প্রচ্ছদ    HT All Article   আখেরি যামানায় বিশ্ব পরিস্থিতি ও...

আখেরি যামানায় বিশ্ব পরিস্থিতি ও তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ!

৮ মার্চ ২০২৩ ০২:০৭ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

শামীমা আক্তার:
রসুলাল্লাহর (সা.) হাদিসে বর্ণিত দাজ্জাল, ইয়াজুজ-মাজুজ, মালহামাত, কেয়ামতের লক্ষণ ইত্যাদি নিয়ে আলোচনার পূর্বে গত এক বছর ধরে চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধটি ক্রমশ তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধে গড়াচ্ছে কিনা তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে যে গুঞ্জন চলছে সেদিকে পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়-ইউক্রেন যুদ্ধের এক বছর পূর্ণ হল। এ উপলক্ষে দুই দেশের দুই প্রেসিডেন্টের প্রদত্ত জ্বালাময়ী ভাষণে আশ্বস্ত হওয়ার মতো কিছু পায়নি বিশ্ব। লেখক ব্রান্ডন জে উইচার্ট এশিয়া টাইমস-এ প্রকাশিত তার এ সংক্রান্ত লেখায় উল্লেখ করেন যে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের এক বছর পূর্তিতে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট যে ভাষণ দিয়েছেন, সেই ভাষণই এই সংঘাতকে বিশ্বযুদ্ধের দিকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। (তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ এখনই শুরু হয়ে গেছে!- দৈনিক প্রথম আলো, ০২ মার্চ ২০২৩)। তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ বিষয়টির সঙ্গে মহানবীর বলা আখেরি যামানা সংক্রান্ত বেশ কিছু ভবিষ্যদ্বাণীর সাযুজ্য পাওয়া যায়। বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নীর অনবদ্য গবেষণাকর্ম ‘দাজ্জাল? ইহুদি-খ্রিষ্টান ‘সভ্যতা’! 
বইটি এ বিষয়টি পাঠকের সামনে এ বিষয়ে চিন্তার নতুন দুয়ার খুলে দিয়েছে। তবে যে কোনো গবেষণা নিয়েই দ্বিমত থাকতে পারে। 
রসুলাল্লাহ (সা.) যাবতীয় অন্যায়, অবিচার, অশান্তি থেকে মানুষকে রক্ষা করতে আল্লাহর পক্ষ হতে মুক্তির পথ নিয়ে আগমন করেছিলেন। তিনি তাঁর জীবদ্দশায় সমগ্র আরব উপদ্বীপে ইসলাম (শান্তি) প্রতিষ্ঠা করেন এবং সমগ্র বিশ্বে সত্যদীন প্রতিষ্ঠার জন্য একটি উম্মাহ গঠন করেন। তাঁর ইন্তেকালের পর থেকে কেয়ামত পর্যন্ত কী কী বড় সংকট আসতে পারে সে সম্পর্কেও তিনি বহু সাবধান বাণী উচ্চারণ করেছেন, যা বিভিন্ন হাদিস থেকে আমরা জানতে পারি। এ সকল ভবিষ্যৎ সংকটের মধ্যে দাজ্জাল, ইয়াজুজ-মাজুজ, মালহামা, দাব্বাতুল আরদ ইত্যাদি অন্যতম। তিনি বলেছেন ঈসা (আ.) ও মাহদি (আ.) এর নেতৃত্বে এ সকল সংকটের সমাধান ঘটবে এবং দুনিয়াতে ইসলাম প্রতিষ্ঠা হবে। এ বিষয়গুলো সকল সহীহ হাদিসগ্রন্থের ‘কিতাবুল ফিতান’ অধ্যায়ে গুরুত্ব সহকারে আলোচিত হয়েছে। এ বিষয়গুলো নিয়ে হাজার হাজার কেতাব লেখা হয়েছে। আমরা সংক্ষেপে সেগুলোর সঙ্গে বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতি মিলিয়ে দেখতে চেষ্টা করব।
প্রথমেই দাজ্জাল। রসুলাল্লাহ বলেছেন যে আখেরি যামানায় বিরাট বাহনে চড়ে এক চক্ষুবিশিষ্ট মহাশক্তিধর দানব (দাজ্জাল) পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়ে সমগ্র মুসলিম বিশ্বকে পদদলিত করবে। মহানবী (সা.) দাজ্জালের আবির্ভাবকে আদম (আ.) থেকে কেয়ামত পর্যন্ত মানবজাতির জন্য সবচেয়ে গুরুতর ও সাংঘাতিক ঘটনা বলে চিহ্নিত করেছেন, এমনকি তিনি নিজেও এ মহাবিপদ থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চেয়েছেন। রসুলাল্লাহ দাজ্জালের ভয়াবহতা বোঝাতে ‘আকবর’ (অতি বড়) শব্দটি ব্যবহার করেছেন। অর্থাৎ নুহের (আ.) সময়ে মহাপ্লাবনে সমস্ত পৃথিবী ডুবে যাওয়া, দুটি বিশ্বযুদ্ধে কমপক্ষে ১৪ কোটি মানব হতাহত হওয়ার নৃশংসতাকেও ছাড়িয়ে যাবে দাজ্জালের আর্বিভাব। বর্তমান মুসলিম জাতি যদি রসুলাল্লাহর ভবিষ্যদ্বাণীগুলো সম্পর্কে তাদের সংকীর্ণ ধ্যান-ধারণা থেকে বেরিয়ে আসে এবং এগুলোর প্রকৃত তাৎপর্য অনুধাবন করতে পারে, তাহলে তারা দেখতে পাবে যে সমস্ত মানবজাতির মহাবিপদের ঘণ্টা বাজিয়ে ইতোমধ্যেই মানবতার মহাশত্রু, ইবলিসের চূড়ান্ত রূপ দাজ্জাল পৃথিবীতে এসে গেছে এবং পুরো পৃথিবীকে তার করায়ত্ব করে নিয়েছে। কয়েকটি হাদিস সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করলেই ভবিষ্যদ্বাণীর একচক্ষু দানব দাজ্জাল যে  বর্তমানের পাশ্চাত্য বস্তুবাদী যান্ত্রিক ‘সভ্যতা’-র রূপক বর্ণনা তা আশা করি পাঠকের সামনে পরিষ্কার হয়ে যাবে।
আল্লাহর রসুল বলেছেন, “দাজ্জাল জুম্মার সালাহ কায়েম করতে যে সময় লাগে সে সময়ের মধ্যেই পৃথিবী প্রদক্ষিণ করতে পারবে।” আজকে ইহুদি-খ্রিষ্টান বস্তুবাদী ‘সভ্যতা’ যান্ত্রিক প্রগতি অর্জনের মাধমে মহাকাশে যে উপগ্রহগুলো (ঝধঃবষষরঃব) প্রেরণ করছে সেগুলো ১৮,০০০ (আঠারো হাজার) মাইল গতিতে মাত্র ৯০ থেকে ৯৫ মিনিটে পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করে। এই উপগ্রহগুলোর মধ্যে মানুষ মাসের পর মাস অবস্থান করছে। দাজ্জালের দ্রুতগতি সম্পর্কে রসুলাল্লাহ আরো বলেন, ‘দাজ্জাল বায়ুতাড়িত মেঘের মতো আকাশ দিয়ে উড়ে চলবে (নাওয়াস বিন সা’মান (রা.) থেকে মুসলিম, তিরমিযি)। এটা যে আজকের পাশ্চাত্য যান্ত্রিক ‘সভ্যতা’র তৈরি এরোপ্লেনেরই রূপক বর্ণনা, তা কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। রসুলাল্লাহ অন্যত্র বলেছেন, দাজ্জাল পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে কী হচ্ছে শুনতে পাবে, কী হচ্ছে দেখতে পাবে। বর্তমানে স্যাটেলাইট থেকে গোটা পৃথিবীই দেখতে পাওয়া যায়, ইলেকট্রনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে পৃথিবীর সকল প্রান্তের খবর পাওয়া যায়, কথা বলা ও শোনাও যায়।
তিনি আরো বলেন, ‘দাজ্জালের আদেশে আকাশ থেকে বৃষ্টি বর্ষিত হবে’। বর্তমান ইহুদি-খ্রিষ্টান ‘সভ্যতা’র বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তি আকাশে হালকা মেঘের ওপর এ্যারোপ্লেন দিয়ে রাসায়নিক পদার্থ ছিটিয়ে বৃষ্টি নামাতে পারে। চীন, ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলঙ্কা, ইসরায়েল, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, বুলগেরিয়া, ফ্রান্স, স্পেন, রাশিয়া, জার্মানি, স্লোভেনিয়া, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া এবং আফ্রিকার মালি, নাইজার, মরক্কো, বুরকিনা ফাসো এবং সেনেগাল ইত্যাদি দেশে নানা সময়ে বৃষ্টি নামাতে ক্লাউড সিডিং প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। 
তথ্যাভিজ্ঞ প্রতিটি লোকই জানেন যে পাশ্চাত্য জগতের বৈজ্ঞানিক উৎকর্ষে গবাদি পশুর (ঈধঃঃষব) আকার অনেক বড় হয় এবং প্রাচ্যের পশুগুলোর চেয়ে চার-পাঁচগুণ বেশি দুধ দেয়; ঠিক যেমনটা রসুল (সা.) বলেছেন, দাজ্জালের গবাদি পশু আকারে বড় বড় হবে এবং তাদের প্রচুর পরিমাণে দুধ হবে (মুসলিম, তিরমিযি)। পশ্চিমা যান্ত্রিক ‘সভ্যতা’ তাদের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ব্যবহার করে মাটির নিচ থেকে খনিজ সম্পদ উত্তোলন করছে এবং নিজেদের স্বার্থে সেগুলো ব্যবহার করছে। হাদিসেও এ কথাটি এসেছে যে দাজ্জালে আদেশে মাটির নিচের সম্পদ আদেশ উঠে আসবে এবং তার অনুসরণ করবে (মুসলিম, তিরমিযি)। এভাবে সহিহ হাদিসের বর্ণনাগুলোকে বিশ্লেষণ করলে বুঝতে অসুবিধা হয় না যে রসুলাল্লাহ যে ভয়াবহ দানবের আবির্ভাবের ভবিষ্যদ্বাণী করে গেছেন সেটা ইতোমধ্যেই এসে গেছে। মুসলিমসহ সমগ্র মানবজাতি তাকে ইতোমধ্যেই প্রভুর (রব) আসনে স্থান দিয়েছে, তার প্রতিটি আদেশ নিষেধ মেনে চলছে অর্থাৎ তাকে সেজদাহ করছে। আজকে সমগ্র বিশ্ব সেই পাশ্চাত্য সভ্যতার করতলগত। এ কথাও রসুলাল্লাহ বলে গেছেন যে, সমস্ত পৃথিবী চামড়া দিয়ে মোড়ানো একটি বস্তুর মত দাজ্জালের করায়ত্ব হবে। 
একটি মালার সুতো যখন ছিঁড়ে যায় তখন সবগুলো পুঁতিই একটার পর একটা খসে পড়ে। আখেরি যামানার ফেতনাগুলোর আবির্ভাব বোঝাতে রসুলাল্লাহ এমন উপমা দিয়েছেন। দাজ্জালের আগমনের পরপর ইয়াজুজ মাজুজ, মাহদি (আ.) ও ঈসা (আ.) এর আবির্ভাব, মালহামা বা মহাযুদ্ধ ইত্যাদি ঘটনাগুলোও একটার পর একটা ঘটতে থাকবে। নিকট অতীতে দু দুটি মহাযুদ্ধ ছাড়াও তারপর ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ছোটবড় যুদ্ধ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে কোটি কোটি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। কিন্তু আমরা হাদিসে পাই যে মালহামার (অৎসধমরফবড়হ) ধ্বংসযজ্ঞ অতীতের সব ধ্বংসযজ্ঞের ইতিহাসকে ছাড়িয়ে যাবে। মালহামা পৃথিবীর সকল মানুষকে কয়েকবার হত্যা করার ক্ষমতাসম্পন্ন একটি মহাযুদ্ধের নাম। বাস্তবে আমরা দেখছি মালহামা বা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে। বহু সামরিক বিশেষজ্ঞ, রাশিয়া, ব্রিটেন ও ন্যাটোর দায়িত্বশীল পর্যায় থেকে এই যুদ্ধকে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ বলে বর্ণনা করা হয়েছে। যেমন প্রেসিডেন্ট পুতিনের এক সাবেক মুখপাত্র, সের্গেই মারকভ, যিনি এখন মস্কোর ইন্সটিটিউট অব পলিটিক্যাল স্টাডিজের একজন পরিচালক, বিবিসিকে একটি সাক্ষাৎকার দেন। ইউক্রেনে এখন যে যুদ্ধ, সেটি তার ভাষায়, আসলে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নেটোর যুদ্ধ। তার মতে, ইউক্রেনের এই হাইব্রিড যুদ্ধ কার্যত তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ। (ইউক্রেন সংকটকে ঘিরে কি এক বছর আগে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধই শুরু হয়েছে? –বিবিসি, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩)। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ইতালির গণমাধ্যম লা রিপাবলিকাকে বলেছেন, রাশিয়াকে যদি চীন অস্ত্র দিয়ে সহায়তা করে, তাহলে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে যেতে পারে (দৈনিক যুগান্তর ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩)। 
বিজ্ঞানীদের মতে যখন পরাশক্তিধর রাষ্ট্রগুলো তাদের হাতে থাকা পারমাণবিক বোমাগুলোর বিস্ফোরণ ঘটাবে তখন কী নারকীয় পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে তা ভাষায় প্রকাশযোগ্য নয়। একটি মোটামুটি শক্তিশালী এটম বোমা বিস্ফোরণের সাথে সাথেই চারপাশে ৫০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে একটি অগ্নিগোলক তৈরি হবে এবং এর সামনে যা কিছু পড়বে, তার সবই বাষ্পীভূত হয়ে যাবে, ৩০০০ বর্গ কিলোমিটার জুড়ে যা কিছু পাবে সব আগুনে পুড়ে যাবে। আর বিস্ফোরণটি শোনা যাবে পুরো পৃথিবী জুড়ে! পারমাণবিক যুদ্ধের ফলে সারা পৃথিবীর আকাশ কালো ধোঁয়ায় আচ্ছাদিত হয়ে পড়বে। সূর্যের আলো পৃথিবীতে পৌঁছাতে পারবে না। বোমার তেজস্ক্রিয়তায় বড় বড় শহরগুলো তাদের অধিবাসীসহ জনমানবশূন্য ধ্বংসপুরী হয়ে যাবে। জীবিত মানুষ যেন মৃত্যুযন্ত্রণা ভোগ করবে। সুরা দুখানে আল্লাহ সমস্ত পৃথিবী ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যাওয়ার একটি ঘটনা বলেছেন। অনেকের ধারণা এটি মালহামার পরিস্থিতি সম্পর্কে বলা হয়েছে। আল্লাহ বলেন,  আপনি সেই দিনের অপেক্ষা করুন, যখন আকাশ ধোঁয়ায় ছেয়ে যাবে। যা মানুষকে ঘিরে ফেলবে। এটা এক যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। তারা বলবে, হে আমাদের পালনকর্তা। আমাদের উপর থেকে শাস্তি প্রত্যাহার করুন, আমরা বিশ্বাস স্থাপন করছি। (সুরা দুখান ১০-১২)। 
রসুলাল্লাহর ভবিষ্যদ্বাণী মোতাবেক, এই মালহামায় অংশ নেবে প্রচণ্ড শক্তিশালী দুর্ধর্ষ সেনাবাহিনী যাদেরকে বলা হয়েছে ইয়াজুজ মাজুজ (এড়ম-গধমড়ম)। এদের বিশাল সেনাবাহিনী সমুদ্রের তরঙ্গের মতো প্রচণ্ড শক্তি নিয়ে সমগ্র পৃথিবী চষে বেড়ানোর বিষয়ে কোর’আনেও বলা হয়েছে। আল্লাহ বলেন, যে ইয়াজুজ ও মাজুজ (মানব জাতিকে ধ্বংস করার জন্য) প্রত্যেক উচ্চভূমি থেকে দ্রুত ছুটে আসবে (সুরা আম্বিয়া ৯৬)। বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ ইমরান নজর হোসাইন তার জেরুজালেম ইন দ্যা কোর’আন বইতে বলেন, উচ্চভূমি বলতে উন্নত দেশগুলোকে বোঝানো হয়েছে। হাদিসে বলা হয়েছে, ইয়াজুজ মাজুজ প্রকাশিত হলে মূলত ব্যাপক খাদ্যে সংকট সৃষ্টি হবে, কারণ তারা সমস্ত পৃথিবীর সম্পদ শোষণ করে ফেলবে। আমরা রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, চিন, উত্তর কোরিয়া, ব্রিটেন ইত্যাদি রাষ্ট্রগুলোর অকল্পনীয় সামরিক শক্তির কতটুকু জানি? আমরা কি জানি সামরিক খাতে তারা জাতীয় বাজেটের কত শতাংশ অর্থ ব্যয় করে থাকে আর সেটা বাংলাদেশের বাজেটের কতগুণ? আজ ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের মাধ্যমে সৃষ্ট সম্ভাব্য তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বব্যাপী খাদ্যসংকট সৃষ্টি হয়েছে এবং আমরাও তার ভুক্তভোগী। ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে যা রসুলাল্লাহর ভবিষ্যদ্বাণীর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। 
রসুলাল্লাহর করা ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে আলেম-ওলামাদের মধ্যে মতভেদ থাকতে পারে। তবে আমাদের সামনে মূর্তিমান বাস্তবতা হচ্ছে, বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তিকে বাহন হিসাবে ব্যবহার করে বস্তুবাদী দাজ্জালীয় জীবনদর্শন বিশ্বব্যাপী বিস্তার লাভ করেছে এবং দেশে দেশে সৃষ্টি করেছে মানববিধ্বংসী বিশাল বিশাল সেনাবাহিনী। তারা একে অপরের বিরুদ্ধে মারণাস্ত্র উৎপাদন ও বিক্রয়ের প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হয়েছে। বাইবেলে বর্ণিত গগ-মেগগ (এড়ম-গধমড়ম) শব্দের বাংলা অর্থ হচ্ছে আগুনের তেজ। ইয়াজুজ মাজুজ দুটি শব্দও মূলত সমার্থক, যার বাংলা অর্থ অগ্নিস্ফুলিঙ্গের উত্তাপ। আপাতদৃষ্টে প্রতীয়মান হয় দাজ্জালীয় সভ্যতার ভোগবাদী আদর্শ যদি ঝড়ভঃধিৎব হলে, এর বাহনরূপী ঐধৎফধিৎব হলো বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নির্ভর পরাশক্তিগুলো। বর্তমান বিশ্বে পারস্পরিক বিবাদমান পরাশক্তিধর দুটি পক্ষ তথা গণতান্ত্রিক ব্লক ও রাশিয়া কেন্দ্র্রিক সমাজতান্ত্রিক ব্লকও বস্তুবাদী দাজ্জালীয় আদর্শের অনুসারী এবং উভয়ের হাতে থাকা পারমাণবিক বোমার তেজস্ক্রিয়তা দিয়ে পৃথিবীকে কয়েকবার ধ্বংস করা যাবে। এরা উন্নত দেশ থেকে ধেয়ে এসে অনুন্নত তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর সম্পদ শোষণ করে নিচ্ছে। তাদেরকে মোকাবেলা করার ক্ষমতা কারো নেই। আল্লাহর রসুল ইয়াজুজ মাজুজের বর্ণতা দিতে গিয়ে বলেছেন, আল্লাহ এমন কিছু বিশেষ বান্দা (ইয়াজুজ-মাজুজ) আবির্ভূত করবেন, যাদের সাথে কারোই যুদ্ধ করার ক্ষমতা নেই (নাওয়াস বিন সামআন রা. থেকে মুসলিম)। 
রসুলাল্লাহ বলেছেন, মালহামার যুদ্ধের পর মানুষের লাশে ভূমি ছেয়ে যাবে। বায়ু দূষিত হয়ে যাবে। দাউ দাউ আগুনে পুড়বে নগর-বন্দর-জনপদ। পাখিরা উড়ে উড়ে ক্লান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করবে কিন্তু ভূপৃষ্ঠে বসার উপযোগী স্থান খুঁজে পাবে না। মানুষকে এমনই একটি ভয়াবহ মুহূর্তের সামনে এনে দাঁড় করিয়েছে আজকের পাশ্চাত্যের বস্তুবাদী সভ্যতা, দাজ্জাল। এজন্যই দাজ্জালের ভয়াবহতা অতীতের সমস্ত সংকটকে ছাড়িয়ে যাবে বলে হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। 
হাদিসে বলা আছে এই মহা সংকটের মুহূর্তে পৃথিবীতে একদল মো’মেন থাকবে। ইমাম মাহদি (আ.) তাদেরকে সংগঠিত করবেন। আর ঈসা (আ.) তাদেরকে নিয়ে এই সংকট থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নিরাপদ কোনো স্থানে গিয়ে আশ্রয় নিবেন। এই বিরাট ঘটনাপ্রবাহের কোনো একটি অংশে ঈসা (আ.) এর মাধ্যমে পাশ্চাত্য সভ্যতা তথা দাজ্জালের পতন হবে এবং সমগ্র পৃথিবীতে আল্লাহ প্রদত্ত জীবন-ব্যবস্থা তিনি প্রতিষ্ঠা করবেন। যার ফলে শান্তি, ন্যায়-বিচার প্রতিষ্ঠা হবে। রসুলাল্লাহ বলেন, ইতোপূর্বে যে রকম অভাব হয়েছিল, সে রকম প্রাচুর্য্য হবে, যে রকম খুনাখুনি-রক্তপাত হয়েছিল, ঠিক সে রকম ঐক্য হবে, যে ধরনের শত্রুতা হয়েছিল, ঠিক বিপরীত ভ্রাতৃত্ব হবে।
কিন্তু আমাদের এখন করণীয় কী? আমরা কী কেবল ধ্বংসের প্রহর গুনব আর বসে বসে মাহদি (আ.) ও ঈসা (আ.) এর জন্য অপেক্ষা করবো? না, আমাদেরকে মোমেন হতে হবে। আমাদেরকে উম্মতে মোহাম্মদী হিসাবে যে দায়িত্ব রসুলাল্লাহ আমাদের উপর অর্পণ করে গেছেন সেই দায়িত্ব পালন করে যেতে হবে। মো’মেন না হলে আমরা তো দাজ্জালকেও চিনতে পারব না। কারণ রসুলাল্লাহ বলেছেন, দাজ্জালের কপালে কাফের লেখা থাকবে। কেবল মো’মেনরা নিরক্ষর হলেও সেই লেখা পড়তে পারবে। আমরা মোমেন না হলে আমাদের মাঝে মাহদি (আ.) বা ঈসা (আ.) এলেও তাঁদেরকে চিনে নিতে পারব না, আর তাদের অনুসরণও করতে পারব না। আল্লাহর রসুলকে কি তাঁর নিজ পরিবারের কাফেররা চিনতে পেরেছিল? পারেনি। আবু জাহেলরা জাহেল অবস্থাতেই মৃত্যুবরণ করেছিল। তাই আমাদের আশু কর্তব্য হলো আল্লাহর দেওয়া সংজ্ঞা মোতাবেক মো’মেন হওয়া। সুরা হুজরাতের ১৫ নম্বর আয়াতে আমরা সেই সংজ্ঞাটি পাই। আল্লাহ বলেন, “মো’মেন শুধু তারাই যারা আল্লাহ ও রসুলের প্রতি ঈমান আনে, অতঃপর কোনো সন্দেহ পোষণ করে না এবং নিজেদের সম্পদ ও জীবন দিয়ে আল্লাহর রাস্তায় সংগ্রাম, জেহাদ করে। তারাই সত্যনিষ্ঠ।” এখানে আল্লাহ রসুলের প্রতি ঈমান বলতে কেবল তাদেরকে বিশ্বাস করা বোঝানো হয়নি, বরং সার্বিক জীবনে তাঁদের হুকুম-বিধান মেনে নেওয়াকে বোঝানো হয়েছে। হুকুম না মানলে বিশ্বাসের কী মূল্য?

[লেখক: শিক্ষার্থী, ইতিহাস বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়; যোগাযোগ: ০১৭১১-০০৫০২৫, ০১৭১১-৫৭১৫৮১, 

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
 ১ মে ২০২৬    HT All Article

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article
পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমিয়েছে চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন
চীনে প্রতি ১০ কর্মদিবস অন্তর বৈশ্বিক তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নতুন দামে ৫০ লিটার জ্বালানি কিনতে এখন চালকদের প্রায়…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    মতামত

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা
রিয়াদুল হাসান গৌড়ের রাজ দরবারে চাচা কুতুব খানের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ দাসত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে সুলতান তাজ খান কররানির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন যুবক ঈসা খাঁ ও ইসমাইল…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!
শাহাদৎ হোসেন:বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো এই মাটির কৃষক। কৃষকদের আমরা বলি, সব সাধকের বড় সাধক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারা যে ফসল ফলায়,…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!
কথক দা: আমরা যেন আইয়্যামে গুজবে বাস করছি। অপতথ্য আর অপসংবাদের ভীড়ে কোনটা সত্য আর কোনটা অর্ধসত্য এবং কোনটা মিথ্যা তা বোঝা খুবই মুশকিল। একসময়…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান
এম আর হাসান:খুররম খান পন্নী ছিলেন উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইতিহাসের এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর জীবন ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান পর্ব এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ- এই তিনটি…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?
শাহাদৎ হোসেন:ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘ ৪৭ বছরের শীতল সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে। গত ১১ এপ্রিল দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে যে…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ
ওবায়দুল হক বাদল:আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে বড় অঙ্কের ব্যয় নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার। এসব খাতে ২ লাখ…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?
মুস্তাফিজ শিহাব:বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকালে এক চরম বৈপরীত্য চোখে পড়ে। একদিকে রয়েছে বিপুল জনশক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য এবং অন্যদিকে চরম অবমাননা…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article