
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে দেশে প্রবাসী আয়ে বা রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। হুন্ডি প্রতিরোধে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর নজরদারি এবং ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রেরণে সরকারি প্রণোদনার ফলেই এই অভাবনীয় সাফল্য এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এই বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশের অর্থনীতিতে এক ধরনের স্বস্তির সুবাতাস বয়ে এনেছে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, রেমিট্যান্সের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত থাকলে দেশে ডলারের চরম সংকট অনেকটাই কেটে যাবে। এর ফলে আমদানি ব্যয় মেটানো সহজ হবে এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে। প্রবাসীদের পাঠানো এই অর্থ গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার পাশাপাশি দেশের সার্বিক সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচককে ইতিবাচক দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
সরকার প্রবাসীদের এই অবদানকে স্বীকৃতি দিতে বিমানবন্দরে তাদের জন্য বিশেষ লাউঞ্জ এবং দ্রুত সেবা প্রদানের মতো বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। পাশাপাশি অবৈধ পথে অর্থ প্রেরণ বন্ধ করতে মোবাইল ব্যাংকিং ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোকে আরও সুরক্ষিত করা হয়েছে। প্রবাসীরা যাতে সহজে ও নিরাপদে দেশে টাকা পাঠাতে পারেন, সেজন্য ব্যাংকগুলোর সেবার মানও বাড়ানো হয়েছে।

