আসন্ন জাতীয় বাজেটকে সামনে রেখে দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার কৌশল নিয়ে জাতীয় সংসদে একটি বিশেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ এলাকার উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান বাড়াতে বিভিন্ন প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। বিশেষ করে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও কৃষি খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়।
অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী জানান, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যেও দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে সরকার নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আগামী বাজেটে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এছাড়া সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতা বাড়িয়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সহায়তা করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যরা নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং বাজার নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান। তারা ভ্যাট ও ট্যাক্স কাঠামো সহজ করারও প্রস্তাব দেন যাতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা টিকে থাকতে পারে। মে মাসের শেষ নাগাদ এই বাজেটের একটি চূড়ান্ত খসড়া মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের কথা রয়েছে।

