প্রচ্ছদ    HT All Article   রসুলাল্লাহর প্রকৃত সুন্নাহ কী?

রসুলাল্লাহর প্রকৃত সুন্নাহ কী?

২৮ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৯:৫৬ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

মো. রাশেদুল হাসান:

সুন্নাহ একটি আরবী শব্দ যার আভিধানিক অর্থ রীতি, নিয়ম, পথ, পন্থা, পদ্ধতি, আদেশ ইত্যাদি। সুরা ফাতাহ এর ২৩ নং আয়াতে আল্লাহ বলেছেন, “এটাই আল্লাহর রীতি (সুন্নাহ), যা পূর্ব থেকে চালু আছে। তুমি আল্লাহর রীতিতে কোন রদবদল পাবে না।” এই আয়াতে আল্লাহ তাঁর নিজের ক্ষেত্রে সুন্নাহ শব্দটি ব্যবহার করেছেন, যার বাংলা অনুবাদ করা হয়েছে, “আল্লাহর রীতি বা ডধু ড়ভ অষষধয। আব্দুল্লাহ ইউসুফ আলী ও মারমাডিউক পিকথল সুন্নাহ শব্দের অনুবাদ করেছেন “The practice (Approved) of Allah” অর্থ আল্লাহর রীতি, চর্চা, কর্ম ইত্যাদি।

রসুলের সুন্নাহ কী?
আদম (আ.) থেকে শুরু করে শেষ নবী মোহাম্মদ (দ.) পর্যন্ত আল্লাহ যতো নবী রসুল (আ.) মানবজাতির পথ প্রদর্শনের জন্য পাঠিয়েছেন তাদের প্রত্যেককেরই মূল-মন্ত্র হচ্ছে তওহীদ, আল্লাহর সার্বভৌমত্ব অর্থাৎ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। স্থান, কাল ও পাত্রের বিভিন্নতার কারণে দীনের অর্থাৎ জীবন ব্যবস্থার আইন-কানুন, দণ্ডবিধি, ইবাদতের পদ্ধতি ইত্যাদি বিভিন্ন হয়েছে কিন্তু ভিত্তি, মূলমন্ত্র একচুলও বদলায় নি। সেটা সব সময় একই থেকেছে- আল্লাহর সার্বভৌমত্ব, তওহীদ অর্থাৎ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। এই সার্বভৌমত্বের, তওহীদেরই অপর নাম হচ্ছে সিরাতুল মুস্তাকীম, দীনুল-কাইয়্যেমা, চিরন্তন, শাশ্বত, সনাতন জীবন পথ। প্রেরিত প্রত্যেক নবী-রসুলকে আল্লাহ এ একটি দায়িত্ব প্রদান করেছেন যেন তারা তাদের নিজ নিজ জাতিকে এই তওহীদের অর্থাৎ আল্লাহর সার্বভৌমত্বের অধীনে নিয়ে আসে। নবী-রসুলদের এই ধারাবাহিকতায় আল্লাহ যাকে শেষ নবী হিসেবে পাঠালেন তিনিই হচ্ছেন আমাদের শেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ রসুল মোহাম্মদ (দ.)। আল্লাহ তাঁকেও এই একই মূলমন্ত্র দিয়ে প্রেরণ করলেন। পূর্ববর্তী সমস্ত নবী রসুলদের সঙ্গে তাঁর পার্থক্য হল এই যে, পূর্ববর্তী নবীদের দায়িত্ব সীমিত ছিল নির্দিষ্ট একটি জাতি, গোষ্ঠি বা গোত্রের মধ্যে কিন্তু শেষ রসুলের উপর যে দায়িত্ব অর্পন করা হল তা ছিল সমগ্র পৃথিবীর জন্য। আল্লাহ বললেন, “আমি আমার রসুলকে সঠিক পথ প্রর্দশন (হেদায়াহ) এবং সত্য দীন (দীনুল হক) দিয়ে প্রেরণ করলাম এই জন্যে যে তিনি যেন একে (এই হেদায়াহ ও জীবনব্যবস্থাকে) পৃথিবীর অন্যান্য সমস্ত জীবনব্যবস্থার উপর বিজয়ী করেন (সুরা আল ফাতাহ ২৮, সুরা আত তওবা ৩৩ ও সুরা আস সফ ৯)।” অর্থাৎ আল্লাহ তাঁর শেষ রসুলকে দায়িত্ব দিলেন এই দীনুল ইসলামকে সমস্ত পৃথিবীর ওপর বিজয়ী ও প্রতিষ্ঠা করার।

আরও পড়ুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

কোর’আনের এই তিনটি আয়াত থেকে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে যে, আল্লাহ তাঁর নবীর মাধ্যমে শুধু হেদায়াহ এবং সত্যদীনই দিলেন না, তিনি তাঁর নবীর উপর একই সাথে এই দীন পৃথিবীব্যাপী প্রতিষ্ঠার দায়িত্বও দিলেন। অর্থাৎ পৃথিবীতে, মানব জাতির মধ্যে আল্লাহর রসুলকে প্রেরণের উদ্দেশ্য একটি নয়, দুইটি। একটি রসুলের মাধ্যমে হেদায়াহ ও সত্য দীন পাঠানো, দ্বিতীয়টি সেই হেদায়াহ ও দীনকে সমগ্র মানব জীবনে প্রতিষ্ঠা করা। কারণ সাধারণ জ্ঞানেই বোঝা যায় সে দীন, জীবনব্যবস্থা যদি মানুষের জীবনে কার্যকরই না হয় তবে তা রসুলের মাধ্যমে পৃথিবীতে পাঠানো পুরোপুরি অর্থহীন। একটি সংবিধান সেটি যত সুন্দর, যতো নিখুঁতই হোক না কেন, সেটা একটি জনসমষ্টি বা জাতির ওপর প্রয়োগ ও কার্যকর না করা হলে সেটা যেমন অর্থহীন হয়ে পড়ে, তেমনি তওহীদের ওপর ভিত্তি করা দীনুল ইসলাম, দীনুল হকের সংবিধান কোর’আনকে মানব জীবনের সর্বস্তরে, সর্ব অঙ্গনে প্রয়োগ ও কার্যকর না করতে পারলে সেটাও অর্থহীন। তাই আল্লাহ তাঁর রসুলকে ঐ উভয় দায়িত্ব দিয়েই পৃথিবীতে প্রেরণ করলেন।

এখন প্রশ্ন হল, এই জীবনব্যবস্থাকে সমস্ত পৃথিবীর উপর প্রতিষ্ঠা করার মত বিরাট, বিশাল কাজে সাফল্য অর্জন করার প্রক্রিয়া কী হবে? আল্লাহ তাঁর রসুলকে এত বড় কাজের দায়িত্ব দিলেন কিন্তু এ কাজ কিভাবে করতে হবে সে প্রক্রিয়া কি মহান আল্লাহ প্রেরণ করবেন না? অবশ্যই করবেন কারণ আল্লাহর নামসমূহের মধ্যে একটি নাম হচ্ছে আল্লাহ সোবহান অর্থাৎ তিনি নিখুঁত, ত্রুটিহীন। আল্লাহর রসুল তাঁর একটি হাদিসে বলেছেন, “আমি আদিষ্ট হয়েছি সমগ্র মানবজাতির (মধ্যে বিরাজিত অন্যায়ের) বিরুদ্ধে সর্বাত্মক সংগ্রাম চালানোর জন্য যে পর্যন্ত না সমস্ত মানুষ আল্লাহকে একমাত্র ইলাহ এবং আমাকে রসুল হিসেবে মেনে না নেয় (হাদীস- আবদাল্লাহ বিন ওমর (রা.) থেকে- বোখারী, মেশকাত)। অর্থাৎ পৃথিবীতে সত্য, ন্যায়, সুবিচার, শান্তি এক কথায় ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে হবে সংগ্রামের মাধ্যমে। এ সিদ্ধান্ত কি রসুলের নিজের? না, তাঁর নিজের নয়, কারণ তিনি বলেছেন “আমি আদিষ্ট হয়েছি।” তিনি আদিষ্ট অর্থাৎ আদেশ প্রাপ্ত হয়েছেন স্বয়ং আল্লাহর থেকে অর্থাৎ স্বয়ং আল্লাহর সিদ্ধান্ত হলো এটা। আল্লাহর রসুল আল্লাহর এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য মানুষকে তওহীদের দাওয়াত দেয়া শুরু করলেন। সাধারণ জ্ঞানেই বুঝা যায় সমস্ত পৃথিবীতে এই শেষ জীবন বিধান প্রতিষ্ঠা করার মত এত বড় বিশাল কাজ এক জীবনে করা সম্ভব নয়। এজন্য তিনি একটি জাতি গঠন করলেন, যে জাতিটির নাম উম্মতে মোহাম্মদী। বিশ্বনবী (দ.) তাঁর নবী জীবনের তেইশ বছরে তাঁর আসহাবদের নিয়ে সর্বাত্মক সংগ্রাম করে সমস্ত আরব উপদ্বীপে এই শেষ জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করলেন অর্থাৎ ইসলামের শেষ সংস্করণ সমস্ত মানবজাতির একটি অংশে কার্যকরী হল। কিন্তু রসুলের প্রতি আল্লাহর দেয়া দায়িত্ব অসম্পূর্ণ রয়ে গেল, কারণ তাঁর উপর শুধু আরব উপদ্বীপের দায়িত্ব ছিল না তাঁর উপর সমগ্র পৃথিবী, সমগ্র মানবজাতির দায়িত্ব ছিল। এর আগে কোন নবীর ওপর এত বড় দায়িত্ব অর্পিত হয় নি। যতদিন সমস্ত পৃথিবীর সমগ্র মানবজাতির ওপর এই শেষ জীবনবিধান সামগ্রিকভাবে প্রতিষ্ঠা না হবে ততদিন মানুষ আজকের মতই যুদ্ধবিগ্রহ, অশান্তি, অবিচারের মধ্যে ডুবে থাকবে- শান্তি আসবে না।

এখানে একটা বিষয় খুব সাবধানের সাথে খেয়াল রাখতে হবে যে, একটা হল দীন, জীবন-ব্যবস্থা আর অপরটা হল সেই জীবন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা (কার্যকরী) করা। নবী করীম (দ.) বিদায় হজ্বের ভাষণে তাঁর আসহাবদের নিকট আল্লাহকে সাক্ষী রেখে জানতে চেয়েছেন তাঁর উপর যে কোর’আন অর্থাৎ জীবনব্যবস্থা নাযেল হলো তা তিনি পূর্ণভাবে পৌছে দিয়েছেন কিনা। উপস্থিত সকল আসহাব সমস্বরে উত্তর দিলেন, হ্যাঁ আল্লাহ সাক্ষী, আপনি পৌঁছে দিয়েছেন। তাহলে আমরা পরিষ্কার বুঝলাম রসুলের উপর দুইটি দায়িত্ব ছিল একটি আল্লাহর দেওয়া জীবন বিধান মানব জাতিকে পৌছে দেওয়া (যেটা তিনি সম্পূর্ণ করেছেন), অন্যটি হল সেই জীবন বিধান মানুষের সামগ্রিক জীবনে প্রতিষ্ঠা করা। বিদায় হজ্জ্বে রসুল প্রথম অংশটির পূর্ণ হওয়ার কথা বলেছেন, কিন্তু দ্বিতীয় যে দায়িত্ব অর্থাৎ সমস্ত পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠা (কায়েম) তখনও হয় নি। রসুলের জীবদ্দশায় শুধুমাত্র আরব উপদ্বীপে এই পূর্ণ দীন, জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, রসুল চলে যাওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই বাকি দুনিয়ায় এই দীন প্রতিষ্ঠার ভার পড়ল তাঁর উম্মাহর উপর।

রসুল তাঁর আসহাবদের সাথে নিয়ে সমস্ত আরবে শেষ জীবন বিধান প্রতিষ্ঠা করে চলে গেলেন। তাঁর তৈরি করা বহির্মুখী জাতি কিন্তু তাদের নেতার দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন ছিল। তাই ইতিহাসে দেখি বিশ্বনবী (দ.) ওফাতের সঙ্গে সঙ্গে তাঁর উম্মাহ পৃথিবীর সমস্ত কিছু আল্লাহর রাস্তায় কোরবান করে তাদের মাতৃভূমি আরব থেকে বের হয়ে পড়েছিলেন। ইতিহাসে রয়েছে একটা জাতি তাদের মাতৃভূমি ত্যাগ (migration) করে অন্যত্র চলে যাওয়ার পিছনে যে কারণগুলো ছিল সেগুলো মূলত অন্য জাতির আক্রমণ, দ্বিগ্বিজয়, আবহাওয়ার পরিবর্তন হয়ে দেশ বাসের অযোগ্য হয়ে যাওয়া, দুর্ভিক্ষ ইত্যাদি। কিন্তু একটা আদর্শ প্রতিষ্ঠা করার জন্য একটা জাতির সমস্ত সদস্য দেশ থেকে বের হয়ে যাওয়া মানুষের ইতিহাসে বোধহয় আর নেই। আমরা যদি আমাদের মুসলিম জীবনের অর্থ খুঁজে পেতে চাই, রসুলের সুন্নাহকে বুঝতে চাই তবে ইতিহাসের এই নজীরবিহীন ঘটনাকে আমাদের গভীর ভাবে উপলব্ধি করতে হবে। প্রথম কথা হলো বিশ্বনবীর সঙ্গীরা তাদের নেতার ওফাতের পরপরই এই যে বাড়ি-ঘর, সহায় সম্পদ ইত্যাদি ত্যাগ করে অস্ত্র হাতে আরব তথা তাদের মাতৃভূমি থেকে বের হয়ে পড়লেন।

লক্ষণীয় বিষয় হলো, এ কাজটি সমস্ত জাতি একসাথে শুরু করে দিলেন এবং পাঁচ লক্ষ মানুষের জাতিটির মধ্য থেকে একটি মানুষও এর প্রতিবাদ তো দূরের কথা, সর্ব প্রকারে ঐ কাজে সাহায্য করলেন। বিশ্বনবীর অনেক হাদীস থেকে এটা নিশ্চিত হওয়া যায় যে রসুলের ইন্তেকালের পর তাঁর আসহাবগণ যে কাজ শুরু করলেন ঐ কাজ রসুলের রেখে যাওয়া অসম্পূর্ণ কাজ, শুধু তাই নয় ঐ হাদীসগুলো থেকে পরিষ্কার হয়ে যায় যে, শেষনবী (দ.) নিশ্চিত ছিলেন যে তার আসহাবগণ (রা.) তার দেয়া শিক্ষায় সম্পূর্ণভাবে শিক্ষিত হয়েছিলেন, তার শিক্ষার মর্মবাণী তারা উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন এবং তাদের নেতার বিশ্বনবীর (দ.) প্রকৃত নায়েব, নায়েবে রসুল অর্থাৎ প্রতিনিধি হবার যোগ্যতা অর্জন করেছিলেন।

যেমন রসুলুল্লাহ (দ.) বলেছেন, “আমার আসহাবরা উজ্জ্বল তারকার মত তাদের যে কাউকে মানুষ অনুসরণ করতে পারে (হাদীস ওমর বিন খাত্তাব (রা.) থেকে রাযিন, মেশকাত)।” এর অর্থ হচ্ছে মহানবী স্বয়ং তার আসহাবদের, তাঁর সঙ্গীদের ইসলাম কী, এর উদ্দেশ্য কী, ঐ উদ্দেশ্য অর্জনের প্রক্রিয়া, সুন্নাহ সবই শিক্ষা দিয়েছেন সুতরাং প্রকৃত ইসলাম কী তা তাঁর সঙ্গী-সাথী, আসহাবদের চেয়ে বেশি কেউ জানতে ও বুঝতে পারে না, তা অসম্ভব। কারণ তারা সর্বদা আল্লাহর রসুলের সঙ্গে থেকে, অবিরত সংগ্রাম করে তাঁর প্রতিটি সুখ-দুঃখে অংশীদার হয়ে প্রকৃত ইসলামের শিক্ষা গ্রহণ করেছিলেন। আরেকটি হাদীসে বিশ্বনবী (দ.) বলেছেন, “আমার উম্মাহ ভবিষ্যতে তেহাত্তর ভাগে (ফেরকায়) বিভক্ত হয়ে যাবে। এবং ঐ তেহাত্তর ফেরকার মধ্যে একটি ফেরকা জান্নাতী আর বাকি বাহাত্তর ফেরকাই জাহান্নামী।” ঐ একমাত্র জান্নাতী ফেরকা কোনটা এ প্রশ্নের জবাবে আল্লাহর রসুল (দ.) বললেন, “যার উপর আমি ও আমার সাহাবীরা আছি (হাদীস- আবদুল্লাহ বিন আমর (রা.) থেকে- তিরমিযি, মেশকাত)।” এ ব্যাপারে অগণিত হাদীস উল্লেখ করা যায় যা থেকে প্রমাণ হয়ে যায় যে মহানবী (দ.) তার আসহাবদের প্রকৃত দ্বীন শিক্ষা দিতে সমর্থ্য হয়েছিলেন। (চলবে)

(প্রবন্ধ সম্পাদনা: রাশেদুল হাসান, নগর সম্পাদক, হেযবুত তওহীদ)

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
 ১ মে ২০২৬    HT All Article

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article
পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমিয়েছে চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন
চীনে প্রতি ১০ কর্মদিবস অন্তর বৈশ্বিক তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নতুন দামে ৫০ লিটার জ্বালানি কিনতে এখন চালকদের প্রায়…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    মতামত

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা
রিয়াদুল হাসান গৌড়ের রাজ দরবারে চাচা কুতুব খানের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ দাসত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে সুলতান তাজ খান কররানির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন যুবক ঈসা খাঁ ও ইসমাইল…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!
শাহাদৎ হোসেন:বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো এই মাটির কৃষক। কৃষকদের আমরা বলি, সব সাধকের বড় সাধক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারা যে ফসল ফলায়,…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!
কথক দা: আমরা যেন আইয়্যামে গুজবে বাস করছি। অপতথ্য আর অপসংবাদের ভীড়ে কোনটা সত্য আর কোনটা অর্ধসত্য এবং কোনটা মিথ্যা তা বোঝা খুবই মুশকিল। একসময়…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান
এম আর হাসান:খুররম খান পন্নী ছিলেন উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইতিহাসের এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর জীবন ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান পর্ব এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ- এই তিনটি…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?
শাহাদৎ হোসেন:ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘ ৪৭ বছরের শীতল সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে। গত ১১ এপ্রিল দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে যে…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ
ওবায়দুল হক বাদল:আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে বড় অঙ্কের ব্যয় নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার। এসব খাতে ২ লাখ…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?
মুস্তাফিজ শিহাব:বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকালে এক চরম বৈপরীত্য চোখে পড়ে। একদিকে রয়েছে বিপুল জনশক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য এবং অন্যদিকে চরম অবমাননা…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article