জ্বালানি কিনতে এখন চালকদের প্রায়…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    মতামত

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা
রিয়াদুল হাসান গৌড়ের রাজ দরবারে চাচা কুতুব খানের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ দাসত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে সুলতান তাজ খান কররানির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন যুবক ঈসা খাঁ ও ইসমাইল…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!
শাহাদৎ হোসেন:বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো এই মাটির কৃষক। কৃষকদের আমরা বলি, সব সাধকের বড় সাধক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারা যে ফসল ফলায়,…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!
কথক দা: আমরা যেন আইয়্যামে গুজবে বাস করছি। অপতথ্য আর অপসংবাদের ভীড়ে কোনটা সত্য আর কোনটা অর্ধসত্য এবং কোনটা মিথ্যা তা বোঝা খুবই মুশকিল। একসময়…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান
এম আর হাসান:খুররম খান পন্নী ছিলেন উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইতিহাসের এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর জীবন ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান পর্ব এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ- এই তিনটি…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?
শাহাদৎ হোসেন:ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘ ৪৭ বছরের শীতল সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে। গত ১১ এপ্রিল দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে যে…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ
ওবায়দুল হক বাদল:আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে বড় অঙ্কের ব্যয় নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার। এসব খাতে ২ লাখ…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?
মুস্তাফিজ শিহাব:বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকালে এক চরম বৈপরীত্য চোখে পড়ে। একদিকে রয়েছে বিপুল জনশক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য এবং অন্যদিকে চরম অবমাননা…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article