কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের সাথে সাথে এর সম্ভাব্য অপব্যবহার ঠেকাতে সরকার একটি নতুন ও কঠোর নীতিমালা প্রকাশ করেছে। শুক্রবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এই নীতিমালায় ডিপফেক ভিডিও তৈরি, ব্যক্তিগত তথ্য চুরি এবং স্বয়ংক্রিয় প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর মতো অপরাধগুলোর বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করা হয়েছে।
নতুন নীতিমালায় বলা হয়েছে যে, যেকোনো এআই ভিত্তিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে দেশে কার্যক্রম পরিচালনার আগে লাইসেন্স গ্রহণ করতে হবে এবং তাদের অ্যালগরিদম কিভাবে কাজ করে তার একটি স্বচ্ছ প্রতিবেদন সরকারকে জমা দিতে হবে। বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোতে এআই দ্বারা তৈরি কনটেন্টে অবশ্যই ‘এআই জেনারেটেড’ ওয়াটারমার্ক থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত না হয়।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা সরকারের এই পদক্ষেপকে সময়োপযোগী বলে প্রশংসা করেছেন। তবে তারা এই আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং গবেষণার পথ যেন বাধাগ্রস্ত না হয়, সেদিকে নজর রাখার পরামর্শ দিয়েছেন। সরকার জানিয়েছে, প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের পাশাপাশি নাগরিকদের ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এই নীতিমালার প্রধান উদ্দেশ্য।

