প্রচ্ছদ    HT All Article   জাতি আজ গোলাম কীভাবে?

জাতি আজ গোলাম কীভাবে?

২ জানুয়ারি ২০১৮ ১০:১১ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

মুস্তাফিজ শিহাব:
মহান আল্লাহ যখন আদমকে (আ.) সৃষ্টি করলেন তখন তিনি মালায়েকদের আদেশ দিয়েছিলেন আদমকে (আ.) সেজদাহ করার জন্য। সবাই সেজদাহ করলেও ইবলিস সেজদাহ করে নি। এর ফলে ইবলিসের সাথে আল্লাহর চ্যালেঞ্জ হয় যে ইবলিস আদমকে (আ.) অর্থাৎ মানুষকে আল্লাহর দেয়া সহজ সরল পথ থেকে বিচ্যুত করবে। আল্লাহর ইবলিসের এ চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলেন ও তাকে কিছু বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করে পৃথিবীতে প্রেরণ করলেন। মানুষকে আল্লাহ জান্নাতে থাকার অধিকার দিলেন কিন্তু একটি গাছের নিকট যেতে নিষেধ করলেন। কিন্তু ইবলিসের প্ররোচনায় আদম (আ.) ও মা হাওয়া জান্নাত থেকে বহিষ্কৃত হলেন এবং পৃথিবীতে চলে আসলেন। আল্লাহ তাঁদের পৃথিবীতে প্রেরণের পর শুরু হল ইবলিসের সাথে মানুষের দ্বন্দ্ব। ইবলিস যে চ্যালেঞ্জ করে এসেছিল তাতে জয়ী হবার জন্য প্রস্তুত হল। আল্লাহ সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে তিনি যুগে যুগে নবী-রসুল প্রেরণের মাধ্যমে মানুষকে সহজ সরল পথের সন্ধান দিবেন। এই বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে কোর’আনের বিভিন্ন সুরায় উল্লেখ করা হয়েছে।
ইবলিস তার কাজ করে চললো ও কাবিলের মাধ্যমে হাবিলকে হত্যা করে সর্বপ্রথম অনৈক্যের বীজ বপন করল। পরবর্তীতে মানবজাতি বৃদ্ধি পেয়েছে ও আল্লাহ যুগে যুগে তাঁর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী হাদী বা পথপ্রদর্শক প্রেরণ করেছেন। মানবজাতির মধ্যে অনেকেই এ নবী-রসুলকে গ্রহণ করে সহজ সরল পথে নিজেদের সমাজ, পরিবার, রাষ্ট্রকে পরিচালনা করেছেন আবার অনেকেই তাঁদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আল্লাহ প্রতিবার সকল নবী রসুলকে একটি মূল মন্ত্র দিয়েই প্রেরণ করেছেন এবং সেটি হচ্ছে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’- আল্লাহ ছাড়া আর কোন হুকুমদাতা মানি না। এর মাধ্যমে মানুষ আল্লাহকে সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক হিসেবে গ্রহণ করে সহজ সরল পথে নিজেদের জীবনকে পরিচালনা করেছে। কিছুদিন যেতেই তারা আবার ইবলিসের প্ররোচনায় ধর্মের শিক্ষাকে বিকৃত করে পথভ্রষ্ট হয়েছে, ফলে আবার আল্লাহ তাদেরকে পথপ্রদর্শনের জন্য নতুন নবী প্রেরণ করেছেন।
এরই ধারাবাহিকতায় মানবজাতি যখন সমগ্র মানবজাতি জাহেলিয়াতের অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল তখন আল্লাহ তাঁর সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী মুহাম্মদকে (স.) প্রেরণ করলেন। তারা তাদের পূর্ববর্তী নবীদের শিক্ষাকে ভুলে গিয়ে, ত্যাগ করে, বিকৃত করে ব্যবহার করে সমাজ, পরিবার ও রাষ্ট্র থেকে আল্লাহর হুকুমকে প্রত্যাখ্যান করে নিজেরা সে আসনে বসেছিল। তারা নবীদের শিক্ষা ন্যায়, সাম্য, শান্তিকে বাদ দিয়ে সমাজে প্রতিষ্ঠা করেছিল নিজেদের ইচ্ছে মতো শাসন অর্থাৎ ‘জোর যার মুল্লুক তার’ নীতি। সে সময়ে আল্লাহর রসুল নবুয়্যত লাভ করলেন ও সর্বপ্রথম মানুষদের ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে হুকুমদাতা মানি না’ এ কথার উপর ঐক্যবদ্ধ করা শুরু করলেন। এর ফলে তখনকার আলেম সমাজ অর্থাৎ আবু জাহেল, উৎবা, শায়েবা আল্লাহর রসুলের বিরোধিতা শুরু করলো। আল্লাহর রসুলের প্রচেষ্টায় আরব উপদ্বীপ ইসলামের সুশীতল ছায়ার অধীনে আসলো। আল্লাহর রসুলের ওফাতের পর এই উম্মাহ সর্বাত্মক সংগ্রামের মাধ্যমে আল্লাহর দীনকে প্রতিষ্ঠার জন্য বের হয়ে পড়লেন। তাঁরা সর্বাত্মক সংগ্রামের মাধ্যমে আল্লাহ-রসুলের আদর্শকে অর্ধ দুনিয়ায় প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হলেন। সেই অর্ধ দুনিয়ায় নেমে এল অর্থনৈতিক প্রাচুর্য্য, ন্যায়-সাম্য- এক কথায় অকল্পনীয় শান্তি। মুসলিমরা সমগ্র দুনিয়ায় শিক্ষকের জাতিতে পরিণত হলো। তাঁরা জ্ঞানে বিজ্ঞানে, প্রযুক্তিতে বিশ্বের অন্যান্য জাতি থেকে অনেকগুণ এগিয়ে গেল।
কিন্তু আকিদা ভুলে যাওয়ার কারণে সত্যদীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম ত্যাগ করায় আল্লাহ এ জাতিকে লানত, অভিশাপ দিলেন। এ সময় তাদের সুলতানরা অন্যান্য জাতির রাজা-বাদশাহদের মতো ভোগ-বিলাসে নিমত্ত হল। অন্যদিকে আলেম সমাজ দীনের চুলচেরা বিশ্লেষণ শুরু করলেন। আল্লাহ তাঁর রসুলের মাধ্যমে দীনের মধ্যে পূর্ববর্তী ধর্মগুলোর মতো আলাদা পুরোহিত শ্রেণী যাতে না গঠিত হয় সে বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। দীন নিয়ে যেন চুলচেরা বিশ্লেষণ করা না হয় এজন্য তিনি দীন নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে বারংবার নিষেধ করে গেছেন। একজন সাহাবা তাঁকে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে প্রশ্ন করায় তিনি উষ্মাভরে বলেছিলেন, “তোমাদের পূর্ববর্তী অনেক জাতি তাদের নবীদের এমন খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে প্রশ্ন করতো, তারপর এ উত্তরগুলো নিয়ে নানা গবেষণা করে মতভেদ সৃষ্টি করতো এবং এর ফলে তারা ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। আমি তোমাদের যতটকু বলেছি তোমরা ততটুকই কর এর বেশি আমাকে প্রশ্ন করো না।” আল্লাহর রসুলের এ হাদীস থেকে তিনটি জিনিস স্পষ্ট, একটি হল দীনের সূক্ষ্মবিচার বিশ্লেষণ করা যাবে না। দ্বিতীয়টি হল, ঐ কাজের পরিণতি জাতির বিভক্তি ও ধ্বংস ও সর্বশেষ হল রসুল যে কাজের আদেশ দিয়েছেন তার থেকে বেশি করা নিষিদ্ধ হয়ে গেল এবং আল্লাহর রসুল যে কাজ করতে নিষেধ করেছেন তা অবশ্যই বর্জনীয় ও হারাম।
কিন্তু আল্লাহর রসুলের এ জাতি তাঁর ওফাতের ৬০-৭০ বছর পর এই কাজটিই শুরু করল। যখন শাসকরা খলিফা থেকে রাজা-বাদশাহতে পরিণত হল তখন দীনে আলাদা পুরোহিত শ্রেণীর উদ্ভব হল। তারা দীনের সকল বিষয়ের চুলচেরা বিশ্লেষণ শুরু করলেন। তাদের এ অতি বিশ্লেষণের ফলে জাতির মধ্যে শুরু হলো বিভক্তি, বাদানুবাদ, তর্কাতর্কি সৃষ্টি করে জাতিকে ঐক্যহীন করে ফেলল। সহজ সরল দীনকে জটিলতার, দুর্বোধ্যতার চরমে নিয়ে সাধারণ মানুষের বোঝার বাইরে নিয়ে গেল। ভারসাম্যপূর্ণ দীনকে ভারসাম্যহীন সুফীবাদ আমদানী করে উম্মাহর বিস্ফোরণমুখী (Explosive), বহিমুর্খী (Extrovert) চরিত্রকে উল্টিয়ে একেবারে অনঢ় (Static) ও অন্তর্মুখী (Introvert) চরিত্রে পরিবর্তন করে দিয়েছে। এ কাজের ফলেই পৃথিবী সর্বশ্রেষ্ঠ জাতি সর্ব নিকৃষ্ট জাতিতে পরিণত হয়ে গেল। এর ফলে মোঙ্গলীয় থেকে হালাকু খান এসে মুসলিম সাম্রাজ্যের প্রাণকেন্দ্র বাগদাদকে ধ্বংস করে দিলো। খলিফাকে স্ববংশে নির্মূল করে দিল। পরবর্তীতে মুসলিম সাম্রাজ্যের উপর ইউরোপীয় খ্রিষ্টান জাতিগুলো আক্রমণ চালালো এবং মুসলিম শাসিত সকল অঞ্চলকে নিজেদের করায়ত্ব করে নিল। জাতি সম্পূর্ণভাবে তাদের কাছে পরাজিত হলো এবং পরিণত হলো অন্যান্য জাতির ঘৃণিত ক্রীতদাসে। এখনও তারা দাস হয়েই জীবন কাটিয়ে যাচ্ছে।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
 ২ মে ২০২৬    HT All Article

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
 ১ মে ২০২৬    HT All Article

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article
পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমিয়েছে চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন

জ্বালানির দাম কমালো চীন জ্বালানির দাম কমালো চীন
চীনে প্রতি ১০ কর্মদিবস অন্তর বৈশ্বিক তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নতুন দামে ৫০ লিটার জ্বালানি কিনতে এখন চালকদের প্রায়…
 ২৯ এপ্রিল ২০২৬    মতামত

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা
রিয়াদুল হাসান গৌড়ের রাজ দরবারে চাচা কুতুব খানের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ দাসত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে সুলতান তাজ খান কররানির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন যুবক ঈসা খাঁ ও ইসমাইল…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!
শাহাদৎ হোসেন:বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো এই মাটির কৃষক। কৃষকদের আমরা বলি, সব সাধকের বড় সাধক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারা যে ফসল ফলায়,…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!

গুজবের মহামারী; সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার!
কথক দা: আমরা যেন আইয়্যামে গুজবে বাস করছি। অপতথ্য আর অপসংবাদের ভীড়ে কোনটা সত্য আর কোনটা অর্ধসত্য এবং কোনটা মিথ্যা তা বোঝা খুবই মুশকিল। একসময়…
 ২৭ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান

খুররম খান পন্নী: রাজনীতি, কূটনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবস্থান
এম আর হাসান:খুররম খান পন্নী ছিলেন উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইতিহাসের এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর জীবন ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান পর্ব এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ- এই তিনটি…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ফের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আশা কতটা?
শাহাদৎ হোসেন:ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘ ৪৭ বছরের শীতল সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে। গত ১১ এপ্রিল দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে যে…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ

ঋণের চাপে ‘ক্লান্ত’ অর্থনীতি সুদের ভর্তুকিতেই যাবে বাজেটের বড় অংশ
ওবায়দুল হক বাদল:আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে বড় অঙ্কের ব্যয় নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার। এসব খাতে ২ লাখ…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য: নিছক আলোচনা নাকি বাস্তবতার দাবি?
মুস্তাফিজ শিহাব:বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকালে এক চরম বৈপরীত্য চোখে পড়ে। একদিকে রয়েছে বিপুল জনশক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য এবং অন্যদিকে চরম অবমাননা…
 ২৬ এপ্রিল ২০২৬    HT All Article