ফাইভজির পর এবার দেশে সিক্সজি (6G) প্রযুক্তির সম্ভাবনা যাচাই করতে প্রাথমিক গবেষণা ও ট্রায়াল শুরু করেছে দেশের একটি শীর্ষ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিকমিউনিকেশন ল্যাবে এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। গবেষকরা বলছেন, এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ডেটা ট্রান্সফার স্পিড বর্তমানের চেয়ে বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।
গবেষক দল জানিয়েছে, সিক্সজি প্রযুক্তি শুধু ইন্টারনেট স্পিডই বাড়াবে না, বরং এটি ভার্চুয়াল রিয়েলিটি, হলোগ্রাম যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং স্বচালিত যানবাহনকে আরও নিরাপদ ও বাস্তব রূপ দেবে। এই ট্রায়াল সফল হলে বাংলাদেশ প্রযুক্তি বিশ্বে একটি নতুন মাইলফলক স্পর্শ করবে এবং বৈশ্বিক টেলিকম খাতে নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণ করবে।
সরকার এবং বেশ কয়েকটি দেশি-বিদেশি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এই গবেষণায় আর্থিক সহায়তা প্রদান করছে। টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে, নতুন প্রযুক্তির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে এখন থেকেই নীতিমালা তৈরির কাজ শুরু করা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে বাণিজ্যিকভাবে সিক্সজি চালুর সময় কোনো আইনি জটিলতা তৈরি না হয়।

