প্রচ্ছদ    HT All Article   দ্বিধাগ্রস্ত ও দ্বিধাবিভক্ত সমাজ প্রগতির...

দ্বিধাগ্রস্ত ও দ্বিধাবিভক্ত সমাজ প্রগতির অন্তরায়

১৮ ডিসেম্বর ২০১৭ ১০:৪৩ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

মোহাম্মদ আসাদ আলী:
পশ্চিমাদের ন্যায় আমাদের সমাজেও ধর্মকে পরিকল্পিতভাবে উপাসনাকেন্দ্রিক করে ফেলার জোর চেষ্টা চালানো হয়েছে, ধর্মকে মসজিদ-মন্দিরের মধ্যে, ব্যক্তিজীবনের ক্ষুদ্র পরিসরে আবদ্ধ করা হয়েছে। যুগ যুগ ধরে ধর্মের শিক্ষা দ্বারা সমাজ পরিচালিত হলেও বর্তমানে ধর্ম কেবল আনুষ্ঠানিকতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। যে ধর্ম এসেছে মানুষের কল্যাণে তা এখন কেবলই ধর্মব্যবসায়ীদের স্বার্থসিদ্ধির হাতিয়ার আর পাশ্চাত্য ধারার শিক্ষিত শ্রেণিটির কাছে কাল্পনিক জুজুর ভয়।
পাশ্চাত্যের সংস্কৃতি আমাদের উজ্জ্বল আকর্ষণ নিয়ে হাতছানি দিচ্ছে, তার প্রভাবে ধর্ম ক্রমেই বিবর্ণ ও আকর্ষণহীন বিষয়ে পরিণত হচ্ছে। কিন্তু ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্তের কণিকায় মিশে আছে যা বাদ দেওয়া সহজ কাজ নয়। তবে শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে ধর্মের প্রতি সন্দেহ সৃষ্টির যে প্রচেষ্টা বিগত শতাব্দীগুলোতে চালানো হয়েছে তা খুবই সফল হয়েছে। বিশ্বাস আর অবিশ্বাসের মাঝখানে আস্থাহীন ধর্মচর্চার রশিতে ঝুলে আছে সন্দেহবাদী শিক্ষিত সমাজ। তথাকথিত আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থায় এই দ্বিধা ও সন্দেহ সৃষ্টির সচেতন প্রয়াস লক্ষ করা যায়।
এ শিক্ষাব্যবস্থায় ধর্মকে রাখা হয়েছে নামমাত্র। ধর্ম বইতে বলা হচ্ছে সমস্ত কিছুর মালিক স্রষ্টা, অথচ অন্য সকল বইয়ে ‘আল্লাহ’ শব্দটিও খুঁজে পাওয়া মুশকিল, পরোক্ষভাবে স্রষ্টার অস্তিত্বকে অস্বীকার করা হয়েছে। কৌশল করে ধর্মকে সবচেয়ে গুরুত্বহীন বিষয়ে পরিণত করা হয়েছে। ধর্মশিক্ষা বইতে যতটুকু ধর্ম শেখানো হয়েছে তার পুরোটাই ব্যক্তিগত জীবনের বিষয়, সামষ্টিক জীবন কীভাবে চলবে তা শেখানোর জন্য আছে অন্যান্য বিষয়সমূহ। বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে, আদিকালের পুরাতন স্রষ্টার আধুনিক জীবনের জটিলতার সমাধান করার মতো জ্ঞান নেই (নাউজুবিল্লাহ), তাই এ বিষয়ে তিনি নীরব। মানুষের মনকে ধর্মবিমুখ ও অবজ্ঞাপ্রবণ করে তোলার এটি হচ্ছে একটি সুদূরপ্রসারী প্রক্রিয়া। ধর্ম বলছে- সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ বাবা আদম (আ.) ও মা হাওয়াকে পৃথিবীতে প্রেরণের মাধ্যমে এই পৃথিবীতে মানুষের বসবাস শুরু। স্বাভাবিকভাবেই তাঁদেরকে মহান আল্লাহ পৃথিবীতে বসবাসের সমস্ত জ্ঞান দান করেন, ভাষা শিক্ষা দেন এবং তাঁরা স্বামী-স্ত্রী হিসাবে বসবাস করেন ও সন্তানের জন্ম দেন। অর্থাৎ মানবসৃষ্টির শুরুতেই মানুষ পরিবার গঠন করলো, আস্তে আস্তে সমাজ হলো।
কিন্তু সমাজবিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, কৃষিশিক্ষাসহ অন্যান্য বইগুলোতে বলা হচ্ছে- বানর জাতীয় প্রাণীর বিবর্তনের ফলে মানুষের সৃষ্টি (এখানে সৃষ্টিকর্তার প্রসঙ্গ স¤পূর্ণ অনুপস্থিত)। মানুষ প্রথমে কথা বলতে জানতো না (যেহেতু স্রষ্টাই নেই, বানর থেকে তার সৃষ্টি কাজেই ভাষা জানবে না এটাই স্বাভাবিক, শেখানোর তো কেউ নেই) ইশারা-ইঙ্গিতের মাধ্যমে, চিত্রাঙ্কনের মাধ্যমে, নৃত্যের মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশ করত। আস্তে আস্তে সে ভাষা আবিষ্কার করল। তারা আলাদা আলাদাভাবে বসবাস করত, একসময় তারা একসাথে বসবাস শুরু করল। তারা পোশাক পরতে জানত না, পোশাক পরা শিখল। পশু শিকার করে খেত, একসময় কোনো বুদ্ধিমতী নারী সুস্বাদু ফল খেয়ে বীজ মাটিতে বপন করল, সেখান থেকে গাছ হলো, ফল ধরল, এখান থেকে মানুষ কৃষিকাজ শুরু করল। এভাবে নারীদের মাধ্যমে কৃষিকাজের সূচনা হলো। এরপর নারীরা তার পছন্দমতো পুরুষ সঙ্গী বেছে নিয়ে একসাথে বসবাস শুরু করল- এভাবে শুরু হলো পারিবারিক জীবন (অতি সংক্ষেপে লেখার চেষ্টা করেছি)।
এই জ্ঞানগুলো সমাজবিজ্ঞানীরা কোথায় পেল আমার জানা নেই। আসলে তাদের এই মস্তিষ্কপ্রসূত বানোয়াট কথাগুলো জ্ঞান হিসাবে পাঠ্য বইয়ে দেবার একটাই উদ্দেশ্য- শিক্ষিত সমাজকে ধর্মের ব্যাপারে সন্দেহবাদী করে তোলা। যখন ইউরোপীয় সেক্যুলারিজমের জন্ম হয়েছে তখন থেকেই শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মানুষকে ধর্ম থেকে দূরে সরানোর চেষ্টা চালানো হয়েছে এবং অনেকাংশেই তারা সফলও হয়েছে। যারা শিক্ষিত হচ্ছে তারা এই জ্ঞানগুলোই সত্য বলে মেনে নিচ্ছে, এ বিষয়গুলোতে কারও দ্বিমত করতেও দেখি না।
এখন মানুষ যদি ধর্মকে সত্য বলে জানে তবে তার অন্যান্য বইয়ে পড়া সব জ্ঞানকে মিথ্যা বলে জানতে হচ্ছে আর যদি অন্য সব জ্ঞানকে সত্য বলে জানে তবে ধর্মকে মিথ্যা বলে জানতে হচ্ছে। এ কারণে মানুষ বিশ্বাসগতভাবে দুইটা মেরুতে বিভক্ত হয়ে যাচ্ছে। এক পক্ষ আরেক পক্ষের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দিচ্ছে, উভয়ের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হচ্ছে, সহিংসতার ঘটনাও ঘটছে।
এখন প্রয়োজন- সকল বইয়ের মধ্যে সত্য বিষয়টা তুলে ধরা, মিথ্যা, বানোয়াট বিষয়গুলো বাদ দেওয়া, অপরপক্ষে ধর্মকে শুধুমাত্র ব্যক্তিজীবনের ক্ষুদ্র পরিসরে বন্দী না রেখে সমাজজীবনে প্রতিষ্ঠা করা, ধর্মের বক্তব্যগুলো যৌক্তিকভাবে (যুক্তিগুলো আমাদের কাছে আছে), বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যার মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য করে উপস্থাপন করতে হবে, ধর্মকে ব্যবসায়িক হাতিয়ারে পরিণত হতে দেওয়া যাবে না। রাষ্ট্র ও ধর্মকে একমুখী করতে হবে। না হলে দ্বিধাগ্রস্ত ও দ্বিধাবিভক্ত সমাজ নিয়ে খুব বেশিদূর এগোনো সম্ভব হবে না।
লেখক: সহকারী সাহিত্য সম্পাদক, হেযবুত তওহীদ।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
 ১ মে ২০২৬    HT All Article

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article
পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমিয়েছে চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন
চীনে প্রতি ১০ কর্মদিবস অন্তর বৈশ্বিক তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নতুন দামে ৫০ লিটার জ্বালানি কিনতে এখন চালকদের প্রায়…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    মতামত

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা
রিয়াদুল হাসান গৌড়ের রাজ দরবারে চাচা কুতুব খানের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ দাসত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে সুলতান তাজ খান কররানির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন যুবক ঈসা খাঁ ও ইসমাইল…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!
শাহাদৎ হোসেন:বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো এই মাটির কৃষক। কৃষকদের আমরা বলি, সব সাধকের বড় সাধক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারা যে ফসল ফলায়,…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!
কথক দা: আমরা যেন আইয়্যামে গুজবে বাস করছি। অপতথ্য আর অপসংবাদের ভীড়ে কোনটা সত্য আর কোনটা অর্ধসত্য এবং কোনটা মিথ্যা তা বোঝা খুবই মুশকিল। একসময়…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান
এম আর হাসান:খুররম খান পন্নী ছিলেন উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইতিহাসের এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর জীবন ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান পর্ব এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ- এই তিনটি…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?
শাহাদৎ হোসেন:ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘ ৪৭ বছরের শীতল সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে। গত ১১ এপ্রিল দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে যে…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ
ওবায়দুল হক বাদল:আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে বড় অঙ্কের ব্যয় নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার। এসব খাতে ২ লাখ…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?
মুস্তাফিজ শিহাব:বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকালে এক চরম বৈপরীত্য চোখে পড়ে। একদিকে রয়েছে বিপুল জনশক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য এবং অন্যদিকে চরম অবমাননা…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article