প্রচ্ছদ    HT All Article   আকিদা ও ঈমান পৃথক বিষয়

আকিদা ও ঈমান পৃথক বিষয়

২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১১:৫৮ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

বর্তমানে আকিদা ও ঈমানকে একই জিনিস বলে মনে করা হয়। এই ধারণা ভুল। প্রথমত, ঈমান শব্দের অর্থ হলো বিশ্বাস আর আকিদা শব্দটি এসেছে আক্দ শব্দ থেকে যার মানে গ্রন্থি, গিঁঠ বা গেরো। আমরা এই শব্দটি বিয়েতে ব্যবহার করি। আক্দ করানো বলতে আমরা বোঝাই বিয়ে করানো, দু’টি মানুষকে গিঁঠ বা গেরো দিয়ে দেওয়া। ঐ আক্দ থেকে আকিদা। অর্থাৎ ঈমান ও আকিদা দু’টি সম্পূর্ণ আলাদা শব্দ এবং সম্পূর্ণ আলাদা অর্থ। দ্বিতীয়তঃ আকিদা ভুল হোলে ঈমান অর্থহীন- এ কথাতেই তো পরিষ্কার হয় যে ঐ দু’টো এক জিনিস নয়। একটা ভুল হোলে অন্যটি অর্থহীন অর্থাৎ এক নম্বর ভুল হোলে দুই নম্বর অর্থহীন- কাজেই এ দু’টো বিষয় একই বিষয় হওয়া অসম্ভব। অথচ এই ভুল ধারণা আজ সর্বব্যাপী। এটা হয়েছে এই জন্য যে ইসলামের প্রকৃত আকিদা আজ অদৃশ্য হয়ে গেছে, হারিয়ে গেছে, তাই ওটাকে ঈমানের মধ্যে ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে- যদিও এ দু’টো সম্পূর্ণ আলাদা ব্যাপার।

এই দীনের সঠিক আকিদা এ রকম:

১. সর্বশক্তিমান আল্লাহ তাঁর এই বিরাট বিশাল মখলুক সৃষ্টি করলেন এবং তা রক্ষণাবেক্ষণের ও পরিচালনার জন্য অসংখ্য মালায়েক বা ফেরেশতা সৃষ্টি করলেন। এই সৃষ্টির (মখলুকের) বা ঐ মালায়েকদের কোনো স্বাধীন ইচ্ছাশক্তি ছিল না এবং নেই। যাকে যে কাজের জন্য আল্লাহ সৃষ্টি করলেন বা যে কাজের দায়িত্ব দিলেন তারা নিখুঁতভাবে সেই কাজ করে চলল, যার সামান্যতম বিচ্যুতি নেই।

আরও পড়ুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

২. আল্লাহর ইচ্ছা হলো এমন এক সৃষ্টি করতে যে সৃষ্টির স্বাধীন ইচ্ছাশক্তি থাকবে, যে ইচ্ছা করলে আল্লাহর দেয়া নিয়ম ও দায়িত্ব মোতাবেক চলবে, ইচ্ছা করলে তা অমান্য করতে পারবে।

৩. তাই আল্লাহ আদম অর্থাৎ মানুষ সৃষ্টি করলেন। আদমের মধ্যে আল্লাহ তাঁর নিজের আত্মা (রূহ্) থেকে ফুঁকে দিলেন (সুরা হেজর ২৯) অর্থাৎ আদমের মধ্যে স্বাধীন ইচ্ছাশক্তি, যা আল্লাহ ছাড়া আর কারও নেই, তা এবং আল্লাহর অন্যান্য সকল সিফত্ বা গুণ প্রবেশ করিয়ে দিলেন। কাজেই এই নতুন অসাধারণ সৃষ্টির নাম দিলেন আল্লাহর খলিফা অর্থাৎ প্রতিনিধি।

৪. একটা বিরুদ্ধশক্তি না থাকলে কোনো পরীক্ষা (Test) সম্ভব নয় তাই ইবলিস বা শয়তানকে এই খলিফার বিরুদ্ধে দাঁড় করালেন এবং ঐ পরীক্ষার জন্য ইবলিসকে মানুষের দেহ মনের মধ্যে প্রবেশ ও তাকে প্রভাবিত করার অনুমতি ও শক্তি দিলেন (সুরা বাকারা ৩০)।

৫. ইবলিস আল্লাহকে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আহবান (Challenge) করলো এই বলে যে তোমার এই খলিফাকে আমি ফাসাদ অর্থাৎ অন্যায়, অত্যাচার, অবিচার এবং সাফাকুদ্দিমা অর্থাৎ যুদ্ধ-বিগ্রহ রক্তপাতের মধ্যে পতিত করব। আল্লাহ এই প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে গ্রহণ করে বললেন- আমি আমার প্রেরিত নবী-রসুলদের এবং হাদীদের মাধ্যমে আমার খলিফা মানুষদের জন্য এমন জীবন-ব্যবস্থা, দীন পাঠাব যে জীবন ব্যবস্থা অনুযায়ী ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাষ্ট্রীয় অর্থাৎ সমষ্টিগত জীবন পরিচালিত করলে তারা ঐ ফাসাদ এবং সাফাকুদ্দিমায় পতিত হবে না, অর্থাৎ ন্যায় বিচার ও শান্তিতে (ইসলাম শব্দের আক্ষরিক অর্থই শান্তি) পৃথিবীতে বাস করতে পারবে। এখানে এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে, ইবলিস আল্লাহকে এ চ্যালেঞ্জ দিল না যে তোমার খলিফা, প্রতিনিধিকে আমি মসজিদে, গির্জায়, মন্দিরে, সিনাগগে, প্যাগোডায় যেতে বাধা দেব, তাদের হজ্ব করতে, রোযা রাখতে, যাকাত দিতে, দান-খয়রাত করতে বা অন্য যে কোনো পুণ্য কাজে, সওয়াবের কাজে বাধা দেব। সে এই চ্যালেঞ্জ দিল যে মানুষকে সে ফাসাদ এবং সাফাকুদ্দিমায় পতিত করবে। অন্যায়, অবিচার, অশান্তি এবং যুদ্ধ-বিগ্রহ রক্তপাত, এ দু’টোই সমষ্টিগত ব্যাপার এবং ঠিক এ দু’টোই মানুষ সৃষ্টির প্রথম থেকে আজ পর্যন্ত মানব জাতির সর্বপ্রধান সমস্যা হয়ে আছে যার সমাধান আজ পর্যন্ত করা যায় নি।

৬. মানুষ জাতিকে তাঁর দেয়া জীবন-বিধান পাঠিয়ে আল্লাহ মানুষকে বললেন- ইবলিস, শয়তান আমাকে চ্যালেঞ্জ দিয়েছে যে সে তোমাদের দিয়ে আমাকে অস্বীকার করাবে, অর্থাৎ আমার পাঠানো জীবন-ব্যবস্থাকে বাদ দিয়ে তোমাদের নিজেদের দিয়ে জীবন-ব্যবস্থা তৈরি করিয়ে সেই মত তোমাদের সমষ্টিগত, অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় জীবন পরিচালিত করাবে, যার ফলে তোমরা সেই ফাসাদ এবং সাফাকুদ্দিমায় পতিত হবে। তোমরা ইবলিসের প্ররোচনায় না পড়ে আমাকে একমাত্র জীবন-বিধাতা বলে গ্রহণ করো অর্থাৎ নবী-রসুলদের মাধ্যমে আমি যে জীবন-বিধান পাঠিয়েছি তা গ্রহণ ও সামগ্রিক জীবনে প্রয়োগ করো, তাহলে তোমাদের জীবন থেকে ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয়, অর্থনৈতিক ইত্যাদি সমস্ত অন্যায়-অবিচার চলে যাবে এবং তোমাদের মধ্যে যুদ্ধ-বিগ্রহ, রক্তপাত হবে না অর্থাৎ তোমরা পূর্ণ শান্তিতে (ইসলামে) বাস করতে পারবে। আমি সর্বশক্তিমান- আমি ইচ্ছা করলেই সমস্ত মানবজাতি ইবলিসকে অস্বীকার করে আমার পাঠানো দীনকে গ্রহণ করে শান্তিতে বাস করবে (কোর’আন- সুরা আনআম- ৩৫, সুরা ইউনুস- ১০০)। কিন্তু আমি তা করব না কারণ আমার স্বাধীন ইচ্ছাশক্তি আমি তোমাদের দিয়েছি পরীক্ষা করার জন্য যে তোমরা কি করো (সুরা মোহাম্মদ- ৪)। তোমরা শয়তানের প্ররোচনায় পতিত না হয়ে আমাকে একমাত্র জীবন-বিধাতা বলে গ্রহণ করলে তার ফলস্বরূপ এ পৃথিবীতে যেমন শান্তিতে (ইসলামে) বাস করবে, তেমনি পরজীবনেও আমি তোমাদের জান্নাতে স্থান দেবো। তোমাদের ব্যক্তিগত সমস্ত গোনাহ আমি মাফ করে দেবো কারণ তাহলে ইবলিসের চ্যালেঞ্জে তোমরা আমাকে জয়ী করালে। আর যদি শয়তানের প্ররোচনায় আমার দেওয়া জীবন-বিধানকে অস্বীকার করে নিজেরা জীবন-ব্যবস্থা তৈরি করে নাও তবে তার ফলস্বরূপ তোমরা সর্বপ্রকার অন্যায় অবিচার আর রক্তপাতে ডুবে তো থাকবেই তার ওপর মৃত্যুর পর পরজীবনে আমি তোমাদের জাহান্নামের কঠিন শাস্তির মধ্যে পতিত করব। তোমাদের ব্যক্তিগত লক্ষ কোটি সওয়াব পুণ্যের দিকে আমি চেয়েও দেখব না। কারণ তাহলে ইবলিসের চ্যালেঞ্জে তোমরা আমাকে পরাজিত করে দিলে। এটা আমার প্রতিশ্রুতি।

৭. তাহলে দেখা যাচ্ছে মানব জাতির সম্মুখে মাত্র দু’টি পথ। একটি হচ্ছে নবী-রসুলদের মাধ্যমে পাঠানো জীবন-ব্যবস্থা গ্রহণ করা, অর্থাৎ আল্লাহকে একমাত্র ইলাহ বলে স্বীকার করা, অন্যটি হচ্ছে ঐ জীবন-বিধান প্রত্যাখ্যান করে নিজেরা জীবন-ব্যবস্থা তৈরি করে তাই মেনে চলা। মানবজাতিকে এই দুই পথের একটাকে গ্রহণ করতে হবে, তৃতীয় কোনো পথ নেই। আল্লাহ বললেন, যে বা যারা প্রথমটি গ্রহণ করবে এবং তা থেকে বিচ্যুত হবে না তাদের কোনো ব্যক্তিগত গোনাহ, পাপ তিনি দেখবেন না, তাদের জান্নাতে স্থান দেবেন। আর যে বা যারা নবী-রসুলদের মাধ্যমে পাঠানো জীবন-বিধান অস্বীকার করে নিজেরা জীবন ব্যবস্থা তৈরি করে নেবে তাদের ব্যক্তিগত কোনো সওয়াব, পুণ্য তিনি গ্রহণ করবেন না, তাদের জাহান্নামে প্রবেশ করাবেন। এই যে সমষ্টিগতভাবে জীবন বিধানকে গ্রহণ ও প্রত্যাখ্যানের প্রশ্নে ব্যক্তিগত জীবনকে দাম না দেয়া, এর কারণ হচ্ছে, সমষ্টিগতভাবে আল্লাহর দেয়া জীবন বিধান কার্যকর করলে সমাজ থেকে সবরকম অন্যায়-অবিচার, দুঃখ, যুদ্ধ ও রক্তপাত বিলুপ্ত হয়ে যাবে এবং ব্যক্তিগত অন্যায় প্রায় লোপ পাবে। আর মানুষের নিজের তৈরি জীবন-ব্যবস্থা চালু করলে, ব্যক্তিগতভাবে মানুষ যতো ভালো থাকার চেষ্টা করুক না কেন সমাজ সব রকম অন্যায়, অবিচার, অশান্তি ও রক্তপাতের মধ্যে পতিত হবে। উদাহরণ- বর্তমান সময়।

৮. আল্লাহকে একমাত্র ইলাহ অর্থাৎ আদেশদাতা বলে গ্রহণ করা অর্থ জীবনের প্রতি বিভাগে, প্রতি স্তরে অর্থাৎ ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয়, অর্থনৈতিক, শিক্ষা, আইন-কানুন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি প্রত্যেক অঙ্গনে গ্রহণ করা। এটাই হলো তওহীদ, সেরাতুল মুস্তাকীম, দীনুল কাইয়েমা। যে বা যারা এর উপর অনড় থাকবে, বিচ্যুত হবে না, তার এবং তাদের ব্যক্তিগত সমস্ত গোনাহ মাফ করে আল্লাহ তাঁর জন্য জান্নাত নিশ্চিত করে দিয়েছেন।

বিশ্বনবী এ কথাটি পরিষ্কার করে দিয়েছেন এই বলে যে, আল্লাহর সাথে তাঁর বান্দার চুক্তি (Contract) এই যে, বান্দা তাঁর পক্ষ থেকে যদি এই শর্ত পালন করে যে, সে আল্লাহ ছাড়া আর কাউকে ইলাহ অর্থাৎ বিধাতা বলে স্বীকার করবে না- তবে আল্লাহও তাঁর পক্ষ থেকে এই শর্ত পালন করবেন যে, তিনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন [হাদীস- মুয়ায (রাঃ) থেকে বোখারী, মুসলিম মেশকাত]। এখানে অন্য কোনো কাজের শর্ত নেই। এই একটি শর্ত পালন করলে আর কোনো গোনাহই তাকে জান্নাত থেকে ফেরাতে পারবে না; এমনকি মহানবীর উল্লেখিত ব্যভিচার ও চুরির মত কবীরা গোনাহও না। একদিকে যেমন আল্লাহ তাঁর সৃষ্ট বান্দার সঙ্গে এই চুক্তি করছেন, তেমনি এ কথাও পরিষ্কার করে বলে দিচ্ছেন যে, জীবনের যে কোনো অঙ্গনে, যে কোনো বিভাগে তাঁর আইন অস্বীকার করলে অর্থাৎ র্শেক করলে তিনি তা ক্ষমা করবেন না, লক্ষ লক্ষ সওয়াবের কাজ করলেও না, সারারাত্র তাহাজ্জুদ নামায পড়লেও না, সারা বছর রোযা করলেও না (সুরা নেসা ৪৮, ১১৬)।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
 ১ মে ২০২৬    HT All Article

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article
পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমিয়েছে চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন
চীনে প্রতি ১০ কর্মদিবস অন্তর বৈশ্বিক তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নতুন দামে ৫০ লিটার জ্বালানি কিনতে এখন চালকদের প্রায়…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    মতামত

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা
রিয়াদুল হাসান গৌড়ের রাজ দরবারে চাচা কুতুব খানের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ দাসত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে সুলতান তাজ খান কররানির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন যুবক ঈসা খাঁ ও ইসমাইল…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!
শাহাদৎ হোসেন:বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো এই মাটির কৃষক। কৃষকদের আমরা বলি, সব সাধকের বড় সাধক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারা যে ফসল ফলায়,…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!
কথক দা: আমরা যেন আইয়্যামে গুজবে বাস করছি। অপতথ্য আর অপসংবাদের ভীড়ে কোনটা সত্য আর কোনটা অর্ধসত্য এবং কোনটা মিথ্যা তা বোঝা খুবই মুশকিল। একসময়…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান
এম আর হাসান:খুররম খান পন্নী ছিলেন উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইতিহাসের এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর জীবন ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান পর্ব এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ- এই তিনটি…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?
শাহাদৎ হোসেন:ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘ ৪৭ বছরের শীতল সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে। গত ১১ এপ্রিল দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে যে…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ
ওবায়দুল হক বাদল:আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে বড় অঙ্কের ব্যয় নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার। এসব খাতে ২ লাখ…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?
মুস্তাফিজ শিহাব:বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকালে এক চরম বৈপরীত্য চোখে পড়ে। একদিকে রয়েছে বিপুল জনশক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য এবং অন্যদিকে চরম অবমাননা…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article